র‍্যাচেল ভাইস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
র‍্যাচেল ভাইস
Rachel Weisz 2018.jpg
২০১৮ সালের এপ্রিলে মন্টক্লেয়ার চলচ্চিত্র উৎসবে ভাইস
স্থানীয় নাম Rachel Weisz
জন্ম র‍্যাচেল হ্যানা ভাইস
(১৯৭০-০৩-০৭) ৭ মার্চ ১৯৭০ (বয়স ৪৮)
ওয়েস্টমিনস্টার, লন্ডন, ইংল্যান্ড
বাসস্থান লন্ডন, ইংল্যান্ড
নাগরিকত্ব যুক্তরাজ্য
যুক্তরাষ্ট্র
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ট্রিনিটি হল, ক্যামব্রিজ
পেশা
  • অভিনেত্রী
  • ফ্যাশন মডেল
কার্যকাল ১৯৯২-বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গী ড্যানিয়েল ক্রেইগ (বি. ২০১১)
সঙ্গী ড্যারেন আরোনোফস্কি
(২০০১–১০)
সন্তান
আত্মীয় মিনি ভাইস (বোন)
পুরস্কার পূর্ণ তালিকা

র‍্যাচেল হ্যানা ভাইস (ইংরেজি: Rachel Hannah Weisz, /vs/;[১] জন্ম: ৭ই মার্চ, ১৯৭০)[ক] হলেন একজন ব্রিটিশ অভিনেত্রী। তিনি ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে টেলিভিশন নাটক দিয়ে অভিনয় শুরু করেন। এই দশকে তার অভিনীত টেলিভিশন নাটকগুলো হল ইনস্পেক্টার মোর্স, স্কারলেট অ্যান্ড ব্ল্যাকসেকেন্ড অ্যাডভোকেটস। ১৯৯৪ সালে ডেথ মেশিন দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। কিয়ানু রিভসমরগান ফ্রিম্যানের বিপরীতে চেইন রিঅ্যাকশন (১৯৯৬) দিয়ে তিনি হলিউডে আসেন।[৩]

তিনি মঞ্চনাটকেও অভিনয় করেছেন। ১৯৯৪ সালে তিনি নোয়েল কাওয়ার্ডের নাটক ডিজাইন ফর লিভিং দিয়ে প্রশংসা অর্জন করেন এবং সবচেয়ে সম্ভাবনাময় নবাগত হিসেবে লন্ডন ক্রিটিকস সার্কেল পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তার উল্লেখযোগ্য মঞ্চ অভিনয় হল ১৯৯৯ সালের ডোনমার ওয়্যারহাউজের টেনিসি উইলিয়ামসের সাডেনলি, লাস্ট সামার এবং ২০০৯ সালের আ স্ট্রিটকার নেম্‌ড ডিজায়ারআ স্ট্রিটকার নেম্‌ড ডিজায়ার নাটকে তার ব্লাঞ্চ দুবোয়া চরিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে অলিভিয়ে পুরস্কার লাভ করেন।

ভাইস ১৯৯৯ সালে দ্য মমি ও. ২০০১ সালে দ্য মমি রিটার্নস চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এরপর তিনি এনিমি অ্যাট দ্য গেটস (২০০১), অ্যাবাউট আবয় (২০০২), কনস্ট্যান্টিন (২০০৫), এবং দ্য ফাউন্টেন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৫ সালে রেফ ফাইঞ্জের বিপরীতে নাট্য থ্রিলারধর্মী দ্য কনস্ট্যান্ট গার্ডেনার চলচ্চিত্রে তার ভূমিকার জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রীর জন্য একাডেমি পুরস্কার, গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারস্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার লাভ করেন। ২০০৬ সালে ভাইস বর্ষসেরা ব্রিটিশ শিল্পী হিসেবে বাফটা ব্রিটানিয়া পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ২০১৩ সালে অজ দ্য গ্রেট অ্যান্ড পাওয়ারফুল এবং ২০১৫ সালে ইয়থদ্য লবস্টার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

ভাইস ২০১৬ সালে ডেনিয়াল চলচ্চিত্রে ডেবোরাহ লিপস্টাট চরিত্রে অভিনয় করেন এবং ২০১৭ সালে ডাফনে দু মরিয়ে রচিত মাই কাজিন র‍্যাচেল উপন্যাস অবলম্বনে একই নামের চলচ্চিত্রে নাম ভূমিকায় কাজ করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৯২-১৯৯৮: টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে আগমন[সম্পাদনা]

১৯৯২ সালে ভাইস ইনস্পেক্টার মোর্স ধারাবাহিকের "টোয়ালাইট অব দ্য গড্‌স" পর্বে অভিনয়ের পর সেকেন্ড অ্যাডভোকেট টেলিভিশন চলচ্চিত্রে এবং বিবিসির নাট্যধর্মী স্কারলেট অ্যান্ড ব্ল্যাক ধারাবাহিকে ইউয়ান ম্যাকগ্রেগরের বিপরীতে অভিনয় করেন।[৪] বিবিসি স্ক্রিন টু-এর একঘন্টা দৈর্ঘ্যের ডার্টি সামথিং (১৯৯২) ছিল ভাইসের অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র। এতে তিনি বেকা চরিত্রে অভিনয় করেন, যে গ্ল্যাস্টনবারি উৎসবে ডগ নামক এক পরিব্রাজকের সাথে পরিচিত হন এবং তার প্রেমে পড়েন। ছবির প্রথম দৃশ্য ঐ উৎসবেই ধারণ করা হয়েছিল।

ডেথ মেশিন (১৯৯৪) চলচ্চিত্রে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ভাইসের মূলধারার চলচ্চিত্র কর্মজীবন শুরু হয়।[৪] তিনি প্রথম মূল চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান ১৯৯৬ সালে চেইন রিঅ্যাকশন চলচ্চিত্রে। এতে তিনি কিয়ানু রিভসমরগান ফ্রিম্যানের বিপরীতে কাজ করেন।[৫] ছবিটি নেতিবাচক সমালোচনা লাভ করে ও রটেন টম্যাটোস ওয়েবসাইটে এর রেটিং স্কোর ১৬%[৬] এবং অল্প পরিমাণ আয় করে।[৭] পরবর্তীতে তিনি বেরনার্দো বেরতোলুচ্চি পরিচালিত স্টিলিং বিউটি চলচ্চিত্রে মিরান্ডা ফক্স চরিত্রে অভিনয় করেন।[৮] এই কাজের পর তিনি "ইংরেজ গোলাপ" খ্যাতি লাভ করেন।[৯]

স্টিলিং বিউটি চলচ্চিত্রের সাফল্যের পর তিনি ১৯৯৭ সালে মার্কিন নাট্যধর্মী চলচ্চিত্র সুইপ্ট ফ্রম দ্য সি[১০] এবং ১৯৯৮ সালে ব্রিটিশ হাস্যরসাত্মক-নাট্যধর্মী টেলিভিশন চলচ্চিত্র মাই সামার উইথ ডেস, মাইকেল উইন্টারবটমের অপরাধধর্মী চলচ্চিত্র আই ওয়ান্ট ইউ[১১] এবং অ্যাঞ্জেলা হুথের দ্য ল্যান্ড গার্লস বই অবলম্বনে ডেভিড লিল্যান্ড নির্মিত একই নামের চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।[১২]

১৯৯৯-২০০৩: মমি ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি[সম্পাদনা]

দ্য ব্রাদার্স ব্লুম চলচ্চিত্রের প্রেস কনফারেন্সে ভাইস ভক্তদের অটোগ্রাফ দিচ্ছেন, সেপ্টেম্বর ২০০৮।

১৯৯৯ সালে ভাইস ইতিহাস আশ্রিত সানশাইন চলচ্চিত্রে গ্রেটা চরিত্রে অভিনয় করেন।[১৩] একই বছর তিনি রোমাঞ্চকর চলচ্চিত্র দ্য মমি দিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করেন। এতে তিনি ব্রেন্ডন ফ্রেজারের বিপরীতে প্রধান নারী ভূমিকায় অভিনয় করেন। এতে তিনি ইংরেজ মিশরবিদ ইভেলিন কার্নাহান ভূমিকায় অভিনয় করেন, যে কাল্পনিক প্রাচীন মিশরীয় শহর হামুনাপ্ত্রায় একটি প্রাচীন বই উদ্ধারের জন্য যান।[১৪] এরপর ২০০১ সালে তিনি এই চলচ্চিত্রের অনুবর্তী পর্ব দ্য মমি রিটার্নস চলচ্চিত্রে কাজ করেন। ছবিটি বিশ্বব্যাপী $৪৩৩ মিলিয়ন আয় করে,[১৫] যা প্রথম চলচ্চিত্রের আয়ের ($২৬০ মিলিয়ন) চেয়ে বেশি ছিল।[১৬] এই দুই চলচ্চিত্রের মধ্যবর্তী সময়ে তিনি বিউটিফুল ক্রিয়েচার্স (২০০০)[৪] এবং এনিমি অ্যাট দ্য গেটস (২০০১) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।[১৭] ২০০২ সালে নিক হর্নবির ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হাস্যরসাত্মক নাট্যধর্মী অ্যাবাউট আ বয় চলচ্চিত্রে হিউ গ্রান্টের বিপরীতে অভিনয় করেন।[১৮] পরের বছর তিনি জন গ্রিশামের থ্রিলার উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত দ্য রানঅ্যাওয়ে জুরি চলচ্চিত্রে ডাস্টিন হফম্যান, জন কুসাক ও জিনি হেকম্যানের সাথে অভিনয় করেন[১৯] এবং প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক নাট্যধর্মী নাটক দ্য শেপ অব থিংস-এ অভিনয় করেন।[২০]

২০০৪-০৯: সাফল্য অর্জন[সম্পাদনা]

২০০৪ সালে ভাইস বেন স্টিলার, জ্যাক ব্ল্যাক ও ক্রিস্টোফার ওয়াকেনের সাথে হাস্যরসাত্মক এনভি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়।[২১] ভ্যারাইটি সাময়িকী লিখে, ভাইস ও অ্যামি পোহলার "তাদের সামর্থের চেয়ে কম সময় পেয়েছিলেন।"[২২] তার পরবর্তী কাজ হল হেলব্লেজার কমিক বই অবলম্বনে কিয়ানু রিভসের বিপরীতে অতিপ্রাকৃত চলচ্চিত্র কনস্ট্যান্টিন (২০০৫)।[২৩] থিয়েটার থ্রেড তার অভিনয়কে "সন্দেহপ্রবণ চরিত্রায়নে কার্যকর এবং পাশাপাশি ভীতিপ্রদও।"[২৪]

২০০৭ সালের জানুয়ারিতে ভাইস

ভাইস পরবর্তীতে ২০০৫ সালে জন ল্য কার রচিত দ্য কনস্ট্যান্ট গার্ডেনার উপন্যাস অবলম্বনে ফার্নান্দো মেইরেলে নির্মিত একই নামের থ্রিলারধর্মী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।[২৫] কেনিয়ার কিবেরা ও লইয়াঙ্গালানির বস্তিতে চিত্রায়িত[২৬][২৭] এই চলচ্চিত্রে তিনি সমাজকর্মী টেসা কোয়াইল চরিত্রে অভিনয় করেন।[২৮] ছবিটি সমাদৃত হয়[২৯] এবং ভাইস শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রীর জন্য একাডেমি পুরস্কার,[৩০] গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার[৩১]স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার লাভ করেন।[৩২] দ্য গার্ডিয়ান লিখে, এই ছবিটি "তাকে প্রথম সারি ব্রিটিশ অভিনয়শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে",[৩৩] অন্যদিকে বিবিসি লিখে, "ভাইস ব্যতিক্রমধর্মী, অভিনয়ে তার স্বাভাবিক ভাবভঙ্গির সাথে চলচ্চিত্র তারকা কারিশমা তার প্রতি আকৃষ্ট করে।"[৩৪] ২০০৬ সালে তিনি বর্ষসেরা ব্রিটিশ অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা ব্রিটানিয়া পুরস্কার লাভ করেন।[৩৫]

২০০৬ সালে ভাইস ড্যারেন আরোনোফস্কি পরিচালিত প্রণয়ধর্মী নাট্য দ্য ফাউন্টেন চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন।[৩৬] সান ফ্রান্সিস্কো ক্রনিকল তার রাণী ইসাবেল চরিত্রে অভিনয়কে অন্যান্য চরিত্রের চেয়ে "কম প্রত্যয়জনক" বলে উল্লেখ করে।[৩৭] একই বছর তিনি কল্পনাধর্মী চলচ্চিত্র এরাগন-এ সাফিরা দ্য ড্রাগন চরিত্রের জন্য কণ্ঠ দেন[৩৮] এবং পাণ্ডুলিপির কারণে দ্য মমি: টোম্ব অব দ্য ড্রাগন এম্পেরার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।[৩৯][৪০] ফলে তার স্থলে মারিয়া বেলো অভিনয় করেন।[৪১] ভাইসের পরবর্তী চলচ্চিত্র ছিল ওং কার-ওয়াই পরিচালিত নাট্যধর্মী মাই ব্লুবেরি নাইট্‌স (২০০৭) এবং রিয়ান জনসন পরিচালিত দ্য ব্রাদার্স ব্লুম (২০০৮)।[৪২] ২০০৯ সালে তিনি আলেহান্দ্রো আমেনাবার পরিচালিত স্পেনীয়-ইংরেজি ভাষার ঐতিহাসিক নাট্যধর্মী চলচ্চিত্র আগোরা-য় আলেক্সান্দ্রিয়ার হিপাতিয়া চরিত্রে অভিনয় করেন।[৪৩] দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস তার চরিত্রটিকে "দক্ষ" ও "অনুভূতি-প্রবণ উপস্থিতি" বলে উল্লেখ করে।[৪৪]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে ভাইস।

২০০১ সালে গ্রীষ্মে ভাইস মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা ড্যারেন আরোনোফস্কি সাথে প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত হন। লন্ডনের আলমিডা থিয়েটারে তাদের প্রথম পরিচয় হয়, সেখানে তারা দ্য শেপ অব থিংস-এ শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেছিলেন। ভাইস পরের বছর আরোনোফস্কির সাথে নিউ ইয়র্ক চলে যান।[৪৫] ২০০৫ সালে তাদের বাগদান হয়। তাদের পুত্র হেনরি ২০০৬ সালের ৩১শে মে জন্মগ্রহণ করে।[৪৬][৪৭] তারা ম্যানহাটনের ইস্ট ভিলেজে বসবাস করতেন। ২০১০ সালে নভেম্বরে ভাইস ও আরোনোফস্কি ঘোষণা দেন যে তারা কয়েক মাস যাবত আলাদা রয়েছেন, কিন্তু তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু রয়ে যান এবং দুজনে যৌথভাবে তাদের সন্তানের লালনপালনের দায়িত্ব নেন।[৪৮]

২০১০ সালে ডিসেম্বরে ভাইস ইংরেজ অভিনেতা ড্যানিয়েল ক্রেইগের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান এবং ২০১১ সালের ২২শে জুন নিউ ইয়র্কে এক ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের বিয়েতে ভাইসের পুত্র ও ক্রেইগের কন্যাসহ মাত্র চারজন অতিথি ছিল।[৪৯] ২০১৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর ক্রেইগ-ভাইস দম্পতির প্রথম সন্তান - এক কন্যা জন্মগ্রহণ করে।[৫০][৫১]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. There are conflicting sources for the year of Weisz' birth. In particular her detailed biography at the British Film Institute (Alexander Larman: Weisz, Rachel (1971–)) states 1971 and so does a biographic article in The Guardian and several other British newspapers. The Evening Standard of 6 March 2006 (Nick Curtis: A Taxing Issue for Partygoers; the Oscars Diary) claims that Weisz herself gives 1971 as her year of birth. However, the database entry of the British Film Institute[২] and an article in Time magazine (Mary Pols, 26 March 2012, "Rolling in The Deep") give a year of 1970

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Landman, Kyle (৫ আগস্ট ২০০৯)। "Rachel Weisz Is Going to Start Correcting People on How to Pronounce Her Last Name"নিউ ইয়র্ক (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  2. "BFI Film & TV Database: WEISZ, Rachel" (ইংরেজি ভাষায়)। ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  3. "Weisz's breakthrough to acclaim" (ইংরেজি ভাষায়)। বিবিসি নিউজ। ১৭ জানুয়ারি ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  4. "Rachel Weisz Filmography" (ইংরেজি ভাষায়)। এমএসএন মুভিজ। ২০০০। ১২ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  5. "Morgan Freeman stars in 'Chain Reaction': latest movie in the actor's stellar career"জেট ম্যাগাজিন (ইংরেজি ভাষায়)। Johnson Publishing Company। ১৯৯৬। ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  6. "Chain Reaction" (ইংরেজি ভাষায়)। রটেন টম্যাটোস। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  7. "Chain Reaction" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস মোজো। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  8. "Rotten Tomatoes – Stealing Beauty (1996)" (ইংরেজি ভাষায়)। রটেন টম্যাটোস। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  9. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; HelloMagazine নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  10. "Swept From The Sea: Overview" (ইংরেজি ভাষায়)। এমএসএন মুভিজ। ৯ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  11. Forrest, Emma (২০০১)। "Rachel Weisz"ইনডেক্স ম্যাগাজিন (ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  12. Smith, Julia Llewellyn (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০)। "Land girls: disquiet on the home front"দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ (ইংরেজি ভাষায়)। London। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  13. "Rotten Tomatoes – Sunshine (1999)" (ইংরেজি ভাষায়)। রটেন টম্যাটোস। ২১ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  14. Jones, Alison (২৬ জুন ১৯৯৯)। "Great Excavations"দ্য বার্মিংহাম পোস্ট (ইংরেজি ভাষায়)। Trinity Mirror। ২৩ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  15. "The Mummy Returns (2001)" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস মোজো। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  16. "'The Mummy'" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস মোজো। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  17. "Enemy at the Gates (2001)" (ইংরেজি ভাষায়)। রটেন টম্যাটোস। ৩০ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  18. "About A Boy" (ইংরেজি ভাষায়)। The British Comedy Guide। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  19. "20th-Century American Bestsellers" (ইংরেজি ভাষায়)। The Graduate School of Library and Information Science University of Illinois at Urbana-Champaign। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  20. "The Shape of things" (ইংরেজি ভাষায়)। অলমুভি। ২৪ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮ 
  21. "Envy (2004)" (ইংরেজি ভাষায়)। রটেন টম্যাটোস। ৩ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  22. Koehler, Robert (২৯ এপ্রিল ২০০৪)। "Envy"Variety Magazine (ইংরেজি ভাষায়)। Reed Business Information। ৭ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  23. Brooks, Xan (৯ জানুয়ারি ২০১১)। "Girl behaving sensibly"দ্য গার্ডিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)। London: Guardian News and Media Limited। ২০ জুলাই ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  24. Vonder Haar, Pete। "Constantine" (ইংরেজি ভাষায়)। ফিল্ম থ্রেড। ২২ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  25. "The Constant Gardener (2005)" (ইংরেজি ভাষায়)। রটেন টম্যাটোস। ৮ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  26. Vulliamy, Ed (৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৬)। "The Guardian profile: Rachel Weisz"দ্য গার্ডিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)। London: Guardian News and Media Limited। ৩ মে ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  27. Goodridge, Mike (১৬ নভেম্বর ২০০৬)। "The virtues of Weisz"Evening Standard (ইংরেজি ভাষায়)। London: ES London Limited। ২৪ মে ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  28. "The Constant Gardener (2005)" (ইংরেজি ভাষায়)। ইয়াহু! মুভিজ। ২৫ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  29. "The Constant Gardener" (ইংরেজি ভাষায়)। মেটাক্রিটিক। ১ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  30. "The 78th Academy Awards (2006) Nominees and Winners" (ইংরেজি ভাষায়)। Academy of Motion Picture Arts and Sciences। ২০০৬। ২৮ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  31. "Constant Gardener, The" (ইংরেজি ভাষায়)। Hollywood Foreign Press Association। ২০০৬। ২৬ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  32. "The 12th Annual Screen Actors Guild Awards" (ইংরেজি ভাষায়)। Screen Actors Guild। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  33. "'I'm a storyteller. I don't save lives'"দ্য গার্ডিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)। London: Guardian News and Media Limited। ৮ নভেম্বর ২০০৫। ১০ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  34. Jacobs, Andy (১১ নভেম্বর ২০০৫)। "The Constant Gardener (2005)"বিবিসি নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  35. "Britannia Award Honorees – Awards & Events – Los Angeles – The BAFTA site" (ইংরেজি ভাষায়)। British Academy of Film and Television Arts (BAFTA)। ৯ নভেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  36. "The Fountain – Cast" (ইংরেজি ভাষায়)। অলমুভি। ২ মে ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  37. Stein, Ruthe (২২ নভেম্বর ২০০৬)। "Toke-worthy search for fountain of youth"সান ফ্রান্সিস্কো ক্রনিকল (ইংরেজি ভাষায়)। Hearst Corporation। ১৯ অক্টোবর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  38. "Eragon – cast" (ইংরেজি ভাষায়)। অলমুভি। ২০০৬। ১২ মার্চ ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  39. "Rachel Weisz Leaves Mummy 3" (ইংরেজি ভাষায়)। Cinemablend.com। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  40. Beth Hilton (৭ মে ২০০৭)। "Weisz criticised for 'Mummy' decision" (ইংরেজি ভাষায়)। ডিজিটাল স্পাই। ৫ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  41. Adler, Shawn (২০০৮)। "'Mummy 3' star Maria Bello talks about taking over for Rachel Weisz, fighting an invisible baddie" (ইংরেজি ভাষায়)। MTV। ৬ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  42. Wise, Damon (২৪ মে ২০০৭)। "What's wong with this picture?"দ্য টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। London: News Corporation। ১৭ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  43. Higgins, Charlotte (১ জুলাই ২০১০)। "Alejandro Amenabar's Agora: a gift for classicists"দ্য গার্ডিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)। London: Guardian News and Media Limited। ২৮ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  44. Scott, A. O. (২৮ মে ২০১০)। "New York Times – Agora review – love amid the togas and the intolerant"দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮ 
  45. ম্যাকলিন, ক্রেইগ (১৩ জানুয়ারি ২০০৭)। "Labour of love"দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  46. "Oscar winner Rachel Weisz has baby boy - USATODAY.com"ইউএসএ টুডে। ১ জুন ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  47. সিলভারম্যান, স্টিভেন এম. (১ জুন ২০০৬)। "Rachel Weisz Has a Boy"পিপল (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  48. পেরি, সিমন (৯ নভেম্বর ২০১০)। "Rachel Weisz & Darren Aronofsky Split Up"পিপল (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  49. "Rachel Weisz, Daniel Craig Get Married: Actress, Actor Wed In Secret Ceremony"দ্য হাফিংটন পোস্ট (ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ জুন ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  50. "ক্রেইগ-র‌্যাচেলের ঘরে প্রথম সন্তান"যায়যায়দিন। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  51. "মেয়ের বাবা হলেন 'জেমস বন্ড', মা র‌্যাচেল"বাংলা ট্রিবিউন। ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]