জুলি ক্রিস্টি
জুলি ক্রিস্টি | |
|---|---|
ইংরেজি: Julie Christie | |
১৯৯৭ সালে ক্রিস্টি | |
| জন্ম | জুলি ফ্র্যান্সেস ক্রিস্টি ১৪ এপ্রিল ১৯৪০ |
| মাতৃশিক্ষায়তন | রয়্যাল সেন্ট্রাল স্কুল অব স্পিচ অ্যান্ড ড্রামা |
| পেশা | অভিনেত্রী, সমাজকর্মী |
| কর্মজীবন | ১৯৫৭–বর্তমান |
| দাম্পত্য সঙ্গী | ডানকান ক্যামবেল (বি. ২০০৫; মৃ. ২০২৫) |
জুলি ফ্রান্সেস ক্রিস্টি (ইংরেজি: Julie Frances Christie; জন্ম: ১৪ই এপ্রিল, ১৯৪০)[ক] হলেন একজন ব্রিটিশ অভিনেত্রী। ১৯৬০-এর দশকের "সুইংগিং লন্ডন" যুগের প্রতিকৃত ক্রিস্টি তার অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে একাডেমি পুরস্কার, গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার, বাফটা পুরস্কার ও স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার অর্জন করেছেন। তার অভিনীত ছয়টি চলচ্চিত্র ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের করা বিংশ শতাব্দীর সেরা ১০০ ব্রিটিশ চলচ্চিত্রের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং ১৯৯৭ সালে তাকে বাফটা ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।
ক্রিস্টি তার কর্মজীবনে প্রথম সফলতা অর্জন করেন বিলি লায়ার (১৯৬৩) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য। ডার্লিং (১৯৬৫) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি লাভ করেন, যার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তার অভিনীত ডক্টর ঝিভাগো (১৯৬৫) ছবিটি মুদ্রাস্ফীতির হিসাব অনুযায়ী সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী তালিকায় অষ্টম স্থান অধিকার করে।[২]
পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি ফারেনহাইট ফোর হান্ড্রেড ফিফটি ওয়ান (১৯৬৬), ফার ফ্রম দ্য ম্যাডিং ক্রাউড (১৯৬৭), পেটুলিয়া (১৯৬৮), দ্য গো-বিটুইন (১৯৭১), ম্যাককেব অ্যান্ড মিসেস মিলার (১৯৭১), ডোন্ট লুক নাউ (১৯৭৩), শ্যাম্পু (১৯৭৫), এবং হেভেন ক্যান ওয়েট (১৯৭৮) চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন। ম্যাককেব অ্যান্ড মিসেস মিলার ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি তার দ্বিতীয় একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।
১৯৮০-এর দশকের শুরু থেকে মূলধারার চলচ্চিত্রে তার অভিনয় কমে যায়। ২০০৪ সালে তিনি ঐতিহাসিক মহাকাব্যিক চলচ্চিত্র ট্রয় এবং জাদু-কাল্পনিক হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান ছবিতে অভিনয় করেন। এছাড়া তিনি আফটারগ্লো (১৯৯৭) এবং অ্যাওয়ে ফ্রম হার (২০০৭) ছবিতে অভিনয়ের জন্য আরও দুটি একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]ক্রিস্টি ১৯৪০ সালের ১৪ই এপ্রিল[৩][৪][৫] ব্রিটিশ ভারতের আসাম প্রদেশের চাবুয়ার সিংলিজান টি এস্টেটে জন্মগ্রহণ করেন। তার মাতা রোজম্যারি (কুমারী নাম: রামসডেন) একজন ওয়েলসীয় চিত্রশিল্পী এবং পিতা ফ্র্যাঙ্ক সেন্ট জন ক্রিস্টি তার জন্মস্থানে চা বাগানের পরিচালক ছিলেন।[৬] তার ক্লাইভ নামে এক ছোট ভাই রয়েছে এবং চা বাগানের ভারতীয় চা শ্রমিকের সাথে তার পিতার সম্পর্কের ফলে তার গর্ভে জুন নামে এক সৎ বোন (মৃত) ছিল।[৭] ছয় বছর বয়সে ক্রিস্টিকে কনভেন্ট স্কুলে পড়াশোনার জন্য ইংল্যান্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।[৮] ক্রিস্টির শিশুকালেই তার পিতামাতা আলাদা হয়ে যান এবং তাদের বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি তার মায়ের সাথে ওয়েলসের এক গ্রামে বসবাস করতেন।[৯]
পাদটীকা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Collections from Great Britain" (ইংরেজি ভাষায়)। ফাইন্ড মাই পাস্ট। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০১৮।
- ↑ "All Time Box Office Adjusted for Ticket Price Inflation" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস মোজো। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০১৮।
- ↑ ইউব্যাঙ্ক, টিম; হিলড্রেড, স্ট্যাফোর্ড (২০০০)। Julie Christie: The Biography। কার্লটন পাবলিশিং গ্রুপ, লন্ডন। পৃ. ১–২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৩৩-০০২৫৫-২।
In the spring of 1940, meat rationing had just begun in England ... Vivien Leigh, an English actress born in Darjeeling, India, had on 29 February at a banquet at the Coconut Grove in Los Angeles won the Best Actress Oscar for her role as Scarlett O'Hara ... Forty five days later, on 14 April, there was much cause for rejoicing for Frank and Rosemary Christie, a British couple living on a tea plantation in Assam in India, with the arrival of their first child, Julie Frances. ...
- ↑ "India, Births and Baptisms, 1786-1947"। ফ্যামিলি সার্চ। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০২৬।
Name Julie Frances Christie
Sex Female
Birth Date 14 Apr 1940
Father's Name Francis St. John Christie
Father's Sex Male
Mother's Name Rosemary
Mother's Sex Female
Event Type Christening
Event Date 7 Jul 1940
Event Place Bengal, India
Event Place (Original) Singhijan, Bengal, India{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|quote=এর 154 নং অবস্থানে horizontal tab character রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "The Pleasure of Watching Julie Christie"। দ্য রোবসোনিয়ান। ১০ ডিসেম্বর ১৯৯৭। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০২৬ – গুগল নিউজ এর মাধ্যমে।
- ↑ "Light at last on Julie's half-sister - British paper acts detective, unveils life of actress's hidden Indian connection"। দ্য টেলিগ্রাফ (ভারত) (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০২৬।
- ↑ Manners, Sarah (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। "Christie's Secret World"। ওয়েলস অনলাইন। ১৭ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Julie Christie – Biography"। হ্যালো! (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ অক্টোবর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০২৬।
- ↑ অ্যাডামস, টিম (১ এপ্রিল ২০০৭)। "The divine Miss Julie"। দ্য গার্ডিয়ান। লন্ডন। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০২৬।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ১৯৪০-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- ২০শ শতাব্দীর ইংরেজ অভিনেত্রী
- ২১শ শতাব্দীর ইংরেজ অভিনেত্রী
- ওয়েলশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ ব্যক্তি
- ইংরেজ কণ্ঠাভিনেত্রী
- ইংরেজ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
- ইংরেজ টেলিভিশন অভিনেত্রী
- ইংরেজ পরিবেশবাদী
- ইংরেজ মঞ্চ অভিনেত্রী
- ডিব্রুগড় জেলার ব্যক্তি
- বয়স বিতর্ক
- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ব্রিটিশ ভারতে ব্রিটিশ ব্যক্তি
- ব্রিটিশ ভারতের অভিনেত্রী
- সেন্ট্রাল স্কুল অব স্পিচ অ্যান্ড ড্রামার প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- শ্রেষ্ঠ প্রধান অভিনেত্রী বিভাগে ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্পিরিট পুরস্কার বিজয়ী
- শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী
- গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (সেরা অভিনেত্রী - নাট্য চলচ্চিত্র) বিজয়ী
- দাভিদ দি দোনাতেল্লো বিজয়ী
- শ্রেষ্ঠ ব্রিটিশ অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কার বিজয়ী
- বাফটা ফেলো
- স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার (সেরা অভিনেত্রী - চলচ্চিত্র) বিজয়ী