কিয়ানু রিভস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
কিয়ানু রিভস
Keanu Reeves 2014.jpg
২০১৪ সালে কিয়ানু রিভস
জন্ম কিয়ানু চার্লস রিভস
(১৯৬৪-০৯-০২) ২ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪ (বয়স ৫৩)
বৈরুত, লেবানন
পেশা অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক, সংগীত শিল্পী
কার্যকাল ১৯৮৪ – বর্তমান
উল্লেখযোগ্য কাজ দ্য ম্যাট্রিক্স

কিয়ানু চার্লস রিভস (/kˈɑːn/ kay-AH-noo; জন্মঃ ২ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪)[১][২] হলেন একজন কানাডীয় অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক এবং সঙ্গীত শিল্পী। রিভস সবচেয়ে বেশি পরিচিত তার চলচ্চিত্র অভিনয়ের জন্য যার শুরু হয় ১৯৮৫ সালে এবং তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত।[৩] তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হলোঃ স্পিড, দ্য ম্যাট্রিক্স, পয়েন্ট ব্রেক প্রভৃতি।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

রিভস বৈরুত, লেবাননে জন্মগ্রহণ করেন। তার মা প্যাট্রিশিয়া বন্ড ছিলেন একজন কস্টিউম ডিজাইনার/পারফর্মার এবং তার বাবার নাম হলো স্যামুয়েল নোলিন রিভস জুনিয়র।[৪] রিভসের মা বৈরুতে কাজ করার সময় তার বাবার সাথে দেখা হয়। রিভসের বাবা হিলো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেরোইন বেচার অপরাধে হাওয়াইয়ে জেল খাটেন। জেলে থাকাকালীন সময় তিনি জেনারেল এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট সম্পূর্ণ করেন।[৫] রিভসের বয়স যখন তিন বছর তখন তার বাবা তার পরিবার ছেড়ে চলে যান।

রিভস ছোটবেলায় খেলাধুলায় ভালো করলেও তার ডিসলেক্সিয়ার সমস্যার কারণে পড়াশোনায় তেমন ভালো ছিলেন না। তিনি তার হাই স্কুল আইস হকি দলের একজন সফল গোলরক্ষক ছিলেন এবং এজন্য তাকে “দ্য ওয়াল” ডাকা হতো।[৬] তিনি স্বপ্ন দেখতেন কানাডা দলের হয়ে খেলার[৭] কিন্তু একটি চোটের কারণে সে স্বপ্নের ইতি ঘটে।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৮০-র দশক:প্রাথমিক অভিনয় কর্মজীবন[সম্পাদনা]

রিভস নয় বছর বয়সে ড্যাম ইয়াঙ্কিস এর একটি মঞ্চ প্রযোজনায় অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। পনের বছর বয়সে তিনি লিয়া পসলানস থিয়েটারের রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েটের একটি মঞ্চ প্রযোজনায় মারকিউশিওর চরিত্রে অভিনয় করেন। ১৭ বছর বয়সে তিনি হাই স্কুল ছেড়ে অভিনয়ে মনোযোগী হন। তিনি তার মার্কিন সৎ বাবার মাধ্যমে গ্রীন কার্ড লাভ করেন এবং লস এঞ্জেলেসে আসেন।[৬][৮]

তার প্রথম চলচ্চিত্র ছিল ইয়াংব্লাড (১৯৮৬) যেখানে তিনি একজন গোলরক্ষকের চরিত্রে অভিনয় করেন। এরপর কয়েকটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের পর তিনি “রিভারস এজ” চলচ্চিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটি সমালোচকদের প্রশংসা লাভ করে। পরবর্তিতে রিভস পার্মানেন্ট রেকর্ড, বিল অ্যান্ড টেড’স এক্সিলেন্ট অ্যাডভেঞ্চার এবং এর সিক্যুয়েল বিল অ্যান্ড টেড’স বোগাস জার্নি সহ বেশকিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

১৯৯০-র দশক:ব্যাপক জনপ্রিয়তা[সম্পাদনা]

১৯৯১ সাল থেকে রিভস রক ব্যান্ড ডগস্টারে বেস গিটার বাজান। ১৯৯১ সালে তিনি ব্যয়বহুল চলচ্চিত্র পয়েন্ট ব্রেকে অভিনয় করেন যার জন্য তিনি পরের বছর এমটিভির “সবচেয়ে আবেদনময়ী পুরুষ” এর পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি “মাই ওউন প্রাইভেট আইডাহোর” মতো সফল চলচ্চিত্র করেন। ১৯৯২ সালে তিনি ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলার ব্রাম স্টোকার‘স ড্রাকুলা চলচ্চিত্রে “জনাথন হার্কার” চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটি ব্যবসাসফল হলেও কিয়ানু রিভসের অভিনয় সমালোচিত হয়।

রিভস ১৯৯৪ সালে অ্যাকশন চলচ্চিত্র স্পিড-এ অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ছবিতে রিভসকে নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কেননা এর আগে তাকে একা কোনো চলচ্চিত্রের শীর্ষ চরিত্রে দেখা যায়নি। কিন্ত স্পিডের সাফল্য রিভসের অভিনয় জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

স্পিডের সাফল্যের পর তিনি বেশকিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন যা অসফল ছিল। ১৯৯৭ সালে আল পাচিনো এবং শার্লিজ থেরনের সাথে দ্য ডেভিল‘স অ্যাডভোকেট চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে পুনরায় সাফল্যের দেখা পান। ১৯৯৯ সালে তিনি দ্য ম্যাট্রিক্স চলচ্চিত্রে “নিও” নামের এক হ্যাকারের চরিত্রে অভিনয় করে। চলচ্চিত্রটি ব্যবসাসফল হয় এবং সমালোচকদের প্রশংসা লাভ করে।

চলচ্চিত্র তালিকা[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

সাল চলচ্চিত্র ভূমিকা টীকা
১৯৮৫ ওয়ান স্টেপ অ্যাওয়ে রন পেত্রি
১৯৮৬ ইয়ংব্লাড হিভার
১৯৮৬ ফ্লায়িং টমি ওয়ের্নিক
১৯৮৬ অ্যাক্ট অফ ভেঞ্জেন্স বাডি মার্টিন
১৯৮৬ রিভার্‌স এজ ম্যাট
১৯৮৮ পার্মানেন্ট রেকর্ড ক্রিস টাউনসেন্ড
১৯৮৮ দ্য প্রিন্স অফ পেনসিলভানিয়া রুপার্ট মার্শেত্তা
১৯৮৮ দ্য নাইট বিফোর উইনস্টন কনেলি
১৯৮৮ ডেঞ্জারাস লিয়াজুস লে চেভাইলার রাফায়েল দেন্সেনি
১৯৮৯ লাইফ আন্ডার ওয়াটার কিপ
বিল অ্যান্ড টেড্‌স এক্সিলেন্ট অ্যাডভেঞ্চার টেড "থিওডোর" লোগান
প্যারেন্টহুড টড হিগিন্স
১৯৯০ আই লাভ ইউ টু ডেড মার্লন জেমস
টিউন ইন টুমরো মার্টিন লোডার
১৯৯১ পয়েন্ট ব্রেক এফবিআই স্পেশাল এজেন্ট জন জনি উতাহ বিজয়ী: সবচেয়ে কাম্য পুরুষের জন্য এমটিভি মুভি পুরস্কার
বিল অ্যান্ড টেড্‌স বোগাস জার্নি টেড "থিওডোর" লোগান
মাই অউন প্রাইভেট ইদাহো স্কট ফেভার
প্রভিডেন্স এরিক
১৯৯২ ব্রাম স্টোকার্‌স ড্রাকুলা জোনাথান হার্কার
১৯৯৩ মাচ অডো অ্যাবাউট নাথিং ডন জন
লিটল বুদ্ধা রাজকুমার সিদ্ধার্থ/ভগবান বুদ্ধ
পোয়েটিক জাস্টিস গৃহহারা মানুষ ক্রেডিট দেওয়া হয় নি
ফ্রিকড অর্টিজ ক্রেডিট দেওয়া হয় নি
ইভেন কাউগার্লস গেট দ্য ব্লুজ জুলিয়ান গিচ
১৯৯৪ স্পিড অফিসার জ্যাক ট্রেভেন বিজয়ী: সেরা অন-স্ক্রিন দ্বৈতের জন্য এমটিভি মুভি পুরস্কার (সান্ড্রা বুলক-এর সাথে)
মনোনীত: জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতার জন্য কিড্‌স চয়েস পুরস্কার
মনোনীত: সেরা চুম্বনের জন্য এমটিভি মুভি পুরস্কার (সান্ড্রা বুলক-এর সাথে)
মনোনীত: সেরা অভিনয়ের জন্য এমটিভি মুভি পুরস্কার
মনোনীত: সবচেয়ে কাম্য পুরুষের জন্য এমটিভি মুভি পুরস্কার
১৯৯৫ জনি নেমোনিক জনি মনোনীত: সবচেয়ে বাজে অভিনেতার জন্য গোল্ডেন রাসবেরি পুরস্কার
অ্যা ওয়াক ইন দ্য ক্লাউডস সার্জেন্ট পল সাটন মনোনীত: সবচেয়ে বাজে অভিনেতার জন্য গোল্ডেন রাসবেরি পুরস্কার
১৯৯৬ চেইন রিয়েকশন এডি কাসালিভিচ
ফিলিং মিনেসেটো জ্যাকস ক্লেটন
১৯৯৭ দ্য লাস্ট টাইম আই কমিটেড সুইসাইড হ্যারি
দ্য ডেভিল্‌স অ্যাডভোকেট কেভিন লোম্যাক্স
১৯৯৯ দ্য ম্যাট্রিক্স টমাস অ্যান্ডারসন/ নিও বিজয়ী: জনপ্রিয় অভিনেতা ব্লকবাস্টার এন্টারটেইনমেন্ট পুরস্কার - অ্যাকশন/বিজ্ঞান কল্পকাহিনীমূলক চলচ্চিত্র
বিজয়ী: সেরা অভিনয়ের জন্য এমটিভি মুভি পুরস্কার
বিজয়ী: সেরা মারপিঠের জন্য এমটিভি মুভি পুরস্কার (লরেন্স ফিশবার্ন-এর সাথে)
মনোনীত: সেরা অন-স্ক্রিন দ্বৈতের জন্য এমটিভি মুভি পুরস্কার (লরেন্স ফিশবার্ন-এর সাথে)
মনোনীত: সেরা অভিনেতার জন্য স্যাটার্ন পুরস্কার
মি অ্যান্ড উইল নিজে ক্যামিও
২০০০ দ্য রিপ্লেসমেন্টস শেন ফালকো
দ্য ওয়াচার ডেভিড অ্যালেন গ্রিফিন মনোনীত: সবচেয়ে বাজে অভিনেতার জন্য গোল্ডেন রাসবেরি পুরস্কার
দ্য গিফট ডনি বার্কসডেল
২০০১ সুইট নভেম্বর নেলসন মস মনোনীত: সবচেয়ে বাজে অভিনেতার জন্য গোল্ডেন রাসবেরি পুরস্কার
হার্ডবল কনর ও'নেল মনোনীত: সবচেয়ে বাজে অভিনেতার জন্য গোল্ডেন রাসবেরি পুরস্কার
২০০৩ দ্য ম্যাট্রিক্স রিলোডেড টমাস অ্যান্ডারসন / নিও মনোনীত: সেরা মারপিঠের জন্য এমটিভি মুভি পুরস্কার (হুগো ওয়েভিং-এর সাথে)
মনোনীত: সেরা চুম্বনের জন্য এমটিভি মুভি পুরস্কার (মনিকা বেলুচ্চির সাথে)
দ্য এনিমেট্রিক্স কণ্ঠ
দ্য ম্যাট্রিক্স রিভলূশনস
সামথিংস গটা গিভ ডঃ জুলিয়ান মার্সার
২০০৫ কনস্ট্যান্টিন জন কনস্ট্যান্টিন
থাম্বসাকার পেরি লিম্যান
এলি পার্কার নিজে ক্যামিও
২০০৬ দ্য লেক হাউজ আলেক্স উইলার
অ্যা স্ক্যানার ডার্কলি বব আর্ক্টর
দ্য গ্রেট ওয়ার্মিং বর্ণনাকারী
২০০৮ স্ট্রীট কিংস ডিটেকটিভ টম লুডলো
দ্য ডে দ্য আর্থ স্টুড স্টিল ক্লাটু বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক অভিনেতার জন্য বাম্বি পুরস্কার
২০০৯ দ্য প্রাইভেট লাইভস্‌ অফ পিপা লি ক্রিস নাদিউ
২০১০ হেনরিস ক্রাইম হেনরি টর্ন প্রযোজক
২০১২ জেনারেশন উম... জন
সাইড বাই সাইড নিজে প্রামাণ্যচিত্র; প্রযোজক
২০১৩ ম্যান অফ তাই চি ডোনাকা মার্ক প্রযোজক
৪৭ রনিন কাই
২০১৪ জন উইক জন উইক নির্বাহী প্রযোজক
মনোনীত: সবচেয়ে বাজে অভিনেতার জন্য ৩৫তম গোল্ডেন রাসবেরি পুরস্কার
২০১৫ নক নক ইভান ওয়েবার
ডিপ ওয়েব বর্ণনাকারী প্রামাণ্যচিত্র
২০১৬ এক্সপোসড ডিটেকটিভ স্কট গ্যালবান
কিয়ানু কিয়ানু কণ্ঠ
দ্য হোল ট্রুথ রিচার্ড র‍্যামসি
দ্য নিয়ন ডেমন হ্যাঙ্ক
দ্য ব্যাড ব্যাচ দ্য ড্রিম
২০১৭ জন উইক: চ্যাপ্টার ২ জন উইক নির্মাণাধীন
টু দ্য বোন ডঃ উইলিয়াম বেকহ্যাম নির্মাণাধীন
রেপ্লিকাস নির্মাণাধীন

টেলিভিশন[সম্পাদনা]

বছর শিরোনাম ভূমিকা টীকা
১৯৮৪ হ্যানগিন্‌ ইন কিশোর ক্রেতা পর্ব: "হ্যাপিনেস ইজ অ্যা ওয়ার্ম গ্রোভার"
১৯৮৫ নাইট হিট ছিনতাইকারী ১ ২ পর্ব
কমেডি ফ্যাক্টরি ক্রেকারস পর্ব: "ফাস্ট ফুফ"
লেটিং গো স্টেরেও কিশোর ১ টেলিভিশন চলচ্চিত্র
১৯৮৬ দ্য ডিজনি সান্ডে মুভি মাইকেল রিলে (যুবক) পর্ব: "ইয়ং অ্যাগেইন"
আন্ডার দ্য ইনফ্লুয়েন্স এডি টালবট টেলিভিশন চলচ্চিত্র
ব্রাদারহুড অফ জাস্টিস ডেরেক টেলিভিশন চলচ্চিত্র
বেবস ইন টয়ল্যান্ড জ্যাক নিম্বল টেলিভিশন চলচ্চিত্র
১৯৮৭ ট্রায়িং টাইমস জোয়ি পর্ব: "মুভিং ডে"
১৯৮৯ অ্যামেরিকান প্লেহাউজ কিপ পর্ব: "লাইফ আন্ডার ওয়াটার"
দ্য ট্রেসি উলম্যান শো জেসি ওয়াকার পর্ব: "টু লাস্ট সোলস"
১৯৯০ বিল অ্যান্ড টেড্‌স এক্সিলেন্ট অ্যাডভেঞ্চারস টেড "থিওডোর" লোগান (কণ্ঠ) ১৩ পর্ব
২০০৯, ২০১২ ইজি টু এসেম্বল ভর্স্তে ফেইরন ২ পর্ব
২০১৬ সুইডিশ ডিকস টেক্স

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Monitor"। Entertainment Weekly (1275)। সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৩। পৃ: ২৫। 
  2. "Keanu Reeves biography"। Biography.com। 
  3. http://www.nytimes.com/movie/review?res=9D0CE3D9143EF931A25754C0A967958260
  4. "Keanu Reeves Film Reference biography"। Film Reference। সংগৃহীত মে ১০, ২০০৮ 
  5. Ryan, Tim (এপ্রিল ২২, ২০০১)। "Memories of Keanu"Honolulu Star-Bulletinআসল থেকে মে ২৪, ২০০৮-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত মে ১০, ২০০৮ 
  6. Lipworth, Elaine (নভেম্বর ২২, ২০০৮)। "Keanu Reeves: The three billion dollar man"Daily Mail। সংগৃহীত ডিসেম্বর ৬, ২০১৪ 
  7. Arpe, Malene (অক্টোবর ২২, ২০১৩)। "Keanu Reeves talks memes, hockey and Licks burgers during Reddit AMA"Toronto Star। সংগৃহীত ডিসেম্বর ৬, ২০১৪ 
  8. Day, Aubrey (নভেম্বর ২০০৮)। "THE TOTAL FILM INTERVIEW: KEANU REEVES"। Total Film। সংগৃহীত ডিসেম্বর ৬, ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]