হেলেনা বোনাম কার্টার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
হেলেনা বোনাম কার্টার
সিবিই
Helena Bonham Carter 2011 AA.jpg
২০১১ সালে ৮৩তম একাডেমি পুরস্কারে বোনাম কার্টার
স্থানীয় নামHelena Bonham Carter
জন্ম (১৯৬৬-০৫-২৬) ২৬ মে ১৯৬৬ (বয়স ৫২)
ইসলিংটন, লন্ডন, ইংল্যান্ড
বাসস্থানহ্যাম্পস্টিড, লন্ডন, ইংল্যান্ড
জাতীয়তাব্রিটিশ
পেশাঅভিনেত্রী
কার্যকাল১৯৮৩-বর্তমান
সঙ্গীকেনেথ ব্র্যানা (১৯৯৪-৯৯)
টিম বার্টন (২০০১-১৪)
সন্তান
পিতা-মাতারেমন্ড বোনাম কার্টার (পিতা)
এলেনা প্রপার দে কালেয়োন (মাতা)
আত্মীয়বোনাম কার্টার পরিবার
পুরস্কারপূর্ণ তালিকা

হেলেনা বোনাম কার্টার সিবিই (ইংরেজি: Helena Bonham Carter, জন্ম: ২৬শে মে ১৯৬৬) হলেন একজন ইংরেজ অভিনেত্রী। তিনি স্বল্প-ব্যয়ের আর্টহাউজ ও স্বাধীন চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে বিশাল-ব্যয়ের হলিউড চলচ্চিত্রে কাজের জন্য পরিচিত। তিনি দুইবার একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন, প্রথমবার দ্য উইংস অব ডাভ (১৯৯৭) চলচ্চিত্রে কেট ক্রয় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে এবং দ্বিতীয়বার দ্য কিংস স্পিচ (২০১০) চলচ্চিত্রে রাজমাতা এলিজাবেথ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে। দ্বিতীয় ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ২০১০ সালে এনিড টেলিভিশন চলচ্চিত্রে ব্রিটিশ লেখিকা এনিড ব্লাইটন চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে আন্তর্জাতিক এমি পুরস্কার লাভ করেন।

তার চলচ্চিত্র জীবন শুরু হয় লেডি জেন (১৯৮৬) চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। যদিও তার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র আ রুম উইথ আ ভিউ (১৯৮৫), যা লেডি জেন চলচ্চিত্রের পরে চিত্রায়ন শুরু হলেও তার দুই মাস পূর্বে মুক্তি পায়। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র ভূমিকা হল হ্যামলেট (১৯৯০)-এ অফেলিয়া, অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড (২০১০)-এ রেড কুইন, গ্রেট এক্সপেক্টেশন্স (২০১২)-এ মিস হ্যাভিশ্যাম, সঙ্গীতধর্মী লে মিজেরাবল (২০১২)-এ মাদাম থেনার্দিয়ে।

নাট্যকলায় অবদানের জন্য ২০১২ সালে নববর্ষ সম্মাননায় তাঁকে কমান্ডার অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (সিবিই) সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।[১] ২০১৪ সালে জানুয়ারি মাসে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বোনাম কার্টারকে ব্রিটেনের জাতীয় হলোকস্ট কমিশনে নিয়োগ দেন।[২]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

বোনাম কার্টারের অভিনয়ের উপর কোন প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছিল না।[৩] তিনি একটি জাতীয় রচনা প্রতিযোগিতা (১৯৭৯) জয়ের পর সেই অর্থ দিয়ে অভিনয়শিল্পীদের স্পটলাইট ডিরেক্টরিতে যোগ দেন। তিনি ১৬ বছর বয়সে একটি টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে কাজের মধ্য দিয়ে তার পেশাদার কর্মজীবন শুরু করেন। পাশাপাশি তিনি আ প্যাটার্ন অব রোজেস টেলিভিশন চলচ্চিত্রে ক্ষুদ্র ভূমিকায় কাজ করেন।

চলচ্চিত্র বোনাম কার্টারের প্রথম মুখ্য ভূমিকায় কাজ ছিল লেডি জেন (১৯৮৬)। এতে তিনি নাম ভূমিকায় কাজ করে সমালোচকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লাভ করেন। তার প্রথম আলোচিত সাফল্য ছিল আ রুম উইথ আ ভিউ (১৯৮৫)। লেডি জেন-এর পরে ছবিটির কাজ শুরু হয়, কিন্তু দুই মাস পূর্বে মুক্তি পায়। তিনি ১৯৮৬-৮৭ সালে মিয়ামি ভাইস ধারাবাহিকের কয়েকটি পর্বে ডন জনসন অভিনীত চরিত্রে প্রেমিকার ভূমিকায় এবং ১৯৮৭ সালে ডার্ক বোগার্ডের বিপরীতে দ্য ভিশন, স্টুয়ার্ট গ্রেঞ্জারের বিপরীতে আ হ্যাজার্ড অব হার্টস্‌ এবং জন গিলগুডের বিপরীতে গেটিং ইট রাইট চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

২০১০ সালে বোনাম কার্টার টম হুপার পরিচালিত দ্য কিংস স্পিচ চলচ্চিত্রে রাজমাতা এলিজাবেথ চরিত্রে অভিনয় করেন। এই কাজের জন্য তিনি প্রশংসিত হন এবং শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কারএকাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তিনি তার প্রথম বাফটা পুরস্কার জয়লাভ করলেও একাডেমি পুরস্কারে মেলিসা লিওর কাছে পরাজিত হন। ২০১২ সালে তিনি ভিক্টর হুগোর উপন্যাস লে মিজেরাবল অবলম্বনে নির্মিত সঙ্গীতধর্মী চলচ্চিত্র লে মিজেরাবল-এ মাদাম থেনার্দিয়ে চরিত্রে অভিনয় করেন।[৪]

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার
  • কমান্ডার (২০১২)
একাডেমি পুরস্কার
বাফটা পুরস্কার

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Helena Bonham Carter honoured at Buckingham Palace"বিবিসি নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৮ 
  2. ডিচ, মার্কাস (৩০ জানুয়ারি ২০১৪)। "Cameron commits to 'sacred, vital' task"দ্য জিউয়িস ক্রনিকল (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৮ 
  3. মিচিসন, অ্যামান্ডা (১ আগস্ট ২০০১)। "Zen and the inner ape"দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  4. অ্যান্ডারটন, ইথান (৮ সেপ্টেম্বর ২০১১)। "Official: Russell Crowe & Helena Bomham Carter in 'Les Miserables'"ফার্স্ট শোয়িং (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]