বেন স্টিলার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
বেন স্টিলার
Ben-Stiller-(MS1411200222).jpg
স্টিলার ২০১৪ সালে আরটিএল-স্প্যান্ডেনম্যারাথন এ
জন্ম বেনজামিন এডয়ার্ড মিয়েরা স্টিলার
(১৯৬৫-১১-৩০) ৩০ নভেম্বর ১৯৬৫ (বয়স ৫১)
নিউ ইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র
পেশা অভিনেতা, কমেডিয়ান, চলচিত্র নির্মাতা
কার্যকাল ১৯৭৫-বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গী “ক্রিশ্চিন টেইলর” (২০০০–বর্তমান)
সন্তান
পিতা-মাতা “জেরি স্টিলার”
“অ্যান মিয়েরা”

বেনজামিন এডয়ার্ড মিয়েরা "বেন" স্টিলার (জন্ম ৩০শে নভেম্বর ১৯৬৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা, কমেডিয়ান এবং চলচিত্র নির্মাতা। তিনি অভিজ্ঞ কমেডিয়ান এবং অভিনেতা জেরি স্টিলার এবং অ্যান মিয়েরা এর সন্তান।

অভিনয়ের মাধ্যমে স্টিলার তাঁর ক্যারিয়ার শুরুর করার পর তিনি অসংখ্য ডকুমেন্টারি লিখেছেন এবং “দ্য বেন স্টিলার শো” নামে নিজের শো করার প্রস্তাব পেয়েছেন যাতে তিনি প্রযোজনা করেন এবং ১৩টি পর্বের উপস্থাপনা করেন। পুর্বের টেলিভিশনের অভিনয়ের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি ছায়াছবিতে অভিনয় শুরু করেন। তিনি অভিনয়ের সাথে “রিয়েলিটি বাইটস” ছবি দিয়ে পরিচালক হিসাবে যাত্রা শুরু করেন। তিনি তাঁর ক্যারিয়ারে ইতিমধ্যে লেখক, অভিনেতা, পরিচালক কিংবা প্রযোজক হিসাবে ৫০টিরও বেশি ছবি করেছেন যার মধ্যে “দ্য সিক্রেট লাইফ অভ ওয়াল্টার মিটি”, “জুল্যান্ডার”, “দ্য ক্যাবল গাই”, “দেয়ার’স সামথিং এবাউট মেরি”, “মিট দ্য প্যারেন্টস” ট্রিলজি, “ডজবল”, “ট্রপিক থান্ডার”, “মাদাগাস্কার” সিরিজ এবং “নাইট এট দ্য মিউজিয়াম” ট্রিলজি অন্যতম। এছাড়াও তাঁকে অসংখ্য ছবি, টিভি সিরিজ, মিউজিক ভিডিওতে অতিথি হিসাবে দেখা যায়।

স্টিলার কমেডিয়ান অভিনেতাদের দল “ফ্র্যাট প্যাক” এর সদস্য। তাঁর ছবি কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রে ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি আয় করেছে, প্রতি ছবিতে ৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার গড় হিসাবে[১] ।এছাড়াও তিনি অসংখ্য পদক এবং সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন যার মধ্যে একটি “এমি পুরস্কার”, অসংখ্য “এমটিভি মুভি অ্যাওয়ার্ড” এবং একটি "টিন চয়েস অ্যাওয়ার্ড” উল্লেখযোগ্য।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

বেনজামিন এডয়ার্ড মিয়েরা স্টিলার ১৯৬৫ সালের ৩০শে নভেম্বরে নিউ ইয়র্ক সিটিতে জন্মগ্রহণ করেন।[২][৩][৪] তাঁর বাবা হচ্ছেন একজন কমেডিয়ান এবং অভিনেতা “জেরি স্টিলার” (জন্ম ১৯২৭), তিনি পুর্ব ইউরোপের পোল্যান্ড এবং গালিসিয়া এর ইহুদি পরিবার থেকে এসেছেন[৫]। তাঁর মা অভিনেত্রী “অ্যান মিয়ারা”(১৯২৯-২০১৫) আইরিশ ক্যাথলিক যিনি স্টিলারের বাবার সাথে বিয়ের পর ইহুদি ধর্মে ধর্মান্তরিত হন।[৬][৭][৮] তাঁদের পরিবার কখনও খুব একটা ধর্মানুরাগী ছিল না তাঁরা ‘হানুকাহ’ এবং ‘ক্রিসমাস’ দুটিই পালন করত[৯],স্টিলারের একটি বার মিটযবাহ অনুষ্ঠিত হয়। স্টিলারের পিতা-মাতা তাঁকে বারবার তাঁদের কাজের সময় সেটে নিয়ে গিয়েছেন এমনকি “দ্য মাইক ডগলাস শো” এর সময় যখন তাঁর বয়স ছিল ছয়। স্টিলার একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন তাঁর শৈশবটা স্বাভাবিক ছিল না, “অনেকটা শো-ব্যবসা এর মত- অসংখ্য ভ্রমণ, রাত্রে অসংখ্য বার দেরি করে বাড়ি ফিরা- যেটাকে আপনি ঐতিয্য বলবেন না।”[১০] তাঁর বড় বোন এমিকে তাঁর অসংখ্য প্রযোজনায় দেখা যায় যার মধ্যে রয়েছে “রিয়েলিটি বাইটস”, “ডজবলঃ এ ট্রু আন্ডারডগ স্টোরি” এবং “জুল্যান্ডার।”[১১][১২][১৩]

স্টিলারের ছোট থেকেই ছবি নির্মাণে আগ্রহ দেখা গেছে এবং তাঁর বোন এবং বন্ধুদের সাথে “সুপার ৮” ছবি নির্মাণ করেন।[১৪] নয় বছর বয়েসে তিনি অভিনয় শুরু করেন তাঁর মায়ের টেলিভিশন সিরিজ “কেট ম্যাকশেন” এ অতিথি হিসাবে। ৭০ দশকের শেষের দিকে তিনি নিউ ইয়র্ক শহরের নাট্যদল এনওয়াইসি’স ফার্স্ট অল চিলড্রেন থিয়েটারে পারফর্ম করেন, “ক্লেবার জ্যাক এন্ড দ্য ম্যাজিক বিন্সটক” এ নামভুমিকাসহ আরো কয়েকটি ভুমিকায় অভিনয় করেন। হাই স্কুলে থাকাকালীন সময় টেলিভিশন সিরিজ “সেকেন্ড সিটি টেলিভিশন” এর মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হওয়ার পর স্টিলার বুঝতে পারলেন যে তিনি স্কেচ কমেডিতে যুক্ত হতে চান[১৫] । স্কুলে থাকাকালীন সময়ে স্টিলার পাঙ্ক ব্যান্ড ‘ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট’ এর ড্রামার ছিলেন যেটি ১৯৮২ সালে ‘রোডকিল’ নামে একটি অ্যালবাম প্রকাশ করে।[১৬][১৭]

স্টিলার নিউ ইয়র্কের ‘দ্য ক্যাথেড্রাল স্কুল অব সেইন্ট জন দ্য ডিবাইন’ এ অংশগ্রহণ করেন এবং ১৯৮৩ সালে “ক্যালোন স্কুল” থেকে স্নাতক পাশ করেন। এরপর স্টিলার ফিল্মের ছাত্র হিসাবে লস এঞ্জেলেসের “ইউনিভার্সিটি অভ ক্যালোফোর্নিয়াতে”[১৮] ভর্তি হন। নয় মাস পর স্টিলার স্কুল ছেড়ে নিউ ইয়র্ক এ ফিরে আসেন। তিনি এর পর অভিনয়ের ক্লাস শুরু করলেন, অডিশন দিতে লাগলেন এবং একজন এজেন্ট খুজতে শুরু করেন।[১৯]

অভিনয় জীবন[সম্পাদনা]

প্রাথমিক কাজ[সম্পাদনা]

যখন তাঁর বয়স ১৫ ছিল তখন তিনি একটা সাবানের বিজ্ঞাপন “গাইডিং লাইটে” গানের লাইনে দাঁড়িয়ে ছোট্ট ভুমিকা করেছেন[২০], এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন এতে তাঁর পারফর্মেন্স খুবই বাজে ছিল। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালের দিকে তিনি ‘জন ম্যাহনি’ এর সাথে ‘জন গুয়ার’ এর “দ্য হাউজ অভ ব্লু লিভস” এ একটি ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার প্রডাকশন চারটি “টনি এওয়ার্ড” জিতে। এটি চলাকালীন সময় তিনি একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণ করেন যার প্রধান দিক ছিল অভিনেতা ম্যাহনি। যেটি শিল্পী এবং কুশলীরা বেশ প্রশংসা লাভ করে। পরবর্তীতে তিনি ১০ মিনিটের একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন ‘দ্য হাস্টলার অফ মানি’ যেটি “দ্য কালার অফ মানি” এর একটি প্যারোডি ছিল, এতে তাঁকে টম ক্রুজের ভূমিকায় এবং ম্যাহনিকে ‘পল নিউম্যানের’ ভূমিকায় দেখা যায়। এটি “স্যাটারডে নাইট লাইভ” এর দৃষ্টি আকর্ষন করে, যেটি ১৯৮৭ সালে প্রচার করা হয়। দুবছর পর তাকে লেখক হিসাবে প্রস্তাব দেয়া হয় এর মধ্যে তিনি ‘স্টিভেন স্পিলবার্গের’ “এম্পায়ার অভ দা সান” চলচ্চিত্রে একটি ভূমিকা পান।[২১]

১৯৮৯ সালে স্টিলার “স্যাটারডে নাইট লাইভ” এর জন্য লিখেন এবং ফিচার পারফর্মার হিসাবে উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানটি চায়নি যে তিনি স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণ করুক, তাই চারটি পর্বের পর তিনি এটি ছেড়ে বের হয়ে যান। এরপর তিনি ‘এলভিস স্টোরিস’ নামে একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন যেটি “এলভিস প্রেসলির” সাম্প্রতিক দর্শনের উপর নির্মিত।[২২] এতে স্টিলারের বন্ধু এবং সহ-অভিনেতারা অভিনয় করেন। ছবিটি সফল হয় এবং তাঁকে ‘এমটিভি’ এর জন্য শর্ট-ফিল্ম “গোয়িং ব্যাক টু ব্রুকলিন” বানাতে উৎসাহিত করে, এটি ছিল একটি মিউজিক ভিডিও এতে কমেডিয়ান ‘কলিন কুইন’ মূল ভূমিকায় অভিনয় করেন যেখানে সাম্প্রতিক হিট হওয়া “এলএল কুল জে” এর গান “গোয়িং ব্যাক টু কালি” কে প্যারডি করা হয়।[২৩]

দ্য বেন স্টিলার শো[সম্পাদনা]

“ব্যাক টু ব্রুকলিন” দেখে এমটিভি এর প্রযোজকরা এতটাই অভিভূত হলেন যে স্টিলারকে ১৩ পর্বের একটি পরীক্ষামূলক অনুষ্ঠানের প্রস্তাব দিলেন।[২৪] “দ্য বেন স্টিলার শো” নামের সিরিজটি বিভিন্ন মিউজিক ভিডিও, টেলিভিশন শো, গায়ক এবং ছবিকে ব্যঙ্গ করে।[২৫] এতে স্টিলার এর সাথে প্রধান লেখক জেফ খান এবং হ্যারি ও’রেইলি প্রধান প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন।[২৬] মাঝে-মধ্যে তাঁর বাব-মা এবং বোনকেও অনুষ্ঠানে দেখা যেত।

যদিও প্রথম মৌসুমের অনুষ্ঠানটি বাতিল করা হয়। পরবর্তিতে ১৯৯২ সালের দিকে “ফক্স নেটওয়ার্ক” এ “দ্য বেন স্টিলার শো” নামে আরেকটি অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। যাতে ১২টি পর্ব প্রচার করা হয়। “দ্য বেন স্টিলার শো” এর প্রধান লেখকদের মধ্যে ছিলে স্টিলার এবং ‘জুড এপ্যাটো’। যদিও এটি ক্ষীণ সময়ের জন্য প্রচার করা হত এটি রেটিং এর ক্রমশ নিচের দিকে নামতে থাকে, এর পরেও এটি একটি “এমি এওয়ার্ড” জিতে নেয় ‘গান কিংবা কমেডিতে অসাধারণ লেখনীর’ বিষয়শ্রেণীতে[২৫][২৭][২৮]

পরিচালক হিসাবে আবির্ভাব[সম্পাদনা]

A crowd of people is all looking towards a man at the center who is signing a hat. The crowd is attempting to hand him posters to sign and others are taking pictures using cameras and cell phones.
২০০৮ এর ৩ আগস্ট ‘ক্যাম্প পেন্ডলটন’ এ “ট্রপিক থান্ডার” শুটিং এর সময় অটোগ্রাফ দিচ্ছেন।

৯০ দশকের শুরুতে স্টিলার বিভিন্ন ছবির ছোট ভূমিকায় অভিনয় করেছেন যেমন “স্টিলা”, “হাইওয়ে টু হেল” এবং “দ্য নাট হাউজ”। ১৯৯২ সালে হেলেন চাইল্ড্রেসের চিত্রণাট্যের উপর ভিত্তি করে “রিয়েলিটি বাইটস” নামের ছবি তৈরি করতে চুক্তিবদ্ধ হন। চাইল্ড্রেসের সাথে স্টিলার চিত্রণাট্যটি আবার লিখেন এবং ছবির জন্য অর্থায়ন ও কলাকুশলী বাছাই করেন। ছবিটি ১৯৯৪ সালের শুরুতে মুক্তি পায় যেটি স্টিলার পরিচালনা করেন এবং সহ-অভিনেতা হিসাবে অভিনয় করেন। ছবিটি প্রযোজনা করেন “ড্যানি ডেভিতো” যিনি পরবর্তিতে স্টিলারের ২০০৩ সালের ছবি “ডুপ্লেক্স” পরিচালনা করেন এবং ২০০৪ সালের ছবি “এলং কেইম পলি” প্রযোজনা করেন। “রিয়েলিটি বাইটস” ছবিটি প্রথম সপ্তাহে সর্বোচ্চ আয় করা ছবি হিসাবে যাত্রা শুরু করে এবং সমালোচকদের কাছ মিশ্র প্রতিক্রিয়া পায়।[২৯][৩০]

স্টিলার তাঁর পিতা-মাতার সাথে “হেভিওয়েইট” (১৯৯৫) চলচ্চিত্রের সাথে যুক্ত হন যেখানে তিনি দুইটি ভূমিকায় অভিনয় করেন এবং এরপর ‘অ্যাডাম স্যান্ডলারের’ “হ্যাপি গিলমোর”(১৯৯৬) চলচ্চিত্রে একটি অস্বীকৃত ভূমিকায় অভিনয় করেন। এরপর তিনি “ইফ লুসি ফেল” এবং “ফ্লার্টিং উইথ ডিজাস্টার” চলচ্চিত্রে মূল ভূমিকায় অভিনয় করেন। পরিচালক হিসাবে পরের কাজ ছিল “দ্য ক্যাবল গাই” যাতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘জিম ক্যারি’। স্টিলার আবারও জমজ হিসাবে তাঁর নিজের ছবিতে অভিনয় করেন, ছবিটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছিল। চলচ্চিত্রটি আলোচিত হয় তখন পর্যন্ত কোন অভিনেতাকে সর্বোচ্চ বেতন দেয়ার জন্য, ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য ক্যারি ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিয়েছিলেন।[৩১] ছবিটি পরবর্তিতে স্টিলারকে “ফ্র্যাট প্যাক” এর সদস্য ‘জ্যাক ব্ল্যাক’ এবং ‘ওয়েন উইলসন’ এর সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করেছিল।

১৯৯৬ সালে এমটিভি স্টিলারকে আমন্ত্রণ জানায় “ভিএইচ১” ফ্যাশন অ্যাওয়ার্ড উপস্থাপনা করার জন্য। অ্যাওয়ার্ডের জন্য স্টিলার “স্যাটারডে নাইট লাইভ” এর লেখক ‘ড্রেক স্যাদার’ এর সাথে একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন একজন পুরুষ মডেল ডেরেক জুল্যান্ডারের উপর। যেটি এতই প্রশংসিত হয় যে তিনি ঐ চরিত্রের উপর ১৯৯৭ সালের “ভিএইচ১” ফ্যাশন এওয়ার্ড এর জন্য আরেকটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন এবং সর্বশেষে একটি পূর্ণ দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

কমেডিক কাজ[সম্পাদনা]

১৯৯৮ সালে স্টিলার তাঁর পরিচালক হিসাবে কাজের ইচ্ছা একপাশে সরিয়ে রাখেন ফেরিলি ব্রাদার্সের “দেয়ারস সামথিং এবাউট মেরি” তে ক্যামেরন ডিয়াজের সাথে অভিনয়ের মাধ্যমে। যেটি তাঁর অভিনয় জীবনকে গতি দিয়েছিল। একই বছর তিনি “জিরো এফেক্ট”, “ইউর ফ্রেন্ডস এন্ড নেইবার” এবং “পার্মানেন্ট মিডনাইট” সহ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। স্টিলারকে মিউজিক ভিডিও অ্যাওয়ার্ডের উপস্থাপনার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়, যার জন্য তিনি “ব্যাকস্ট্রিট বয়েজ” এর উপর একটি প্যারোডি নির্মাণ করেন এবং তাঁর বাবার সাথে একটি স্কেচ পারফর্ম করেন।[৩২]

১৯৯৯ সালে তিনি তিনটি চলচ্চিত্রে নায়ক হন, যার মধ্যে রয়েছে “মিস্ট্রি ম্যান” এতে তিনি সুপারহিরোর ভূমিকায় অভিনয় করেন যাকে ‘মি. ফিউরিয়াস’ নামে পরিচিত করতে চান। তিনি ফক্সের টেলিভিশন সিরিজ “হিট ভিশন অ্যান্ড জ্যাক” এর জন্য পুনরায় পরিচালক হিসাবে ফিরে আসেন যার মূল ভূমিকায় অভিনয় করেন জ্যাক ব্ল্যাক, কিন্তু ফক্স সিরিজটি গ্রহণ করেনি এবং এটি বাতিল হয়ে যায়।[৩৩]

২০০০ সালে স্টিলার আরও তিনটি চলচ্চিত্রে নায়ক হন যার মধ্যে ‘রবার্ট ডে নিরো’ এর বিপরীতে “মিট দ্য প্যারেন্টস” চলচ্চিত্রে একজন পুরুষ নার্স “গেলর্ড ‘গ্রেগ’ ফকার” এর ভূমিকা সবচেয়ে পরিচিত চরিত্র। [৩৪] ছবিটি সমালোচকদের প্রশংসা লাভ করে, সারা বিশ্বে ৩৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি আয় করে এবং দুইটি সিক্যুয়েলও নির্মাণ হয়।[৩৫][৩৬] ২০০০ সালে আবারও এমটিভি স্টিলারকে আমন্ত্রণ জানায় একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য এবং তিনি “মিশন: ইম্প্রবেবল” নির্মাণ করেন যেটি ‘টম ক্রুজ’ এর “মিশন: ইম্পসিবল ২” সহ অন্যান্য চলচ্চিত্রের একটি স্পুফ। [৩৭]

২০০১ সালে স্টিলার তাঁর তৃতীয় ছবি পরিচালনা করেন “জুল্যান্ডার” নামে যাতে তিনি নিজে ‘ডেরেক জুল্যান্ডার’ এর ভূমিকায় অভিনয় করেন। ছবিটিতে বিভিন্ন সেলিব্রেটিদেরকে অতিথি হিসাবে দেখা যায় যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’, ‘প্যারিস হিল্টন’, ‘লেনি ক্রাভিটজ’, ‘হেইডি ক্লাম’ এবং ‘ডেভিড বোয়ি’। ছবিটি মালেশিয়াতে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়(কারণ ছবিটি একজন মালেশিয়ান প্রধানমন্ত্রী হত্যার উপর প্লট তৈরি করা হয়েছিল)।[৩৮] ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দৃশ্যগুলো ডিজিটালি সরিয়ে ফেলা হয় সেপ্টম্বর ১১ এর সন্ত্রাসী হামলার পর।

২০১০ সালে স্টিলার

‘ওউয়েন উইলসন’ এর সাথে জুল্যান্ডার এ কাজের পর তাঁরা আবার একসাথে যুক্ত হন “দ্য রয়েল টেনেবাউমস” এর জন্য[৩৯]। পরবর্তি দুই বছরে স্টিলার ল্যাকলস্টার বক্স অফিস ফিল্ম এর ছবি “ডুপ্লেক্স” এবং অতিথি হিসাবে “অরেঞ্জ কাউন্টি” ও “নোবডি নোস এনিথিং!” এ অভিনয় করেন।[৪০][৪১][৪২] তিনি বিভিন্ন টেলিভিশন শোতে অতিথি হিসাবে আসেন যার মধ্যে “দ্য কিং অব কুইনস” এ ফ্লাশব্যাক এ আর্থার চরিত্রের পিতা হিসাবে। এছাড়াও তিনি ‘ওয়ার্ল্ড রেসলিং এন্টারটেইনমেন্টের’ “ডাব্লিউডাব্লিউই রতে” অতিথি হিসেবে আসেন।

২০০৪ সালে স্টিলার ছয়টি ভিন্ন ছবিতে অভিনয় করেন এবং সবগুলোই কমেডি, যার মধ্যে কিছু তাঁর সর্বোচ্চ আয় করা ছবিঃ “স্টারস্কি এন্ড হাচ”, “এনভি”, “ডজবলঃ এ ট্রু আন্ডারডগ স্টোরি”, “এংকোরম্যানঃ দ্য লেজেন্ড অভ রন বারগান্ডি”, “এলং কেইম পলি” এবং “মিট দ্য ফোকারস”। যেখানে ফ্লপ হওয়া ছবি ‘এনভি’ আয় করে মাত্র ১৪.৫মিলিয়ন ইউএস ডলার অন্যদিকে সবচেয়ে সফল ছবি ছিল “মিট দ্য ফোকারস” যা সারাবিশ্বে ৫১৬.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে। একই বছর তিনি “কার্ব ইউর এন্থুসিয়াসম” এবং “এরেস্টেড ডেভলাপমেন্ট” টিভি সিরিজে অতিথি হিসাবে আসেন। ২০০৫ সালে তাঁর প্রথম কন্ঠ শিল্পী হিসাবে অভিজ্ঞতা এনিমেশন ছবি “মাদাগাস্কার” এ, যেটি সারা বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং পরবর্তিতে এর সিক্যুয়েল তৈরি হয় ২০০৮ সালে “মাদাগাস্কারঃ এস্কেপ ২ আফ্রিকা” ও ২০১২ সালে “মাদাগস্কার ৩: ইউরোপ মোস্ট ওয়ান্টেড” নামে।

২০০৬ সালে স্টিলার অতিথি হিসাবে “স্কুল অব স্কাউন্ড্রেলস” এবং “টেনাসিয়াস ডি ইন দ্য পিক অফ ডেসটিনিতে” অভিনয় করেন এবং সহকারী প্রযোজক ছিলেন। ডিসেম্বর ২০০৬ এ তিনি “নাইট এট দ্য মিউজিয়াম” এ প্রধান চরিত্র পান। এটি সমালোচকদের প্রিয় না হলেও দশ দিনে ১১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে। ২০০৭ সালে স্টিলার ‘মালিন আকারম্যান’ এর সাথে রোমান্টিক কমেডি “দ্য হার্টব্রেক কিড” এ অভিনয় করেন। এটি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া সত্ত্বেও সারাবিশ্বে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যবসা করে। [৪৩][৪৪]

২০০৮ সালে “ট্রপিক থান্ডার” মুক্তি পায় যাতে তিনি পরিচালক, সহকারী লেখক এবং সহকারী প্রযোজক এর পাশাপাশি তিনি এতে “রবার্ট ডাওনি জুনিয়র” এবং “জ্যাক ব্ল্যাক” এর সাথে অভিনয় করেন।[৪৫] ২০০৯ সালে তিনি এমি এডামস এর সাথে সিক্যুয়েল “নাইট এট দ্য মিউজিয়াম ২: ব্যাটল অফ দ্য স্মিথসনিয়ান” চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।[৪৬] ২০১০ সালে স্টিলারকে ‘জোয়াকুইন ফিনিক্স’ এর “আই এম স্টিল হিয়ার” ডকুমেন্টারি ছবিতে দেখা যায় এবং তিনি কমেডি-ড্রামা ছবি “গ্রিনবার্গ” মূল ভূমিকায় অভিনয় করেন। এরপর তিনি আবারও গ্রেগ ফোকার চরিত্রে অভিনয় করেন “লিটল ফোকারস” ছবিতে যেটি ‘মিট দ্য পেরেন্টস’ এর দ্বিতীয় কিস্তি ছিল। স্টিলারকে “মেগামাইন্ড” এর প্রধান চরিত্রের কন্ঠ দেয়ার পরিকল্পনা থাকলেও পরে তাঁকে বাদ দেয়া হয় এবং অন্য একটি ছোট চরিত্রে কন্ঠ দেন ও ছবিটি প্রযোজনা করেন [৪৭]

২০১১ সালে তিনি ‘এডি মার্ফি’ এবং ‘এলান আলডা’ এর সাথে “টাওয়ার হাইস্ট” ছবিতে অভিনয় করেন। স্টিলার “দ্য সিক্রেট লাইফ অফ ওয়াল্টার মিটি” ছবিতে প্রযোজনা, পরিচালনা এবং অভিনয় করেন যেটি ২০১৩ সালে মুক্তি পায়।

‘ফ্র্যাট প্যাক’[সম্পাদনা]

স্টিলারকে ‘ফ্র্যাট প্যাক’ এর প্রধান হিসাবে বলা হয়। ফ্র্যাট প্যাক হচ্ছে কোটিপতি অভিনেতাদের সংঘ যারা বিভিন্ন ছবিতে একসাথে কাজ করে। গ্রুপটিতে “জ্যাক ব্ল্যাক”, “উইল ফেরেল”, “ভিন্স ভন”, “ওউয়েন উইলসন” “লুক উইলসন” এবং “স্টিভ ক্যারেল” রয়েছেন[৪৮][৪৯] । স্টিলারকে প্রধান হিসাবে জানা যায় কারণ অতিথি হিসাবে বিভিন্ন ছবিতে কিংবা টিভি শো তে তাঁর উপস্থিতি এবং গ্রুপটির অন্যান্য সদস্যকে তিনি তাঁর প্রযোজিত ও পরিচালিত ছবিতে বিভিন্ন চরিত্রে কাজে লাগান বলে। স্টিলার সবচেয়ে বেশি ‘ওউয়েন উইলসন’ এর সাথে সবচেয়ে বেশি অভিনয় করেন-১১টি ছবি।[৪৮][৫০] প্রাথমিকভাবে ৩৫টি ছবিকে ফ্র্যাট প্যাকের ছবি হিসাবে বলা হয়, যেখানে স্টিলার প্রায় ২০টি ছবিতে উপস্থিত ছিলেন। স্টিলার গ্রুপটির একমাত্র সদস্য যিনি “ব্র্যাট প্যাক” এর একটি ছবি (‘ফ্রেশ হর্সেস’) কাজ করেছেন। ২০০৮ সালে স্টিলার একটি ইন্টারভিউয়ে নিজেকে ‘ফ্রাট প্যাক’ এর বাইরে দাবি করেন এবং বলেন এগুলোর উদ্দেশ্য “সম্পূর্ণ বানোয়াট”।[৫১]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

Stiller is facing the camera and smiling. He is wearing a baseball cap and a blue shirt with a white T-shirt underneath.
২০০৮ সালের ডিসেম্বরে স্টিলার

স্টিলার তাঁর ক্যারিয়ার এর শুরুর দিকে বিভিন্ন অভিনেত্রীর সাথে ডেট করেছেন যার মধ্যে ‘জিন ট্রিপলহর্ন’, ক্যালিস্তা ফ্রকহার্ট’ এবং ‘এমান্ডা পিট’ উল্লেখযোগ্য।[৫২][৫৩] ২০০০ সালের মে মাসে তিনি ক্রিশ্চিন টেইলরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।[৫৪] তিনি তার সাথে পরিচিত হন[৫৫] যখন “ফক্স ব্রডকাস্টিং” এর জন্য একটি টেলিভিশন সিরিজ “হিট ভিশন এন্ড জ্যাক” শুটিং করতে ছিলেন যেটি কখনও প্রকাশ হয়নি।

এই যুগলকে একসাথে “জুল্যান্ডার”, “ডজবলঃ এ ট্রু আন্ডারডগ স্টোরি” এবং “এরেস্টেড ডেভেলপমেন্ট” ছবিতে দেখা গেছে। দুজনেই এখন নিউ ইয়র্ক এর ওয়েস্টচেস্টার কাউন্টিতে বাস করেন।[৫৬] তাঁদের দুটি সন্তান আছে, একটি মেয়ে এলা অলিভিয়া, জন্ম এপ্রিল ৯, ২০০২ এবং একটি ছেলে কুইনলিন ডেম্পসি, জন্ম জুলাই ১০, ২০০৫। কুইলিন ৩ বছর বয়সেই তার বাবার সাথে “মাদাগাস্কারঃ এস্কেপ ২ আফ্রিকা” ছবিতে একজন কণ্ঠশিল্পী হিসাবে কাজ করেছে।[৫৭]

স্টিলার আমেরিকার ডেমোক্রেট দলের সমর্থক এবং তিনি ২০০৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার জন্য জন কেরিকে অর্থ দান করেন। [৫৮] ফেব্রুয়ারি ২০০৭ এ তিনি বারাক ওবামা এর হয়ে ফান্ড রাইজার হিসাবে কাজ করেন এবং পরবর্তিতে ২০০৮ সালের নির্বাচনী প্রচারনায় অর্থ দান করেন ওবামা, জন এডয়ার্ড, এবং হিলারি ক্লিনটন এর জন্য।[৫৯] স্টিলার এছাড়াও বিভিন্ন দাতব্য সংস্থার সমর্থক যার মধ্যে রয়েছে “ডিক্লেয়ার ইউরসেলফ”, “এলিজাবেথ গ্লাসের পেডিয়াট্রিক এইডস ফাউন্ডেশন” এবং “স্টারলাইট স্টারব্রাইট চিলড্রেন ফাউন্ডেশন”[৬০]। স্টিলার পশু অধিকার এর সক্রিয় সদস্য। ২০১০ সালে স্টিলার “জেনিফার এনিস্টন”, “কোর্টনি কক্স”, রবিন উইলিয়ামস এবং অন্যান্য হলিউড তারকার সাথে “দ্য কোভ পিএসএঃ মাই ফ্রেন্ড ইজ...” এ যুক্ত হন, যাতে ডলফিন শিকার থামানো এবং জাপানি মানুষদেরকে ডলফিনের মাংস খাওয়া থেকে থামানো কারণ এতে বিষাক্ত পারদ থাকে।[৬১]

স্টিলার প্রায়ই তাঁর প্রিয় পারফর্মার এর ব্যক্তিত্ত সাজেন যার মধ্যে রয়েছেন টম ক্রুজ, “বোনো”, “ব্রুস স্প্রিংটিন”, এবং “ডেভিড ব্লেইন”। স্টিলার ‘প্যারাডে’ ম্যাগাজিন এর একটি সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন যে, ‘রবার্ট ক্লেইন’, ‘জিওরেজ কারলিন’, এবং ‘জিমি ওয়াকার’ তাঁর কমেডি ক্যারিয়ার এর অনুপ্রেরনা। স্টিলার নিজে ‘ট্রেকি’ দাবি করেন এবং টেলিভিশন স্পেশাল “স্টার ট্রেকঃ ৩০ ইয়ারস এন্ড বিয়ন্ড” এ উপস্থিত হন ও এই শো এবং কমেডি রোস্ট “উইলিয়াম শ্যাটনার” এর জন্য নিজের ভালবাসা ব্যক্ত করেন।[৬২][৬৩] তিনি তাঁর কাজের মধ্যে প্রায়ই এই শো এর কথা উল্লেখ করেন এবং তাঁর প্রযোজনা কোম্পানি “রেড হাওয়ারস প্রডাকশন” নামকরণ করেছেন এর নামে যখন “স্টার ট্রেক” এর একটি পর্ব ‘দ্য রিটার্ন অভ দ্য আরচন্স’ দেখানো হয়।[৬৪]

চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

অভিনেতা হিসাবে[সম্পাদনা]

বছর নাম ভূমিকা টীকা
১৯৮৭ হট পারসুট ক্রিস হানিওয়েল
এম্পায়ার অব দ্য সান ডাইন্টি
সুশাইন
১৯৮৮ ফ্রেশ হর্সেস টিপটন
১৯৮৯ নেক্সট টু কিন লরেন্স ইজাবেল
এলভিস স্টোরিস ব্রুস
দেট’স অ্যাডেকেইট চিপ লেইন
১৯৯০ স্টেলা জিম আপ্টেগ্রুভ
ওয়ার্কিং ট্র্যাশ ফ্রেডি নোভাক
১৯৯২ দ্য নাট হাউজ পাই থ্রোয়ার অতিথি
হাইওয়ে টু হেল প্লুটো’স কোক/এটিলিয়া দ্য হান
১৯৯৪ রিয়েলিটি বাইটস মাইকেল গ্রেটস পরিচালক হিসাবে প্রথম কাজ
১৯৯৫ হেভিওয়েইটস টনি পারকিস/টনি পারকিস সিনিয়র
১৯৯৬ দ্য কেবল গাই স্যাম সুইট/স্টান সুইট পরিচালক
ফ্লার্টিং উইথ ডিজাস্টার মেল
ইফ লুসি ফেল বুইক এলিয়াস
হ্যাপি গিলমোর হাল ল(নার্সিং হোম ওর্ডারলি) অস্বীকৃত
১৯৯৮ পার্মানেন্ট মিডনাইট জেরি স্টাল
ইউর ফ্রেন্ডস এন্ড নেইবারস জেরি
দেয়ার’স সামথিং এবাউট মেরি টেড স্টোরম্যান এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট ফাইট (পাফি ডগ এর বিরুদ্ধে লড়াই এর জন্য)
মনোনীত—আমেরিকান কমেডি এওয়ার্ড ফর ফানিয়েস্ট এক্টর(লিডিং রুল)
মনোনীত—ব্লকবাস্টার এন্টারটেইনমেন্ট এওয়ার্ড ফর ফেবারিট এক্টর-কমেডি
মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট কমেডিক পারফর্মেন্স
মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট কিস (‘ক্যামেরন ডিয়াজ’ এর সাথে)
মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট অন-স্ক্রিন ডোও (‘ক্যামেরন ডিয়াজ’ এর সাথে)
জিরো এফেক্ট স্টিভ আর্লো
১৯৯৯ ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট মার্ক ক্লিয়ার
মিস্ট্রি ম্যান মি. ফিউরিয়াস মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড-চয়েস হিসি ফিট
দ্য সাবর্বানস জে রোজ
২০০০ মিট দ্য প্যারেন্টস গেলর্ড ‘গ্রেগ’ ফকার আমেরিকান কমেডি এওয়ার্ড ফর ফানিয়েস্ট এক্টর ইন এ মোশন পিকাঁচার(লিডিং রুল)
এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট কমেডিক পারফর্মেন্স
মনোনীত—ব্লকবাস্টার এন্টারটেইনমেন্ট এওয়ার্ড ফর ফেভারিট এক্টর-কমেডি/রোমান্স
মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট অন স্ক্রিন ডোও (‘রবার্ট ডে নিরো’ এর সাথে)
মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর ফিল্ম- চয়েস এক্টর
কিপিং দ্য ফেইথ র‍্যাবাই জ্যাক শ্রাম
দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট কপ
২০০১ দ্য রয়েল টাইনিবামস চাস টাইনিবামস মনোনীত—ফনিক্স ফিল্ম ক্রিটিক্স এওয়ার্ড ফর বেস্ট কাস্ট
মনোনীত—স্যাটেলাইট এওয়ার্ড ফর বেস্ট সাপোর্টিং এক্টর-মোশন পিকচার
জুল্যান্ডার ডেরেক জুল্যান্ডার লেখক এবং পরিচালক
টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর ফিল্ম- চয়েস হিসি ফিট
মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট ড্রেসড
মনোনীত—/>মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট লাইন("দেয়ার’স মোর টু লাইফ দেন জাস্ট বিয়িং রেয়েলি, রিয়েলি, রিডিকুলাসলি গুড লুকিং")
মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট অন-স্ক্রিন টিম(‘ওউয়িন উইলসন’ এর সাথে)
মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর ফিল্ম-চয়েস এক্টর কমেডি
২০০২ ওরেঞ্জ কাউন্টি দ্য ফায়ারফাইটার অতিথি
রান রুনি রান নিজে
২০০৩ নোবডি নোস এনিথিং! পিচ এক্সপার্ট অতিথি
ডুপ্লেক্স অ্যালেক্স রোজ
পোউলি শর ইজ ডেড নিজ অতিথি
২০০৪ মিট দ্য ফকারস গ্রেগ ফকার মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর চয়েস মুভি এক্টরঃ কমেডি
মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর চয়েস মুভি ব্লাস স্কিন (গ্রেগ এঙ্গেইজমেন্ট পার্টি স্পিচ)
মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর চয়েস মুভি লায়ার
এংকোরম্যানঃ দ্য লেজেন্ড অব রন বারগান্ডি আরটুরো মেন্ডেস অতিথি
ডজবলঃ এ ট্রু আন্ডারডগ স্টোরি হোয়াইট গুডম্যান এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট ভিলিয়েন
মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট কমেডিক পার্ফরমেন্স
এনভি টিম ডিংম্যান
স্টারস্কি এন্ড হাচ ডেভিড স্টারস্কি মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট অন স্ক্রিন টিম (>(‘ওউয়েন উইলসন’ এর সাথে)
মনোনীত—পিপল চয়েস এওয়ার্ড ফর ফেবারিট অন স্ক্রিন কেমেস্ট্রি (>(‘ওউয়েন উইলসন’ এর সাথে)<br /
মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর চয়েস মুভি এক্টর-কমেডি
মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর চয়েস মুভি কেমেস্ট্রি (>(‘ওউয়েন উইলসন’ এর সাথে)
এলং কেম পলি রিউবেন পেফার মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট ডান্স সিকুয়েন্স (>(‘জেনিফার এনিস্টন’ এর সাথে দ্য হট সালসা ডান্স এর জন্য)>
মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর চয়েস মুভি ব্লাস
মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর চয়েস মুভি হিসি ফিট
২০০৫ ডেনি রোয়ানিঃ ফার্স্ট টাইম ডিরেক্টর নিজে
মাদাগাস্কার অ্যালেক্স কণ্ঠ; মনোনীত—কিডস চয়েস এওয়ার্ড ফর ফেবারিট বয়েস ফ্রম এনিমেটেড মুভি
স্লেডজঃ দ্য আনটোল্ড স্টোরি কমান্ডার
২০০৬ নাইট এট দ্য মিউজিয়াম লেরি ডেলি মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট কমেডিক পারফর্মেন্স
মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর চয়েস মুভি এক্টরঃ কমেডি
ইন সার্চ অভ টেড ডেম্মে নিজে
টেনাসিয়াস ডি ইন দ্য পিক অভ ডেসটিনি গীটার সেন্টার গাই অতিথি এবং প্রযোজক
স্কুল অভ স্কাউন্ড্রেলস লনি
ওয়সাম, আই ফাকিং শট দেট! নিজে
২০০৭ দ্য হার্টব্রেক কিড এডি ক্যান্ট্রু
২০০৮ ট্রপিক থান্ডার টাগ স্পিডম্যান লেখক এবং প্রযোজক
হলিউড ফিল্ম ফেস্টিভাল এওয়ার্ড ফর কমেডি অভ দা ইয়ার
মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট ডব্লিউটিএফ মুমেন্ট
মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর চয়েস মুভি এক্টরঃ কমেডি
মাদাগাস্কারঃ এস্কেপ ২ আফ্রিকা অ্যালেক্স কণ্ঠ; মনোনীত—কিডস চয়েস এওয়ার্ড ফর ফেবারিট ভয়েস ফ্রম এনিমেটেড মুভি
২০০৯ নাইট এট দ্য মিউজিয়ামঃব্যাটল অভ দ্য স্মিথসন লেরি ডেলি মনোনীত—এমটিভি মুভি এওয়ার্ড ফর বেস্ট কমেডিক পারফর্মেন্স
মনোনীত—টিন চয়েস এওয়ার্ড ফর চয়েস মুভি এক্টরঃ কমেডি
দ্য মার্ক পিজ এক্সপেরিয়েন্স জন গ্রিবল
২০১০ গ্রিনবার্গ রজার গ্রিনবার্গ মনোনীত—ইনডিপেন্ডেন্ট স্পিরিট এওয়ার্ড ফর বেস্ট মেইল লিড
মনোনীত—কমেডি ফিল্ম এওয়ার্ড ফর বেস্ট লিডিং এক্টর
মেগামাইন্ড বেরনার্ড নির্বাহী প্রযোজক, কণ্ঠ
লিটল ফকারস গ্রেগ ফকার
দ্য ট্রিপ নিজে অতিথি(অস্বীকৃত)
২০১১ টাওয়ার হাইস্ট জোশ কোবাক্স
২০১২ মাদাগাস্কার ৩: ইউরোপ মোস্ট ওয়ান্টেড এলেক্স কণ্ঠ; মনোনীত—কিডস চয়েস এওয়ার্ড ফর ফেবারিট ভয়েস ফ্রম এন এনিমেটেড
মনোনীত—পিপল চয়েস এওয়ার্ড ফর ফেবারিট কমেডিক মুভি এক্টর
দ্য ওয়াচ ইবান ট্রোটুইগ
২০১৩ ম্যাডলি মাদাগাস্কার অ্যালেক্স
হি’স ওয়ে মোর ফেমাস দেন ইউ নিজে
দ্য সিক্রেট লাইফ অফ ওয়াল্টার মিটি ওয়াল্টার মিটি পরিচালক
২০১৪ হোয়াইল উই’আর ইয়াং জোশ
নাইট এট দ্য মিউজিয়ামঃ সিক্রেট অফ দ্য টম্ব লেরি ডেলি/লা কিডস চয়েস এওয়ার্ড ফর ফেবারিট মুভি এক্টর
২০১৬ জুল্যান্ডার ২ ডেরেক জুল্যান্ডার লেখক এবং পরিচালক; পোস্ট-প্রডাকশন এ রয়েছে

পরিচালক হিসাবে[সম্পাদনা]

বছর ভূমিকা টীকা
১৯৮৯ এলভিস স্টোরিস পরিচালক, লেখক
১৯৯৪ রিয়েলিটি বাইটস পরিচালক
১৯৯৬ দ্য ক্যাবল গাই পরিচালক, লেখক(অস্বীকৃত)
২০০১ জুল্যান্ডার পরিচালক, প্রযোজক, লেখক
২০০৮ ট্রপিক থান্ডার
২০১৩ দ্য সিক্রেট লাইফ অফ ওয়াল্টার মিটি পরিচালক, প্রযোজক
২০১৬ জুল্যান্ডার ২ পরিচালক, লেখক

প্রযোজক হিসাবে[সম্পাদনা]

বছর ভূমিকা টীকা
২০০৩ ডুপ্লেক্স প্রযোজক
ক্রুকড লাইনস নির্বাহী প্রযোজক
২০০৪ স্টারস্কি এন্ড হাচ
ডজবলঃ এ ট্রু আন্ডারডগ স্টোরি প্রযোজক
২০০৬ টেনাসিয়াস ডি ইন দ্য পিক অভ ডেসটিনি নির্বাহী প্রযোজক
২০০৭ ব্লেইডস অফ গ্লোরি প্রযোজক
২০০৮ ডেট স্কুল
দা রুইনস নির্বাহী প্রযোজক
২০০৯ দ্য বয়েসঃ দ্য শেরম্যান ব্রাদার্স স্টোরি
২০১০ মেগামাইন্ড
সাবমেরিন
২০১১ ৩০ মিনিটস অর লেস প্রযোজক
দ্য বিগ ইয়ার নির্বাহী প্রযোজক
২০১৬ জুল্যান্ডার প্রযোজক

টেলিভিশন[সম্পাদনা]

বছর ভূমিকা ভূমিকা টীকা
১৯৮৬ কেট এন্ড এলি পিটার টু লেট দ্য রেবেল
১৯৮৭ মিয়ামি ভাইস ফাস্ট এডি ফ্লেচার সিজন ৪,পর্ব২- ‘আমিন...সেন্ড দা মানি’
১৯৮৯ স্যাটারডে নাইট লাইভ বিভিন্ন/লেখক ৪টি পর্ব
১৯৯০ দ্য বেন স্টিলার শো নিজে পরিচালক এবং লেখক
ওয়ার্কিং ট্রাস ফ্রেডি নোভাক টেলিফিল্ম
১৯৯২-৯৩ দ্য বেন স্টিলার শো নিজে পরিচালক, প্রযোজক এবং লেখক
‘গান কিংবা কমেডিতে অসাধারণ লেখনী’ বিষয়শ্রেণীতে প্রাইমটাইম এমি এওয়ার্ড
১৯৯৫ ডাকম্যান হ্যারি ম্যাডফ্লাই একটি পর্বে শুধুমাত্র কণ্ঠ
২ স্টুপিড ডগস টনি রবিন্ শুধুমাত্র কণ্ঠ
১৯৯৬ নিউজরেডিও ভিক একটি পর্ব
১৯৯৭ ফ্রেন্ডস টমি ‘দা ওয়ান উইথ স্কেমার’ পর্বে
দা লেরি সেন্ডারস শো নিজে একটি পর্ব
১৯৯৮ স্পেস ঘোস্ট কোস্ট টু কোস্ট
স্যাটারডে নাইট লাইভ উপস্থাপক একটি পর্বে
১৯৯৮ এমটিভি ভিডিও মিউজিক এওয়ার্ড উপস্থাপক টেলিভিশন স্পেশাল
১৯৯৯ হিট ভিশন এন্ড জ্যাক স্ট্রিপ ক্লাব ডিজে পরিচালক এবং নির্বাহী প্রযোজক
র ইজ ওয়ার নিজে বিশেষ অতিথি-উপস্থাপক
ফ্রিকস এন্ড গিকস সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট একটি পর্বে
২০০০ সেসিমি স্ট্রিট নিজে
২০০১ আনডিক্লেয়ারড রেক্স
২০০২ দ্য সিম্পসনস গার্থ মাদারলাভিং ’সুইটস এন্ড সোর মারজ’ পর্বে কণ্ঠ
২০০২-০৩ লিবার্টি’স কিডস থমাস জেফারসন দুইটি পর্বে কণ্ঠ
২০০২ প্রিহিস্টোরিক প্ল্যানেট বর্নণাকারি প্রথম সিজন
দ্য কিং অভ কুইনস জেরি একটি পর্বে
হুবস অভ ফায়ার (যুক্তরাষ্ট্রে রিডাব) রবি শুধুমাত্র কণ্ঠ
লিজেন্ড অভ দ্য লস্ট ট্রাইব (যুক্তরাষ্ট্রে রিডাব)
২০০৪ কিং অভ দ্য হিল রিচ একটি পর্বে
কার্ব ইউর এন্থুসিয়াসম নিজে তিনটি পর্ব
২০০৪-০৬, ২০১৩ এরেস্টেড ডেভেলপমেন্ট টনি ওয়ান্ডার চারটি পর্ব
২০০৫ এক্সট্রাস নিজে একটি পর্বে
মনোনীত—প্রাইমটাইম এমি এওয়ার্ড ফর আউটস্টেন্ডিং গেস্ট এক্টর ইন এ কমেডি সিরিজ
২০০৭ ফ্যামেলি গাই ‘নো মিলস অন হোয়িলস’ পর্বে শুধুমাত্র কণ্ঠ
২০০৭ বব এন্ড ডাগ ম্যাকঞ্জি’স টু-ফোর এনিবারসারি প্রামাণ্যচিত্র
২০১০ ফিনিয়াস এন্ড ফার্ব খাকা পিউ পিউ দা বিক
টিম এন্ড এরিক ওয়সাম শো, গ্রেট জব নিজে একটি পর্বে
দ্য ট্রিপ অতিথি(অস্বীকৃত)
২০১১ অনিয়ন নিউজ নেটয়ার্ক একটি পর্ব
টেইক টু উইথ ফিনিয়াস এন্ড ফার্ব
স্যাটারডে নাইট লাইভ উপস্থাপক একটি পর্ব
২০১২ এগলহার্ট সিলি সামি অতিথি তারকা, একটি পর্ব
২০১৪ রানিং ওয়াইল্ড উইথ বিয়ার গ্রিলস নিজে একটি পর্ব; সিজন ১ পর্ব ২
২০১৫ ওয়ার্কোহলিক্স ডেল জেকবসন অতিথি তারকা, একটি পর্ব
২০১৫ এনাদার পিরিয়ড চার্লেস পঞ্জি অতিথি তারকা, ‘লিলিয়ান’স বার্থডে’ পর্বে

প্রযোজক হিসাবে[সম্পাদনা]

বছর নাম টীকা
২০১৩ দ্য বার্থডে বয়েজ নির্বাহী প্রযোজক
২০১৪ বিগ টাইম ইন হলিউড, এফএল

মিউজিক ভিডিও[সম্পাদনা]

বছর নাম শিল্পী ভূমিকা
২০০০ রুলিন(এয়ার রেইড ভেহিকল) লিম্প বিজকিট নিজে
চকোলেট স্টারফিশ এন্ড দ্য হট ডগ ফ্লেভারড ওয়াটার লিম্প বিজকিট
২০০১ ব্যাড বয় ফর লাইফ সিন কম্ভস পি. ডিডী’স নেইভর
২০০২ ট্রিবিউট টেনাসিয়াস ডি নিজে
২০০৪ টেইলর জ্যাক জনসন
২০০৬ ওসাম; আই ফাকিং’ শট দেট! বিসাইট বয়েজ
২০০৭ ক্লোজার ট্রাভিস সুপারমার্কেট ম্যানেজার

ওয়েব সিরিজ[সম্পাদনা]

বছর নাম ভূমিকা টীকা
২০১০–১১ স্টিলার এন্ড মিয়েরা পরিচালক, প্রযোজক
২০১২ বার্নিং লাভ জো রাদারফোর্ড সহ-নির্বাহী প্রযোজক

পদক এবং সম্মাননা[সম্পাদনা]

  • স্টিলার “এমি এওয়ার্ড” পুরুস্কার পান ‘গান কিংবা কমেডিতে অসাধারণ লেখনীর’ বিষয়শ্রেণীতে “দা বেন স্টিলার শো” এর জন্য।
  • তিনি বার(১২) বার টিন চয়েস এওয়ার্ডে মনোনীত হয়েছেন এবং একবার জিতেছেন ‘চয়েস হিসি ফিট’ বিষয়শ্রেণীতে “জুল্যান্ডার” এর জন্য।
  • তিনি তের বার “এমটিভি মুভি এওয়ার্ড” এ মনোনীত হয়েছেন ও তিনবার জিতেছেনঃ ‘বেস্ট ফাইট’ বিষয়শ্রেণীতে ‘দেয়ার’স সামথিং এবাউট মেরি’ এর জন্য, “বেস্ট কমেডিক পারফর্মেন্স” বিষয়শ্রেণীতে ‘মিট দা পেরেন্টস’ ছবির জন্য এবং “বেস্ট ভিলিয়েন” বিষয়শ্রেণীতে ‘ডজবলঃ এ ট্রু আন্ডারডগ স্টোরি’ এর জন্য[৬৫] । এছাড়া ২০০৯ সালে তাঁকে ‘এমটিভি মুভি এওয়ার্ড’ এ আজীবন সম্মাননা পদকে ভূষিত করে যেটি এই অনুষ্ঠানের সর্বোচ্চ সম্মাননা[৬৬]
  • ‘প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি’ এর ২০০৫শিক্ষাবর্ষের ছাত্ররা তাঁকে সম্মানিত সদস্য হিসাবে ঘোষণা দেয় এর সিনিয়র সপ্তাহে[৬৭]
  • ২০০৭ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি স্টিলার হারবার্ডের ‘হাস্টি পুডিং থিয়েটার’ থেকে হাস্টি পুডিং ম্যান অব দা ইয়ার সম্মাননা দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির মতে বিনোদন জগতে সারাবিশ্বে অসাধারণ পারফর্মারদের এই পদক দেয়া হয়[৬৮]
  • ২০০৭ সালের ৩১শে মার্চ, স্টিলার “কিডস চয়েস এওয়ার্ড” এর ‘ওয়ানাবি এওয়ার্ড’ জিতেন (যেখানে জিজ্ঞেস করা হয় কোন সেলিব্রেটির সন্তান হতে চাও)। [৬৯]
  • ২০১১ সালে তাঁকে ‘এক্সিলেন্স ইন কমেডি’ বিষয়শ্রেণীতে “বাফটা ব্রিটানিয়া-চার্লি চ্যাপলিন এওয়ার্ড” পদক দেয়া হয়।[৭০]
  • ২০১৪ সালে স্টিলার সেরা অভিনেতা হিসাবে “৪০তম সেটার্ন এওয়ার্ড” এ মনোনীত হন[৭১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

ফুটনোট[সম্পাদনা]

  1. "Ben Stiller – Actor"Box Office Mojo। সংগৃহীত Aug ১০, ২০১৩ 
  2. Friend, Tad (জুন ২৫, ২০১২)। "Funny Is Money: Ben Stiller and the dilemma of modern stardom"The New Yorker। সংগৃহীত মার্চ ২৬, ২০১৫ 
  3. "Edward J. Meara, Former Resident, Dies In Boston"Rockville Centre NY Long Island News and Owl। ডিসেম্বর ২৩, ১৯৬৬। সংগৃহীত মার্চ ২৬, ২০১৫ 
  4. "Ben Stiller Biography: Film Actor (1965–)"Biography.com (FYI / A&E Television Networks। এপ্রিল ২৭, ২০১৪-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত মার্চ ২৬, ২০১৫ 
  5. Married to Laughter: A Love Story Featuring Anne Meara - Jerry Stiller। Google Books। সংগৃহীত ২০১৩-০৬-২৫ 
  6. Wallace, Debra (নভেম্বর ১৯, ১৯৯৯)। "Stiller 'softy' in real life"Jewish News of Greater Phoenix। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  7. Dutka, Elaine (Mar ১, ১৯৯৮)। "Finding an Afterlife as a Playwright"Los Angeles Times। সংগৃহীত Aug ১০, ২০১৩ 
  8. O'Toole, Lesley (ডিসেম্বর ২২, ২০০৬)। "Ben Stiller:'Doing comedy is scary'"The Independent (London)। সংগৃহীত Aug ১০, ২০১৩ 
  9. Longsdorf, Amy (ডিসেম্বর ৩, ২০১০)। "Christine Taylor: Sweet for the holidays"। The Morning Call। সংগৃহীত ২০১০-১২-০৫ 
  10. Masello, Robert (নভেম্বর ২৮, ২০০৬)। "What makes Ben Stiller funny?"Parade। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  11. Bruni, Frank (ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৯৪)। "Generation-X man Mercurial Ben Stiller gets raves for twentysomething flick"The Spectator। সংগৃহীত জানুয়ারি ৯, ২০১০(সদস্যতা প্রয়োজনীয় (help)) 
  12. Millar, John (আগস্ট ২৮, ২০০৪)। "Keeping it in the family is Ben's way"Daily Record। সংগৃহীত Aug ১০, ২০১৩(সদস্যতা প্রয়োজনীয় (help)) 
  13. Mitchell, Elvis (সেপ্টেম্বর ২৮, ২০০১)। "A Lost Boy in a Plot to Keep The Fashion Industry Afloat"The New York Times। সংগৃহীত জানুয়ারি ৯, ২০১০ 
  14. Wood, Gaby (মার্চ ১৪, ২০০৪)। "The geek who stole Hollywood"The Guardian (London: guardian.co.uk)। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  15. McCarthy, Ellen (ডিসেম্বর ২২, ২০০৬)। "Ben Stiller Isn't Funny. Or So He Says..." (Fee required)। The Washington Post। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  16. Gordon, Jeremy and Amy Phillips (মার্চ ২৭, ২০১৫)। "Ben Stiller's Teenage Punk Band, Capital Punishment, Reissued by Captured Tracks"Pitchfork। সংগৃহীত ডিসেম্বর ১২, ২০১৫ 
  17. Postigo, Cheyenne (মার্চ ২৭, ২০১৫)। "Captured Tracks to reissue album by Ben Stiller's teenage 'no wave/ retardo' punk band – listen"NME। সংগৃহীত ডিসেম্বর ১২, ২০১৫ 
  18. "NOTABLE ALUMNI ACTORS"। UCLA School of Theater, Film and Television। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৪ 
  19. Wills, Dominic। "Ben Stiller Biography"Tiscali। ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  20. "Something Something Japanese". Conan (TBS). July 26, 2012. No. 121, season 2.
  21. Svetkey, Benjamin (অক্টোবর ১৬, ১৯৯২)। "Our Son the Comedian"Entertainment Weekly। জানুয়ারি ১৩, ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত জানুয়ারি ৯, ২০১০ 
  22. Wickstrom, Andy (জানুয়ারি ৫, ১৯৯০)। "The King Lives in 'Elvis Stories'"Boca Raton News। সংগৃহীত জানুয়ারি ৯, ২০১০ 
  23. "Stiller gets serious"The Washington Post। সেপ্টেম্বর ২৮, ২০০১। সংগৃহীত জানুয়ারি ৯, ২০১০(সদস্যতা প্রয়োজনীয় (help)) 
  24. Wills, Dominic। "Ben Stiller – Biography"Tiscali। সংগৃহীত জানুয়ারি ৯, ২০১০ 
  25. Bianculli, David (আগস্ট ২৪, ১৯৯৫)। "'Stiller' Gonna Make Sat. Night Livelier"New York Daily News। সংগৃহীত Aug ১০, ২০১৩ 
  26. Kushner, David (মার্চ ২৬, ১৯৯৯)। "Jokers Mild"Entertainment Weekly। সংগৃহীত জানুয়ারি ১১, ২০১০ 
  27. Wolk, Josh (ডিসেম্বর ৫, ২০০৩)। "Stiller Standing"Entertainment Weekly। এপ্রিল ২৫, ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  28. Read, Kimberly; Purse, Marsia (আগস্ট ৪, ২০০৭)। "Ben Stiller – Actor/Comedian"About.com। ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  29. "Reality Bites Weekend Box Office"Box Office Mojo। সংগৃহীত জানুয়ারি ১১, ২০১০ 
  30. "Reality Bites (1993)"Rotten Tomatoes। ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত জানুয়ারি ১১, ২০১০ 
  31. Waxman, Sharon (জুলাই ২৩, ১৯৯৬)। "Stiller Standing" (Fee required)। The Washington Post। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  32. "Madonna Rules at Routine MTV Video Music Awards"Pittsburgh Post-Gazette। সেপ্টেম্বর ১২, ১৯৯৮। সংগৃহীত জানুয়ারি ১১, ২০১০(সদস্যতা প্রয়োজনীয় (help)) 
  33. Lawrence, Will (সেপ্টেম্বর ২৮, ২০০৭)। "Ben Stiller behaving badly"। London: guardian.co.uk। সংগৃহীত জানুয়ারি ১১, ২০১০ 
  34. Turan, Kenneth (অক্টোবর ৬, ২০০০)। "Meet the Parents"Los Angeles Timesআসল থেকে Oct ২৭, ২০০৭-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত জানুয়ারি ১১, ২০১০ 
  35. "Meet the Parents"Rotten Tomatoes। জানুয়ারি ৬, ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত জানুয়ারি ১৩, ২০১০ 
  36. "Meet the Parents"Box Office Mojo। জানুয়ারি ৩০, ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত জানুয়ারি ১৩, ২০১০ 
  37. Mills, Nancy (অক্টোবর ৩, ২০০৭)। "Bride of Ben"The Record। সংগৃহীত জানুয়ারি ১১, ২০১০ 
  38. "Zoolander faces Malaysian censorship controversy"। London: guardian.co.uk। মার্চ ৫, ২০০২। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  39. Bradshaw, Peter (মার্চ ১৫, ২০০২)। "The Royal Tenenbaums"। London: guardian.co.uk। সংগৃহীত জানুয়ারি ১৩, ২০১০ 
  40. Macaulay, Sean (জানুয়ারি ২০, ২০০৪)। "Ben there, done that"The Times (London)। সংগৃহীত জানুয়ারি ১৩, ২০১০ 
  41. Patterson, John (জানুয়ারি ১৪, ২০০২)। "Strange Fruit"। London: guardian.co.uk। সংগৃহীত জানুয়ারি ১৩, ২০১০ 
  42. Watts, Duncan J.। "Nobody Knows Anything (2003)"The New York Times। সংগৃহীত জানুয়ারি ১৩, ২০১০ 
  43. "The Heartbreak Kid"Box Office Mojo। সংগৃহীত জানুয়ারি ১১, ২০১০ 
  44. "The Heartbreak Kid"Rotten Tomatoes। ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত জানুয়ারি ১১, ২০১০ 
  45. Vary, Adam B. (মার্চ ৩, ২০০৮)। "First Look: 'Tropic Thunder'"Entertainment Weeklyআসল থেকে নভেম্বর ৭, ২০১০-এ আর্কাইভ করা। 
  46. Siegel, Tatiana (জুন ২, ২০০৮)। "Ed Helms mans 'Manure'"Variety। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  47. "DreamWorks Animation Acquires Superhero Spoof"। VFX World। এপ্রিল ৩, ২০০৭। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  48. "Learn More"Frat Pack Tribute। জুলাই ২৮, ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত Jul ১৩, ২০১০ 
  49. Wloszczyna, Susan (জুলাই ১৩, ২০০৬)। "'Frat Pack' splits"USA Today। সংগৃহীত জানুয়ারি ৯, ২০১০ 
  50. Wloszczyna, Susan (জুন ১৭, ২০০৪)। "These guys would be great to hang out with"USA Today। সংগৃহীত জানুয়ারি ৯, ২০১০ 
  51. "Stiller tired of "Frat Pack" label"। Ben Stiller dot Net। সেপ্টেম্বর ২৩, ২০০৬। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১০ 
  52. "Ben Stiller"Yahoo!। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  53. "Ben Stiller's funny charms"Monsters and Critics। ডিসেম্বর ১৬, ২০০৬। আসল থেকে জানুয়ারি ১১, ২০০৯-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  54. Errico, Marcus (মে ১৬, ২০০০)। "Ben Stiller Hitched!"E!। সংগৃহীত অক্টোবর ৯, ২০১৩ 
  55. Buzzle Staff and Agencies (এপ্রিল ১৬, ২০০২)। "Ben Stiller, Christine Taylor Welcome a Girl"। Buzzle.com। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  56. Tulloch, Lee (নভেম্বর ১৬, ২০১৩)। "Ben Stiller in the moment"The Sydney Morning Herald 
  57. Thompson, Bob (ডিসেম্বর ১৬, ২০০৬)। "Group Outing"National Post। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  58. "Ben Stiller's Federal Campaign Contribution Report"Newsmeat। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  59. Kaufman, Gil (জুলাই ১৭, ২০০৭)। "Will Smith, Ben Stiller, Even Paulie Walnuts Open Wallets for Presidential Candidates"। MTV। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  60. "Ben Stiller Charity Information"Look to the Stars। মার্চ ২০, ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  61. Hollywood and “The Cove” Join Forces for Dolphin Awareness: Ben Stiller, Jennifer Aniston and friends appear in The Cove PSA directed by Andrés Useche
  62. "'Five Year Mission' Enters 31st Season"The Daily Courier (Google News)। Associated Press। অক্টোবর ৭, ১৯৯৬। সংগৃহীত জানুয়ারি ১৩, ২০১০ 
  63. "Holy Shat! Insults Fly at Comedy Central Roast"। Startrek.com। আগস্ট ১৫, ২০০৬। সংগৃহীত জানুয়ারি ১৩, ২০১০ 
  64. Silverstein, Adam (এপ্রিল ১৯, ২০০৯)। "Stiller: 'J.J. Abrams did great job'"। Digital Spy। সংগৃহীত জানুয়ারি ১৩, ২০১০ 
  65. "Awards for Ben Stiller"Internet Movie Database। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  66. "Ben Stiller to receive MTV honour"। BBC। মে ২৩, ২০০৯। সংগৃহীত মার্চ ২৫, ২০১০ 
  67. Senn, Tom (এপ্রিল ১৯, ২০০৫)। "Comedian Stiller performs at Class of 2005 event"The Daily Princetonian। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  68. "Ben Stiller, Scarlett Johansson to receive Hasty Pudding awards at Harvard"International Herald TribuneAssociated Press। জানুয়ারি ২৯, ২০০৭। আসল থেকে সেপ্টেম্বর ৩, ২০০৭-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  69. Rogers, John (এপ্রিল ১, ২০০৭)। "Ben Stiller wins top Kids Choice prize – the Wannabe"The Eagleআসল থেকে অক্টোবর ১২, ২০০৭-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত মার্চ ২৯, ২০০৯ 
  70. Dave McNary (আগস্ট ২৩, ২০১১)। "BAFTA/L.A. award to Ben Stiller"Variety (Reed Elsevier Inc.)। সংগৃহীত জুলাই ৩১, ২০১২ 
  71. http://www.saturnawards.org/nominations.html

উৎস[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]