শাহরিয়ার নাফীস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
শাহিরয়ার নাফীস
Shahriar Nafees.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম শাহিরয়ার নাফীস আহমেদ
ডাকনাম আবির
ব্যাটিংয়ের ধরন বামহাতি
ভূমিকা ব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৪৩)
১২ সেপ্টেম্বর ২০০৫ বনাম শ্রীলঙ্কা
শেষ টেস্ট 21 December 2011 বনাম Pakistan
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ 76)
21 June 2005 বনাম England
শেষ ওডিআই 6 December 2011 বনাম Pakistan
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছর দল
2005–present বরিশাল বিভাগ
2008 Dhaka Warriors
2009/10 Barisal Blazers
2012-present Barisal Burners
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা Test ODI FC LA
ম্যাচ সংখ্যা ২১ ৭৫ ৫৪ ১০১
রানের সংখ্যা ১,১২৬ ২,২০১ ৩,৩২০ ২,৭৯৮
ব্যাটিং গড় ২৬.৮০ ৩১.৪৪ ৩২.৫৪ ২৯.৪৫
১০০/৫০ ১/৭ ৪/১৩ ৫/২২ ৫/১৬
সর্বোচ্চ রান ১৩৮ ১২৩* ১৩৮ ১৪৭
বল করেছে ৭২
উইকেট
বোলিং গড়
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৬/– ১৩/– ৩৩/– ২৩/–
উৎস: ক্রিকইনফো, 6 March 2012

শাহিরয়ার নাফীস আহমেদ (জন্ম ১ মে, ১৯৮৬ ঢাকা) একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার। বাংলাদেশ দলের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে ২০০৫ সালে তার অভিষেক ঘটে। বাংলাদেশ দলের প্রথম ইংল্যান্ড সফরে তিনি দলভুক্ত হন যদিও তার আগে মাত্র ৫টি প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা ছিল। তার আগে তিনি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের হয়ে খেলেন। তার প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচের সুযোগ ঘটে ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। সেই ম্যাচে তিনি ৭৫ রান করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন। নাফিস বাংলাদেশ দলের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি একদিনের আন্তর্জাতিক শতক করেন যা এখনও বজায় আছে। তার প্রথম টেস্ট শতক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফতুল্লায় যা বাংলাদেশের টেষ্ট ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এই টেষ্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ৩৫৫ রান করে যা প্রথম দিনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অর্জন।

ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

শাহরিয়ার নাফিস একজন বাঁহাতি বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান। জাতীয় দলের হয়ে তার অভিষেক হয় ২০০৫ এর ইংল্যান্ড ট্যুরে। ২০০৬ এর এপ্রিলে ফতুল্লা স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনি প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা পান। একই বছর অগাস্টে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরির সাক্ষাৎ পান। অক্টোবরে ভারতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিনি দলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পান। এ টুর্নামেন্টেই জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটি করেন। নবেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে আবারও শতক হাঁকান তিনি। ২০০৮ এর জুনে তিনি ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লী্গে (আইসিএল) খেলতে ভারত যান। কর্ত্‌পক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে যাওয়ায় বোর্ড তাকে দশ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেপ্টেম্বর মাসেই তিনি আইসিএল-এর সাথে সম্পর্কছিন্ন করেন। ফলশ্রুতিতে ২০১০ এর অক্টোবরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে তিনি আবারও দলে জায়গা পান। দু'ম্যাচে তিনি যথাক্রমে ৩৫ ও ৭৩ রান করেন। দুটোতেই বাংলাদেশ দল জয় পায়। ইনজুরি কাটিয়ে তামিম দলে ফেরায় জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে সিরিজে নাফিসকে আবারও সাইডবেঞ্চে বসে থাকতে হয়।[১]

টুকরো[সম্পাদনা]

পুরস্কার[সম্পাদনা]

  • ২০০৬ - আইসিসি’র বর্ষসেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের জন্য মনোনীত
  • ২০০৬ - বিসিবি বছরের সেরা ক্রিকেটার
  • ২০০৬ - বিসিবি বছরের সেরা ব্যাটসম্যান
  • ২০০৬ - গ্রামীণফোন-প্রথম আলো বর্ষসেরা ক্রীড়াব্যক্তিত্ব

আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি[সম্পাদনা]

টেস্ট ক্রিকেট সেঞ্চুরি[সম্পাদনা]

  • In the column Runs, * indicates being not out
  • The column title Match refers to the Match Number of the player's career
Test Centuries of Shahriar Nafees
Runs Match Against City/Country Venue Year
[১] 138 5  অস্ট্রেলিয়া Fatullah, Bangladesh Narayanganj Osmani Stadium 2006

এক দিনের আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি[সম্পাদনা]

  • In the column Runs, * indicates being not out
  • The column title Match refers to the Match Number of the player's career
One Day International Centuries of Shahriar Nafees
Runs Match Against City/Country Venue Year
[১] 118* 22  জিম্বাবুয়ে হারারে, Zimbabwe হারারে স্পোর্টস ক্লাব ২০০৬
[২] 123* 28  জিম্বাবুয়ে Jaipur, India Sawai Mansingh Stadium ২০০৬
[৩] 105* 29  জিম্বাবুয়ে খুলনা, বাংলাদেশ শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম ২০০৬
[৪] 104* 40  বারমুদা St. John's, Antigua Antigua Recreation Ground ২০০৭

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Shariar, Nafees (২৮ নভেম্বর ২০১০)। "জিম্বাবুয়ে সিরিজে নাফিস আউট, তামিম ইন"। সংগৃহীত ২৮ নভেম্বর ২০১০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]