মাশরাফি বিন মর্তুজা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মাননীয় সংসদ সদস্য
মাশরাফি বিন মর্তুজা
Mashrafe Bin Mortaza (cropped).jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামমাশরাফি বিন মর্তুজা
জন্ম (1983-10-05) অক্টোবর ৫, ১৯৮৩ (বয়স ৩৬)
নড়াইল, বাংলাদেশ
ডাকনামকৌশিক, ম্যাশ, নড়াইল এক্সপ্রেস
উচ্চতা৬ ফুট ২ ইঞ্চি (১.৮৮ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট বোলিং
ভূমিকাবোলার, অধিনায়ক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৯)
৮ নভেম্বর ২০০১ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ টেস্ট৯ জুলাই ২০০৯ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৫৪)
২৩ নভেম্বর ২০০১ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ ওডিআই৬ মার্চ ২০২০ বনাম জিম্বাবুয়ে
ওডিআই শার্ট নং
টি২০আই অভিষেক
(ক্যাপ )
২৮ নভেম্বর ২০০৬ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ টি২০আই৬ এপ্রিল ২০১৭ বনাম শ্রীলঙ্কা
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০২–বর্তমানখুলনা ডিভিশন
২০০৯কলকাতা নাইট রাইডার্স
২০১২-২০১৩ঢাকা গ্লাডিয়েটর্স
২০১৫-২০১৬কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স
২০১৭–২০১৮রংপুর রাইডার্স
২০১৯–বর্তমানঢাকা প্লাটুন
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই টি২০আই এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৩৬ ২০৯ ৫৪ ৫৭
রানের সংখ্যা ৭৯৭ ১,৭৫২ ৩৭৭ ১,৪৫৮
ব্যাটিং গড় ১২.৮৫ ১৪.০১ ১৩.৪৬ ১৫.৬৭
১০০/৫০ ০/৩ ০/১ ০/০ ১/৬
সর্বোচ্চ রান ৭৯ ৫১* ৪৪ ১৩২*
বল করেছে ৫,৯৯০ ১০,৪৫৮ ১,১৩৯ ৮,৯৭০
উইকেট ৭৮ ২৬৫ ৪২ ১৩৫
বোলিং গড় ৪১.৫৩ ৩১.৬৯ ৩৬.৩৫ ৩৫.০৫
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট n/a n/a
সেরা বোলিং ৪/৬০ ৬/২৬ ৪/১৯ ৪/২৭
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৯/– ৫৮/– ১০/– ২৪/–
উৎস: ইএসপিএন ক্রিকইনফো, ৬ মার্চ ২০২০
জাতীয় সংসদের সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৩ জানুয়ারি ২০১৯
পূর্বসূরীহাফিজুর রহমান
সংসদীয় এলাকানড়াইল-২
ব্যক্তিগত বিবরণ
রাজনৈতিক দলআওয়ামী লীগ
দাম্পত্য সঙ্গীসুমনা হক সুমি [১]
সন্তান২ (১ মেয়ে, ১ ছেলে)
মাতাহামিদা মর্তুজা
পিতাগোলাম মর্তুজা
বাসস্থানঢাকা, বাংলাদেশ
শিক্ষাজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

মাশরাফি বিন মর্তুজা (জন্ম ৫ অক্টোবর ১৯৮৩) হলেন একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ, যিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক টেস্ট, ওয়ানডেতে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ছিলেন এবং বর্তমানে নড়াইল-২ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য। ইএসপিএন কর্তৃক পরিচালিত "ওয়ার্ল্ড ফেইম ১০০" এ বিশ্বের সেরা ১০০ জন ক্রীড়াবিদের মধ্যে অন্যতম।[২][৩] অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডেতে ১০০টি উইকেট নেওয়া বোলারদের মধ্যে তিনি ৫ম বোলার।[৪][৫]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা নড়াইল-এ মাশরাফির জন্ম। ছোটবেলা থেকেই তিনি বাঁধাধরা পড়াশোনার পরিবর্তে ফুটবল আর ব্যাডমিন্টন খেলতেই বেশি পছন্দ করতেন, আর মাঝে মধ্যে চিত্রা নদীতে সাঁতার কাটা।[৬] তারুণ্যের শুরুতে ক্রিকেটের প্রতি তার আগ্রহ জন্মে, বিশেষত ব্যাটিংয়ে; যদিও এখন বোলার হিসেবেই তিনি বেশি খ্যাত, যেজন্যে তাকে 'নড়াইল এক্সপ্রেস' নামেও অভিহিত করা হয়।[৬]

বাইকপ্রিয় মর্তুজাকে সবাই খুব হাসিখুশি আর উদারচেতা মানুষ হিসেবেই জানে। প্রায়শই তিনি বাইক নিয়ে স্থানীয় ব্রিজের এপার-ওপার চক্কর মেরে আসেন। নিজের শহরে তিনি প্রচণ্ড রকমের জনপ্রিয়।[৭] এখানে তাকে "প্রিন্স অব হার্টস" বলা হয়। এ শহরেরই সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়ার সময় সুমনা হক সুমির সাথে তার পরিচয় হয়। দু'জনে ২০০৬ সালে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন। তাদের দুজন সন্তান আছে ।[৮]

তিনি ২০০৩-২০০৪ সালে দর্শনশাস্ত্রে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হয়েছিলেন ।[৯]

ভক্তরা সেলফি তুলছেন তাদের প্রিয় অধিনায়ক মাশরাফির সাথে

ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

প্রাথমিক ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

মর্তুজা বাংলাদেশের সফলতম পেস বোলারদের একজন। আক্রমণাত্মক, গতিময় বোলিং দিয়ে অনূর্ধ-১৯ দলে থাকতেই তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সাবেক ফাস্ট বোলার অ্যান্ডি রবার্টসের নজর কেড়েছিলেন, যিনি কিনা তখন দলটির অস্থায়ী বোলিং কোচের দায়িত্বে ছিলেন। রবার্টসের পরামর্শে মাশরাফিকে বাংলাদেশ এ-দলে নেয়া হয়।[১০]

বাংলাদেশ এ-দলের হয়ে একটিমাত্র ম্যাচ খেলেই মাশরাফি জাতীয় দলে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান। ৮ নভেম্বর, ২০০১ এ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটে তার অভিষেক ঘটে। [১১] একই ম্যাচে খালেদ মাহমুদেরও অভিষেক হয়। বৃষ্টির বাগড়ায় ম্যাচটি অমীমাংসিত থেকে যায়। মাশরাফি অবশ্য অভিষেকেই তার জাত চিনিয়ে দেন ১০৬ রানে ৪টি উইকেট নিয়ে। গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার ছিলেন তার প্রথম শিকার। [১২] মজার ব্যাপার হল, মাশরাফির প্রথম ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচও ছিল এটি। তিনি এই বিরল কৃতিত্বের অধিকারী ৩১তম খেলোয়াড় এবং ১৮৯৯ সালের পর তৃতীয়। একই বছর ২৩শে নভেম্বর ওয়ানডে ক্রিকেটে মাশরাফির অভিষেক হয় ফাহিম মুনতাসির ও তুষার ইমরানের সাথে। অভিষেক ম্যাচে মোহাম্মদ শরীফের সাথে বোলিং ওপেন করে তিনি ৮ ওভার ২ বলে ২৬ রান দিয়ে বাগিয়ে নেন ২টি উইকেট।[১৩]

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যক্তিগত তৃতীয় টেস্ট খেলার সময় তিনি হাঁটুতে আঘাত পান। এর ফলে তিনি প্রায় দু'বছর ক্রিকেটের বাইরে থাকতে বাধ্য হন। ইংল্যন্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট খেলায় তিনি সফলতা পান। ৬০ রানে ৪ উইকেট নেয়ার পর আবার তিনি হাঁটুতে আঘাত পান। এযাত্রায় তিনি প্রায় বছরখানেক মাঠের বাইরে থাকতে বাধ্য হন।

২০০৪ সালে ভারতের বিরুদ্ধে খেলার সময় রাহুল দ্রাবিড়কে অফ-স্ট্যাম্পের বাইরের একটি বলে আউট করে তিনি স্বরুপে ফেরার ঘোষণা দেন। সেই সিরিজে তিনি ধারাবাহিকভাবে বোলিং করেন এবং তেন্ডুলকরগাঙ্গুলীকে আউট করার সুযোগ তৈরি করেন। তবে ফিল্ডারদের ব্যর্থতায় তিনি উইকেট পাননি। এই সিরিজের একটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে অবিস্মরণীয় জয়ের নায়ক ছিলেন তিনি।

২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে তিনি ভালো বল করেন। বাংলাদেশী বোলারদের মধ্যে তার গড় ছিল সবচেয়ে ভাল। কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নাটকীয় জয়ে তিনি অবদান রাখেন। তিনি মারকুটে ব্যাটসম্যান অ্যাডাম গিলক্রিস্টকে শূন্য রানে আউট করেন এবং দশ ওভারে মাত্র ৩৩ রান দেন।

ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশে ভালো পেস বোলারের ঘাটতি ছিল। বাংলাদেশে মোহাম্মদ রফিকের মত আন্তর্জাতিক মানের স্পিনার থাকলেও উল্লেখযোগ্য কোন পেস বোলার ছিল না। মাশরাফি বাংলাদেশের সেই শূন্যস্থান পূরণ করেন

২০০৬ ক্রিকেট পঞ্জিকাবর্ষে মাশরাফি ছিলেন একদিনের আন্তর্জাতিক খেলায় বিশ্বের সর্বাধিক উইকেট শিকারী। তিনি এসময় ৪৯টি উইকেট নিয়েছেন।

২০০৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে অবিস্মরণীয় জয়ে মর্তুজা ভূমিকা রেখেছেন। তিনি ৩৮ রানে ৪ উইকেট দখল করেন। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি খেলায় নিউজিল্যান্ডের সাথে বিজয়েও মাশরাফির ভূমিকা রয়েছে।

মাশরাফি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ গতির বোলার এবং সমর্থকদের কাছে "নড়াইল এক্সপ্রেস" নামে পরিচিত।

মাশরাফি একজন মারকুটে ব্যাটসম্যান। ভারতের বিপক্ষে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক খেলায় তিনি পরপর চার বলে ছক্কা পেটান। সেই ওভার থেকে তিনি ২৬ রান সংগ্রহ করেন যা কোন বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানের জন্য এক ওভারে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।

১৬ বছরের ক্যারিয়ারে ১১ বার চোটের কারণে দলের বাইরে যেতে হয়েছে মাশরাফিকে। চোটই তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিল ২০১১ সালের দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ। ২০১৬ সালের রকেট বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় খেলায় ২ উইকেট সংগ্রহের মাধ্যমে মোট ২১৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারী হিসাবে তুলে ধরেন নিজেকে।

২০১৭ সালে ৬ই এপ্রিল বাংলাদেশ ব শ্রীলংকা সিরিজের শেষ টি২০ দিয়ে উনি আন্তর্জাতিক টি২০ খেলা থেকে অবসর নেন। মাঠে ম্যাশ নামে পরিচিত মাশরাফি বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার যে অধিনায়ক থাকা অবস্থায় অবসর নেয়।

বিজ্ঞাপনের শুটিং করছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা

মাশরাফি ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[১৪] কোন দেশের যে কোন খেলার জাতীয় দলের অধিনায়ক থাকাবস্থায় দলীয় মনোনয়ন পাওয়া এবং বিজয়ী হওয়ার ঘটনা বিশ্বে এটিই প্রথম। যদিও পেশাদার খেলা চালিয়ে যাওয়া অবস্থাতেই সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দেয়ার উদাহরণ বিশ্বের ক্রীড়াবিদদের মধ্যে নতুন নয়। ক্রিকেটারদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার সনাথ জয়সুরিয়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার আগেই শ্রীলঙ্কার ২০১০ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন এবং ঐ নির্বাচনে বিজয়ীও হন।[১৫]

জাতীয় দলের অধিনায়ক[সম্পাদনা]

অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির রেকর্ডসমূহ
ধরন ↓ ম্যাচ জয় হার ড্র/ফলাফল নেই
টেস্ট[১৬]
ওয়ানডে[১৭] ৮৮ ৫০ ৩৬
টি-টোয়েন্টি[১৮] ২৮ ১০ ১৭
সর্বশেষ হালনাগাদ ৬ মার্চ ২০২০

২০০৯ সালের শুরুতে মাশরাফি অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলের সহকারী ছিলেন। পরবর্তীতে ওই বছরেরই জুন মাসে তিনি মোহাম্মদ আশরাফুলের স্থলাভিষিক্ত হন এবং তার সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পান সাকিব আল হাসান। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে নিজের প্রথম ম্যাচেই তিনি হাঁটুতে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ঐ খেলায় বাংলাদেশ জয়লাভ করে কিন্তু মাশরাফি এই চোটের কারনে ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠের বাইরে ছিলেন। উক্ত ম্যাচসহ পরবর্তীকালে বাংলাদেশের অধিনায়কত্ব করেন সাকিব আল হাসান। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের সাথে হোম সিরিজে তিনি পুনরায় অধিনায়কত্ব পান।[১৯] তবে এ বার তিনি শুধু একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য দায়িত্ব পান এবং এবারও তার সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পান সাকিব আল হাসান। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপেও তিনি বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২০ সালের ৬ মার্চ সফররত জিম্বাবুয়ের সাথে তৃতীয় ওডিআই ম্যাচের পর ওডিআই দলের অধিনায়ক পদ থেকে সরে যান।[২০] শেষ ওডিআইয়ে জয় নিয়ে অধিনায়কত্ব ছাড়লেও খেলা চালিয়ে যাবেন এমনটা তিনি নিশ্চিত করেন ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে।[২০] সতীর্থদের ভালবাসায় সিক্ত ৩৬ বছর বয়সী এই দল নেতা ৮৮টি ওয়ানডে খেলায় নেতৃত্ব দিয়ে ৫০টিতে জয় লাভ করে (জয়ের হার: ৫৬.৮)।[২১]

রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা[সম্পাদনা]

তিনি ১১ নভেম্বর, ২০১৮ আওয়ামী লীগ ব্যানারের অধীনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, মাশরাফি নড়াইল-২ আসনের হয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।[২২] তিনি ৩০শে ডিসেম্বর, ২০১৮ অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসন থেকে ২৭৪০০০ ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[২৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Mashrafe Mortaza love and marriage, Narail Kantho, সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  2. Mashrafe in the list of ESPN WORLD FAME 100 in 2019, ESPN, সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১৯ 
  3. Mashrafe in ESPNs World Fame 100, Dhaka Tribune, সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০১৯ 
  4. "Mash becomes fifth to bag 100 wickets as captain"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ১ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২০ 
  5. "Mashrafe savours 100 wickets as captain - Sports - observerbd.com"The Daily Observer। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২০ 
  6. Andrew Miller (৩১ মার্চ ২০০৭), নড়াইল এক্সপ্রেস, Cricinfo.com, সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-২৬ 
  7. দেবব্রত মুখোপাধ্যায়, মাশরাফি 
  8. Rabeed Imam (৯ সেপ্টেম্বর ২০০৬), নড়াইল এক্সপ্রেসে চড়ে, TigerCricket.com, ১৭ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৭-০৭ 
  9. "মাশরাফির কাছে সবাই ম্লান"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-১১-১১ 
  10. Staff Correspondent (২৪ অক্টোবর ২০০১), মাশরাফি ও মাহমুদের সামনে সুবর্ণ সুযোগ, Cricinfo.com, সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-২৬ 
  11. "মাশরাফিঃ দেবব্রত মুখোপাধ্যায়"। ২৬ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৯ 
  12. ১ম টেস্টঃ জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ সিরিজ, Cricinfo.com, ১২ নভেম্বর ২০০১, সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-২৬ 
  13. ১ম ওয়ান: জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ সিরিজ, Cricinfo, ২৩ নভেম্বর ২০০১, সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-২৬ 
  14. "'এখন এমপি ক্যাপ্টেন মাশরাফির অধীনে খেলব'"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০১-০৫ 
  15. "মাশরাফির সিদ্ধান্ত নিয়ে যত আলোচনা-সমালোচনা"BBC News বাংলা (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৮-১১-১২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-১১-১৩ 
  16. Bangladesh captains' playing record in Test matches, ESPNCricinfo, সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১২ 
  17. Bangladesh captains' playing record in ODI matches, ESPNCricinfo, সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৬ 
  18. Bangladesh captains' playing record in Twenty20 International matches, ESPNCricinfo, সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৬ 
  19. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৫ 
  20. "Mashrafe Mortaza to step down as captain after Zimbabwe ODIs"ESPNcricinfo। ৫ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২০ 
  21. Mukherjee, Shubro। "BAN vs ZIM: Mashrafe Mortaza expresses satisfaction after befitting farewell as ODI captain"crickettimes। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০২০ 
  22. "নির্বাচনী প্রচারণা নাকি ক্রিকেট - মাশরাফি কী বললেন"bbc.com। বিবিসি বাংলা। ৪ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  23. "নড়াইল-২ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত মাশরাফি"যুগান্তর। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

পূর্বসূরী
মোহাম্মদ আশরাফুল
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক
২০০৯
উত্তরসূরী
সাকিব আল-হাসান
পূর্বসূরী
সাকিব আল-হাসান
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক
২০১০
উত্তরসূরী
সাকিব আল-হাসান
পূর্বসূরী
মুশফিকুর রহিম
বাংলাদেশ ওডিআই ক্রিকেট দলের অধিনায়ক
২০১৪
উত্তরসূরী
নির্ধারিত হয়নি