পানামা জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পানামা
দলের লোগো
ডাকনামলস কানালেরোস
অ্যাসোসিয়েশনপানামীয় ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশনকনকাকাফ (উত্তর আমেরিকা)
প্রধান কোচটমাস খ্রিস্টিয়ানসেন
অধিনায়করোমান তোরেস
সর্বাধিক ম্যাচগাব্রিয়েল গোমেস (১৪৯)
শীর্ষ গোলদাতালুইস তেহাদা (৪৩)
মাঠরোমেল ফের্নান্দেস স্টেডিয়াম
ফিফা কোডPAN
ওয়েবসাইটwww.fepafut.com
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ৭৮ অপরিবর্তিত (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১)[১]
সর্বোচ্চ২৯ (মার্চ ২০১৪)
সর্বনিম্ন১৫০ (আগস্ট ১৯৯৫)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ৭৪ বৃদ্ধি(১ এপ্রিল ২০২১)[২]
সর্বোচ্চ২৮ (জুলাই ২০১৩)
সর্বনিম্ন১৫১ (জুন ১৯৮৪)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 পানামা ৩–১ ভেনেজুয়েলা 
(পানামা সিটি, পানামা; ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৮)[৩]
বৃহত্তম জয়
 পানামা ১২–১ পুয়ের্তো রিকো 
(বারাঙ্কিলা, কলম্বিয়া; ১৩ ডিসেম্বর ১৯৪৬)[৩]
বৃহত্তম পরাজয়
 পানামা ০–১১ কোস্টা রিকা 
(পানামা সিটি, পানামা; ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৮)
বিশ্বকাপ
অংশগ্রহণ১ (২০১৮-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যগ্রুপ পর্ব (২০১৮)
কনকাকাফ গোল্ড কাপ
অংশগ্রহণ১০ (১৯৬৩-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যরানার-আপ (২০০৫, ২০১৩)
কোপা আমেরিকা
অংশগ্রহণ১ (২০১৬-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যগ্রুপ পর্ব (২০১৬)

পানামা জাতীয় ফুটবল দল (স্পেনীয়: Selección de fútbol de Panamá, ইংরেজি: Panama national football team) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে পানামার প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম পানামার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা পানামীয় ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৩৮ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৬১ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা কনকাকাফের সদস্য হিসেবে [৪] ১৯৩৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি তারিখে, পানামা প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; পানামার পানামা সিটিতে অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে পানামা ভেনেজুয়েলাকে ৩–১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে।

৩২,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট রোমেল ফের্নান্দেস স্টেডিয়ামে লস কানালেরোস নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় পানামার রাজধানী পানামা সিটিতে অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন টমাস খ্রিস্টিয়ানসেন এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন সিয়াটল সাউন্ডার্সের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় রোমান তোরেস

পানামা এপর্যন্ত ১ বার ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে, যেখানে তাদের সাফল্য হচ্ছে ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহণ করা।[৫][৬] অন্যদিকে, কনকাকাফ গোল্ড কাপে পানামা এপর্যন্ত ১০ বার অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে সেরা সাফল্য হচ্ছে ২০০৫ এবং ২০১৩ কনকাকাফ গোল্ড কাপের ফাইনালে পৌঁছানো। এছাড়াও, পানামা ২০১৬ কোপা আমেরিকার গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহণ করেছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে পানামা দল বাছাইপর্বের চতুর্থ পর্ব পর্যন্ত উপনীত হয়েছিল। চার বছর পর ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে লস কানালোরেস শেষ পর্যন্ত কোস্টারিকাকে ২–১ গোলে পরাজিত করে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত আসরে খেলার সুযোগ করে নেয়। ফলশ্রুতিতে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর কাছে ২–১ গোলে পরাজিত হয়ে ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবারের মতো চূড়ান্ত পর্বের খেলায় অংশগ্রহণ করতে ব্যর্থ হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পানামা দল ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে বেলজিয়ামইংল্যান্ডসহ আফ্রিকান দল তিউনিসিয়ার সাথে গ্রুপ জি-এ মুখোমুখি হয়েছিল।

র‌্যাঙ্কিং[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ২০১৪ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে পানামা তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (২৯তম) অর্জন করে এবং ১৯৯৫ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ১৫০তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে পানামার সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ২৮তম (যা তারা ২০১৩ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ১৫১। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[১]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
৭৬ অপরিবর্তিত  সিরিয়া ১৩১৩
৭৬ অপরিবর্তিত  কুরাসাও ১৩১৩
৭৮ অপরিবর্তিত  পানামা ১৩১২
৭৯ অপরিবর্তিত  বলিভিয়া ১৩০৭
৮০ বৃদ্ধি  কাবু ভের্দি ১৩০৬
বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
১ এপ্রিল ২০২১ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[২]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
৭২ হ্রাস  ক্যামেরুন ১৫৫১
৭২ হ্রাস  উজবেকিস্তান ১৫৫১
৭৪ বৃদ্ধি  পানামা ১৫৪৪
৭৫ বৃদ্ধি  মন্টিনিগ্রো ১৫৩০
৭৬ হ্রাস  জর্জিয়া ১৫১৩

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
সাল পর্ব অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০ ফিফার সদস্য ছিল না ফিফার সদস্য ছিল না
ইতালি ১৯৩৪
ফ্রান্স ১৯৩৮ অংশগ্রহণ করেনি অংশগ্রহণ করেনি
ব্রাজিল ১৯৫০
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২
ইংল্যান্ড ১৯৬৬
মেক্সিকো ১৯৭০
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮ উত্তীর্ণ হয়নি ২১
স্পেন ১৯৮২ ২৪
মেক্সিকো ১৯৮৬
ইতালি ১৯৯০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪
ফ্রান্স ১৯৯৮ ১৪ ১৩
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২ ১০ ১৯
জার্মানি ২০০৬ ১৮ ১০ ১৯ ৩২
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০
ব্রাজিল ২০১৪ ২০ ৩১ ১৮
রাশিয়া ২০১৮ গ্রুপ পর্ব ৩২তম ১১ ১৬ ১৬ ১৫
কাতার ২০২২ অনির্ধারিত অনির্ধারিত
মোট গ্রুপ পর্ব ১/২১ ১১ ৯৪ ২৭ ২২ ৪৫ ১০৪ ১৫৭

সিসিসিএফ চ্যাম্পিয়নশিপ[সম্পাদনা]

সিসিসিএফ প্রতিযোগিতা ১৯৪১ সালে শুরু হলেও ১৯৬১ সালে বিলুপ্ত হয়ে যায়।

কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নশিপ[সম্পাদনা]

১৯৬৩ সালে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতা শুরু হলেও ১৯৮৯ সালে বিলুপ্ত হয়ে যায়।

  • ১৯৬৩ – ১ম রাউন্ড
  • ১৯৬৫-১৯৮৯ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করেনি।

কনকাকাফ গোল্ড কাপ[সম্পাদনা]

সাল রাউন্ড জিপি ড্র জিএফ জিএ
মেক্সিকো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৩ গ্রুপপর্ব
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৫ রানার-আপ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৭ কোয়ার্টার-ফাইনাল
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৯ কোয়ার্টার-ফাইনাল
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১১ সেমিফাইনাল
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১৩ রানার-আপ ১১
কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১৫ ৩য় স্থান
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১৭ কোয়ার্টার-ফাইনাল
মোট মোট ৩৮ ১২ ১৫ ১১ ৫৩ ৪৬

অর্জন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ 
  2. গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ১ এপ্রিল ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২১ 
  3. Barrie Courtney। "Panama – International Results"। Rec.Sport.Soccer Statistics Foundation। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৩ 
  4. "Ramón Coll, electo Presidente de la Confederación de Futbol de América del Norte, América Central y el Caribe"La Nación (Google News Archive)। ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬১। 
  5. "From agony to ecstasy: Panama's remarkable journey to the 2018 World Cup and a night they'll never forget"The Independent। ১১ অক্টোবর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৭ 
  6. "The wildest night in CONCACAF history? How the U.S. exit played out"ESPN। ১১ অক্টোবর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]