বিষয়বস্তুতে চলুন

ক্রোয়েশিয়া জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ক্রোয়েশিয়া
দলের লোগো
ডাকনামভাত্রেনি (ব্লেজার)
কোককাস্তি (চেকারবোর্ড)
অ্যাসোসিয়েশনক্রোয়েশীয় ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশনউয়েফা (ইউরোপ)
প্রধান কোচজ্লাৎকো দালিচ
অধিনায়কলুকা মদরিচ
সর্বাধিক ম্যাচদারিয়ো স্রনা (১৩৪)
শীর্ষ গোলদাতাদাভোর শুকের (৪৫)
মাঠবিভিন্ন
ফিফা কোডCRO
ওয়েবসাইটwww.hns-cff.hr
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১০ অপরিবর্তিত (২১ ডিসেম্বর ২০২৩)[]
সর্বোচ্চ(জানুয়ারি ১৯৯৯)
সর্বনিম্ন১২৫ (মার্চ ১৯৯৪)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১১ হ্রাস ১ (১২ জানুয়ারি ২০২৪)[]
সর্বোচ্চ(জুলাই ১৯৯৮, জুলাই ২০১৮)
সর্বনিম্ন২৬ (অক্টোবর ২০০২)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 স্লোভাকিয়া ১–১ ক্রোয়েশিয়া 
(ব্রাতিস্লাভ, স্লোভাকিয়া; ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৪১)
বৃহত্তম জয়
 ক্রোয়েশিয়া ১০–০ সান মারিনো 
(রিয়েকা, ক্রোয়েশিয়া; ৪ জুন ২০১৬)
বৃহত্তম পরাজয়
 স্পেন ৬–০ ক্রোয়েশিয়া 
(এলচে, স্পেন; ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮)
বিশ্বকাপ
অংশগ্রহণ৫ (১৯৯৮-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যরানার-আপ (২০১৮)
উয়েফা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ
অংশগ্রহণ৬ (১৯৯৬-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যকোয়ার্টার-ফাইনাল (১৯৯৬, ২০০৮)

ক্রোয়েশিয়া জাতীয় ফুটবল দল (ক্রোয়েশীয়: Hrvatska nogometna reprezentacija) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ক্রোয়েশিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম ক্রোয়েশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ক্রোয়েশীয় ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯১২ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৪১ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা উয়েফার সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯৪০ থেকে ১৯৪৪ সালের মধ্যবর্তী সময়কালে ফিফা স্বীকৃতপ্রাপ্ত দল হিসেবে ক্রোয়েশিয়ার বাভোনিয়া এবং ক্রোয়েশিয়ার স্বাধীন রাষ্ট্র উনিশটি প্রীতি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছিল।[] কিন্তু ১৯৪৫ সালে ক্রোয়েশিয়া যুগোস্লাভিয়ার সাথে একীভূত হলে দলটি বিলুপ্ত হয়। ১৯৪৫ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে ক্রোয়েশিয়া পৃথক দল হিসেবে প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশগ্রহণ করেনি। তখন ক্রোয়েশীয় খেলোয়াড়েরা যুগোস্লাভিয়া জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে অংশগ্রহণ করতো। ১৯৪১ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর তারিখে, ক্রোয়েশিয়া প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; স্লোভাকিয়ার ব্রাতিস্লাভে অনুষ্ঠিত ক্রোয়েশিয়া এবং স্লোভাকিয়ার মধ্যকার উক্ত ম্যাচটি ১–১ গোলে ড্র হয়েছে। ভাত্রেনি নামে পরিচিত এই দলটি বেশ কয়েকটি স্টেডিয়ামে তাদের হোম ম্যাচগুলো আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় ক্রোয়েশিয়ার রাজধানী জাগরেবে অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন জ্লাৎকো দালিচ এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যমাঠের খেলোয়াড় লুকা মদরিচ। ক্রোয়েশিয়া এপর্যন্ত ৫ বার ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে সেরা সাফল্য হচ্ছে ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছানো, যেখানে তারা ফ্রান্সের কাছে ৪–২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। অন্যদিকে, উয়েফা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ক্রোয়েশিয়া এপর্যন্ত ৬ বার অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে সেরা সাফল্য হচ্ছে ১৯৯৬ এবং উয়েফা ইউরো ২০০৮-এর কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছানো। দারিয়ো স্রনা, লুকা মদরিচ, স্তিপে প্লেতিকোসা, মারিও মাঞ্জুকিচ এবং দাভোর শুকেরের মতো খেলোয়াড়গণ ক্রোয়েশিয়ার জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

১৯৯৪ সাল থেকে ভাত্রেনি ইউরো ২০০০ এবং ২০১০ বিশ্বকাপ বাদে প্রতিটি বড় টুর্নামেন্টের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছে। ফিফা বিশ্বকাপে, ক্রোয়েশিয়া একবার (২০১৮ ) দ্বিতীয় এবং দুইবার (১৯৯৮, ২০২২) তৃতীয় হয়েছে। দাভোর সুকার ১৯৯৮ সালে গোল্ডেন বল এবং রুপার বল জিতেছিলেন, লুকা মদরিচ ২০১৮ সালে গোল্ডেন বল এবং ২০২২ সালে ব্রোঞ্জ বল জিতেছিলেন। দলটি দুইবার ( ১৯৯৬, ২০০৮ ) উয়েফা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ এর কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে এবং ২০২৩ সালে উয়েফা নেশনস লিগের সেমিফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত। জুলাই ১৯৯৮ সালে ক্রোয়েশিয়া তার সর্বকালের সর্বোচ্চ ইলো রেটিং ২০০৬ পয়েন্ট রেকর্ড করে। ১৯৯৪ সালে ফিফাতে ১২৫ তম স্থান অধিকার করার পরে তারা ১৯৯৮ তাদের অভিষেকে বিশ্বকাপ অভিযানের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠেছিল। এটি ফিফা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম খারাপ অবস্থান থেকে সেরা দশে জায়গা করা দল । এটি জনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ (উরুগুয়ের পরে) বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া দলের অন্যান্য রেকর্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি শুট-আউট খেলা (৪) এবং জিতে (৪) এবং সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি শুট-আউটে (৩) সেভ করার রেকর্ড রয়েছে। তারা ফ্রান্স এবং কলম্বিয়ার সাথে যৌথ রেকর্ডের সমান দুইবার (১৯৯৪, ১৯৯৮) ফিফা বছরের সেরা স্থান পরিবর্তনকারী নির্বাচিত হয়েছিল। ক্রোয়েশিয়া অন্যান্য দেশগুলির মধ্যে ইতালি এবং সার্বিয়ার সাথে ক্রীড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা বজায় রাখে, যা ম্যাচগুলিকে বিঘ্নিত করেছে।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

যুগোস্লাভিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভের পরেই ১৯৯১ সালে আধুনিককালের ক্রোয়েশীয় দল গঠন করা হয়। এরপর ১৯৯৩ সালে ফিফা ও উয়েফার সদস্যপদ লাভ করে ক্রোয়েশিয়া ফুটবল দল।[] প্রথমবারের মতো বড় ধরনের প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশ নিয়ে তারা তাদের সক্ষমতা প্রদর্শন করে ও ১৯৯৬ সালের উয়েফা ইউরো প্রতিযোগিতায় খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।[] ১৯৯৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেয় দলটি। প্রতিযোগিতায় তারা তৃতীয় স্থান লাভ করে বিশ্ব ফুটবলে সাড়া জাগায়। দলের পক্ষে দাভোর শুকের শীর্ষ গোলদাতার ভূমিকায় অধিষ্ঠিত হন ও বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট লাভ করেন। এরপর থেকেই ক্রোয়েশিয়া দল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাসমূহে নিয়মিতভাবে অংশ নিলেও ২০১০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ও ২০০০ সালের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশীপে অংশ নিতে পারেনি।[]

অবকাঠামো

[সম্পাদনা]

নিজেদের মাঠের অধিকাংশ খেলাই জাগরেবের মাকসিমির স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও খেলার মূল্যমান অনুযায়ী স্প্লিতের পলিউদ স্টেডিয়ামসহ রিয়েকার কানত্রিদা স্টেডিয়াম কিংবা ওসিয়েকের গ্রাদস্কি ভ্রত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে মাকসিমির স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতামূলক ৩৬ খেলায় দলটি অপরাজিত ছিল। এ ধারাবাহিকতার অবসান ঘটে ২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের কাছে পরাজয়ের মাধ্যমে।[][][][]

র‍্যাঙ্কিং

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং, ১৯৯৯ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে ক্রোয়েশিয়া তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (৩য়) অর্জন করে এবং ১৯৯৪ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত রাঙ্কিং -এ তারা ১২৫তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে ক্রোয়েশিয়ার সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ৫ম (যা তারা সর্বপ্রথম ১৯৯৮ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ২৬। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং
২১ ডিসেম্বর ২০২৩ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
অপরিবর্তিত  স্পেন১৭৩২.৬৪
অপরিবর্তিত  ইতালি১৭১৮.৮২
১০অপরিবর্তিত  ক্রোয়েশিয়া১৭১৭.৫৭
১১অপরিবর্তিত  উরুগুয়ে১৬৬৫.৯৯
১২অপরিবর্তিত  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র১৬৬৫.২৭
১২ জানুয়ারি ২০২৪ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
বৃদ্ধি  কলম্বিয়া১৯৮৪
১০হ্রাস  নেদারল্যান্ডস১৯৭০
১১হ্রাস  ক্রোয়েশিয়া১৯৫২
১২হ্রাস  ইতালি১৯৩৮
১৩বৃদ্ধি  জাপান১৯০৯

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ

[সম্পাদনা]
ফিফা বিশ্বকাপবাছাইপর্ব
সালপর্বঅবস্থানম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগোম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০যুগোস্লাভিয়া রাজত্বের অংশ বিশেষ
ইতালি ১৯৩৪
ফ্রান্স ১৯৩৮
ব্রাজিল ১৯৫০যুগোস্লাভিয়ার অংশ বিশেষ
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২
ইংল্যান্ড ১৯৬৬
মেক্সিকো ১৯৭০
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮
স্পেন ১৯৮২
মেক্সিকো ১৯৮৬
ইতালি ১৯৯০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪ফিফার সদস্য ছিল নাফিফার সদস্য ছিল না
ফ্রান্স ১৯৯৮৩য় স্থান নির্ধারণী৩য়১১১০২০১৩
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২গ্রুপ পর্ব২৩তম১৫
জার্মানি ২০০৬গ্রুপ পর্ব২২তম১০২১
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০উত্তীর্ণ হয়নি১০১৯১৩
ব্রাজিল ২০১৪গ্রুপ পর্ব১৯তম১২১৪
রাশিয়া ২০১৮রানার্স আপ২য়১৪১২১৯
কাতার ২০২২ ৩য় স্থান ৩য় ১০ ২১
মোটফাইনাল৫/৬২৩১১৩৫২৬৬২৩৬১৮১০৮৪৭

অর্জন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ২১ ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৩
  2. 1 2 গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ১২ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৪
  3. 1 2 3 Kramarsic, Igor/Puric, Bojan। "Croatia International matches"। Rec. Sport Soccer Statistics Foundation। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০০৮{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)
  4. "Goal Programme – Croatian Football Federation – 2006"। Fédération Internationale de Football Association (FIFA.com)। ১৭ জুলাই ২০০৮। ১০ মে ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮
  5. "Fantasy Euro2008"। The World Game। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০০৮ [অকার্যকর সংযোগ]
  6. Lawrence, Amy (৮ অক্টোবর ২০০৬)। "England? They are pretty bad"। London: The Observer। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০০৮ {{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: |প্রকাশক=-এ ইটালিক বা গাঢ় লেখা অনুমোদিত নয় (সাহায্য)
  7. Stevenson, Jonathan (১১ সেপ্টেম্বর ২০০৮)। "Croatia 1-4 England"। British Broadcasting Corporation (BBC Sport)। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৮
  8. Nitsak, Igor (৯ অক্টোবর ২০০৮)। "Bilic tempted to reshuffle team for Ukraine clash"। Reuters। ১১ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০০৮

আরো পড়ুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]