স্পেন জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
 স্পেন
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন ক্রেস্ট
ডাকনাম La Furia Roja
La Roja
অ্যাসোসিয়েশন রয়্যাল স্প্যানিশ
ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশন উয়েফা (ইউরোপ)
প্রধান কোচ ভিসেন্তে দেল বস্ক
অধিনায়ক ইকার কাসিয়াস
সর্বাধিক খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড় ইকার কাসিয়াস (১৬০)
শীর্ষ গোলদাতা ডেভিল ভিলা (৫৯)
স্বাগতিক স্টেডিয়াম সান্তিয়াগো বার্নাবু
ভিসেন্তা ক্যালডিরোন
মেসতাল্লা
ফিফা কোড ESP
ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১০
সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিং (জুলাই ২০০৮ – জুন ২০০৯, অক্টোবর ২০০৯ - মার্চ ২০১০, জুলাই ২০১০ - জুলাই ২০১১, অক্টোবর ২০১১ - জুলাই ২০১৪)
সর্বনিম্ন ফিফা র‌্যাঙ্কিং ২৫ (মার্চ ১৯৯৮)
এলো রেটিং ৮ (১১ অক্টোবর ২০১৪)
সর্বোচ্চ এলো রেটিং (সেপ্টেম্বর ১৯২০ - মে ১৯২৪, সেপ্টেম্বর - ডিসেম্বর ১৯২৫, জুন ২০০২, জুন ২০০৮ - জুন ২০০৯, জুলাই ২০১০ - জুন ২০১৩, সেপ্টেম্বর ২০১৩)
সর্বনিম্ন এলো রেটিং ২০ (জুন ১৯৬৯, জুন ১৯৮১, নভেম্বর ১৯৯১)
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 স্পেন ১–০ ডেনমার্ক 
(ব্রাসেলস, বেলজিয়াম; ২৮ আগস্ট, ১৯২০)
সর্বোচ্চ জয়
 স্পেন ১৩–০ বুলগেরিয়া 
(মাদ্রিদ, স্পেন; ২১ মে, ১৯৩৩)
সর্বোচ্চ পরাজয়
 ইতালি ৭–১ স্পেন 
(আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস; ৪ জুন, ১৯২৮)
 ইংল্যান্ড ৭–১ স্পেন 
(লন্ডন, ইংল্যান্ড; ৯ ডিসেম্বর, ১৯৩১)
বিশ্বকাপ
উপস্থিতি ১৪ (প্রথম ১৯৩৪)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল চ্যাম্পিয়ন, ২০১০
ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ
উপস্থিতি ৯ (প্রথম ১৯৬৪)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল চ্যাম্পিয়ন, ১৯৬৪, ২০০৮, ২০১২
কনফেডারেশন্স কাপ
উপস্থিতি ২ (প্রথম ২০০৯)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল রানার্স আপ, ২০১৩

স্পেন জাতীয় ফুটবল দল (স্পেনীয়: Selección de fútbol de España) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের প্রতিনিধি। দলটির নিয়ন্ত্রণ করে রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন। স্পেনীয় ফুটবল দলকে সাধারণ লা ফুরিয়া রোজা বা লাল শিখা নামে সম্বোধন করা হয়।[২]

স্পেন বর্তমানে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন। ২০০৮ সালে উয়েফা ইউরোপীয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জার্মানিকে পরাজিত করে তারা এই শিরোপা অর্জন করার গৌরব অর্জন করে। ২০১২ সালে স্পেন ইতালিকে ৪-০ গোলে পরাজিত করে একমাত্র দল হিসেবে টানা দুবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করেছে। এছাড়া স্পেন ১৯৬৪ সালে ইউরোপীয়ান নেশন্স কাপ জয় করে ও ১৯৮৪ সালে ফাইনাল পর্যন্ত উন্নীত হয়। এখন পর্যন্ত দলটি ১৪ বার ফিফা বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দলটির সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ২০১০ সালে প্রথম স্থান দখল করা।

২০০৮ সালের জুলাই মাসে স্পেন ফিফা বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে প্রথম বারের মতো ১ম স্থান অধিকার করে। এর ফলে স্পেন ৬ষ্ঠ দল হিসেবে এই স্থানে আসীন হয়। ২০০৬ সালের নভেম্বর থেকে জুন ২০০৯ পর্যন্ত স্পেন টানা ৩৫টি আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড করে। এই রেকর্ডটি পূর্বে ছিলো একমাত্র ব্রাজিলের দখলে। এই ৩৫টি ম্যাচ অপরাজিত থাকার সময় স্পেন টানা ১৫টি খেলায় জয়লাভ করে, এবং এটিও ছিলো একটি রেকর্ড।

বিশ্বকাপ ফুটবল, ২০১০[সম্পাদনা]

১৫ জুলাই, ২০০৮ সালে ভিসেন্তে দেল বস্ক লুইস আরাগোনেজের স্থলাভিষিক্ত হয়ে[৩][৪] স্পেনের কোচের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে স্পেন ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাই-পর্বে উয়েফা অঞ্চলের গ্রুপ-৫ থেকে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয় এবং ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করে। এ পর্যায়ে তারা বসনিয়া ও হারজেগোভিনা, আর্মেনিয়া, সার্বিয়া - এ তিনটি দলের বিপক্ষে জয়লাভ করেছিল। তন্মধ্যে সার্বিয়া দলের বিপক্ষে অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে বোজান ক্রিকের অভিষেক হয়েছিল। পরবর্তী পর্বে এস্তোনিয়াবেলজিয়ামকে হারিয়ে শতভাগ জয় নিয়ে ফিফা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে ঠাঁয় পায় দলটি।

১৬ জুন বিশ্বকাপ ফুটবলে স্পেনের বিপক্ষে সুইজারল্যান্ড ১-০ গোলে জয় পায়।[৫] এরপর স্পেন গ্রুপ-এইচ থেকে পরের দুই খেলায় জয়ী হয়ে নক-আউটভিত্তিক ১৬ দলে পৌঁছে। পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে প্যারাগুয়েকে ১-০ ব্যবধানে হারায়। ৭ জুলাইয়ের সেমি-ফাইনালে জার্মানিকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনাল নিশ্চিত করে।[৬] টোটাল ফুটবলের দেশ নেদারল্যান্ডকে চূড়ান্ত খেলার অতিরিক্ত সময়ে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা‎‎'র জয়সূচক গোলে ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের নতুন চ্যাম্পিয়ন হয়।[৭]

বর্তমান সদস্য[সম্পাদনা]

খেলার তারিখ: ১৬ জুন, ২০১৩
প্রতিপক্ষ: উরুগুয়ে
প্রতিযোগিতা: ২০১৩ ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ

খেলা ও গোল সংখ্যা ২৭ মার্চ, ২০১৩ পর্যন্ত সঠিক

কোচ ভিসেন্তে দেল বস্ক ২৭ মে, ২০১৩ তারিখে ২৬-সদস্যবিশিষ্ট দলের নাম ঘোষণা করেন।[৮]

0#0 অব নাম জন্ম (বয়স) ম্যাচ গোল ক্লাব
গো ইকার কাসিয়াস () (১৯৮১-০৫-২০) ২০ মে ১৯৮১ (বয়স ৩৪) ১৪৩ স্পেন রিয়াল মাদ্রিদ
রাউল আলবিওল (১৯৮৫-০৯-০৪) ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ (বয়স ২৯) ৩৮ স্পেন রিয়াল মাদ্রিদ
হেরার্দ পিকে (১৯৮৭-০২-০২) ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ (বয়স ২৮) ৫১ স্পেন বার্সেলোনা
জাভি মার্টিনেজ (১৯৮৮-০৯-০২) ২ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ (বয়স ২৬) জার্মানি বায়ার্ন মিউনিখ
নাচো মনরিয়েল (১৯৮৬-০২-২৬) ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬ (বয়স ২৯) ১১ ইংল্যান্ড আর্সেনাল
আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা (১৯৮৪-০৫-১১) ১১ মে ১৯৮৪ (বয়স ৩১) ৮০ ১১ স্পেন বার্সেলোনা
ডেভিড ভিয়া (১৯৮১-১২-০৩) ৩ ডিসেম্বর ১৯৮১ (বয়স ৩৩) ৮৮ ৫৩ স্পেন বার্সেলোনা
জাভি হার্নান্দেজ (১৯৮০-০১-২৫) ২৫ জানুয়ারি ১৯৮০ (বয়স ৩৫) ১২০ ১২ স্পেন বার্সেলোনা
ফের্নান্দো তোরেস (১৯৮৪-০৩-২০) ২০ মার্চ ১৯৮৪ (বয়স ৩১) ১০১ ৩১ ইংল্যান্ড চেলসি
১০ সেস্‌ ফ্যাব্রিগাস (১৯৮৭-০৫-০৪) ৪ মে ১৯৮৭ (বয়স ২৮) ৭৮ ১২ স্পেন বার্সেলোনা
১১ পেদ্রো রড্রিগুয়েজ (১৯৮৭-০৭-২৮) ২৮ জুলাই ১৯৮৭ (বয়স ২৮) ২৬ ১২ স্পেন বার্সেলোনা
১২ গো ভিক্টর ভালদেস (১৯৮২-০১-১৪) ১৪ জানুয়ারি ১৯৮২ (বয়স ৩৩) ১৩ স্পেন বার্সেলোনা
১৩ জুয়ান মাতা (১৯৮৮-০৪-২৮) ২৮ এপ্রিল ১৯৮৮ (বয়স ২৭) ২৩ ইংল্যান্ড চেলসি
১৪ শাবি আলোনসো (১৯৮১-১১-২৫) ২৫ নভেম্বর ১৯৮১ (বয়স ৩৩) ১০৭ ১৫ স্পেন রিয়াল মাদ্রিদ
১৫ সার্গিও রামোস (১৯৮৬-০৩-৩০) ৩০ মার্চ ১৯৮৬ (বয়স ২৯) ১০১ স্পেন রিয়াল মাদ্রিদ
১৬ সার্গিও বাস্কুয়েটস (১৯৮৮-০৭-১৬) ১৬ জুলাই ১৯৮৮ (বয়স ২৭) ৫৪ স্পেন বার্সেলোনা
১৭ এলভারো আর্বেলোয়া (১৯৮৩-০১-১৭) ১৭ জানুয়ারি ১৯৮৩ (বয়স ৩২) ৪৭ স্পেন রিয়াল মাদ্রিদ
১৮ জর্দি এলবা (১৯৮৯-০৩-২১) ২১ মার্চ ১৯৮৯ (বয়স ২৬) ১৭ স্পেন বার্সেলোনা
১৯ সিজার আজপিলিকুয়েতা (১৯৮৯-০৮-২৮) ২৮ আগস্ট ১৯৮৯ (বয়স ২৬) ইংল্যান্ড চেলসি
২০ সান্তিয়াগো কাজোরলা (১৯৮৪-১২-১৩) ১৩ ডিসেম্বর ১৯৮৪ (বয়স ৩০) ৫২ ইংল্যান্ড আর্সেনাল
২১ ডেভিড সিলভা (১৯৮৬-০১-০৮) ৮ জানুয়ারি ১৯৮৬ (বয়স ২৯) ৭০ ১৮ ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার সিটি
২২ জিসাস নাভাস (১৯৮৫-১১-২১) ২১ নভেম্বর ১৯৮৫ (বয়স ২৯) ২৩ স্পেন সেভিলা
২৩ গো পেপে রেইনা (১৯৮২-০৮-৩১) ৩১ আগস্ট ১৯৮২ (বয়স ৩২) ২৬ ইংল্যান্ড লিভারপুল
২৪ জাভি গার্সিয়া (১৯৮৭-০২-০৮) ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ (বয়স ২৮) ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার সিটি
২৫ বেনাত (১৯৮৭-০২-১৯) ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ (বয়স ২৮) স্পেন বেটিস
২৬ রবার্তো সোলদাদো (১৯৮৫-০৫-২৭) ২৭ মে ১৯৮৫ (বয়স ৩০) স্পেন ভ্যালেন্সিয়া

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ Since 1992, squads for Football at the Summer Olympics have been restricted to three players over the age of 23. The achievements of such teams are not usually included in the statistics of the international team.
  2. http://goal.blogs.nytimes.com/2009/06/24/stopping-the-la-furia-roja-is-no-easy-task/
  3. "Del Bosque gets Spain coach's job"BBC Sport। ১৭ জুলাই ২০০৮। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০০৯ 
  4. "Spain appoint Del Bosque"। Sky Sports। ১৭ জুলাই ২০০৮। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০০৯ 
  5. Sheringham, Sam (১৬ জুন ২০১০)। "Spain 0–1 Switzerland"BBC Sport (BBC)। সংগৃহীত ১৭ জুন ২০১০ 
  6. "Puyol heads Spain into final"ESPNsoccernet (ESPN)। ৭ জুলাই ২০১০। সংগৃহীত ৮ জুলাই ২০১০ 
  7. "Iniesta sinks Dutch with late strike"ESPNsoccernet (ESPN)। ১১ জুলাই ২০১০। সংগৃহীত ১৩ জুলাই ২০১০ 
  8. "Del Bosque names squad, explains decisions"। FIFA.com। সংগৃহীত ২৯ মে ২০১৩ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]