বিষয়বস্তুতে চলুন

সুইজারল্যান্ড

স্থানাঙ্ক: ৪৬°৪৭′৫৪.৮২৩″ উত্তর ৮°১৩′৫৫.১০৩″ পূর্ব / ৪৬.৭৯৮৫৬১৯৪° উত্তর ৮.২৩১৯৭৩০৬° পূর্ব / 46.79856194; 8.23197306
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সুইস পরিসংঘ

দাপ্তরিক ভাষা ও লাতিনে নাম
সুইজারল্যান্ডের জাতীয় পতাকা
পতাকা
সুইজারল্যান্ডের জাতীয় মর্যাদাবাহী নকশা
জাতীয় মর্যাদাবাহী নকশা
নীতিবাক্য: (অদাপ্তরিক)
"Unus pro omnibus, omnes pro uno"
"সকলের তরে এক, প্রত্যেকে সবার তরে"
জাতীয় সঙ্গীত: "সুইস গীতসংহিতা"
 সুইজারল্যান্ড-এর অবস্থান (সবুজ)

ইউরোপে (সবুজ ও গাঢ় ধূসর)

রাজধানীবের্ন (কার্যত)
সংঘীয় শহরবের্ন[][][]
বৃহত্তম নগরীজুরিখ
সরকারি ভাষাজর্মন, ফরাসি, ইতালীয়, রোমান্‌শ
নৃগোষ্ঠী
(২০২৪)[]
ধর্ম
(২০২৩)[]
সরকারগণতন্ত্র যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র
 যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিষদ
M. Leuenberger
P. Couchepin
S. Schmid
M. Calmy-Rey
C. Blocher
H.-R. Merz
D. Leuthard
স্বাধীনতা
 স্থাপন
১ আগস্ট ১২৯১
২২ সেপ্টেম্বর ১৪৯৯
 স্বীকৃতি
২৪ অক্টোবর ১৬৪৮
 পুনঃস্থাপিত
৭ আগস্ট ১৮১৫
 যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র
১২ সেপ্টেম্বর ১৮৪৮
 পানি (%)
৪.২
জনসংখ্যা
 ২০০৬ আনুমানিক
৭,৫০৭,০০০ (৯৪)
 ২০০০ আদমশুমারি
৭,২৮৮,০১০
জিডিপি (পিপিপি)২০০৫ আনুমানিক
 মোট
$২৬৪.১ বিলিয়ন (৩৯)
 মাথাপিছু
$৩২,৩০০ (১০)
জিডিপি (মনোনীত)২০০৫ আনুমানিক
 মোট
$৩৬৭.৫ বিলিয়ন (১৮)
 মাথাপিছু
$৫০,৫৩২ ()
জিনি (২০০০)৩৩.৭
মাধ্যম
মানব উন্নয়ন সূচক (২০০৬)অপরিবর্তিত ০.৯৪৭
ত্রুটি: মানব উন্নয়ন সূচক-এর মান অকার্যকর · 
মুদ্রাসুইস ফ্রাংক (CHF)
সময় অঞ্চলইউটিসি+1 (CET)
 গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি)
ইউটিসি+2 (CEST)
কলিং কোড+৪১
ইন্টারনেট টিএলডি.ch
বাসেল বিশ্ববিদ্যালয় সুইজারল্যান্ডের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় (১৪৬০)

সুইজারল্যান্ড,[] যার দাপ্তরিক নাম সুইস পরিসংঘ,[] হল মধ্য, পশ্চিমদক্ষিণ ইউরোপের সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ[][][] এর উত্তরে জার্মানি, পশ্চিমে ফ্রান্স, পূর্বে অস্ট্রিয়ালিশটেনস্টাইন এবং দক্ষিণে ইতালি অবস্থিত। সুইজারল্যান্ড ভৌগোলিকভাবে সুইস আল্পস, সুইস মালভূমি এবং জুরা পর্বতমালায় বিভক্ত; আল্পস দেশটির অধিকাংশ এলাকা জুড়ে রয়েছে, অথচ প্রায় ৯ মিলিয়ন মানুষের অধিকাংশই মালভূমিতে বসবাস করে, যেখানে জুরিখ, জেনেভা, বাজেল, বের্ন, লোজান, ভিন্টারটুর, লুৎসের্নসহ বহু বড় শহর ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র অবস্থিত।[]

সুইজারল্যান্ড একটি সংঘীয় প্রজাতন্ত্র, যা ২৬টি ক্যান্টন নিয়ে গঠিত; বের্ন সংঘীয় শহর হিসেবে জাতীয় সরকারের কেন্দ্র ও আসন।[][][] দেশটি চারটি প্রধান ভাষিক ও সাংস্কৃতিক অঞ্চলে বিভক্ত—জর্মন, ফরাসি, ইতালীয় ও রোমান্‌শ—যা বহুভাষিকতা ও সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে। তা সত্ত্বেও সুইস জাতীয় পরিচয় যথেষ্ট সংহত, যা একটি অভিন্ন ঐতিহাসিক পটভূমি, যুক্তরাষ্ট্রবাদপ্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের মতো সাধারণ মূল্যবোধ[১০] এবং আল্পীয় প্রতীকীবাদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।[১১][১২] সুইস জাতিসত্তা ভাষা, জাতিগত পরিচয় ও ধর্মকে অতিক্রম করে, যার ফলে সুইজারল্যান্ডকে প্রচলিত জাতিরাষ্ট্রের পরিবর্তে ভিলেন্সনেশন (ইচ্ছার ভিত্তিতে গঠিত জাতি) হিসেবে বর্ণনা করা হয়।[১৩]

সুইজারল্যান্ডের উৎপত্তি প্রাচীন সুইস পরিসংঘ থেকে, যা প্রান্তীয় মধ্যযুগে একটি প্রতিরক্ষামূলক ও বাণিজ্যিক জোট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়; ১২৯১ সালের সংঘীয় চার্টারকে দেশটির প্রতিষ্ঠাতা দলিল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাহ্যিক হুমকি ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংঘাত সত্ত্বেও এই পরিসংঘ ধীরেধীরে বিস্তৃত ও সুসংহত হয়। পবিত্র রোমান সাম্রাজ্য থেকে সুইস স্বাধীনতা আনুষ্ঠানিকভাবে ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়া শান্তিচুক্তি দ্বারা স্বীকৃত হয়। এই পরিসংঘ ছিল প্রারম্ভিক আধুনিক যুগের প্রথম ও অল্প কয়েকটি প্রজাতন্ত্রের একটি এবং সান মারিনো ছাড়া নেপোলিয়নীয় যুদ্ধসমূহে টিকে থাকা একমাত্র প্রজাতন্ত্র।[১৪] ১৭৯৮ সাল পর্যন্ত সুইজারল্যান্ড স্বশাসিত রাষ্ট্রসমূহের একটি অন্তর্জাল হিসেবে ছিল; এরপর বিপ্লবী ফ্রান্স আক্রমণ করে আরোপ করে কেন্দ্রীভূত হেল্বেতীয় গণরাষ্ট্রনেপোলিয়ন ১৮০৩ সালে এই গণরাষ্ট্র বিলুপ্ত করে পুনরায় পরিসংঘ ব্যবস্থা চালু করেন। নেপোলিয়নিক যুদ্ধের পর সুইজারল্যান্ড তার বিপ্লব-পূর্ব ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে, কিন্তু ১৮৩০ সালের মধ্যে উদারপন্থী ও রক্ষণশীল আন্দোলনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিভাজন ও সংঘাত দেখা দেয়; এর পরিণতিতে ১৮৪৮ সালের একটি নতুন সংবিধান প্রণীত হয়, যা বর্তমান সংঘীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে এবং ব্যক্তি অধিকার, ক্ষমতার পৃথকীকরণ ও দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদীয় ব্যবস্থার মতো নীতিগুলো সংরক্ষণ করে।

সুইজারল্যান্ড ১৬শ শতক থেকে সশস্ত্র নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করে আসছে এবং ১৮১৫ সালের পর কোনো আন্তর্জাতিক যুদ্ধে অংশ নেয়নি। এটি ১৯৬৪ সালে ইউরোপীয় কাউন্সিল এবং ২০০২ সালে জাতিসংঘে যোগ দেয় এবং শান্তি বিনির্মাণবৈশ্বিক শাসনে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকে। সুইজারল্যান্ড রেড ক্রসের জন্মস্থান এবং অধিকাংশ প্রধান আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর বা কার্যালয় এখানে অবস্থিত, যার মধ্যে রয়েছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, ফিফা, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম এবং জাতিসংঘ। এটি ইউরোপীয় মুক্ত বাণিজ্য সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ইউরোপীয় একক বাজারশেঙেন অঞ্চলের অংশগ্রহণ করে। সুইজারল্যান্ড বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশগুলোর একটি; এখানে প্রতি প্রাপ্তবয়স্কের গড় নামমাত্র সম্পদ সর্বোচ্চ এবং মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বিশ্বের অষ্টম সর্বোচ্চ।[১৫][১৬][১৭] এটি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সূচকে উচ্চ অবস্থান অর্জন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা, গণতান্ত্রিক শাসন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। জুরিখ, জেনেভা ও বাজেল জীবনমানের দিক থেকে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অবস্থানকারী শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে,[১৮][১৯] যদিও জীবনযাত্রার ব্যয়ও এখানে বিশ্বের সর্বোচ্চের মধ্যে পড়ে।[২০] সুইজারল্যান্ডের একটি দীর্ঘস্থায়ী ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত, উন্নত ঔষধশিল্প ও জীবপ্রযুক্তিশিল্প, ঘড়িনির্মাণ, সূক্ষ্ম প্রকৌশল ও প্রযুক্তিতে এক শক্তিশালী ঐতিহ্য রয়েছে। এটি চকলেটপনির উৎপাদন, সু-বিকশিত পর্যটনশিল্প এবং ক্রমবর্ধমান স্টার্টআপ খাতের জন্য পরিচিত।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

রাজনীতি

[সম্পাদনা]

দেশটির রাজনৈতিক অবস্থা ভারসাম্যমূলক ও অত্যন্ত সুস্থির। সুইস সরকারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রতিবছর ১লা জানুয়ারি তারিখে এর রাষ্ট্রপতি পরিবর্তিত হয়। ছয় বৎসরের জন্য গঠিত মন্ত্রীপরিষদের একেকজন মন্ত্রী পালাক্রমে এক বৎসরের জন্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ

[সম্পাদনা]

সুইজারল্যান্ডে মোট ২৬টি ক্যান্টন রয়েছে। ঐতিহাসিক কনফেডারেশনের সময় এর প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল যাদের পৃথক সীমানা ও রাষ্ট্রব্যবস্থাও ছিল। বর্তমানে এর সবগুলো সুইজারল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত।

সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বের্ন। এটি মূলত সরকারি এবং প্রশাসনিক শহর। শহরটি আরে নদীর বাঁক দ্বারা তিন দিকে বেষ্টিত একটি উঁচু শৈলান্তরীপের ওপর অবস্থিত। সুইজারল্যান্ডের প্রশাসনিক রাজধানী "বার্ন" হলেও সবচেয়ে পরিচিত শহরগুলো হল "জুরিক" এবং "জেনেভা"। [২১]

ভূগোল

[সম্পাদনা]

সুইজারল্যান্ডের আয়তন ৪১ হাজার ২৮৫ বর্গকিলোমিটার। সুইজারল্যান্ডকে জুরা, সুইজারল্যান্ডীয় মালভূমি এবং আল্পস পর্বতমালা এই তিনটি প্রধান ভৌগোলিক অঞ্চলে ভাগ করা যায়।[২১]

অর্থনীতি

[সম্পাদনা]

বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচক এই দেশ শীর্ষ স্থানে রয়েছে।এদেশে মানুষের মাথাপিছু বাৎসরিক আয় ৬৭,৮২৩ সুইস ফ্রাংক (২০০৭ খ্রিষ্টাব্দ)। বার্ন শহরটি সুইজারল্যান্ডের রাজধানী। অন্যতম বিখ্যাত অন্য দুটি শহর হলো জুরিখ এবং জেনেভা

জনসংখ্যা

[সম্পাদনা]

২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে ৮৩ লাখ ৭২ হাজারের অধিক মানুষ বসবাস করে। সুইজারল্যান্ডের অধিকাংশ অধিবাসী রোমান ক্যাথলিক ধর্ম চর্চা করেন। এরা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৫ শতাংশ। এছাড়া মুসলমান, সনাতন, ইহুদীসহ অন্যরা নিজ নিজ ধর্ম পালন করে। [২১]

সংস্কৃতি

[সম্পাদনা]

সুইজারল্যান্ড বহুভাষী রাষ্ট্র এবং এখানে চারটি রাষ্ট্র ভাষা রয়েছে- জার্মান, ফরাসি, ইতালীয় এবং রোমানীয়। বাকিরা স্পেনীয়, পর্তুগিজ আর তুর্কী ভাষায় কথা বলে।[২১]

পাদটীকা

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 Bern is referred to as "federal city" (জার্মান: Bundesstadt; ফরাসি: ville fédérale; ইতালীয়: città federale; রোমানশ: citad federala). Swiss law does not designate a capital as such, but the federal parliament and government are installed in Bern, while other federal institutions, such as the federal courts, are in other cities (Bellinzona, Lausanne, Lucerne, Neuchâtel, St. Gallen a.o.).
  2. জার্মান: Schweiz [ʃvaɪts] ; ফরাসি: Suisse [sɥis] ; ইতালীয়: Svizzera [ˈzvittsera] ; রোমানশ: Svizra [ˈʒviːtsrɐ] বা [ˈʒviːtsʁːɐ]
  3. জার্মান: Schweizerische Eidgenossenschaft [ˈʃvaɪtsərɪʃɛ ˈaɪdɡəˌnɔsn̩ʃaft] ; ফরাসি: Confédération suisse [kɔ̃fedeʁasjɔ̃ sɥis] ; ইতালীয়: Confederazione Svizzera [konfederatˈtsjone ˈzvittsera]; রোমানশ: Confederaziun svizra; লাতিন: Cōnfoederātiō Helvētica
  4. বহু সংজ্ঞা বিদ্যমান। সুইজারল্যান্ডের ভূগোল#পশ্চিম বা মধ্য ইউরোপ দেখুন।
  5. তিচিনো ক্যান্টনকে কখনও কখনও দক্ষিণ ইউরোপের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মূলত আল্পস পর্বতমালার (পো অববাহিকা) দক্ষিণ দিকে।[][]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Confoederatio helvetica (CH), in the Historical Dictionary of Switzerland.
  2. 1 2 টেমপ্লেট:HDS
  3. 1 2 Holenstein, André (২০১২)। "Die Hauptstadt existiert nicht"। UniPress – Forschung und Wissenschaft an der Universität Bern (scientific article) (জার্মান ভাষায়)। ১৫২ (Sonderfall Hauptstatdtregion)। Bern: Department Communication, University of Bern: ১৬–১৯। ডিওআই:10.7892/boris.41280এস২সিআইডি 178237847Als 1848 ein politisch-administratives Zentrum für den neuen Bundesstaat zu bestimmen war, verzichteten die Verfassungsväter darauf, eine Hauptstadt der Schweiz zu bezeichnen und formulierten stattdessen in Artikel 108: "Alles, was sich auf den Sitz der Bundesbehörden bezieht, ist Gegenstand der Bundesgesetzgebung." Die Bundesstadt ist also nicht mehr und nicht weniger als der Sitz der Bundesbehörden. [In 1848, when a political and administrative centre was being determined for the new federation, the founders of the constitution abstained from designating a capital city for Switzerland and instead formulated in Article 108: "Everything, which relates to seat of the authorities, is the subject of the federal legislation." The federal city is therefore no more and no less than the seat of the federal authorities.]
  4. "Population by migration status"Swiss Federal Statistical Office (ইংরেজি ভাষায়)। Federal Statistical Office of Switzerland। ১ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০২৫
  5. "Religions"। Neuchâtel, Switzerland: Federal Statistical Office। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২৪
  6. James Redfern (১৯৭১)। A Lexical Study of Raeto-Romance and Contiguous Italian Dialect AreasMouton Publishers। পৃ. ৩৮। আইএসবিএন ৯৭৮৩১১০৮২৪৮৪১The canton of the Ticino marks the geographic descent from high Alps to plain and is, therefore, a land of climatic as well as linguistic transition, where heat and abundant moisture favor almonds, figs, and all the fruits common to southern Europe, except the olive.
  7. OECD (২০০২)। OECD Territorial Reviews: Switzerland 2002। OECD Publishing। পৃ. ৮০। আইএসবিএন ৯৭৮৯২৬৪১৬০৬৫১The Regio Insubrica spreads over three Italian provinces (Verbano-Cusio Ossola, Varese, Como) and the Swiss canton of Ticino. The national border cuts across a culturally and geographically homogenous territory. The region is peripheral for both countries, but it is an essential pole of communication between Northern and Southern Europe.
  8. Berner, Elizabeth Kay; Berner, Robert A. (২২ এপ্রিল ২০১২)। Global Environment: Water, Air, and Geochemical Cycles – Second Edition (ইংরেজি ভাষায়)। Princeton University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০০৮-৪২৭৬-৬। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২০
  9. "BFS: 9 Millionen Menschen in der Schweiz – 20 Minuten"। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  10. Vatter, Adrian (২০১৪)। Das politische System der Schweiz [The Political System of Switzerland]। Studienkurs Politikwissenschaft (জার্মান ভাষায়)। Baden-Baden: UTB Verlag। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৮২৫২-৪০১১-০। ২২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০১৫
  11. Zimmer, Oliver (১২ জানুয়ারি ২০০৪) [originally published: October 1998]। "In Search of Natural Identity: Alpine Landscape and the Reconstruction of the Swiss Nation"। Comparative Studies in Society and History৪০ (4)। London: ৬৩৭–৬৬৫। ডিওআই:10.1017/S0010417598001686এস২সিআইডি 146259022
  12. Lang, Josef (১৪ ডিসেম্বর ২০১৫)। "Die Alpen als Ideologie"Tages-Anzeiger (জার্মান ভাষায়)। Zurich, Switzerland। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৫
  13. Schmock, Nico (৩০ জানুয়ারি ২০১৯)। Die Schweiz als "Willensnation"? Die Kernelemente des Schweizer Selbstverständnisses (জার্মান ভাষায়)। GRIN Verlag। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৬৬৮-৮৭১৯৯-১। ২২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০২২
  14. "Switzerland - Alps, Neutrality, Confederation | Britannica"www.britannica.com (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  15. "Global wealth databook 2019" (পিডিএফ)Credit Suisse। ২৩ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০২০Archived . The country data comes from Table 3.1 on page 117. The region data comes from the end of that table on page 120.
  16. Ghosh, Subir (৯ অক্টোবর ২০১০)। "US is still by far the richest country, China fastest growing"Digital Journal। ১২ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৫
  17. Bowers, Simon (১৯ অক্টোবর ২০১১)। "Franc's rise puts Swiss top of rich list"The Guardian। London। ১২ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৫
  18. Bachmann, Helena (২৩ মার্চ ২০১৮)। "Looking for a better quality of life? Try these three Swiss cities"USA Today। ৯ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জানুয়ারি ২০২১
  19. Taylor, Chloe (২০ মে ২০১৯)। "These cities offer the best quality of life in the world, according to Deutsche Bank"। CNBC। ২৩ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জানুয়ারি ২০২১
  20. "Coronavirus: Paris and Zurich become world's most expensive cities to live in because of COVID-19"। Euronews। ১৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জানুয়ারি ২০২১
  21. 1 2 3 4 "স্বপ্নের দেশঃ সুইজারল্যান্ড" {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]