চামিন্দা ভাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চামিন্দা ভাস
Chaminda Vaas.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামওয়ার্নাকুলাসুরিয়া পাতাবেনদিগে উশান্ত জোসেফ চামিন্দা ভাস
জন্ম (1974-01-27) ২৭ জানুয়ারি ১৯৭৪ (বয়স ৪৫)
মাত্তুমাগালা, শ্রীলঙ্কা
ডাকনামভেসি
উচ্চতা৫ ফুট ১০ ইঞ্চি (১.৭৮ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনবামহাতি ফাস্ট মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৬৩)
২৬ আগস্ট ১৯৯৪ বনাম পাকিস্তান
শেষ টেস্ট২০ জুলাই ২০০৯ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৭৫)
১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৪ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই২৭ আগস্ট ২০০৮ বনাম ভারত
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯০/৯১-কোল্টস ক্রিকেট ক্লাব
২০০৩হ্যাম্পশায়ার
২০০৩/০৪ইউভা
২০০৫ওরচেস্টারশায়ার
২০০৭মিডলসেক্স
২০০৭/০৮-২০০৯/১০ডেকান চার্জার্স
২০১০-২০১২নর্দাম্পটনশায়ার (দল নং 6)
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১১১ ৩২২ ২২৭ ৪১২
রানের সংখ্যা ৩,০৮৯ ২,০২৫ ৬,২২৩ ৩,২২০
ব্যাটিং গড় ২৪.৩২ ১৩.৬৮ ২৫.৮২ ১৬.৫৯
১০০/৫০ ১/১৩ ০/১ ৪/২৯ ০/৮
সর্বোচ্চ রান ১০০* ৫০* ১৩৪ ৭৬*
বল করেছে ২৩,৪৩৮ ১৫,৭৭৫ ৪১,২৬৬ ১৯,৪১১
উইকেট ৩৫৫ ৪০০ ৭৭২ ৫০৬
বোলিং গড় ২৯.৫৮ ২৭.৫৩ ২৪.৬৪ ২৬.৬৩
ইনিংসে ৫ উইকেট ১২ ৩৪
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৭/৭১ ৮/১৯ ৭/২৮ ৮/১৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩১/– ৬০/– ৫৭/– ৮৩/–
উৎস: ক্রিকেটআর্কাইভ, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১২

ওয়ার্নাকুলাসুরিয়া পাতাবেনদিগে উশান্ত জোসেফ চামিন্দা ভাস (তামিল: சமிந்த வாஸ்; জন্ম: ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৪) মাত্তুমাগালায় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রিকেটার। সচরাচর তিনি চামিন্দা ভাস নামেই সর্বসমক্ষে পরিচিত। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ইতিহাসে তিনিই সেরা ফাস্ট বোলারের মর্যাদা পেয়েছেন। ‘সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও নতুন বলে সবচেয়ে কার্যকরী সফলতম শ্রীলঙ্কান বোলার’ হিসেবে তাকে গণ্য করা হয়।[১] ৩ জুন, ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আট উইকেট লাভকারী বিশ্বের একমাত্র বোলার[২]

অক্টোবর, ২০১২ সালে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের শ্রীলঙ্কা সফরের সময় তিনি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে দুই টেস্টের জন্য কোচ নিযুক্ত হয়েছিলেন।[৩]

খেলোয়াড়ি জীবন[সম্পাদনা]

ভাস বামহাতি সুইং বোলার হিসেবে ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করতেন। শ্রীলঙ্কা দলের পক্ষে উদ্বোধনী বোলাররূপে ইন-সুইঙ্গার প্রয়োগ করতেন। এছাড়াও তিনি অফ কাটার ও খেলোয়াড়ী জীবনের শেষদিকে রিভার্স-সুইংয়ের বিষয়টি যুক্ত করেছিলেন। এরফলে তিনি উপমহাদেশের ধীরগতির পিচেও উইকেট নিতে সক্ষম হতেন। নিখুঁত লাইন ও লেন্থে বলকে চমকপ্রদভাবে নিয়ন্ত্রণে তিনি অসামান্য ভূমিকা রাখতেন। নীচের সারির ব্যাটসম্যান হিসেবেও তিনি তিন সহস্রাধিক রান করেছেন। এ রান করতে তিনি একটি শতক ও ১৩ অর্ধ-শতক করেছেন। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে তারচেয়ে মাত্র ১১জন বোলার ২০০ উইকেট ও অধিক রান করেছেন।[৪] ফিল্ডার হিসেবে তিনি তাঁর শক্তিশালী বাহুর জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন। নতুন বোলিংয়ের জন্য আম্পায়ারকে ‘পেসবিহীন বামহাতি’ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করতেন।

২০০০ কোকা কোলা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি[সম্পাদনা]

এই টুর্নামেন্টের ২য় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী হন। ফাইনাল ম্যাচে তার বিধ্বংসী বোলিং এ ভারতীয় দল ৫৪ রানে অল আউট হয়ে যায় , যা ভারতীয়দের সর্বকালের সর্বনিম্ন একদিবসীয় দলগত স্কোর । আউট করেন সৌরভ গাঙ্গুলী - সচিন তেন্ডুলকর - যুবরাজ সিং - বিনোদ কাম্বলি-র মতো তারকা খেলোয়াড়দের।

সম্মাননা[সম্পাদনা]

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ইতিহাসে তৃতীয় বোলাররূপে হ্যাট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন। ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তিনি বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে এ নজীর সৃষ্টি করেন। ইনিংসের প্রথম তিন বলেই তার শিকার হয়েছিলেন - হান্নান সরকার, মোহাম্মদ আশরাফুলএহসানুল হক[৫] এ খেলায় তিনি ৬ উইকেট নেন ২৫ রানের বিনিময়ে। এ প্রতিযোগিতায় তিনি ২৩ উইকেট নিয়ে শীর্ষ বোলারের মর্যাদা পান।

২০০৪ সালে নবপ্রবর্তিত আইসিসি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তাকে বিশ্ব টেস্ট একাদশ ও বিশ্ব একদিনের আন্তর্জাতিক একাদশের অন্যতম খেলোয়াড়রূপে নির্বাচিত করা হয়েছিল। এছাড়াও, ২০০৫ সালে পুণরায় বিশ্ব টেস্ট একাদশে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন ভাস।

জুলাই, ২০০৯ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩য় টেস্টে অংশগ্রহণ শেষে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার ঘোষণা দেন।[৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.espncricinfo.com/srilanka/content/player/50804.html
  2. "ODI Career Best Innings Bowling"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  3. http://home.nzcity.co.nz/news/article.aspx?id=156284
  4. http://www.howstat.com/cricket/Statistics/AllRounders/AllRoundersRWC.asp?Stat=2
  5. "10th Match: Bangladesh v Sri Lanka at Pietermaritzburg, Feb 14, 2003"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০০৯ 
  6. "Chaminda Vaas to retire from Tests"। Cricinfo। ১৯ জুলাই ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৭-২৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]