সোমাচন্দ্র ডি সিলভা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সোমাচন্দ্র ডি সিলভা
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম (1942-06-11) ১১ জুন ১৯৪২ (বয়স ৭৭)
গালে, শ্রীলঙ্কা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি লেগ ব্রেক গুগলি
ভূমিকাঅল-রাউন্ডার, অধিনায়ক ও কোচ
সম্পর্কডি. এইচ. ডি সিলভা (ভ্রাতা) ও ডি. পি. ডি সিলভা (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ )
১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট২৩ আগস্ট ১৯৮৪ বনাম ইংল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ )
৭ জুন ১৯৭৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ ওডিআই২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ১২ ৪১
রানের সংখ্যা ৪০৬ ৩৭১
ব্যাটিং গড় ২১.৩৬ ১৯.৫২
১০০/৫০ ০/২ ০/০
সর্বোচ্চ রান ৬১ ৩৭*
বল করেছে ৩০৩১ ২০৭৬
উইকেট ৩৭ ৩২
বোলিং গড় ৩৬.৪০ ৪৮.৬৫
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৫/৫৯ ৩/২৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৫/০ ৫/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

দান্দিনিয়াগে সোমাচন্দ্র ডি সিলভা (তামিল: டி. எஸ். டி சில்வா; জন্ম: ১১ জুন, ১৯৪২) গালে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার প্রথিতযশা ও সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। নিয়মিত অধিনায়ক দিলীপ মেন্ডিসের অনুপস্থিতিতে দলকে দুই টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দলে তিনি অল-রাউন্ডার হিসেবে ছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংসহ ডানহাতে লেগ স্পিন বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন সোমাচন্দ্র ডি সিলভা। মাইনর কাউন্টি ক্রিকেটে লিঙ্কনশায়ার ও শ্রপশায়ারের পক্ষে খেলেছেন তিনি।

গালের মহিন্দ কলেজ ও মোরাতুয়ার প্রিন্স অব ওয়েলস কলেজে অধ্যয়ন করেন।[১] তার বড় দুই ভাই ডি. এইচ. ডি সিলভা ও ডি. পি. ডি সিলভা সিলনের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটার ছিলেন।[২]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

নিউজিল্যান্ড সফরের পূর্বে দিলীপ মেন্ডিস আহত হলে দলের দায়িত্বভার তার উপর বর্তায়। ঐ সফরে দু’টি অর্ধ-শতকসহ তিন উইকেট পান তিনি। তা স্বত্ত্বেও দল ২-০ ব্যবধানে সিরিজে পরাজিত হয়। চল্লিশ বছরের কাছাকাছি বয়সে শ্রীলঙ্কা দল টেস্টের মর্যাদা পায়। এ বয়সে এসেও তিনি প্রথম ১২ টেস্টে শ্রীলঙ্কার পক্ষে খেলেন। এরপর ৪২ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখলেও তার চেয়ে দশ বছর কমবয়সী রবি রত্নায়েকে শ্রীলঙ্কার প্রথম প্রকৃত অল-রাউন্ডারের মর্যাদা পেয়েছেন।

১৯৭৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে জয় পায়। দলটি ভারতকে ৪৭ রানে পরাভূত করে। ঐ খেলায় তিনি দিলীপ বেঙ্গসরকার, ব্রিজেশ প্যাটেলমহিন্দর অমরনাথের উইকেট নেন ২৯ রানের বিনিময়ে।[৩] এরফলে ভারত দল ১৯১ রানে অল-আউট হয়।

অবসর[সম্পাদনা]

অবসর পরবর্তীকালে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব লাভ করেন। বর্তমানে তিনি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "DS to take on Jaffna lads!" (ইংরেজি ভাষায়)। island.lk। 
  2. "D H was the best sporting Municipal Comissioner of Kandy" (ইংরেজি ভাষায়)। dailynews.lk। ২ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. "Prudential World Cup 1979, fifth Group B match, INDIA v SRI LANKA" (ইংরেজি ভাষায়)। WISDEN। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১৫ 
  4. "De Silva to head new SLC interim board" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]