চেতন শর্মা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চেতন শর্মা
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম (1966-01-03) ৩ জানুয়ারি ১৯৬৬ (বয়স ৫৩)
লুধিয়ানা, পাঞ্জাব, ভারত
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
সম্পর্কযশপাল শর্মা (কাকা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৬৭)
১৭ অক্টোবর ১৯৮৪ বনাম পাকিস্তান
শেষ টেস্ট৩ মে ১৯৮৯ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৪৫)
৭ ডিসেম্বর ১৯৮৩ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ ওডিআই১১ নভেম্বর ১৯৯৪ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮২/৮৩–১৯৯২/৯৩হরিয়ানা
১৯৯৩/৯৪–১৯৯৬/৯৭বাংলা
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২৩ ৬৫ ১২১ ১০৭
রানের সংখ্যা ৩৯৬ ৪৫৬ ৩৭১৪ ৮৫২
ব্যাটিং গড় ২২.০০ ২৪.০০ ৩৫.০৩ ২৪.৩৪
১০০/৫০ ০/১ ১/০ ৩/২১ ১/২
সর্বোচ্চ রান ৫৪ ১০১* ১১৪* ১০১*
বল করেছে ৩৪৭০ ২৮৩৫ ১৯৯৩৭ ৪৫০৪
উইকেট ৬১ ৬৭ ৪৩৩ ১১৫
বোলিং গড় ৩৫.৪৫ ৩৪.৮৬ ২৬.০৫ ৩১.৪২
ইনিংসে ৫ উইকেট ২৪
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৬/৫৮ ৩/২২ ৭/৭২ ৫/১৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৭/– ৭/– ৭১/– ২০/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১ এপ্রিল ২০১৩

চেতন শর্মা (এই শব্দ সম্পর্কেউচ্চারণ ; মারাঠি: चेतन शर्मा; জন্ম: ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৬) পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ও সাবেক ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো হ্যাট্রিক করে স্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি।[১] দ্রোণাচার্য পুরস্কার বিজয়ী ব্যক্তিত্ব দেশ প্রেম আজাদ ছিলেন তার কোচ। মাত্র ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতাবিশিষ্ট হওয়া স্বত্ত্বেও ১৯৮০-এর দশকে ভারতের অন্যতম দ্রুতগামীর বোলার হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৬ বছর বয়সে হরিয়ানা দলের মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে চেতন শর্মার। এর এক বছর একদিবসীয় ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮৪ সালে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পাকিস্তান দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষিক্ত হন তিনি। অভিষেকেই নিজস্ব ৫ম বলে মহসিন খানকে বোল্ড করেন। এরফলে তিনি টেস্টে তৃতীয় ভারতীয় হিসেবে প্রথম ওভারেই উইকেট লাভ করার সবিশেষ কৃতিত্ব দেখান। ১৯৮৫ সালে শ্রীলঙ্কায় তিন টেস্টে ১৪ উইকেট লাভ করেন। পরবর্তী মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব সিরিজ কাপের লীগ পর্যায়ে অপরাজিত ৩৮* রান করে দলকে ফাইনালে নিয়ে যান।

১৯৮৬ সালে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের বিপক্ষে দুই টেস্টে ১৬ উইকেট শিকার করেন। তন্মধ্যে বার্মিংহামে ১০ উইকেট লাভ করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে তার খেলোয়াড়ী জীবনের সেরা ৬/৫৮ করেন যা অদ্যাবধি ভারতীয়দের মধ্যে সেরা বোলিং নৈপুণ্য। আঘাতপ্রাপ্তি তার ক্রিকেট খেলায় অন্তরায় হয়ে দাড়ায়। আঘাত থেকে মুক্ত হয়ে তিনি পরবর্তী তিন বছর কপিল দেবের সাথে উদ্বোধনী বোলার হিসেবে জুটি গড়েন।

বিশ্বকাপ ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চেতন শর্মা প্রতিযোগিতার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো হ্যাট্রিক করেন। গ্রুপ-পর্বে তিনি একে-একে নিউজিল্যান্ডের কেন রাদারফোর্ড, ইয়ান স্মিথ এবং ইয়ান চ্যাটফিল্ডকে ৪২ ওভারের শেষ তিন বলে আউট করে এ কীর্তিগাঁথা গড়েন।[২]

১৯৮৯ সালের নেহরু কাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্মরণীয় ইনিংস খেলেন। ৩ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯৬ বলে অপরাজিত ১০১* রান করে দলকে বিজয় এনে দেন। পরের খেলায় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মনোজ প্রভাকরকে সাথে নিয়ে নিরবিচ্ছিন্ন ৪০ রানের জুটি করেন ও ছক্কা মেরে দলকে জয়ী হতে সাহায্য করেন।

অবসর পরবর্তী জীবন[সম্পাদনা]

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর নেয়ার পর চেতন শর্মা ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করেছেন। ২০০৪ সালে হরিয়ানার পাঁচকুলা এলাকায় ক্রিকেট একাডেমী প্রতিষ্ঠা করেন। সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার যশপাল শর্মা সম্পর্কে তার কাকা হন। ২০০৯ সালে বহুজন সমাজ পার্টির পক্ষ থেকে ফরিদাবাদ এলাকা থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন চেতন শর্মা।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]