রয় ডায়াস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রয় ডায়াস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরয় লুক ডায়াস
জন্ম (1952-10-18) ১৮ অক্টোবর ১৯৫২ (বয়স ৬৮)
কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাব্যাটসম্যান, কোচ
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ )
১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১৬ এপ্রিল ১৯৮৭ বনাম নিউজিল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৫)
৯ জুন ১৯৭৯ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ ওডিআই৩০ অক্টোবর ১৯৮৭ বনাম ইংল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৭৪/৭৫-১৯৯১/৯২কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ২০ ৫৮
রানের সংখ্যা ১২৮৫ ১৫৭৩
ব্যাটিং গড় ৩৬.৭১ ৩১.৪৬
১০০/৫০ ৩/৮ ২/১১
সর্বোচ্চ রান ১০৯ ১২১
বল করেছে ৯.২
উইকেট
বোলিং গড় ২৩.৩৩
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং - ৩/২৫
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৬/০ ১৬/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

রয় লুক ডায়াস (তামিল: ரோய் டயஸ்; জন্ম: ১৮ অক্টোবর, ১৯৫২) কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী নেগোম্বো ছেত্তি তামিল বংশোদ্ভূত শ্রীলঙ্কার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও কোচ। প্রতিশ্রুতিশীল ও ছন্দোময় ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৭ সময়কালে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের পক্ষে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কলম্বো ক্রিকেট ক্লাবের সদস্য ছিলেন রয় ডায়াস

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

১৯৭৯ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৭৯ সালের আইসিসি ট্রফি বিজয়ী শ্রীলঙ্কা দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। প্রতিযোগিতার ৪ খেলায় অংশ নিয়ে ৭১.৩৩ গড়ে ২১৪ রান তুলেন। এরফলে শ্রীলঙ্কা দল ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ১৯৭৯ সালের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়। এছাড়াও বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা দল আশ্চর্যজনকভাবে একটি খেলায় জয়লাভ করে। ভারত দলকে অল-আউট করে জয়ের লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে ২৩৮/৫ করেন। এতে তিনি দায়িত্বশীল অর্ধ-শতক রান করেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

তিন বছর পর ১৯৮২ সালে শ্রীলঙ্কা দল টেস্ট খেলার মর্যাদা পায়। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ইতিহাসে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টের অন্যতম সদস্য মনোনীত হন তিনি। কিন্তু শুরুতেই তাকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। বব উইলিসের বলে তিনি শূন্য রানে আউট হন।[১] এরফলে দলের রান সংখ্যা ১১/২ দাঁড়ায়। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ডেরেক আন্ডারউডজন এম্বুরি’র ন্যায় স্পিনারদের মোকাবেলা করে তিনি ৭৭ রান তোলেন। আউট হবার সময় দলের রান ছিল ১৪০/৩ যা পরবর্তীতে ১৭৫ রানে ইনিংস শেষ হয়ে যায়। ঐ টেস্টে ইংল্যান্ড সহজেই জয় পায়।

পাকিস্তান সফরে ৩-টেস্টের সিরিজের ২য় টেস্টের ১ম ইনিংসে সিদাথ ওয়েতিমুনিকে সাথে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ২১৭ রানের জুটি গড়ে শ্রীলঙ্কান রেকর্ড গড়েন। এরফলে শ্রীলঙ্কা দল ১৮৪ রানে এগিয়ে যায়। কিন্তু স্বাগতিক দলকে অল-আউট করতে না পারায় খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়। খেলায় তিনি নিজস্ব সর্বোচ্চ ১০৯ রান তোলেন। ঐ সিরিজে শ্রীলঙ্কা দল ২-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়।

সেপ্টেম্বর, ১৯৮২ সালে ভারত সফরে ৩-ওডিআইয়ের সিরিজে ৩৯, ১০২ ও ১২১ রান করেন। কিন্তু সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয় পায় ভারত দল। ঐ সফরে একমাত্র টেস্টে অংশ নেয় শ্রীলঙ্কা দল। দিলীপ মেন্ডিসের সহযোগিতায় ও তার দুইটি অর্ধ-শতকের ফলে টেস্টটি ড্র হয়।

অর্জনসমূহ[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ২০ টেস্টে অংশ নিয়েছেন তিনি। প্রথম শ্রীলঙ্কান হিসেবে এক হাজার টেস্ট রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন রয় ডায়াস।[২]

প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফিরোজ শাহ কোটলা মাঠে প্রথম সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন তিনি।[৩]

ক্রিকেট বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

১৯৮৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা একটিমাত্র খেলায় জয় পায়। ডায়াস ঐ প্রতিযোগিতায় একটি অর্ধ-শতকের সন্ধান পান। তৃতীয় উইকেটে ব্রেন্ডন কুরুপ্পুকে সাথে নিয়ে ৮০ রানের জুটি গড়েন। ১৮২ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে তার দল ও ৩ উইকেটে জয় পায়। খেলায় তিনি ৬৪* রানে অপরাজিত ছিলেন।

কোচ[সম্পাদনা]

ক্রিকেট খেলা থেকে বিদায় নিয়ে শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দলে কোচের দায়িত্বে নিয়োজিত হন। এরপর তিনি নেপাল ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে মনোনয়ন পান। তার পরিচালনায় নেপাল দল সহযোগী সদস্যদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রভূত সাফল্য পায় যা প্রতীকি হয়ে আছে। এরপর ২০১২ সালে তিনি মালয়েশিয়া দলের কোচ হন।

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Roy Dias's Cricinfo Profile" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৫ 
  2. (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo http://stats.espncricinfo.com/ci/content/records/283173.html। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৫  |শিরোনাম= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  3. "Statsguru: One-Day Internationals / Batting records / "Innings by innings list" |ইউআরএল= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০১০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]