রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(রিয়াল মাদ্রিদ থেকে পুনর্নির্দেশিত)
Jump to navigation Jump to search
রিয়াল মাদ্রিদ
Real Madrid CF.svg
পূর্ণ নাম রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব ডি ফুটবল[১]
ডাকনাম লস ব্ল্যাঙ্কোস (সাদা)
লস মেরেঙ্গুইস (মেরিনগুয়ে)
লস ভাইকিঙ্গস (ভাইকিং)[২]
সংক্ষিপ্ত নাম Real, RM, RMA, RMD
প্রতিষ্ঠিত ৬ মার্চ ১৯০২; ১১৬ বছর আগে (১৯০২-০৩-0৬)
(মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাব হিসেবে)[৩]
মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়াম
মাদ্রিদ, স্পেন
মাঠের ধারণক্ষমতা ৮১,০৪৪[৪]
চেয়ারম্যান স্পেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ
প্রধান কোচ স্পেন হুলেন লোপেতেগি[৫]
লীগ লা লিগা
২০১৭-১৮ ৩য়
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
বর্তমান মৌসুম

রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাব (স্পেনীয় ভাষায়: Real Madrid Club de Fútbol রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব ডি ফুটবল) হচ্ছে একটি স্পেনীয় পেশাদার ফুটবল ক্লাব, অধিক পরিচিত রিয়াল মাদ্রিদ নামে এবং সহজ ভাষায় রিয়াল বলা হয়। এই ক্লাবটির অবস্থান স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে। এটি বিংশ শতাব্দীর সফলতম ক্লাব এবং ইউরোপের সবচেয়ে বেশি শিরোপা জয়ী দল। ক্লাবের বাস্কেটবল শাখাও অনুরুপ সাফল্য লাভ করেছে। দলের পোশাকের মূল রঙ হচ্ছে সাদা টি-শার্ট ও শর্টস এবং নীল মোজা।

ক্লাবটি ফিফার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।[৬] ১৯৪৭ সাল রিয়াল মাদ্রিদ তাদের নিজস্ব মাঠ মাদ্রিদে অবস্থিত সান্তিয়াগো বার্নাব্যু তে খেল। ক্লাবটি লা লিগা জিতেছে রেকর্ড ৩৩ বার,কোপা দেল রে জিতেছে ১৯ বার এবংং স্পেনীয় সুপার কাপ জিতেছে ১০ বার।দলটির ইউরোপীয় শিরোপা আছে ১৯ টি। রিয়াল মাদ্রিদ ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে সর্বোচ্চ ১৩ বার এবং উয়েফা কাপ ২ বার ও উয়েফা সুপার কাপ ৪ বার জয় করেছে।দলটির বিশ্রামে থাকা খেলোয়াড়দের নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ কাস্তিয়া নামে একটি ফুটবল দল এবং রিয়াল মাদ্রিদ ব্যালনকেস্তো নামে একটি সফল বাস্কেটবল দল রয়েছে। বর্তমানে ক্লাবটি একটি রাগবি দল ও ফর্মুলা ওয়ান দল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। অন্যান্য ফুটবল দলের মত রিয়াল মাদ্রিদের মালিকানা কখনো বদল হয়নি। এটি ১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠা লগ্নের সদস্যদের দ্বারাই পরিচালিত হচ্ছে। ২০০০ সালের ডিসেম্বর ২৩ তারিখে ফিফা রিয়াল মাদ্রিদকে বিংশ শতাব্দীর জন্য শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ দল পুরস্কার দেয়। দলটি ২০১৭ সালসহ সর্বাধিক ৩ বার ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জয়লাভ করেছে। ক্লাবটি ২০১৬-১৭ মৌসুমে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করা দল।দলটির বার্ষিক আয় ছিলো €৬৭৪.৬ মিলিয়ন।[৭] রিয়াল মাদ্রিদ লা লিগার ইতিহাসে তিনটি ক্লাবের একটি যাদের কখনোই নিচের স্তরে অবনমন ঘটে নি।

২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো দল টানা তিন চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয় করে।ক্লাবটি বর্তমানে উয়েফা ক্লাব র‍্যাংকিং অনুযায়ী সেরা ক্লাব।[৮]

ক্লাবের ইতিহাসে এটিকে অনেক ডাকনামে ডাকা হয়েছে। প্রথমটি ছিল লস মেরেঙ্গুয়েস, মেরিঙ্গু নামে একটি সাদা খাবার থেকে যেটির নামকরণ করা হয়েছে। পরে আসে লস ব্লাঙ্কোস। দুটি নামই ক্লাবের পুরো সাদা পোশাকের প্রতিনিধিত্ব করে। ১৯৭০ দশকে এটির ডাকনাম লস ভাইকিংস জনপ্রিয়তা পায়, কারণ কিছু উত্তর ইউরোপের কিছু খেলোয়াড়কে দলভুক্ত করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে দলটি লস গ্যালাক্টিকোস বা মহাতারকা নামে পরিচিত কেননা বিশ্বের অনেক দামী তারকা এখানে খেলেছেন। যেমন :আলফ্রেদো দি স্তিফানো, পুশকাস, জেসে সান্তামারিয়া, মাইকেল ওয়েন, রাউল গোনসালেস, রোনালদো লিমা , ডেভিড বেকহাম, জিনেদিন জিদান, লুইস ফিগো, রোবের্তো কার্লোস, গুতি হার্নান্দেজ, ফাবিও কান্নাভারো, ফার্নান্দো হিয়েরো, কাকা, মেসুত ওজিল, ইকার ক্যাসিয়াস সহ আরও অনেকে। এছাড়াও ভিসেন্তে দেল বস্ক, জোসে মরিনহো, ম্যানুয়েল পেল্লেগ্রেনি, কার্লো আনচেলত্তি সহ অনেক কিংবদন্তি কোচ রিয়াল মাদ্রিদের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।

রিয়াল মাদ্রিদ এর গঠন[সম্পাদনা]

১৯০৫ সালে রিয়াল মাদ্রিদ

রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব ডি ফুটবল স্পেনের পুরাতন ক্লাব গুলোর মধ্যে একটি। এর পুর্বে ক্লাবের নাম ছিল "নিউ ফুটবল ক্লাব ডি মাদ্রিদ" এবং একই শহরের আরেক ক্লাবের নাম ছিল "ক্লাব ইস্পানিয়ল ডি মাদ্রিদ"। "রিয়াল মাদ্রিদ" মূল ক্লাব টি গঠন হয় ৬ মার্চ ১৯০২ সালে। তখন এই ক্লাবের প্রধান ছিল জুয়ান পাদ্রস। এই ক্লাব টি এথলিটিক বিলবাওকে হারিয়ে প্রথম কাপ টি জিতে। আর কাপ টি ছিল কোপা ডেল রে বা স্পানিশ কাপ। এই ক্লাব টি লা লিগার সবচেয়ে বেশী ৩২টি শিরোপা জিতে এবং ইউরোপিয়ান লিগেও রেকর্ড সংখ্যক ১১ বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। কোপা ডেল রে ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যাবধানে রিয়াল মাদ্রিদ তাদের চির প্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা কে ১১-১ গোলে হারায়। খেলা টি হয় ১৩ই জুন,১৯৪৩ সালে ।

কিটস ও ক্রেস্টস[সম্পাদনা]

কিটস[সম্পাদনা]

১৯০২-১৯১১
১৯১১-১৯২৫
১৯২৫-১৯২৬
১৯২৬-১৯৩১
১৯৩১-১৯৫৪
১৯৫৪-১৯৫৫
১৯৫৫–বর্তমান

রিয়াল মাদ্রিদ এই পর্যন্ত মাত্র এক মৌসুম বাদে সব মৌসুমেই তাদের ঐতিহ্যবাহী সাদা জার্সি হোম কিট হিসেবে পড়ে আসছে।সবসময়েই তাদের এওয়ে জার্সি নীল বা বেগুনী বর্ণের ছিলো।১৯৪৭ সালে তারা প্রথম স্প্যানীয় ক্লাব হয় যারা নম্বর সম্পন্ন জার্সি পরিধান করে।[৯]

ক্রেস্টস[সম্পাদনা]

জার্সি স্পন্সর[সম্পাদনা]

রিয়াল মাদ্রিদের বর্তমানে উৎপাদক সহায়ক ও জার্সি স্পন্সর যাথাক্রমে এডিডাস ও ফ্লাই এমিরেটস।

সময় উৎপাদন সহায়ক শার্ট পার্টনার
১৯৮০-১৯৮২ অ্যাডিডাস প্রযোজ্য নয়
১৯৮২-১৯৮৫ জানুসি
১৯৮৫-১৯৮৯ হামেল পারমালেট
১৯৮৯–১৯৯১ রেনি পিকট
১৯৯১–১৯৯২ ওতায়সা
১৯৯২–১৯৯৪ টেকা
১৯৯৪–১৯৯৮ কেলমে
১৯৯৮–২০০১ অ্যাডিডাস
২০০১–২০০২ প্রযোজ্য নয়
২০০২–২০০৫ সিমেন্স মোবাইল
২০০৫–২০০৬ সিমেন্স
২০০৬–২০০৭ বেনকিউ-সিমেন্স
২০০৭–২০১৩ বিউইন
২০১৩– এমিরেট্‌স

  • ^১ : ক্লাবটির নতুন ওয়েবসাইটকে উন্নীত করার জন্য Realmadrid.com-কে শার্ট স্পন্সর হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

মাঠ[সম্পাদনা]

সান্তিয়াগো বার্নাব্যু
Estadio Santiago Bernabéu 12.jpg
ধারণক্ষমতা ৮১,০৪৪
মাঠের আয়তন ১০৭ মি × ৭২ মি (৩৫১ ফু × ২৩৬ ফু)[১০]
নির্মাণ
কপর্দকহীন ভূমি ২৭ অক্টোবর ১৯৪৪
উন্মোচন ১৪ ডিসেম্বর ১৯৪৭
স্থপতি ম্যানুয়েল মুনোজ,লুইজ আলেমানি,আন্তোনিও লামেলা

প্রাথমিক অবস্থায় অর্থাৎ ১৯১২ সাল নাগাদ ক্যাম্পো দে ও'ডনেল রিয়াল মাদ্রিদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে প্রায় ১১ বৎসর ব্যবহার হয়ে আসছিলো,কিন্তু এরপরে ক্লাবটি ১ বৎসরের জন্য ক্যাম্পো দে সিউদাদ লিনিয়াল নামক স্টেডিয়ামে চলে আসে যার ধারণ ক্ষমতা ছিল মাত্র ৮০০০ ফলে ক্লাবটি পরে আবার এস্তাদিও কামার্টিন নামক স্টেডিয়ামে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে হোম ম্যাচ গুলো আয়োজন করে আসছিলো। স্টেডিয়ামটির ধারণ ক্ষমতা ছিল ২২৫০০ জন।উল্লেখ্য ক্লাবটি এই স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম স্প্যানিশ লীগ জিতেছিল। পরে ১৯৪৩ সালে ক্লাবটির চেয়ারম্যান নির্ধারণ করেন যে Estadio Chamartín ক্লাবটির হোম ম্যাচ গুলো আয়োজনের জন্য পর্যাপ্ত নয় যার ফলে ১৯৪৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর ক্লাবটি একটি নতুন মাঠের নির্মাণ কাজ শুরু করে যা ১৯৫৫ সাল থেকে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু নামে পরিচিত হয়।ক্লাবটি এই স্টেডিয়ামে পর্তুগিজ ক্লাব বেলেনেন্সেস এর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলে এবং ৩-১ এ জেতে।

১৯৫৩ সালে স্টেডিয়ামটির ধারণ ক্ষমতা ১,২০,০০০তে উন্নীত করা হয় ।এ সময় ক্লাবটি উয়েফা এর যথেষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় কিছুটা প্রতিরোধ করে।২০১১ সাল নাগাদ স্টেডিয়ামটির ধারণ ক্ষমতা কমিয়ে ৮৫,৪৫৪ জন করা হয় এবং একটি সঙ্কোচনীয় ছাদ যোগ করার একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয় । বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, এফসি বার্সেলোনা ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পরে রিয়াল মাদ্রিদই ইউরোপীয় ফুটবল ক্লাব যার গড় ধারণ ক্ষমতা চতুর্থ সর্বোচ্চ।[১১][১২][১৩]

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ১৯৬৪ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল, ১৯৮২ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল, ১৯৫৭, ১৯৬৯ এবং ১৯৮০ ইউরোপিয়ান কাপ ফাইনাল এবং ২০১০ চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।[১৪]স্টেডিয়ামটির ১০ম লাইন বরাবর নিজস্ব মাদ্রিদ মেট্রো স্টেশন আছে যা দর্শকদের বারতি সুবিধা যোগাচ্ছে।২০০৭ সালের ১৪ নভেম্বর স্টেডিয়ামটি উয়েফা কর্তৃক এলিট ফুটবল স্টেডিয়াম হিসেবে স্বীকৃতি পায়।[১৫]

২০০৬ সালের ৯ মে থেকে Ciudad Real Madrid এর একটি অংশ আলফেড্র ডি স্টিফানো স্টেডিয়ামটি রিয়াল মাদ্রিদের যুবদল রিয়াল মাদ্রিদ কাস্তিয়া এর জন্য ব্যবহার হয়ে আসছে যার ধারণ ক্ষমতা ৫০০০।এর নামকরণ করা হয় রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক খেলোয়াড় ডি স্টিফানো এর নামানুসারে।[১৬]

রেকর্ড[সম্পাদনা]

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় রাউল গোনসালেস

রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাব বিংশ শতাব্দীর সফলতম ক্লাব। যুগে যুগে অনেক মহাতারকা এখানে খেলেছেন। তবে রিয়াল মাদ্রিদের যুব প্রকল্প থেকে উঠে আসা খেলোয়াড় রাউল গোনসালেস আর সকলকে ছাড়িয়ে গেছেন। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে তিনি সর্বোচ্চ ৭৪১ টি ম্যাচ খেলেন এবং ২য় সর্বোচ্চ ৩২৩ টি গোল করেন।গোলকিপার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ ৭২৫ খেলার রেকর্ডও রিয়াল মাদ্রিদের যুব প্রকল্প লা ফ্যাব্রিকার খেলোয়াড় ইকার ক্যাসিয়াস

লা লিগার এক আসরের সবগুলো দলের সাথে গোল করা প্রথম খেলোয়াড় ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর।লা লিগায় তার গোল সর্বোচ্চ ৩১১ ও ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় ১০৫ গোল।[১৭]মাদ্রিদের হয়ে সবচেয়ে দ্রুত গোল(১২ সেকেন্ড) করার রেকর্ড ব্রাজিলীয় রোনালদোর।২০০৩ সালে গোলটি করেছিলেন আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে[১৮] সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর অফিসিয়াল ধারণক্ষমতা ৮১,০৪৪ হলে ২০০৬ কোপা দেল রের একটি ম্যাচে দর্শক সংখ্যা হয় ৮৩,৩২৯ জন।

২০০৯ সালে £৯৪ মিলিওন দিয়ে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে কেন যা তৎকালীন সর্বোচ্চ দাম ছিলো।[১৯]২০১৩ সালে আবার গ্যারেথ বেলকে তৎকালীন সর্বোচ্চ ট্রান্সফার ফি €১০০,৭৫৯,৪১৮ দিয়ে কেনে।[২০]আর ক্লাবটির সবচেয়ে দামে বিক্রি করা প্লেয়ার ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।যাকে ২০১৮ মৌসুমের শুরুতে জুভেন্টাসে £১০০ মিলিওন দিয়ে বিক্রি করা হয়।[২১]

দল হিসেবে অনুষ্ঠিত আসর গুলোর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ রেকর্ড ১৩ বার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ (ইউরোপের ক্লাব পর্যায়ের শীর্ষ দলগুলোকে নিয়ে অনুষ্ঠিত একটি ফুটবল প্রতিযোগিতা) শিরোপা জিতেছে।ক্লাবটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগে সবচেয়ে বেশি সেমিফাইনাল(২৮টি) এছাড়া ও স্প্যানিশ লা লিগা জিতেছে রেকর্ডসংখ্যক ৩৩ বার।ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো চ্যাম্পিয়নস লীগে সবচেয়ে বেশি গোলদাতা।একটানা সবচেয়ে বেশি লীগ(৫বার) এবং জেতা স্প্যানীয় ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ।[২২]লা লিগায় ঘরের মাঠে একটানা সবচেয়ে বেশি ১২১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডটির অধিকারী ক্লাব এটি।[২৩]একটানা সবচেয়ে বেশি ৭৩ ম্যাচে গোল করার রেকর্ড আছে এই ক্লাবের।[২৪]

সমর্থন[সম্পাদনা]

ঘরের মাঠের খেলাগুলোতে বার্নাব্যুয়ের ৬৫,০০০ আসন মৌসুমি টিকেট অধিকারীরা পায়।[২৫]যা মোট আসনের ৭০ ভাগেরও বেশি।এই অধিকার পাওয়ার জন্য প্রথমে সোশিও বা ক্লাব মেম্বার হতে হবে।ক্লাব মেম্বার ছাড়াও স্পেন ও পুরো পৃথিবীতে ক্লাবটির ১৮০০ এর অধিক পেনাস(ক্লাবের সাথে সংযুক্ত সমর্থক গোষ্ঠী)।ক্লাবটি বৈশ্বিকভাবে সবচেয়ে বেশি সমর্থিত দলের মধ্যে একটি।রিয়াল মাদ্রিদ ফেসবুকে ১০০ মিলিয়ন লাইক পাওয়া প্রথম ফুটবল ক্লাব।[২৬]

"সেমিফাইনালে আমাদের প্রতি মানুষের ভালোবাসা দেখেছি,মনে হচ্ছিল আমরা ঘরেই খেলছি।এটাই এই দলের মহত্ত্ব বর্ণনা করে।মাদ্রিদ ইশ্বরের দল এবং বিশ্বের সেরা ক্লাব।"

সার্জিও রামোস ২০১৪ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে রিয়াল মাদ্রিদকে ইশ্বরের দল হিসেবে উল্লেখ করে।

ক্লাবের আল্ট্রাসার সমর্থক গোষ্ঠী আছে।যারা ডানপন্থী রাজনীতির সাথে সরাসরিভাবেযুক্ত। বিপক্ষ দলের প্লেয়ারদের জাতিগতভাবে লাঞ্চিত করার কারণে উয়েফা কর্তৃক কয়েকবার তদন্ত হয়।যার ফলে ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ ও মাদ্রিদ কতৃপক্ষ মাঠে প্রবেশে আল্ট্রাসারদের নিষেধাজ্ঞার মতো বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেয়।[২৭]এর ফলে মাঠের প্রাণবন্ত অবস্থা কিছুটা মলিন হয়ে যায়।তারপর থেকে প্রায় সময় আল্ট্রাসাররা বার্নাব্যুয়ের বাইরে এর প্রতিবাদ করে থাকে।[২৮]

জনপ্রিয় সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

ইংরেজ পরিচালক ড্যানি ক্যানন দ্বারা পরিচালিত গোল নামের চলচিত্র সিরিজের ২য় কিস্তি গোল! ২: লিভিং দ্য ড্রিম...-এ (২০০৭) রিয়াল মাদ্রিদ প্রধান চরিত্রে উপস্থিত হয়েছিল। এই চলচ্চিত্রে নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের সাবেক খেলোয়াড় সান্তিয়াগো মুনিয়োজকে প্রদর্শন করা হয়েছে, কারণ তিনি প্রথমত রিয়াল মাদ্রিদ দ্বারা প্রশিক্ষিত হয়েছিলেন এবং ২০০৫–০৬ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদ তাকে স্বাক্ষর করে। এই চলচ্চিত্রের পরিচালক রিয়াল মাদ্রিদে যোগদানের পর মুনিয়োজের জীবনে যেসকল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে তা জোর দিয়ে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। এই চলচ্চিত্রের নির্মাণ উয়েফার পূর্ণ সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়, যেখানে উয়েফা প্রকৃত খেলোয়াড়দের এই চলচ্চিত্রের বিশেষ চরিত্রে অভিনয়ের অনুমোদন দেয়। রিয়াল মাদ্রিদের যেসকল খেলোয়াড় উক্ত চলচ্চিত্রে উপস্থিত হয়েছিলেন তারা হলেন: ইকার ক্যাসিয়াস, জিনেদিন জিদান, ডেভিড বেকহ্যাম, রোনালদো, রোবের্তো কার্লোস, রাউল গোনসালেস, সার্জিও রামোস, রবিনিয়ো, মাইকেল ওয়েন, মিচেল সালগাদো, হুলিও বাপতিস্তা, স্টিভ ম্যাকম্যানাম্যান এবং ইবান এল্গুয়েরা। রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় ছাড়াও অন্য যেসকল খেলোয়াড় উক্ত চলচ্চিত্রে উপস্থিত হয়েছিলেন তারা হলেন: রোনালদিনহো, থিয়েরি অঁরি, লিওনেল মেসি, স্যামুয়েল ইতো, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, পাবলো আইমার, ফ্রেড্রিক লুক্সুমবার্গ, সেস্‌ ফাব্রিগাস এবং সান্তিয়াগো কানিয়িসারেস। উক্ত চলচ্চিত্রে, মুনিয়োজের স্বাক্ষরের পর ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ এবং আলফ্রেদো দি স্তিফানো দুইজন কল্পিত খেলোয়াড় হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন।[২৯]

রিয়াল, দ্য মুভি হলো ২০০৫ সালের একটি আংশিক বৈশিষ্ট্যমূলক, আংশিক তথ্যমূলক চলচ্চিত্র যেটি রিয়াল মাদ্রিদের জন্য বিশ্বব্যাপী দর্শকের আবেগ প্রদর্শন করেছে। এই চলচ্চিত্রটির প্রযোজনা করেছে রিয়াল মাদ্রিদ এবং পরিচালনা করেছে স্পেনীয় পরিচালক বোরহা মানসো। এই চলচ্চিত্রে বিশ্ব জুড়ে ৫টি ভক্তের খন্ডগল্প এবং ক্লাবের জন্য তাদের ভালোবাসা উপস্থাপন করা হয়েছে। এই চলচ্চিত্রে কাল্পনিক অংশের সাথে রিয়াল মাদ্রিদ দলের সিউদাদ রিয়াল মাদ্রিদে অনুশীলন, খেলা এবং সাক্ষাৎকারের বাস্তব ভিডিও-ও পরিবেশন করা হয়েছে। যদিও এই চলচ্চিত্রটি সম্পূর্ণ দলকে উল্লেখ করেছে, কিন্তু ডেভিড বেকহ্যাম, জিনেদিন জিদান, রাউল গোনসালেস, লুইশ ফিগো, রোনালদো, ইকার ক্যাসিয়াস এবং রোবের্তো কার্লোসের মতো গ্যালাক্তিকোদের ওপরই অধিক গুরুত্বারোপ করেছে। এই চলচ্চিত্রটি মূলত স্পেনীয় ভাষায় নির্মিত হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী ভক্তদের জন্য বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশ করা হয়েছে।

২০০২ সালে, রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসের ওপর ফিল বল রচিত ওয়াইট স্টর্ম: ১০০ ইয়ার্স অফ রিয়াল মাদ্রিদ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়। বইটি সর্বপ্রথম ইংরেজি ভাষায় রচিত হলেও পরবর্তীতে বেশ কয়েকটি ভাষায় অনুবাদ করা হয়। এই বইয়ে রিয়াল মাদ্রিদের প্রথম শতবার্ষিকতে ঘটিত সবচেয়ে সফল মুহূর্তগুলো উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১১ সালে শেষার্ধে, রিয়াল মাদ্রিদ লেজেন্ডস শীর্ষক একটি ডিজিটাল সঙ্গীত অ্যালবাম প্রকাশ করে এবং "ইমনো দেল রিয়াল মাদ্রিদ" নামে ক্লাবের সঙ্গীতের একটি আধুনিক সংস্করণ প্রকাশ করে, যেটি অ্যালবামটির প্রথম গান হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছিল।[৩০]

রিয়াল মাদ্রিদ টিভি[সম্পাদনা]

রিয়াল মাদ্রিদ টিভি হচ্ছে একটি এনক্রিপ্ট করা ডিজিটাল টেলিভিশন চ্যানেল, যেটি রিয়াল মাদ্রিদ এবং ক্লাবের বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত হয়। এই চ্যানেলটি স্পেনীয় এবং ইংরেজি উভয় ভাষায় সহজলভ্য রয়েছে। এই চ্যানেলটির সদর দপ্তর রিয়াল মাদ্রিদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ভালদেবেবাসের (মাদ্রিদ) সিউদাদ রিয়াল মাদ্রিদে অবস্থিত।

অর্জনসমূহ[সম্পাদনা]

রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাবের অর্জনসমূহ
ধরন প্রতিযোগিতা শিরোপা মৌসুম(সমূহ)
ঘরোয়া লা লিগা[৩১] ৩৩ ১৯৩১–৩২, ১৯৩২–৩৩, ১৯৫৩–৫৪, ১৯৫৪–৫৫, ১৯৫৬–৫৭, ১৯৫৭–৫৮, ১৯৬০–৬১, ১৯৬১–৬২, ১৯৬২–৬৩, ১৯৬৩–৬৪, ১৯৬৪–৬৫, ১৯৬৬–৬৭, ১৯৬৭–৬৮, ১৯৬৮–৬৯, ১৯৭১–৭২, ১৯৭৪–৭৫, ১৯৭৫–৭৬, ১৯৭৭–৭৮, ১৯৭৮–৭৯, ১৯৭৯–৮০, ১৯৮৫–৮৬, ১৯৮৬–৮৭, ১৯৮৭–৮৮, ১৯৮৮–৮৯, ১৯৮৯–৯০, ১৯৯৪–৯৫, ১৯৯৬–৯৭, ২০০০–০১, ২০০২–০৩, ২০০৬–০৭, ২০০৭–০৮, ২০১১–১২, ২০১৬–১৭
কোপা দেল রে[৩১][৩২] ১৯ ১৯০৫, ১৯০৬, ১৯০৭, ১৯০৮, ১৯১৭, ১৯৩৪, ১৯৩৬, ১৯৪৬, ১৯৪৭, ১৯৬১–৬২, ১৯৬৯–৭০, ১৯৭৩–৭৪, ১৯৭৪–৭৫, ১৯৭৯–৮০, ১৯৮১–৮২, ১৯৮৮–৮৯, ১৯৯২–৯৩, ২০১০–১১, ২০১৩–১৪
স্পেনীয় সুপার কাপ[৩১][৩৩] ১০ ১৯৮৮, ১৯৮৯, ১৯৯০, ১৯৯৩, ১৯৯৭, ২০০১, ২০০৩, ২০০৮, ২০১২, ২০১৭
কোপা এভা দুয়ার্তে ১৯৪৭
কোপা দে লা লিগা[৩১] ১৯৮৫
মহাদেশীয় উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ[৩১] ১৩ ১৯৫৫–৫৬, ১৯৫৬–৫৭, ১৯৫৭–৫৮, ১৯৫৮–৫৯, ১৯৫৯–৬০, ১৯৬৫–৬৬, ১৯৯৭–৯৮, ১৯৯৯–২০০০, ২০০১–০২, ২০১৩–১৪, ২০১৫–১৬, ২০১৬–১৭, ২০১৭–১৮
উয়েফা ইউরোপা লীগ[৩১][৩৪] ১৯৮৪–৮৫, ১৯৮৫–৮৬
উয়েফা সুপার কাপ[৩১] ২০০২, ২০১৪, ২০১৬, ২০১৭
বিশ্বব্যাপী আন্তর্মহাদেশীয় কাপ[৩১][৩৫] ১৯৬০, ১৯৯৮, ২০০২
ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ[৩১] ২০১৪, ২০১৬, ২০১৭
  •       সর্বাধিক
  • যুগ্ম সর্বাধিক

খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

স্পেনীয় দলে ইইউ-এর নাগরিকত্ব ছাড়া সর্বোচ্চ ৩টি খেলোয়াড় দলে রাখার নিয়ম রয়েছে। নিম্নে উল্লিখিত দলের তালিকায় প্রত্যেক খেলোয়াড়ের প্রধান জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে; এই দলে থাকা বেশ কয়েকজন অ-ইউরোপীয় খেলোয়াড় দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী, যার মধ্যে একটি ইউরোপীয় নাগরিকত্ব বিদ্যমান। সেই সাথে, আফ্রিকার এসিপি প্রদেশসমূহ, ক্যারিবীয় বাসিন্দা যারা কুতুনু চুক্তির অন্তর্ভুক্ত, তারা কোপ্লাক নিয়ম অনুসারে অ-ইউরোপীয় খেলোয়াড় হিসেবে গণ্য হয় না।

বর্তমান স্কোয়াড[সম্পাদনা]

২৭ আগস্ট ২০১৮ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত।[৩৬]
রিয়াল মাদ্রিদের অধিনায়ক সার্জিও রামোস

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতার নিয়ম অধীন নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
কোস্টা রিকা গো কেইলর নাভাস
স্পেন দানি কারভাহাল
স্পেন হেসুস ভায়েহো
স্পেন সার্জিও রামোস (অধিনায়ক)[৩৬]
ফ্রান্স রাফায়েল ভারান (৪র্থ অধিনায়ক)[৩৬]
স্পেন নাচো
জার্মানি টনি ক্রুস
ফ্রান্স করিম বেনজেমা (৩য় অধিনায়ক)[৩৬]
১০ ক্রোয়েশিয়া লুকা মদ্রিচ
১১ ওয়েল্‌স্‌ গ্যারেথ বেল
১২ ব্রাজিল মার্সেলো (সহ-অধিনায়ক)[৩৬]
১৩ স্পেন গো কিকো কাসিয়া
নং অবস্থান খেলোয়াড়
১৪ ব্রাজিল কাজিমিরো
১৭ স্পেন লুকাস ভাসকেজ
১৮ স্পেন মার্কোজ ইয়োরেন্তে
১৯ স্পেন আলভারো অদ্রিওজোলা
২০ স্পেন মার্কো অ্যাসেন্সিও
২১ স্পেন বোরহা মায়োরাল
২২ স্পেন ইস্কো
২৪ স্পেন দানি সেবায়োস
২৫ বেলজিয়াম গো থিবো কোর্তোয়া
২৭ উরুগুয়ে ফেদেরিকো ভালভের্দে
২৮ ব্রাজিল ভিনিসিউস জুনিওর
স্পেন সার্হিও রেগুইলন

চুক্তিবদ্ধ অন্যান্য খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতার নিয়ম অধীন নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
পর্তুগাল ফাবিও কোয়েন্ত্রেও

অন্য দলে ধারে[সম্পাদনা]

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতার নিয়ম অধীন নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
ইউক্রেন গো আন্দ্রি লুনিন (লেগানেসে ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
ব্রাজিল আবনের (করিচিবায় ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত)
মরক্কো আকরাফ হাকিমি (বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত)
স্পেন আলভারো তেহেরো (আলবাসেতে ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র লুইসমি কেজাদা (কর্দোবায় ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
ফ্রান্স থিও হার্নান্দেজ (রিয়াল সোসিয়েদাদে ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
স্পেন আলেইক্স ফেবাস (আলবাসেতে ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
স্পেন এচু (রায়ো মাহাদায়োন্দায় ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
কলম্বিয়া হামেস রদ্রিগেজ (বায়ার্ন মিউনিখে ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
নং অবস্থান খেলোয়াড়
ব্রাজিল লুকাস সিলভা (ক্রুজেইরোয় ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
নরওয়ে মার্টিন ওদেগার (ভিতেসে-এ ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
ক্রোয়েশিয়া মাতেও কোভাচিচ (চেলসিতে ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
স্পেন অস্কার রদ্রিগেজ (লেগানেসে ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
চীন লিন লিয়াংমিং (ইউডি আলমেরিয়া বি-এ ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
নেদারল্যান্ডস মিঙ্ক পিটার্স (লেইদায় ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
স্পেন রাউল দে তোমাস (ভায়েকানোয় ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
প্যারাগুয়ে সার্জিও দিয়াজ (করিন্থিয়ান্সে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত)

কর্মিবৃন্দ[সম্পাদনা]

বর্তমান প্রযুক্তিগত কর্মী[সম্পাদনা]

সাবেক খেলোয়াড় এবং বর্তমান ম্যানেজার হুলেন লোপেতেগি
অবস্থান কর্মী
প্রধান কোচ হুলেন লোপেতেগি
সহকারী কোচ আলবার্ত সেলাদেস
পাবলো সানস
অস্কার কারো
গোলরক্ষক কোচ হুয়ান কানালেস
ফিটনেস কোচ হোসে কোন্দে
আন্তোনিও পিন্তুস
ম্যাচ ভেষজবিজ্ঞানী হাভিয়ের মায়ো
  • সর্বশেষ হালনাগাদ: ৪ আগস্ট ২০১৮
  • উৎস:[৩৭]

ম্যানেজমেন্ট[সম্পাদনা]

স্প্যানিশ ব্যবসায়ী ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ হলেন রিয়াল মাদ্রিদের বর্তমান প্রেসিডেন্ট
অবস্থান কর্মী
সভাপতি স্পেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ
১ম সহকারী সভাপতি স্পেন ফার্নান্দো ফার্নান্দেজ তাপিয়াস
২য় সহকারী সভাপতি স্পেন এডুয়ার্ডো ফার্নান্দেজ ডি ব্লাস
বোর্ড সচিব স্পেন এনরিক সানচেজ গঞ্জালেজ
মহাপরিচালক স্পেন হোসে আনজেল সানচেজ
সভাপতির কার্যালয়ের পরিচালক স্পেন ম্যানুয়েল রেদন্দো
সামাজিক অঞ্চলের পরিচালক স্পেন হোসে লুইস সানচেজ

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Real Madrid Club de Fútbol" (Spanish ভাষায়)। Liga de Fútbol Profesional। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ 
  2. "Los vikingos arrasan Europa"। Ligadecampeones.com। ২৩ নভেম্বর ১৯৬০। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  3. Luís Miguel González। "Pre-history and first official title (1900–1910)"। Realmadrid.com। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০০৮ 
  4. "El Bernabéu estrena 900 localidades más"। as.com। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০১১ 
  5. "BBC Sport — Carlo Ancelotti named Real Madrid boss, Laurent Blanc joins PSG"। Bbc.co.uk। ২০১৩-০৬-২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৯-২৫ 
  6. "www.fifa.com/en/history/history/0,1283,4,00.html"। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৫-১৩ 
  7. https://www2.deloitte.com/uk/en/pages/sports-business-group/articles/deloitte-football-money-league.html
  8. http://kassiesa.home.xs4all.nl/bert/uefa/data/method4/trank2015.html
  9. http://www.realmadrid.com/en/about-real-madrid/history/football/1941-1950-beginning-of-president-santiago-bernabeu
  10. "Estadio Santiago Bernabéu"। stadiumguide.com। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  11. http://soccernet.espn.go.com/stats/attendance/_/league/ger.1/year/2010/german-bundesliga?cc=5901
  12. http://soccernet.espn.go.com/stats/attendance/_/league/ESP.1/year/2010/spanish-primera-division?cc=5901
  13. http://soccernet.espn.go.com/stats/attendance/_/league/eng.1/year/2010/barclays-premier-league?cc=5901
  14. http://www.uefa.com/uefa/aboutuefa/organisation/executivecommittee/news/newsid=676743.html
  15. https://en.m.wikipedia.org/wiki/Real_Madrid_C.F.#cite_note-130
  16. https://en.m.wikipedia.org/wiki/Real_Madrid_C.F.#cite_note-131
  17. http://www.skysports.com/football/news/11835/10012556/ronaldos-501-goals-the-numbers-behind-his-amazing-scoring-record
  18. http://edition.cnn.com/2003/SPORT/football/12/03/spain.real/
  19. http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/8085391.stm
  20. https://www.telegraph.co.uk/sport/football/players/gareth-bale/12111960/Revealed-How-Real-Madrid-claimed-Gareth-Bale-transfer-was-not-a-world-record-to-keep-Cristiano-Ronaldo-happy.html
  21. http://www.juventus.com/en/news/news/2018/cristiano-ronaldo-signs-for-juventus.php
  22. http://www.lfp.es/liga-bbva/real-madrid
  23. http://www.rsssf.com/miscellaneous/unbeaten.html#home
  24. http://www.marca.com/en/football/real-madrid/2017/09/17/59becb21268e3e55348b4592.html
  25. https://www.bbc.co.uk/sport/football/29697426
  26. http://www.prnewswire.com/news-releases/real-madrid-cf-reaches-the-100-million-likes-mark-on-facebook-300433058.html
  27. https://www.theguardian.com/world/2013/dec/09/real-madrid-ultras-sur-fans
  28. http://www.football-espana.net/39258/ultras-sur-protest-outside-bernabeu
  29. "গোল! ২: লিভিং দ্য ড্রিম... (২০০৭)"ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ 
  30. "রিয়াল মাদ্রিদ "লেজেন্ডস" শীর্ষক সঙ্গীত অ্যালবাম প্রকাশ করেছে"রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১১। ৫ নভেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  31. "ফুটবল অর্জনসমূহ"রিয়ালমাদ্রিদ.কমমাদ্রিদ, স্পেন: রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব দে ফুটবল। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১৭ 
  32. "কোপা দেল রে – ইতিহাস"মার্কা.কম (স্পেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১৭ 
  33. গোসে কার্নিসেরো; রাউল তোরে; কার্লোস লোজানো ফেরার (২৫ আগস্ট ২০১৬)। "স্পেন – সুপার কাপ ফাইনালের তালিকা"। রেক.স্পোর্ট.সকার স্ট্যাটিসটিকস ফাউন্ডেশন (আরএসএসএসএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১৭ 
  34. "মেলা কাপ থেকে উয়েফা কাপ হয়ে উয়েফা ইউরোপা লীগ"উয়েফা.কমইউনিয়ন অব ইউরোপীয়ান ফুটবল এসোসিয়েশন (উয়েফা)। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১৭উয়েফা ইউরোপা লীগ উয়েফা কাপ হতে প্রসূত হয়েছে, যেটি সুইজারল্যান্ডের আর্নস্ট থমেন ইতালির ওত্তারিনো বারাসি এবং ইংল্যান্ডের স্যার স্ট্যানলি রুসের সাথে ধারণা করেছিলেন। 
  35. লরিস মাগরানি; কারেল স্টকারমান্স (৩০ এপ্রিল ২০০৫)। "আন্তর্মহাদেশীয় ক্লাব কাপ"। রেক.স্পোর্ট.সকার স্ট্যাটিসটিকস ফাউন্ডেশন (আরএসএসএসএফ)। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০১০ 
  36. "রিয়াল মাদ্রিদ খেলোয়াড় টেমপ্লেট" (স্পেনীয় ভাষায়)। রিয়াল মাদ্রিদ। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১৭ 
  37. "রিয়াল মাদ্রিদ স্কোয়াড"রিয়াল মাদ্রিদ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৭ 

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

  • তামাস দেনেস এবং জলতান রকি (২০০২)। রিয়াল মাদ্রিদ। এরিনা ২০০০। আইএসবিএন 963-86167-5-X 
  • ফিল বল (২০০৩)। মরবো: দ্য স্টোরি অফ স্প্যানিশ ফুটবল (নতুন সংস্করণ)। ডাব্লিউএসসি বুকস লিমিটেড। আইএসবিএন 0-9540134-6-8 
  • ফিল বল (২০০৩)। ওয়াইট স্টোর্ম: দ্য স্টোরি অফ রিয়াল মাদ্রিদ। মেনস্ট্রিম। আইএসবিএন 1-84018-763-8 
  • স্টিভ ম্যাকমানামান এবং সারাজ অ্যাডওয়ার্থি (২০০৩)। এল মাক্কা: ফোর ইয়ার্স উইথ রিয়াল মাদ্রিদ। সিমন অ্যান্ড স্কুস্টার। আইএসবিএন 0-7434-8920-9 
  • লুইস মিগেল গনজালেজ, লুইস গনজালেজ লোপেজ এবং ফুন্দাসিওন রিয়াল মাদ্রিদ (২০০২)। রিয়াল মাদ্রিদ: সিয়েন আনিয়োস দে লেয়েন্দা, ১৯০২–২০০২। এভারেস্ট। আইএসবিএন 84-241-9215-X 
  • স্টিভেন জি. ম্যান্ডিস (২০১৬)। দ্য রিয়াল মাদ্রিদ ওয়ে: হাউ ভাল্যুস ক্রিয়েটেড দ্য মোস্ট সাকসেসফুল স্পোর্টস টিম অন দ্য প্ল্যানেটবেনবেলা বুকসআইএসবিএন 978-1942952541 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইটসমূহ