রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(রিয়াল মাদ্রিদ থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
রিয়াল মাদ্রিদ
Real Madrid CF.svg
পূর্ণ নাম রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব ডি ফুটবল[১]
ডাকনাম লস ব্ল্যাঙ্কোস (সাদা)
লস মেরেঙ্গুইস (মেরিনগুয়ে)
লস ভাইকিঙ্গস (ভাইকিং)[২]
সংক্ষিপ্ত নাম Real, RM, RMA, RMD
প্রতিষ্ঠিত ৬ মার্চ ১৯০২; ১১৫ বছর আগে (১৯০২-০৩-0৬)
(মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাব হিসেবে)[৩]
মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়াম
মাদ্রিদ, স্পেন
মাঠের ধারণক্ষমতা ৮১,০৪৪[৪]
চেয়ারম্যান স্পেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ
প্রধান কোচ ফ্রান্স জিনেদিন জিদান[৫]
লীগ লা লিগা
২০১৬-১৭ ১ম
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
বর্তমান মৌসুম

রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাব (স্পেনীয় ভাষায়: Real Madrid Club de Fútbol রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব ডি ফুটবল) একটি স্পেনীয় পেশাদার ফুটবল ক্লাব, অধিক পরিচিত রিয়াল মাদ্রিদ নামে এবং সহজ ভাষায় রিয়াল বলা হয়। এই ক্লাবটির অবস্থান স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে। এটি বিংশ শতাব্দীর সফলতম ক্লাব এবং ইউরোপের সবচেয়ে বেশি শিরোপা জেতা দল। ক্লাবের বাস্কেটবল শাখাও অনুরুপ সাফল্য লাভ করেছে। দলের পোশাকের মূল রঙ হচ্ছে সাদা টি-শার্ট ও শর্টস এবং নীল মোজা।

ক্লাবটি ফিফার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।[৬] রিয়াল মাদ্রিদের নিজস্ব মাঠ মাদ্রিদে অবস্থিত সান্তিয়াগো বার্নাব্যু । রিয়াল মাদ্রিদ ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে রেকর্ড ১১ বার এবং লা লিগা জিতেছে রেকর্ড ৩২ বার। দলটির বিশ্রামে থাকা খেলোয়াড়দের নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ ক্যাস্তিলা নামে একটি ফুটবল দল এবং রিয়াল মাদ্রিদ ব্যালনকেস্তো নামে একটি সফল বাস্কেটবল দল রয়েছে। বর্তমানে ক্লাবটি একটি রাগবি দল ও ফর্মুলা ওয়ান দল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। অন্যান্য ফুটবল দলের মত রিয়াল মাদ্রিদের মালিকানা কখনো বদল হয়নি। এটি ১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠা লগ্নের সদস্যদের দ্বারাই পরিচালিত হচ্ছে। ২০০০ সালের ডিসেম্বর ২৩ তারিখে ফিফা রিয়াল মাদ্রিদকে বিংশ শতাব্দীর জন্য শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ দল পুরস্কার দেয়। দলটি ২০১৬ সালসহ সর্বাধিক ৫বার ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ এর চ্যাম্পিয়ন।

ক্লাবের ইতিহাসে এটিকে অনেক ডাকনামে ডাকা হয়েছে। প্রথমটি ছিল লস মেরেঙ্গুয়েস, মেরিঙ্গু নামে একটি সাদা খাবার থেকে যেটির নামকরণ করা হয়েছে। পরে আসে লস ব্লাঙ্কোস। দুটি নামই ক্লাবের পুরো সাদা পোশাকের প্রতিনিধিত্ব করে। ১৯৭০ দশকে এটির ডাকনাম লস ভাইকিংস জনপ্রিয়তা পায়, কারণ কিছু উত্তর ইউরোপের কিছু খেলোয়াড়কে দলভুক্ত করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে দলটি লস গ্যালাক্টিকোস বা মহাতারকা নামে পরিচিত কেননা বিশ্বের অনেক দামী তারকা এখানে খেলেছেন। যেমন :আলফ্রেদো দি স্তিফানো, পুশকাস, জেসে সান্তামারিয়া, মাইকেল ওয়েন, রাউল গঞ্জালেস,ফারনান্দো হিয়েরো, ক্লাদিও ম্যকলেলে, রোনালদো লিমা , ডেভিড বেকহাম, জিনেদিন জিদান, লুইজ ফিগো, রোবের্তো কার্লোস, গুতি হার্নান্দেজ, ফ্যাবিও ক্যান্নাভারো, ফার্নান্দো হিয়েরো, কাকা, মেসুত ওজিল, ইকার ক্যাসিয়াস সহ আরও অনেকে। এছাড়াও দেল বস্কে, হোসো মরিনহো, ম্যানুয়েল পেল্লেগ্রেনি, কার্লো আনচেলত্তি সহ অনেক কিংবদন্তি কোচ রিয়াল মাদ্রিদের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।

রিয়াল মাদ্রিদ এর গঠন[সম্পাদনা]

১৯০৫ সালে রিয়াল মাদ্রিদ

রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব ডি ফুটবল স্পেনের পুরাতন ক্লাব গুলোর মধ্যে একটি। এর পুর্বে ক্লাবের নাম ছিল "নিউ ফুটবল ক্লাব ডি মাদ্রিদ" এবং একই শহরের আরেক ক্লাবের নাম ছিল "ক্লাব ইস্পানিয়ল ডি মাদ্রিদ"। "রিয়াল মাদ্রিদ" মূল ক্লাব টি গঠন হয় ৬ মার্চ ১৯০২ সালে। তখন এই ক্লাবের প্রধান ছিল জুয়ান পাদ্রস। এই ক্লাব টি এথলিটিক বিলবাওকে হারিয়ে প্রথম কাপ টি জিতে। আর কাপ টি ছিল কোপা ডেল রে বা স্পানিশ কাপ। এই ক্লাব টি লা লিগার সবচেয়ে বেশী ৩২টি শিরোপা জিতে এবং ইউরোপিয়ান লিগেও রেকর্ড সংখ্যক ১১ বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। কোপা ডেল রে ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যাবধানে রিয়াল মাদ্রিদ তাদের চির প্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা কে ১১-১ গোলে হারায়। খেলা টি হয় ১৩ই জুন,১৯৪৩ সালে ।

জার্সি স্পন্সর[সম্পাদনা]

সময় উৎপাদন সহায়ক শার্ট পার্টনার
১৯৮০-১৯৮২ অ্যাডিডাস প্রযোজ্য নয়
১৯৮২-১৯৮৫ জানুসি
১৯৮৫-১৯৮৯ হামেল পারমালেট
১৯৮৯–১৯৯১ রেনি পিকট
১৯৯১–১৯৯২ ওতায়সা
১৯৯২–১৯৯৪ টেকা
১৯৯৪–১৯৯৮ কেলমে
১৯৯৮–২০০১ অ্যাডিডাস
২০০১–২০০২ প্রযোজ্য নয়
২০০২–২০০৫ সিমেন্স মোবাইল
২০০৫–২০০৬ সিমেন্স
২০০৬–২০০৭ বেনকিউ-সিমেন্স
২০০৭–২০১৩ বিউইন
২০১৩- এমিরেট্‌স
  1. ^ ক্লাবটির নতুন ওয়েবসাইটকে উন্নীত করার জন্য Realmadrid.com-কে শার্ট স্পন্সর হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

মাঠ[সম্পাদনা]

প্রাথমিক অবস্থায় অর্থাৎ ১৯১২ সাল নাগাদ Campo de O'Donnell রিয়াল মাদ্রিদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে প্রায় ১১ বৎসর ব্যবহার হয়ে আসছিলো,কিন্তু এরপরে ক্লাবটি ১ বৎসরের জন্য Campo de Ciudad Lineal নামক স্টেডিয়ামে চলে আসে যার ধারণ ক্ষমতা ছিল মাত্র ৮০০০ ফলে ক্লাবটি পরে আবার Estadio Chamartín নামক স্টেডিয়ামে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে হোম ম্যাচ গুলো আয়োজন করে আসছিলো। স্টেডিয়ামটির ধারণ ক্ষমতা ছিল ২২৫০০ জন।উল্লেখ্য ক্লাবটি এই স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম স্প্যানিশ লীগ জিতেছিল। পরে ১৯৪৩ সালে ক্লাবটির চেয়ারম্যান নির্ধারণ করেন যে Estadio Chamartín ক্লাবটির হোম ম্যাচ গুলো আয়োজনের জন্য পর্যাপ্ত নয় যার ফলে ১৯৪৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর ক্লাবটি একটি নতুন মাঠের নির্মাণ কাজ শুরু করে যা ১৯৫৫ সাল থেকে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু নামে পরিচিত হয়।ক্লাবটি এই স্টেডিয়ামে পর্তুগিজ ক্লাব Belenenses এর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলে এবং ৩-১ এ জেতে।

১৯৫৩ সালে স্টেডিয়ামটির ধারণ ক্ষমতা ১,২০,০০০তে উন্নীত করা হয় ।এ সময় ক্লাবটি UEFA এর যথেষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় কিছুটা প্রতিরোধ করে।২০১১ সাল নাগাদ স্টেডিয়ামটির ধারণ ক্ষমতা কমিয়ে ৮৫,৪৫৪ জন করা হয় এবং একটি সঙ্কোচনীয় ছাদ যোগ করার একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয় । বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, এফসি বার্সেলোনা ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পরে রিয়াল মাদ্রিদই ইউরোপীয় ফুটবল ক্লাব যার গড় ধারণ ক্ষমতা চতুর্থ সর্বোচ্চ।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ১৯৬৪ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল, ১৯৮২ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল, ১৯৫৭, ১৯৬৯ এবং ১৯৮০ ইউরোপিয়ান কাপ ফাইনাল এবং ২০১০ চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।স্টেডিয়ামটির ১০ম লাইন বরাবর নিজস্ব মাদ্রিদ মেট্রো স্টেশন আছে যা দর্শকদের বারতি সুবিধা যোগাচ্ছে।২০০৭ সালের ১৪ নভেম্বর স্টেডিয়ামটি UEFA কর্তৃক এলিট ফুটবল স্টেডিয়াম হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

২০০৬ সালের ৯ মে থেকে Ciudad Real Madrid এর একটি অংশ আলফেড্র ডি স্টিফানো স্টেডিয়ামটি রিয়াল মাদ্রিদের যুবদল রিয়াল মাদ্রিদ ক্যাস্তিলা এর জন্য ব্যবহার হয়ে আসছে যার ধারণ ক্ষমতা ৫০০০।এর নামকরণ করা হয় রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক খেলোয়াড় ডি স্টিফানো এর নামানুসারে।

রেকর্ড[সম্পাদনা]

রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাব বিংশ শতাব্দীর সফলতম ক্লাব। যুগে যুগে অনেক মহাতারকা এখানে খেলেছেন। তবে রিয়াল মাদ্রিদের যুব প্রকল্প থেকে উঠে আসা খেলোয়াড় রাউল গঞ্জালেস্ আর সকলকে ছাড়িয়ে গেছেন। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে তিনি সর্বোচ্চ ৭৪১ টি ম্যাচ খেলেন এবং ২য় সর্বোচ্চ ৩২৩ টি গোল করেন। দল হিসেবে অনুষ্ঠিত আসর গুলোর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ রেকর্ড 11 বার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ (ইউরোপের ক্লাব পর্যায়ের শীর্ষ দলগুলোকে নিয়ে অনুষ্ঠিত একটি ফুটবল প্রতিযোগিতা) শিরোপা জিতেছে।এছাড়া ও স্প্যানিশ লা লিগা জিতেছে রেকর্ডসংখ্যক ৩২ বার।

খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

বর্তমান স্কোয়াড[সম্পাদনা]

২২ জুলাই ২০১৭ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত।[৭]
রিয়াল মাদ্রিদের সর্বোচ্চ গোলদাতা ক্রিষ্টিয়ানো রোনালদো এর মুর্তি যা পর্তুগালে অবস্থিত।

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতার নিয়ম অধীন নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
কোস্টা রিকা গো কেইলর নাভাস
স্পেন দানি কারভাহাল
স্পেন জিসাস ভালেহো
স্পেন সার্জিও র‌্যামোস (অধিনায়ক)[৭][৮]
ফ্রান্স রাফায়েল ভারানে
স্পেন নাচো
পর্তুগাল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (৩য় অধিনায়ক)
জার্মানি টনি ক্রুস
ফ্রান্স করিম বেনজেমা (৪র্থ অধিনায়ক)
১০ ক্রোয়েশিয়া লুকা মদরিচ
১১ ওয়েল্‌স্‌ গ্যারেথ বেল
১২ ব্রাজিল মার্সেলো (সহ-অধিনায়ক)[৭]
নং অবস্থান খেলোয়াড়
১৩ স্পেন গো কিকো ক্যাসিয়া
১৪ ব্রাজিল ক্যাসেমিরো
১৫ ফ্রান্স থিয়ো হারনান্দেজ
১৭ স্পেন লুকাস ভাসকেস
১৮ স্পেন মার্কোস লরেন্তে
১৯ মরক্কো আশরাফ হাকিমি
২০ স্পেন মার্কো অ্যাসেন্সিও
২১ স্পেন বোরহা মায়োরেল
২২ স্পেন ইস্কো
২৩ ক্রোয়েশিয়া মাটিয়ো কোভাসিচ
২৪ স্পেন দানি সিবেলোস
৩০ ফ্রান্স গো লুকা জিদান

অন্য দলে ধারে[সম্পাদনা]

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতার নিয়ম অধীন নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
পর্তুগাল ফ্যাবিয়ো কোয়েন্ত্রাও (স্পোর্টিং সিপিতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
অস্ট্রিয়া ফিলিপ লিনহার্ট (ফ্রিবার্গে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
নরওয়ে মার্টিন অডেগার্ড (হিরেনভিনে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
কলম্বিয়া হামেস রদ্রিগেজ (বায়ার্ন মিউনিখে ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত)
ব্রাজিল লুকাস সিলভা (ক্রুজিরোতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
নং অবস্থান খেলোয়াড়
উরুগুয়ে ফেডেরিকো ভালভেরদে (ডিপোর্টিভো লা কারুনাতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
স্পেন অ্যালিক্স ফেবাস (জারাগোজাতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
স্পেন জাভি মুনোজ (লোরকাতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
প্যারাগুয়ে সার্জিও ডিয়াজ (লুগোতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)

কর্মিবৃন্দ[সম্পাদনা]

বর্তমান প্রযুক্তিগত কর্মী[সম্পাদনা]

সাবেক খেলোয়াড় জিনেদিন জিদান এই ক্লাবটির বর্তমান কোচ
অবস্থান কর্মী
প্রধান কোচ ফ্রান্স জিনেদিন জিদান
সহকারী কোচ ফ্রান্স ডেভিড বেটোনি
ফ্রান্স হামিডু এমসাইদি
গোলরক্ষক কোচ স্পেন লুইস লোপিস
ফিটনেস কোচ ইতালি অ্যান্টোনিও পিন্টাস
স্পেন হাভিয়ের মাল্লো
ম্যাচ প্রতিনিধি স্পেন চেন্ডো
  • সর্বশেষ হালনাগাদ: ১৪ জুন ২০১৭
  • উৎস:[৯]

ম্যানেজমেন্ট[সম্পাদনা]

স্প্যানিশ ব্যবসায়ী ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ হলেন ক্লাবটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট
অবস্থান কর্মী
প্রেসিডেন্ট স্পেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ
১ম সহকারী প্রেসিডেন্ট স্পেন ফার্নান্দো ফার্নান্দেজ তাপিয়াস
২য় সহকারী প্রেসিডেন্ট স্পেন এডুয়ার্ডো ফার্নান্দেজ ডি ব্লাস
৩য় সহকারী প্রেসিডেন্ট স্পেন পেদ্রো লপেজ জিমেনেজ
বোর্ড সচিব স্পেন এনরিক সানচেজ গঞ্জালেজ
মহাপরিচালক স্পেন হসে এঞ্জেল সানচেজ
প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের পরিচালক স্পেন ম্যানুয়েল রেডন্ডো
সামাজিক এলাকার পরিচালক স্পেন হসে লুইস সানচেজ

অর্জনসমূহ[সম্পাদনা]

ঘরোয়া[সম্পাদনা]

বিজয়ী (৩৩):১৯৩১-৩২, ১৯৩২-৩৩, ১৯৫৩-৫৪, ১৯৫৪-৫৫, ১৯৫৬-৫৭, ১৯৫৭-৫৮, ১৯৬০-৬১, ১৯৬১-৬২, ১৯৬২-৬৩, ১৯৬৩-৬৪, ১৯৬৪-৬৫,১৯৬৬-৬৭, ১৯৬৭-৬৮,১৯৬৮-৬৯,১৯৭১-৭২, ১৯৭৪-৭৫, ১৯৭৫-৭৬, ১৯৭৭-৭৮, ১৯৭৮-৭৯, ১৯৭৯-৮০, ১৯৮৫-৮৬, ১৯৮৬-৮৭, ১৯৮৭-৮৮, ১৯৮৮-৮৯, ১৯৮৯-৯০, ১৯৯৪-৯৫, ১৯৯৬-৯৭, ২০০০-০১, ২০০২-০৩, ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮, ২০১১-১২, ২০১৬-১৭
রানার্স আপ (২১): ১৯২৯,১৯৩৩-৩৪, ১৯৩৪-৩৫, ১৯৩৫-৩৬, ১৯৪১-৪২, ১৯৪৪-৪৫, ১৯৫৮-৫৯, ১৯৫৯-৬০, ১৯৬৫-৬৬, ১৯৮০-৮১, ১৯৮২-৮৩, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯১-৯২, ১৯৯২-৯৩, ১৯৯৮-৯৯, ২০০৪-০৫, ২০০৫-০৬, ২০০৮-০৯, ২০০৯-১০, ২০১০-১১, ২০১২-১৩, ২০১৫-২০১৬
বিজয়ী (১৯): ১৯০৫, ১৯০৬, ১৯০৭, ১৯০৮,১৯১৭,১৯৩৪, ১৯৩৬, ১৯৪৬, ১৯৪৭, ১৯৬১-৬২, ১৯৬৯-৭০, ১৯৭৩-৭৪, ১৯৭৪-৭৫, ১৯৭৯-৮০, ১৯৮১-৮২,১৯৮৮-৮৯, ১৯৯২-৯৩, ২০১০-১১, ২০১৩-১৪
রানার্স আপ (২০):১৯০৩, ১৯১৬, ১৯১৮, ১৯২৪,১৯২৯, ১৯৩০, ১৯৩৩, ১৯৪০,১৯৪৩, ১৯৫৮, ১৯৫৯-৬০, ১৯৬০-৬১, ১৯৬৭-৬৮, ১৯৭৮-৭৯, ১৯৮২-৮৩, ১৯৮৯-৯০, ১৯৯১-৯২, ২০০১-০২, ২০০৩-০৪, ২০১২-১৩
বিজয়ী (৯): ১৯৮৮, ১৯৮৯, ১৯৯০, ১৯৯৩, ১৯৯৭, ২০০১, ২০০৩, ২০০৮, ২০১২
রানার্স আপ (৫): ১৯৮২,১৯৯৫, ২০০৭, ২০১১, ২০১৪
বিজয়ী (১): ১৯৪৭
বিজয়ী (১): ১৯৮৪-৮৫
রানার্স আপ (১): ১৯৮২-৮৩

ইউরোপীয়[সম্পাদনা]

বিজয়ী (১২): ১৯৫৫-৫৬, ১৯৫৬-৫৭, ১৯৫৭-৫৮, ১৯৫৮-৫৯, ১৯৫৯-৬০, ১৯৬৫-৬৬, ১৯৯৭-৯৮, ১৯৯৯-০০, ২০০১-০২, ২০১৩-১৪, ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭
রানার্স আপ (৩): ১৯৬১-৬২, ১৯৬৩-৬৪,১৯৮০-৮১
বিজয়ী (২): ১৯৮৪-৮৫, ১৯৮৫-৮৬
রানার্স আপ (২): ১৯৭০-৭১, ১৯৮২-৮৩
বিজয়ী (৪): ২০০২, ২০১৪, ২০১৬, ২০১৭
রানার্স আপ (২): ১৯৯৮, ২০০০

আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

বিজয়ী (৩): ১৯৬০, ১৯৯৮, ২০০০
রানার্স আপ (২):১৯৬৬, ২০০০
বিজয়ী (২): ২০১৪, ২০১৬

প্রীতি টুর্নামেন্ট[সম্পাদনা]

বিজয়ী (৩): ২০১৩(ইউএসএ) ,২০১৫ (অষ্ট্রেলিয়া,চীন)
বিজয়ী (২৬): ১৯৮১,১৯৮৩,১৯৮৪,১৯৮৫,১৯৮৭,১৯৮৯,১৯৯১,১৯৯৪,১৯৯৫,১৯৯৬,১৯৯৭,১৯৯৮,১৯৯৯,২০০০,২০০৩,২০০৫,২০০৬,২০০৭,২০০৮,২০০৯,২০১০,২০১১,২০১২,২০১৩,২০১৫,২০১৬

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Real Madrid Club de Fútbol" (Spanish ভাষায়)। Liga de Fútbol Profesional। সংগৃহীত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ 
  2. "Los vikingos arrasan Europa"। Ligadecampeones.com। ২৩ নভেম্বর ১৯৬০। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  3. Luís Miguel González। "Pre-history and first official title (1900–1910)"। Realmadrid.com। সংগৃহীত ১২ জুলাই ২০০৮ 
  4. "El Bernabéu estrena 900 localidades más"। as.com। সংগৃহীত ২০ অক্টোবর ২০১১ 
  5. "BBC Sport — Carlo Ancelotti named Real Madrid boss, Laurent Blanc joins PSG"। Bbc.co.uk। ২০১৩-০৬-২৫। সংগৃহীত ২০১৩-০৯-২৫ 
  6. "www.fifa.com/en/history/history/0,1283,4,00.html"। সংগৃহীত ২০০৭-০৫-১৩ 
  7. "Plantilla de Jugadores del Real Madrid | Real Madrid CF" (Spanish ভাষায়)। Realmadrid.com। সংগৃহীত ২২ জুলাই ২০১৭ 
  8. "Captains" (Spanish ভাষায়)। Real Madrid C.F.। সংগৃহীত ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ 
  9. "Real Madrid Squad"Real Madrid। সংগৃহীত ১২ জুন ২০১৭ 
  10. https://www.fifa.com/clubworldcup/matches/round=259701/match=300298898/report.html

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

অফিসিয়াল ওয়েবসাইটসমূহ