ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
Cristiano Ronaldo - Croatia vs. Portugal, 10th June 2013.jpg
পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ২০১৩ সাল।
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দস স্যান্তোস এভেইরো
জন্ম (১৯৮৫-০২-০৫) ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ (বয়স ৩০)
জন্ম স্থান ফুঞ্চাল, মাদেইরা, পর্তুগাল
উচ্চতা ১৮৬ সেমি (৬ ফু ১ ইঞ্চি)[১]
মাঠে অবস্থান ফরোয়ার্ড
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ
জার্সি নম্বর
তারূণ্যের কর্মজীবন
১৯৯৩–১৯৯৫ এডরিনহা
১৯৯৫–১৯৯৭ ন্যাশিওনাল
১৯৯৭–২০০২ স্পোর্টিং সিপি
বলিষ্ঠ কর্মজীবন*
বছর দল উপস্থিতি (গোল)
২০০২–২০০৩ স্পোর্টিং সিপি ২৫ (৩)
২০০৩–২০০৯ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ১৯৬ (৮৪)
২০০৯– রিয়াল মাদ্রিদ ১৬৫ (১৭৭)
জাতীয় দল
২০০১–২০০২ পর্তুগাল অনূর্ধ্ব ১৭ (৬)
২০০২–২০০৩ পর্তুগাল অনূর্ধ্ব ২০ (৩)
২০০৩ পর্তুগাল অনূর্ধ্ব ২১ (১)
২০০৪ পর্তুগাল অনূর্ধ্ব ২৩ (১)
২০০৩– পর্তুগাল ১১৪ (৫০)
* পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে এবং ২১;০১, ৭ মে ২০১৪ (ইউটিসি) তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।

‡ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সংখ্যা এবং গোল ১৮;৪৫, ২৬ জুন ২০১৪ (ইউটিসি) তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো দস স্যান্তোস এভেইরো, (পর্তুগিজ উচ্চারণ: [kɾɨʃtiˈɐnu ʁuˈnaɫdu]) (জন্ম ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৫), যিনি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো নামে পরিচিত, একজন পর্তুগিজ ফুটবলার যিনি স্পেনীয় ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ এবং পর্তুগাল জাতীয় দলে একজন ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলে থাকেন। ২০০৯ সালে রিয়াল মাদ্রিদ তাঁকে £৮০ মিলিয়ন (€৯৪ মিলিয়ন/$১৩১.৬ মিলিয়ন) এর বিনিময়ে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে তাদের দলে নিয়ে আসে যার ফলে রোনালদো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড়ের সম্মান পান। রোনালদো, রিয়াল মাদ্রিদের সাথে চুক্তি অনুসারে প্রতি বছর €২১ মিলিয়ন বেতন পান (কর ব্যতীত), যার ফলে তিনি সারা বিশ্বে সর্বোচ্চ বেতনভুক্ত খেলোয়াড়।[২] তার বাইআউট ক্লসের মূল্য €১ বিলিয়ন।[৩]

রোনালদো এডরিনহার হয়ে তার যুব ক্যারিয়ার শুরু করেন এবং ন্যাশিওনালে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সেখানে তিনি ২ বছর খেলেন। ১৯৯৭ সালে রোনালদো স্প্যানিশ জায়ান্ট স্পোর্টিং সিপিতে আসেন। স্পোর্টিং সিপির হয়ে খেলার সময় রোনালদো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যানেজার স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হন, যিনি তাঁকে ২০০৩ সালে £১২.২৪ মিলিয়ন (€১৫ মিলিওন) এর বিনিময়ে ইউনাইটেডে নিয়ে আসে। ২০০৪ সালে রোনালদো ইউনাইটেডের হয়ে প্রথম ট্রফি, এফএ কাপ জেতেন।

রোনালদো ইংল্যান্ডে খেলা প্রথম খেলোয়াড় যিনি প্রধান ৪টি পিএফএ এবং এফডব্লিউএ পুরস্কার জিতেছেন, যা তিনি ২০০৭ সালে করেছেন। রোনালদো ২০০৮,২০১৩ ও ২০১৪ সালে সারা বিশ্বে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার বালোঁ দ’অর জিতেছেন। তিনিই একমাত্র পর্তুগিজ যিনি এই পুরস্কার ৩ বার জিতেছেন।[৪][৫] তিনি ২০০৭ ও ২০০৯ সালে বালোঁ দ’অর এবং ২০১১ ও ২০১২ সালে ফিফা বালোঁ দ’অর ২য় স্থান লাভ করেন। তিনি ২০০৮ ও ২০১১ সালে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু পুরস্কার লাভ করেন।২০০৮ সালে তিনি ৪টি প্রধান পিএফএ এবং এফডব্লিউএ ট্রফির মধ্যে ৩টি জেতেন এবং ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার, ফিফপ্রো প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার, ওয়ার্ল্ড সকার প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার এবং ওনজে দ’অর অ্যাওয়ার্ড জেতেন।[৬][৭][৮] ২০০৭ ও ২০০৮ সালে রোনালদোকে এফডব্লিউএ প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। রোনালদো ২০০৯ সালে সেরা গোলের জন্য প্রথম পুস্কাস অ্যাওয়ার্ড জেতেন।

রোনালদো শীর্ষ ইউরোপিয়ান লীগগুলোর মধ্যে প্রথম খেলোয়াড় যিনি পর পর দুই মৌসুমে ৪০ গোল করেছেন, রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে ১০০ লীগ গোল করেছেন এবং তিনিই প্রথম খেলোয়াড় যিনি লা লিগায় প্রত্যেক দলের বিরুদ্ধে গোল করেছেন।[৯] এছাড়াও তিনি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল ও লা লিগায় মিনিট প্রতি সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ডের অধিকারী। ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি তার ৩০০তম ক্লাব গোল পূর্ণ করেন।[১০][১১] ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি তার ক্যারিয়ারের ৪০০তম গোল করেন।[১২] রোনালদোই একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ১ থেকে ৯০ প্রত্যেক মিনিটেই গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।

রোনালদো পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলেন, যাদের হয়ে ২০০৩ সালের আগস্ট মাসে কাজাকিস্তানের বিরুদ্ধে তার অভিষেক ঘটে। তিনি জাতীয় দলের হয়ে ১০০ এর অধিক ম্যাচ খেলেছেন এবং তিনি পর্তুগালের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের অধিকারী। তিনি পর্তুগালের হয়ে প্রধান ৫টি টুর্নামেন্ট; ২০০৪ উয়েফা ইউরো, ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ, ২০০৮ উয়েফা ইউরো, ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০১২ উয়েফা ইউরোতে অংশগ্রহণ করেছেন। ২০০৪ সালের উয়েফা ইউরোর প্রথম খেলায়, গ্রিসের বিরুদ্ধে তিনি তার প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করেন। ২০০৮ সালের জুলাই মাসে পর্তুগালের অধিনায়ক হন এবং ২০১২ সালের উয়েফা ইউরোতে অধিনায়ক হিসেবে দলকে সেমি-ফাইনালে নিয়ে যান এবং প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ গোল করেন।

তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ঐতিহ্যবাহী ৭নং জার্সি পড়ে খেলতেন, যা পুর্বে জর্জ বেস্ট, এরিক ক্যান্তনা এবং ডেভিড বেকহ্যামের মত তারকারা পড়তেন। রিয়াল মাদ্রিদে প্রথম বছর তিনি ৯ নং জার্সি নিয়ে খেলেন। রিয়াল মাদ্রিদ লিজেন্ড রাউলের ক্লাব ছাড়ার পর রোনালদো ৭ নং জার্সি লাভ করেন এবং এখন পর্যন্ত সেটি পড়েই খেলছেন।

জীবনী[সম্পাদনা]

তিনি পর্তুগালের মাদেইরাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জোসে দিনিস আভেইরো ও মা মারিয়া ডোলোরেস দস সান্তোস আভেইরো। বড় ভাই হুগো এবং বড় দুই বোন এলমা ও কাতিয়ার সাথে তিনি বেড়ে উঠেছেন। কাতিয়া পর্তুগালের একজন গায়িকা। মঞ্চে তিনি "পেনাল্ডো" নামে গান করেন। তার মার পরিবারের নাম দস্ সান্তোস এবং বাবার পরিবারের নাম আভেইরো।

রোনাল্ডো নামটি পর্তুগালে সচরাচর দেখা যায় না; তার বাবা-মা আমেরিকান রাষ্ট্রপতি রোনাল্ড রেগানের সাথে মিলিয়ে এ নাম রাখেন।

প্রাথমিক ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

তিন বছর বয়স থেকে রোনালদো ফুটবলের সংস্পর্শে আসেন। তিনি ছয় বছর বয়স থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলতে শুরু করেন। কৈশোরে তার প্রিয় দল ছিল "বেনফিকা" যদিও তিনি তাদের প্রতিপক্ষ "স্পোর্টিং ক্লাবে দি পর্তুগালে" যোগদান করেন। তিনি মাত্র আট বছর বয়সে প্রথমে "আন্দোরিনহা" নামে একটি অপেশাদার দলে তার ক্রীড়াজীবন শুরু করেন, যেখানে তার বাবা কাজ করতেন। ১৯৯৫ সালে, দশ বছর বয়সের মধ্যেই পর্তুগালে তার সুনাম ছড়াতে থাকে। মাদিয়েরার শীর্ষ দুটি দল "সিএস মারিতিমো" ও "সিডি ন্যাশিওনাল" তাকে পেতে উম্মুখ ছিল। অপেক্ষাকৃত বড় দল মারিতিমো আন্দোরিনহার ব্যবস্থাপকের সাথে একটি মিটিং-এ অংশ নিতে পারেননি। ফলে সিডি ন্যাশিওনাল রোনালদোকে হস্তগত করে। ন্যাশিওনালের হয়ে সে মৌসুমে শিরোপা জেতার পর স্পোর্টিং দলের সাথে তিনি চুক্তিবদ্ধ হন।

স্পোর্টিং ক্লাবে দি পর্তুগাল[সম্পাদনা]

রোনালদো স্পোর্টিং এর অন্যান্য তরুণ খেলোয়াড়ের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দলে "ফুটবল কারখানা" হিসেবে পরিচিত আলকোচেতে। এখানে তিনি প্রথম-শ্রেণীর প্রশিক্ষণ পান। স্পোর্টিং বুঝতে পারে রোনালদোর আরো সমর্থন দরকার। তাই তারা রোনালদোর মাকে তার কাছে রাখার ব্যবস্থা নেয়। স্পোর্টিং-এর পক্ষে তার অভিষেক খেলায় তিনি দুই গোল করেন মোরেইরেন্সের বিপক্ষে। তিনি পর্তুগালের হয়ে উয়েফা অনূর্ধ্ব ১৭ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলেছেন।

উয়েফা অনূর্ধ্ব ১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে তার কৃতিত্বের কারণে তিনি ফুটবল বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষনে সমর্থ হন। লিভারপুলের সাবেক ম্যানেজার জেরার্ড হুলিয়ার ১৬ বছর বয়সের রোনালদোর দিকে আকৃষ্ট হন। কিন্তু লিভারপুল তাকে দলে নিতে অস্বীকৃতি জানায় কারণ তিনি ছিলেন খুবই কম বয়সী ও শীর্ষ ফুটবলার হতে তার আরো সময় দরকার ছিল।[১৩] ২০০৩ সালের গ্রীষ্মে তিনি স্যার স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের দৃষ্টি আকর্ষণে সমর্থ হন যখন লিসবনে স্তাদিও জোসে এলভালাদে স্টেডিয়াম উদ্বোধনের জন্য আয়োজিত খেলায় স্পোর্টিং ৩-১ গোলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে দেয়। রোনালদো দুই উইংয়েই খেলার দক্ষতা দেখান। এই খেলার পরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলোয়াড়েরা তরুণ রোনালদোর প্রশংসা করেন ও বলেন ভবিষ্যতে তার বিরুদ্ধে খেলার চেয়ে তাকে নিজেদের দলে খেলতে দেখতে চান।[১৩]

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড[সম্পাদনা]

২০০৩–২০০৬[সম্পাদনা]

চেলসির বিরুদ্ধে খেলছেন রোনালদো, ২০০৬ সাল।

ডেভিড বেকহ্যাম রিয়াল মাদ্রিদে চলে যাওয়ার পর ফার্গুসন সিদ্ধান্ত নেন তিনি রোনালদকে দলে নেবেন। রোনালদো ১২.২৪ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগদান করেন।[১৪][১৫] রোনালদোকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ঐতিহ্যবাহী ৭নং জার্সি দেয়া হয়, যেটি পড়ে একসময় মাঠ কাঁপিয়েছেন জর্জ বেস্ট, ব্রায়ান রবসন, এরিক ক্যান্টোনাডেভিড বেকহ্যাম[১৬]

ওল্ড ট্রাফোর্ডে বোল্টন ওয়ান্ডারার্সের বিরুদ্ধে ৬০তম মিনিটের পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসেবে রোনালদোর ম্যানচেস্টারের পক্ষে অভিষেক হয়। তখন ইউনাইটেড ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল। তিনি একটি পেনাল্টি জিতেন, তবে রুড ভ্যান নিস্তেলরয় সেই পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন। তবে এ খেলার ফলাফলে সেটির কোন বিরুপ প্রতিক্রিয়া পড়েনি, ইউনাইটেড এতে ৪-০ গোলে জয়ী হয়। তিনি পোর্টসমাউথের বিপক্ষে ফ্রি-কিক থেকে ইউনাইটেডের হয়ে প্রথম গোল করেন যে খেলায় ইউনাইটেড ৩-০ গোলে জয়লাভ করে। রোনালদো ইউনাইটেডে তার প্রথম মৌসুম শেষ করেন মিলওয়ালির বিপক্ষে ২০০৪ এফএ কাপের ফাইনালে প্রথম গোল করার মাধ্যমে এবং ইউনাইটেড ৩-০ গোলে শিরোপা নিশ্চিত করে।[১৭]

২৯ অক্টোবর ২০০৫ সালে রোনালদো প্রিমিয়ার লীগে ইউনাইটেডের ১০০০ তম গোল করেন যদিও মিডেলসবার্গের বিরুদ্ধে ওই খেলায় ইউনাইটেড ৪-১ গোলে পরাজয় বরণ করে।[১৮] তিনি ২০০৫ সালে সকল প্রতিযোগিতায় ১০ গোল করেন এবং ভক্তরা তাঁকে ২০০৫ ফিফপ্রো স্পেশাল ইয়াং প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত করে।

১৪ জানুয়ারি ২০০৬ সালে সিটি অফ ম্যানচেস্টার স্টেডিয়ামে ম্যানচেস্টার ডার্বিতে (খেলায় ইউনাইটেড ৩-১ গোলে পরাজিত হয়) প্রাক্তন ইউনাইটেড খেলোয়াড় অ্যান্ড্রু কোলকে লাথি মারার জন্য লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।[১৯]

উইগান অ্যাথলেটিকের বিরুদ্ধে ২০০৫-০৬ মৌসুমের ফুটবল লীগ কাপের ফাইনাল ম্যাচে তিনি তিনি ৩য় গোলটি করে (ইউনাইটেড ৪-০ গোলে জয়লাভ করে) দলকে শিরোপা জেতাতে সাহায্য করেন যা ইংলিশ ফুটবলে তার ২য় শিরোপা ছিল।[২০]

২০০৬–২০০৯[সম্পাদনা]

২০০৬-০৭ মৌসুমে রোনালদো

২০০৬-০৭ মৌসুম রোনালদোর জন্য অত্যন্ত সাফল্যমণ্ডিত বলে গণ্য করা হয়। এই মৌসুমে রোনালদো ২০এর অধিক গোল করেন যা ইউনাইটেডের প্রিমায়ার লীগ জয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তার এই সাফল্যের অন্যতম কারণ ধরা হয় রেনে মিউলেনস্টিনের সাথে তার একান্ত প্রশিক্ষণ[২১]

২০০৭ সালের জানুয়ারিতে রোনালদো পরপর দ্বিতীয় মাসের জন্য বার্কলে মাসের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হন। প্রিমিয়ারশিপের ইতিহাসে এটি তৃতীয় ঘটনা। এর আগে আর্সেনালের ডেনিস বার্গক্যাম্প ১৯৯৭ ও রবি ফাউলার ১৯৯৬ সালে পরপর দুইমাস এ পুরস্কার জিতেছেন।[২২][২৩] রোনালদো ইউনাইটেডের পক্ষে তার ৫০তম গোল করেন চির-প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে যেটি ৪ বছর পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে লীগ শিরোপা জেতায় এবং তিনি বছরের শেষের দিকে টানা ২য় বারের মত ফিফপ্রো স্পেশাল ইয়াং প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার জেতেন।

রিয়াল মাদ্রিদ ২০০৭ এর এপ্রিলে ৮০ মিলিয়ন ইউরোর (৫৪ মিলিয়ন পাউন্ড) বিনিময়ে রোনালদোকে কিনতে প্রস্তুত ছিল।[২৪] তবে ২০০৭ সালের মার্চ মাসের শুরুতে রোনালদো ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড নিশ্চিত করে যে তার বর্তমান চুক্তি নবায়ণের জন্য আলোচনা শুরু করেছেন। ১৩ এপ্রিল ২০০৭ তারিখে রোনালদো প্রতি সপ্তাহে ১২০,০০০ পাউন্ডের বিনিময়ে ইউনাইটেডের সাথে পাঁচ বছর মেয়াদী চুক্তি করেন যা ইউনাইটেডের ইতিহাসে একটি রেকর্ড। [২৫] তিনি বলেন, "আমি দলে খুশি ও আমি ট্রফি জিততে চাই। আশাকরি এই মৌসুমেই আমরা সেটা করব।" [২৬]

রোনালদো এই মৌসুমে বেশ কয়েকটি ব্যাক্তিগত পুরস্কার জেতেন যার পিএফএ প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার এবং পিএফএ ইয়াং প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার ছিল অন্যতম। অ্যান্ডি গ্রের পর তিনি একমাত্র ফুটবলার যিনি একই বছর এই দুই পুরস্কার লাভ করেছেন।[২৭] ওই বছরের ৩তয় পুরস্কার পিএফএ ফ্যানস্‌ প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার জেতেন। তিনি ওই বছর এফডব্লিউ ফুটবলার অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার জেতেন যার ফলে তিনি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে একই বছরে সকল প্রধান পিএফএ এবং এফডব্লিএ পুরস্কার জেতার কীর্তি অর্জন করেন। রোনালদো ২০০৬-০৭ মৌসুমের জন্য পিএফএ প্রিমিয়ার সেরা একাদশে অন্তর্ভুক্ত হন।

চ্যাম্পিয়ন্স লীগের একটি খেলার পূর্বে রোনালদো (বাম দিকে) and কার্লোস তেভেজ

২০০৭-০৮ মৌসুমের ২য় খেলায় পোর্টস্‌মাউথের খেলোয়াড় রিচার্ড হাজেসের মাথায় গুঁতো দেয়ার অভিযোগে তাঁকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠের বাইরে বের করে দেয়া হয় এবং পরবর্তীতে তাঁকে ৩ খেলার জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।[২৮] পরবর্তীতে রোনালদো বলেন তিনি এই ঘটনা থেকে অনেক শিক্ষা পেয়েছেন এবং অঙ্গীকার করেন যে ভবিষৎ এ কখনো খেলোয়াড়দের প্ররোচিত করবেন না।[২৯] চ্যাম্পিয়ন্স লীগে স্পোর্টিং লিসবনের বিরুদ্ধে খেলার প্রথম লেগে তার একমাত্র গোলে ইউনাইটেড জয়লাভ করে। ২য় লেগে ঘরের মাঠে ইনজুরি টাইমে তার গোলে ইউনাইটেড গ্রুপ পর্বে তাদের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে।[৩০]

২০০৭ সালে বালোঁ দ’অরে তিনি ২য় স্থান ও ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ারে তৃতীয় স্থান লাভ করেন।[৩১][৩২]

১২ জানুয়ারি ২০০৮ সালে, রোনালদো ইউনাইটেডের হয়ে প্রথম হ্যাট্রিক করেন নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডে যা ইউনাইটেডকে প্রিমিয়ার লীগ পয়েন্টতালিকায় শীর্ষে তুলে আনে।[৩৩] রিডিং এর বিরুদ্ধে খেলায় তিনি ২৩ তম প্রিমিয়ার লীগ গোল করেন যা ২০০৬-০৭ মৌসুমে করা গোলের সমান ছিল।[৩৪] ২০ ফেব্রুয়ারিতে অলিম্পিক লিওর বিরুদ্ধে একজন অসনাক্ত লিও সমর্থক রোনালদো এবং ন্যানির চোখে লেজার মারে যা নিয়ে উয়েফা পরে তদন্ত করে।[৩৫] এই ঘটনার জন্য লিওকে ১ মাস পর ৫,০০০ ফ্রাঙ্ক (£২,৪২৭) জরিমানা করা হয়।[৩৬]

১৯ মার্চ ২০০৮ সালে, রোনালদো বোল্টনের বিরুদ্ধে প্রথম বারের মত ইউনাইটেডের অধিনায়কত্ব পালন করেন। ওই খেলায় তার জোড়া গোলের সুবাদে ইউনাইটেড ২-০ গোলে জয়লাভ করে।[৩৭] ওই খেলার দ্বিতীয় গোলটি মৌসুমে তার ৩৩ তম গোল ছিল, যার মাধ্যমে তিনি ইউনাইটেডের পক্ষে ১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে জর্জ বেস্টের এক মৌসুমে করা ৩২ গোলের রেকর্ড ভেঙ্গে দেন।[৩৮] ২৯ মার্চ রোনালদো অ্যাস্টোন ভিলার বিরুদ্ধে আবারও জোড়া গোল করেন যা মৌসুমে তার গোলসংখ্যা ৩৫এ উন্নীত করে। রোনালদো তার টানা গোল করার পুরস্কার পান প্রথম উইঙ্গার হিসেবে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু অ্যাওয়ার্ড লাভের মাধ্যমে।[৩৯]

রোনালদো জর্জ বেস্টডেনিশ লয়ের তুলনায় ভাল খেলোয়াড় যারা ইউনাইটেডের ইতিহাসে অত্যন্ত দুর্দান্ত ২ জন খেলোয়াড় ছিলেন।

— ২৩ বছর বয়সী রোনালদো সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিন বারের বালোঁ দ’অর বিজয়ী জোহান ক্রুইফের উক্তি, এপ্রিল ২০০৮।[৪০]

২১ মে ২০০৮ সালে, চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে প্রিমিয়ার লীগ প্রতিদ্বন্দ্বী চেলসির বিরুদ্ধে ২৬ মিনিটে ইউনাইটেডের প্রথম গোল করেন যদিও চেলসি খেলার ৪৫ মিনিটে সমতাসূচক গোল করে। অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত খেলা ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকে যার ফলে তা টাইব্রেকারে গড়ায়। পেনাল্টি শুট আউটে রোনালদো গোল করতে ব্যর্থ হন, যদিও জন টেরি বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন যার ফলে ইউনাইটেড সাডেন ডেথে ৬-৫ গোলে বিজয়ী হয়। রোনালদো ভক্তদের ভোটে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন,[৪১] এবং ৪২ গোল করার মাধ্যমে ওই মৌসুম শেষ করেন। ওই চ্যাম্পিয়ন্স লীগে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে উয়েফা সেরা ফরওয়ার্ড এবং উয়েফা টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

আলবার্ট রিয়েরার বিপক্ষে রোনালদো, লিভারপুলের বিরুদ্ধে খেলায়।

৫ জুন ২০০৮ সালে স্কাই স্পোর্টস খবর প্রকাশ করে রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদে জেতে ইচ্ছুক, যদি তারা তাঁকে সেই পরিমাণ অর্থ প্রস্তাব করে যা তাঁকে বছরের শুরুতে করা হয়েছিল। [৪২] ৯ জুন ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ মাদ্রিদের বিপক্ষে রোনালদোকে দলে নেয়ার তথাকথিত তৎপরতার ব্যপারে ফিফার কাছে অভিযোগ দাখিল করে, যদিও ফিফা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়।[৪৩][৪৪] তার ট্রান্সফারের পক্ষে জল্পনা-কল্পনা ৬ আগস্ট পর্যন্ত চলতে থাকে যখন রোনালদো নিশ্চিত করেন যে তিনি আর কমপক্ষে একবছর ওল্ড ট্রাফোর্ডে থাকবেন।[৪৫]

৭ই জুলাই গোড়ালিতে চোটের কারনে আমস্টারডমে তার অস্ত্রোপচার করা হয়।[৪৬] অস্ত্রোপচারের পর, ১৭ সেপ্টেম্বর ভিলারিয়ালের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের খেলায় পার্ক জি সুং বদলী হিসেবে তিনি পুনরায় মাঠে নামেন[৪৭] এবং ২৪ সেপ্টেম্বর লীগ কাপের ৩য় রাউন্ডে মিডেলস্বার্গের বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জয়ের খেলায় তিনি মৌসুমের তার প্রথম গোল করেন।

১৫ নভেম্বর স্টোক সিটির বিরুদ্ধে ৫-০ গোলে জয়ের খেলায় রোনালদো ইউনাইটেডের হয়ে সকল প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ১০১ তম গোল করেন যার দুইটিই আবার ছিল ফ্রি-কিক থেকে।[৪৮] এই গোলের মাধ্যমে রোনালদো প্রিমিয়ার ১৯ দলের সবার বিপক্ষে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।[৪৯] ২ ডিসেম্বরে, রোনালদো ১৯৬৮ সালে জর্জ বেস্টের প্রথম ইউনাইটেড খেলোয়াড় হিসেবে বালোঁ দ’অর জেতেন। এতে তিনি ৪৪৬ পয়েন্ট পান যা রানার-আপ মেসির চেয়ে ১৬৫ পয়েন্ট বেশি ছিল।[৫০] ১৯ ডিসেম্বর ইউনাইটেড ২০০৮ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জেতার পর রোনালদো সিলভার বল পুরস্কার পান।[৫১]

৮ জানুয়ারি ২০০৯ সালে, রোনালদো ম্যানচেস্টার এয়ারপোর্টের কাছে একটি রাস্তায় কার দুর্ঘটনায় অক্ষত থাকেন যাতে তার ফেরারি দুমড়ে মুচড়ে যায়।[৫২] এই ঘটনার চার দিন পরে রোনালদো প্রথম প্রিমিয়ার লীগ খেলোয়াড় হিসেবে এবং লুইজ ফিগোর পর প্রথম পর্তুগিজ হিসেবে ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার পুরস্কার জেতেন।[৫৩]

রোনালদো চ্যাম্পিয়ন্স লীগে মৌসুমে তার প্রথম ও চেলসির বিরুদ্ধে ফাইনালের পর তার প্রথম গোল করেন ইন্টার মিলানের বিরুদ্ধে ১১ মার্চ ২০০৯ সালে। খেলায় ইউনাইটেড ২-০ গোলে জয়লাভ করে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌছায়।[৫৪] পোর্তোর বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালের ২য় লেগের ম্যাচে ৪০ গজ দূর থেকে আকর্ষণীয় জয়সূচক গোল করেন যা ইউনাইটেডকে সেমিফাইনালে নিয়ে যায়। বছরের সেরা গোল হিসেবে, ওই গোলের জন্য তিনি ২০০৯ সালে সদ্য চালুকৃত ফিফা পুস্কাস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।[৫৫] পরে তিনি ওই গোলটিকে তার করা সেরা গোল হিসেবে অভিহিত করেন।[৫৬][৫৭] রোনালদো ইউনাইটেডের হয়ে ২য় চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনাল খেলেন ২০০৯ সালে যদিও ইউনাইটেড ফাইনালটি ২-০ গোলে হেরে যায়। ওই মৌসুমে তিনি ইউনাইটেডের হয়ে ৫৩ খেলায় মাঠে নামেন যা এর আগের মৌসুমের চেয়ে ৪টি বেশি ছিল, এতে তিনি ২৬ টি গোল করেন যা তার ক্যারিয়ার সেরা ৪২টি গোলের চেয়ে ১৬ গোল কম ছিল।

১১ জুন ইউনাইটেড, রোনালদোর ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছাজ্ঞাপনের পর রিয়াল মাদ্রিদ হতে শর্তবিহীন £৮০ মিলিয়ন এর প্রস্তাব গ্রহণ করে।[৫৮] গ্লেজার পরিবারের (ইউনাইটেডের মালিকপক্ষ) প্রতিনিধি এটা নিশ্চিত করে যে এটা ইউনাইটেড ম্যানেজার ফার্গুসনের সম্মতিতেই করা হয়েছে।[৫৯] যখন রিয়াল মাদ্রিদে রোনালদোর ট্রান্সফার নিশ্চিত হয় তখন রোনালদো,তাঁকে একজন খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ফার্গুসনকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, "ক্রীড়াক্ষেত্রে তিনি আমার পিতা, এবং আমার ক্যারিয়ারে একজন অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।"[৬০]

রিয়াল মাদ্রিদ[সম্পাদনা]

২০০৯-১০ মৌসুম[সম্পাদনা]

তার ব্যাপারে আমার প্রশংসা করা ছাড়া আর কিছু বলার নেই। খুব সহজেই এটা বলে দেয়া যায় যে সে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। গোলমুখে তার অবদান বিস্ময়কর। তার পরিসংখ্যান অবিশ্বাস্য। তার গোলবারে বল মারা, গোলের সুযোগ সৃষ্টি করা, প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সে হামলা করা, হেড দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে যা আপনাকে অভিভূত করে তুলবে।

স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন, রোনালদোর রিয়াল মাদ্রিদে চলে যাওয়ার পর।[৬১]

২৬ জুন ২০০৯ সালে রিয়াল মাদ্রিদ নিশ্চিত করে যে রোনালদো পহেলা জুলাই ২০০৯ সাল থেকে তাদের দলে যোগ দেবে। তার ট্রান্সফার ফি ছিল £৮০ মিলিয়ন (€৯৪ মিলিয়ন) যা তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় করে তোলে।[৬২] রিয়াল মাদ্রিদের সাথে তার চুক্তির মেয়াদ ছিল ৬ বছর।[৬৩] চুক্তি অনুসারে তিনি প্রতি বছর €১১ মিলিয়ন বেতন পেতেন।[৬৪] তার বাইআউট ক্লসের মূল্য €১ বিলিয়ন।[৬৫] ৬ জুলাই রোনালদোকে রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্ব মিডিয়ার সামনে হাজির করা হয়,[৬৬] যেখানে তাঁকে ৯ নং জার্সি দেয়া হয়।[৬৭] তাঁকে রিয়াল মাদ্রিদের জার্সি প্রদান করেন আলফেদ্রো দি স্টেফানো[৬৮] রোনালদোকে রিয়াল মাদ্রিদে স্বাগত জানানোর জন্য ৮০,০০০ থেকে ৮৫,০০০ দর্শক স্যান্টিয়াগো বার্নাব্যুতে জড় হয়, যা দিয়াগো মারাদোনার ৭৫,০০০ দর্শকের রেকর্ড যা ১৯৮৪ সালে বার্সেলোনা থেকে নাপোলিতে আসার পর হয়েছিল তা ভঙ্গ হয়।[৬৯][৭০] এই অনুষ্ঠানটি বিভিন্ন স্পেনীয় ও পর্তুগিজ টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।[৭১][৭২]

রোনালদো ও রিয়াল মাদ্রিদ যথাক্রমে দিয়াগো ফোরলান ও নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে

২১ জুলাই সামরক রোভার্সের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয়লাভের খেলায় রোনালদোর রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে অভিষেক ঘটে। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে তিনি তার প্রথম গোল করেন ১ সপ্তাহ পর পেনাল্টি কিক থেকে যেই খেলায় মাদ্রিদ ৪-২ গোলে এলডিইউ কুইটোকে পরাজিত করে।[৭৩] ২৯শে আগস্ট, রোনালদো লা লীগায় অভিষেক খেলায় পেনাল্টি থেকে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এবং মাদ্রিদ ঘরের মাঠে ওই খেলায় দেপর্তিভো লা করুণাকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে।[৭৪] ১৫ই সেপ্টেম্বর, রোনালদো এফসি জুরিখের বিরুদ্ধে দুইটি গোল করেন যার দুইটিই ছিল আবার ফ্রি-কিক থেকে; জুরিখের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ওই খেলায় রিয়াল ৫-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে জুরিখকে পরাজিত করে।[৭৫] ২৩ সেপ্টেম্বর ভিলারিয়ালের বিপক্ষে গোল করেন এবং লা লীগার ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে প্রথম চার খেলার চারটিতেই গোল করার রেকর্ড করেন।[৭৬]

১০ই অক্টোবর, পর্তুগালের হয়ে খেলার সময় রোনালদো গোড়ালির ইনজুরিতে পড়েন যা তাঁকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত মাঠ বাইরে ছিটকে দেয়। এর ফলে তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লীগে এসি মিলানের বিপক্ষে দুইটি ম্যাচ খেলতে পারেননি। ইনজুরি থেকে তার ফিরে আসার পর প্রথম খেলায়, রিয়াল বার্সেলোনার বিরুদ্ধে এল ক্লাসিকোতে ১-০ গোলে পরাজিত হয়। ৬ ডিসেম্বর, তিনি রিয়ালের হয়ে আলমেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। রিয়ালের ৪-২ গোলে জয়লাভের ওই খেলায় তিনি একটি পেনাল্টিও মিস করেন। তিনি প্রথম হলুদ কার্ডটি দেখেন গোল উৎযাপনের জন্য জার্সি খোলার দায়ে এবং এর ৩ মিনিট পর প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় কে লাথি দেয়ার জন্য তাঁকে ২য় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠের বাইরে বের করে দেয়া হয়।[৭৭]

রোনালদো ২০০৯ ফিফা বিশ্বসেরা খেলোয়াড়ের তালিকায় ও ২০০৯ বালোঁ দ’অরে ২য় স্থান অধিকার করেন। ৫ মে ২০১০ সালে রোনালদো রিয়ালের হয়ে প্রথম হ্যাট্রিক করেন। রোনালদো এবং গঞ্জালো হিগুইন ওই মৌসুমে মিলিতভাবে ৫৩ লীগ গোল করেন যা তাদেরকে রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল করা যুগল বানায়।[৭৮]

২০১০-১১ মৌসুম[সম্পাদনা]

রাউলের ২০১০ সালে ক্লাব ছাড়ার পর রোনালদোকে ক্লাবের ৭নং জার্সি প্রদান করা হয়।[৭৯] ২৩শে অক্টোবর, রোনালদো রেসিং দে সান্তাদের এর বিপক্ষে ৪ গোল করেন,[৮০] যা এক খেলায় তার সর্বোচ্চ গোল।[৮১] এর ফলে তিনি টানা ৬ খেলায় (লা লীগায় তিনটি, চ্যাম্পিয়ন্স লীগে ১টি, এবং পর্তুগালের হয়ে ২টি) ১১ গোল করেন যা এক মাসে তার সর্বোচ্চ। বার্সেলোনার বিরুদ্ধে ন্যু ক্যাম্পে ৫-০ গোলে পরাজিত হওয়ার আগের খেলায়, রোনালদো অ্যাতলেতিকো বিলবাওয়ের বিরুদ্ধে লা লীগায় তার ২য় হ্যাট্রিক করেন।[৮২] ২০১০ সালের শেষ খেলায় কোপা দেল রেতে লেভান্তের বিরুদ্ধে, রিয়ালের ৮-০ গোলে জয়লাভের খেলায় রোনালদো আবারো হ্যাট্রিক করেন।[৮৩]

পেনারোলের বিরুদ্ধে প্রাকমৌসুম প্রীতি খেলায় রোনালদো

রোনালদো ২০১১ সাল খুব প্রতিশ্রুতিময় ভাবে শুরু করেন, বিশেষ করে তিনি রিয়াল মাদ্রিদের কয়েকটি রেকর্ড ভঙ্গ করেন যা পূর্বে আলফেদ্রো দি স্টেফানো, হুগো সানচেজ এবং ম্যানুয়েল আলদায়ের মত গ্রেট খেলোয়াড়দের অধিকারে ছিল।[৮৪][৮৫] গেতাফের বিরুদ্ধে রিয়ালের ৩-২ গোলে জয়লাভের খেলায় গুরুত্বপূর্ণ জোড়া গোল করে তিনি তার এই গোলবন্যা শুরু করেন।[৮৬] ৯ জানুয়ারি, তিনি ভিলারিয়ালের বিপক্ষে হ্যাট্রিক এবং সদ্য ইনজুরি ফেরত কাকা কে একটি একটি গোলে সহায়তা করার মাধ্যমে তিনি তার ভাল খেলার ধারা অব্যাহত রাখেন। ৩ মার্চ ২০১১ সালে, রিয়ালের মালাগাকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দেয়ার খেলায় রোনালদো হ্যাট্রিক করেন। যদিও খেলার শেষে তিনি মাসল ইনজুরিতে পড়েন যা তাঁকে ১০ দিন দলের বাইরে রাখে।

রোনালদো তার ভবিষৎ ক্লাবসঙ্গী টটেমহামের গ্যারেথ বেলের বিরুদ্ধে, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে.

এপ্রিল মাসে তিনি খুব ভালভাবে দলে প্রত্যাবর্তন করেন, টানা তিন খেলায় গোল করার মাধ্যমে (চ্যাম্পিয়ন্স লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে টটেনহাম হটস্পারের বিরুদ্ধে ২ গোল সহ)।

বার্সেলোনার বিরুদ্ধে লা লীগার খেলায় রোনালদো পেনাল্টি কিক হতে গোল করেন এবং মৌসুমে তার গোলসংখ্যা ৪১ এ নিয়ে যান। ২০শে এপ্রিল, রোনালদো বার্সেলোনার বিরুদ্ধে ২০১১ কোপা দেল রের ফাইনালে ১০৩ মিনিটে জয়সূচক গোল করেন।[৮৭] এই গোল পরবর্তীতে বিভিন্ন দর্শক জরিপে রোনালদো ও রিয়াল মাদ্রিদের মৌসুমের সেরা গোল হিসেবে নির্বাচিত হয় যার মধ্যে মার্কা[৮৮] ও রিয়াল মাদ্রিদের ওয়েবসাইট ছিল উল্লেখযোগ্য।[৮৯] ৭ মে সেভিয়ার মাঠে রিয়ালের ৬-২ গোলে জয়লাভের খেলায় রোনালদো পুনরায় ৪ গোল করেন যার ফলে মৌসুমে তার গোলসংখ্যা দাড়ায় নিজের সর্বোচ্চ ৪৬ গোলে (এর আগে তিনি ইউনাইটেডের হয়ে এক মৌসুমে ৪২ গোল করেন)।[৯০] এর তিনদিন পরে, গেতাফের বিরুদ্ধে একটি হ্যাট্রিকের মাধ্যমে তিনি তার গোলসংখ্যা ৪৯ গোলে উন্নীত করেন। ১৫ই মে ভিলারিয়ালের সাথে ৩-১ গোলে জয়লাভের খেলায় রোনালদো ফ্রি-কিক থেকে ২ গোল করেন। এর ফলে তিনি লা লীগায় ১ মৌসুমে টেলমো জারা ও হুগো সানচেসের ৩৮ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসান।

২১শে মে, আলমেরিয়ার বিরুদ্ধে শেষ লীগ ম্যাচে তিনি জোড়া গোল করেন এর ফলে লা লীগার ইতিহাসে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ১ মৌসুমে ৪০ গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন। এর ফলে তিনি পুনরায় ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু অ্যাওয়ার্ড জেতেন। তিনিই প্রথম খেলোয়াড় যিনি ২ টি ভিন্ন লীগে খেলে এই পুরস্কার ২ বার পান। তিনি এই মৌসুমে ৪০ গোল করার মাধ্যমে মার্কা কর্তৃক পিচিচি ট্রফি পান।[৯১] রোনালদো প্রতি ৭০.৭ মিনিটে গোল করার মাধ্যমে জারার রেকর্ড ভাঙেন। এর ফলে তিনি স্পোর্টস ইলাস্ট্রেডের বিশ্ব একাদশে স্থান পান,[৯২] যারা তাঁকে বিশ্বের সেরা ফুটবলার হিসেবে অভিহিত করে।

রোনালদো রিয়ালের হয়ে তার ২য় মৌসুমে ক্লাবের হয়ে প্রথম ট্রফি কোপা দেল রে জেতেন এবং ৫৩ টি গোল করেন যার মধ্যে ২৫টি করেন ডান পা থেকে (ফ্রি-কিক ও পেনাল্টি কিক থেকে গোল ব্যতীত) ও ৯টি বাম পা থেকে।[৯৩]

২০১১-১২ মৌসুম[সম্পাদনা]

রিয়াল মাদ্রিদ তাদের প্রাকমৌসুম সফর শুরু করে মেজর লীগ সকারের (এমএলএস) দল এলএ গ্যালাক্সির বিরুদ্ধে ৪-১ গোলে জয়লাভের মাধ্যমে,[৯৪] যে খেলায় জোসে ক্যালেহোন, জোসেলু, রোনালদো, এবং বেনজামা প্রত্যেকে ১টি করে গোল করেন।[৯৫] এর চার দিন পরে রোনালদো মেক্সিকান ক্লাব গুয়াদালাহারার বিরুদ্ধে খেলার দ্বিতীয়ার্ধে হ্যাট্রিক করেন এবং রিয়াল খেলায় ৩-০ গোলে জয়ী হয়। রোনালদোর প্রাকমৌসুমে এহেন পারফর্মেন্স বিশ্ব মিডিয়ায় খুবই প্রশংসিত হয় যারা প্রীতি ম্যাচগুলোতেও রোনালদোর চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রেষণার প্রশংসা করে। ১৭ আগস্ট ২০১১ সালে, রোনালদো বার্সেলোনার বিরুদ্ধে ২০১১ স্প্যানিশ সুপার কাপের ২য় লেগের প্রথমার্ধে সমতাসূচক গোলটি করেন। ২৭ আগস্ট ২০১১ সালে, ২০১১-১২ মৌসুমের লা লীগার প্রথম খেলায় রিয়াল জারাগোজার বিরুদ্ধে হ্যাট্রিক করেন এবং দলের ৬-০ গোলে জয়ে বড় ভুমিকা রাখেন।

২৪শে সেপ্টেম্বর, রোনালদো রায়ো ভায়াকানোর বিরুদ্ধে ৬-২ গোলে জয়লাভের খেলায় রোনালদো হ্যাট্রিক (পেনাল্টি থেকে ২ গোল সহ) করেন। এটি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে রোনালদোর দশম হ্যাট্রিক লা লীগায় তার নবম হ্যাট্রিক ছিল।

২০১১-১২ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লীগে অ্যাজাক্সের বিরুদ্ধে খেলায় রোনালদো

২৭শে সেপ্টেম্বর, চ্যাম্পিয়ন্স লীগের গ্রুপ পর্বে অ্যাজাক্সের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে জয়লাভের খেলায় রোনালদো প্রথম গোলটি করেন। ২২শে অক্টোবর, রোনালদো পূর্ববর্তী তিনটি খেলায় গোলশূন্য থাকার পর, মালাগার বিরুদ্ধে লা লীগায় নিজের ১০ম ও রিয়ালের হয়ে ১১তম হ্যাট্রিক করেন এবং রিয়াল ম্যাচটি ৪-০ গোলে জিতে। ৬ নভেম্বর রোনালদো ওসাসুনার বিরুদ্ধে নিজের ১২তম হ্যাট্রিক করেন যা রিয়ালের লা লীগায় প্রথম স্থান নিশ্চিত করে।[৯৬]

১৯ নভেম্বর ২০১১ সালে, রোনালদো ভ্যালেন্সিয়ার বিরুদ্ধে ২-৩ গোলে হেরে যাওয়ার খেলায় রোনালদো ২য় গোল করেন। ২৬শে নভেম্বর ২০১১ সালে, রোনালদো অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে ৪-১ গোলে জয়লাভের খেলায় পেনাল্টি থেকে ২ গোল করেন। ৩ ডিসেম্বর ২০১১ সালে, স্পোর্টিং দে গিজনের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে জয়ের খেলায় ২য় গোল করেন। রোনালদো ২০১১ ফিফা বালো দি’অরে তিনজন ফাইনালিস্টের মধ্যে একজন ছিলেন। ১৩ ডিসেম্বর ২০১১ সালে, রোনালদো পোনফেরদেনিয়ার বিরুদ্ধে কোপা দেল রের খেলার প্রথম লেগে ২য় গোলটি করেন যা রিয়াল ২-০ গোলে জেতে। রোনালদো সেভিয়ার বিরুদ্ধে লা লীগায় তার ১২তম ও সবমিলিয়ে ১৩তম হ্যাট্রিক করেন।

রোনালদো ২০১০-১১ মৌসুমে উয়েফা ইউরোপের সেরা খেলোয়াড় অ্যাওয়ার্ডে লিওনেল মেসি এবং জাভির পিছনে থেকে তৃতীয়, এবং ২০১১ ফিফা বালোঁ দি’অরে মেসির পিছনে থেকে ২য় হন। গ্রানাডার সাথে রিয়ালের পরের খেলায় যাতে রিয়াল ৫-১ গোলে জয়লাভ করে, রোনালদো ৫ম গোলটি করেন। ২২ জানুয়ারি ২০১২ সালে, অ্যাতলেতিকো বিলবাওএর সাথে ৪-১ গোলে জয়লাভের খেলায় ২টি পেনাল্টি থেকে গোল করেন এবং ২৮শে জানুয়ারি জারাগোজার বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জয়লাভের খেলায় শেষ ও জয়সূচক গোলটি করেন। রোনালদো বার্সেলোনার বিরুদ্ধে ২০১১-১২ কোপা দেল রের কোয়ার্টার ফাইনালে জোড়া গোল করেন, যদিও রোনালদো ২ লেগ মিলিয়ে ৪-৩ গোলে হেরে যায়। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ সালে, রোনালদোর লা লীগায় ১৩ তম ও সবমিলিয়ে ১৪ তম হ্যাট্রিকের ফলে রিয়াল ঘরের মাঠে লেভান্তেকে ৪-২ গোলে পরাজিত করে। এই জয়ের ফলে রোনালদো ২য় স্থানে থাকা বার্সেলোনার সাথে পয়েন্ট ব্যবধান ১০এ নিয়ে যায়।

২৪ মার্চ ২০১২ সালে, রোনালদো রিয়াল সোসিয়াদাদের বিরুদ্ধে ২ গোল করার মাধ্যমে মাত্র ৩ মৌসুমে ৯২ খেলায় ১০০তম লা লীগা গোল করেন যা লা লীগার ইতিহাসে ছিল ২য় দ্রুততম এবং রিয়াল ইতিহাসে দ্রুততম। [৯৭] ২০১২ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত রোনালদো প্রতি লা লীগা খেলায় গড়ে ১.০১ গোল করেন।

১১ই এপ্রিল, রোনালদো নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের সাথে ৪-১ গোলে জয়লাভের খেলায় হ্যাট্রিক ও শেষ গোলে সহায়তা করেন। এর ফলে লা লীগায় তার গোলসংখ্যা দাড়ায় ৪০ এ যা একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে যেকোন প্রধান ইউরোপিয়ান লীগে টানা ২ মৌসুমে ৪০ বা তার অধিক গোল করার কৃতিত্ব। ২৫শে এপ্রিল, বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে ২০১১-১২ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেমিফাইনালে, রোনালদো পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল ও মেসুত ওজিলের পাস থেকে ২য় গোল করেন। যদিও ২ লেগ মিলিয়ে খেলা ৩-৩ গোলে অমীমাংসিত থাকে ও পেনাল্টি শুট আউটে ম্যানুয়েল নায়ার রোনালদোর শট ঠেকিয়ে দিলে রিয়াল টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়।[৯৮]

১৩ মে ২০১২ সালে,মৌসুমের শেষ খেলায়, রোনালদো মালাকোরার বিরুদ্ধে গোল করেন যা তাঁকে লা লীগায় এক মৌসুমে প্রত্যক দলের বিরুদ্ধে গোল করা প্রথম খেলোয়াড় বানায়।[৯] রোনালদো রিয়ালে তার তৃতীয় মৌসুম শেষ করেন ১০০ পয়েন্ট পেয়ে ২০১১-১২ লা লীগা শিরোপা জেতার মাধ্যমে। এই মৌসুমে রোনালদো লীগে ৪৬ গোল, সকল প্রতিযোগিতায় ৬০ গোল করেন যা তার আগের মৌসুমে করা রিয়াল মাদ্রিদের রেকর্ড ভেঙ্গে দেয়। মৌসুমের শেষে রোনালদো দাবি করেন যে, তিনি বিশ্বাস করেন যে তিনি ২০১১-১২ মৌসুমে মেসির চেয়ে ভাল খেলেছেন,[৯৯] এবং মৌসুম শেষে তিনি লা লিগার মৌসুম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ট্রফেডো আলফেদ্রো দি স্টেফানো পুরস্কার জেতেন।

২০১২-১৩ মৌসুম[সম্পাদনা]

এসি মিলানের বিপক্ষে মৌসুমের শুরুর দিকে এক প্রীতি ম্যাচে রোনালদো

রোনালদো ২০১২-১৩ মৌসুম শুরু করেন রিয়াল মাদ্রিদকে সুপারকোপা দে স্পানা জেতানোর মাধ্যমে। বার্সেলোনার বিরুদ্ধে খেলার ২ লেগ মিলিয়ে ৪-৪ গোল থাকলেও রিয়াল অ্যাওয়ে গোলে এগিয়ে থাকায় প্রতিযোগিতাটি জিতে নেয়। রোনালদো ২ লেগ মিলে ২ গোল করেন যার মধ্যে প্রথম গোলটির মাধ্যমে তিনি রিয়ালের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ন্যু ক্যাম্পে পর পর ৪ ম্যাচে গোল করার রেকর্ড স্পর্শ করেন।[১০০] ২য় লেগে তার গোলটি রিয়ালের জয় নির্ধারণ করে এবং এর মাধ্যমে তিনি রিয়াল মাদ্রিদের রেকর্ড টানা ৫ এল ক্লাসিকোতে গোল করা ইভান জামোরানোর রেকর্ডে ভাগ বসান।[১০১] ৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ সালে, দিয়ারো এএস রিপোর্ট প্রকাশ করে যে ম্যানচেস্টার সিটি প্রেসিডেন্ট শেখ মনসুর রোনালদোর জন্য €২০০ মিলিয়ন অর্থ রিয়ালকে প্রস্তাব করেছে যদিও রিয়াল ওই প্রস্তাবে সারা দেয়নি।[১০২] ৩০শে আগস্ট রোনালদো ১৭ ভোট পেয়ে মেসির সাথে যৌথভাবে ২০১১ উয়েফা ইউরোপের সেরা খেলোয়াড় পুরস্কারে ২য় হন। ওই বছর ওই পুরস্কারটি জেতেন বার্সেলোনার ইনিয়েস্তা।[১০৩]

২রা সেপ্টেম্বর, রোনালদো গ্রানাডার বিপক্ষে এই মৌসুমের প্রথম লীগ গোল করেন যা ছিল আবার প্রিমিয়ার লীগলা লিগা এবং পর্তুগালের প্রিমেরা লিগা মিলিয়ে তার ২০০তম গোল। তিনি আরেকটি গোল করেন যা ছিল রিয়ালের হয়ে ১৪৯ খেলায় তার ১৫০তম গোল। ওই গোলের মাধ্যমে রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল করা খেলোয়াড়দের তালিকায় ১০ম স্থানে উঠে আসেন। রোনালদো ওই খেলার ৬৩ মিনিটে উরুর ইনজুরির জন্য মাঠ ছাড়েন।[১০৪] পরবর্তীতে তার ১৪৯ ও ১৫০ তম গোলে উৎযাপন না করার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে রোনালদো দাবি করেন যে, তিনি রিয়াল মাদ্রিদে একটি "পেশাদারী বিষয়" নিয়ে সুখী নন।[১০৫] রোনালদোর এজেন্ট, জর্জ মেন্ডেস জানান তিনি এটা জানতেন যে রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদে তার জীবন নিয়ে অসুখী।[১০৬] রোনালদোর ক্লাবের সাথে একটি উন্নত চুক্তি না হওয়া এই সুখি না হওয়ার কারণ, এই ধারণা তিনি নাকচ করে দেন।[১০৭] রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট, ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ, দাবি করেন যে রোনালদো ক্লাব ছাড়তে চান না এবং তিনি অন্য ব্যপার নিয়ে অখুশি।[১০৮] যখন রোনালদো আন্তর্জাতিক খেলা শেষে রিয়ালে ফিরে আসেন তিনি জানান যে ক্লাবের হয়ে আরো সাফল্য বয়ে আনতে তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।[১০৯] রিয়াল মাদ্রিদের কোচ জোসে মরিনহো বলেন যে তিনি মনে করেন ২০১১ উয়েফা সেরা খেলোয়াড় অ্যাওয়ার্ডে তার বদলে ইনিয়েস্তার পুরস্কার পাওয়ার ব্যপারে তিনি অসুখী হতে পারেন।[১১০][১১১]

১৮ সেপ্টেম্বর, রিয়ালের ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে জয়লাভের খেলায় রোনালদো মৌসুমের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লীগের প্রথম গোল করেন।[১১২] ৩০ সেপ্টেম্বর, রোনালদো দেপর্তিভো লা করুণার বিরুদ্ধে ৫-১ গোলে জয়লাভের খেলায় রোনালদো মৌসুমের প্রথম হ্যাট্রিক করেন।[১১৩] ৪ অক্টোবর, রোনালদো অ্যাজাক্সের বিরুদ্ধে তার ক্যারিয়ারে প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লীগ হ্যাট্রিক করেন; খেলায় রিয়াল ৪-১ গোলে জয়লাভ করে।[১১৪] তিনি তার ভাল ফর্ম পরবর্তীতে ধরে রাখেন। বার্সেলোনার বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র হওয়ার খেলায় রোনালদো জোড়া গোল করেন যার ফলে তিনি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ৬ এল ক্লাসিকোতে গোল করার রেকর্ড করেন।[১১৫] তিনি পরবর্তী খেলায়, বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের সাথে ১ গোল ও মালাকোরার বিরুদ্ধে ৫-০ গোলে জয়লাভের খেলায় জোড়া গোল করেন।[১১৬][১১৭]

১১ নভেম্বর, লেভান্তের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়লাভের খেলায়, রোনালদো কনুই দিয়ে চোখে আঘাত পান, যদিও দ্বিতীয়ার্ধে তাঁকে উঠিয়ে নেয়ার পূর্বে রোনালদো লা লীগায় এই মৌসুমে ১২ তম লা লীগা গোল করেন।[১১৮][১১৯] এর ফলে তিনি পর্তুগালের হয়ে গ্যাবনের বিরুদ্ধে প্রীতি খেলায় নামতে পারেননি।[১২০] ২১শে নভেম্বর, ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের খেলায় ইতিহাদ স্টেডিয়ামে তিনি রিয়ালের বিরুদ্ধে তিনি মাঠে নামেন; খেলাটি ১-১ গোলে ড্র হয়। এই খেলার মাধ্যমে রোনালদো ২০০৯ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ার পর প্রথম কোন ম্যানচেস্টারের স্টেডিয়ামে খেলতে নামেন।[১২১] পহেলা ডিসেম্বর, পুরবর্তী তিন খেলায় গোলশূন্য থাকার পর, রোনালদো ফ্রি-কিক থেকে একটি গোল করেন এবং ওজিলের গোলে সহায়তা করেন; রিয়াল ওই খেলায় অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-০ গোলে পরাজিত করে।[১২২]

২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে রোনালদো, ফ্রেন্স জায়ান্ট পিএসজি ঘোষণা করে যে তারা রোনালদোকে দলে নেয়ার ব্যাপারে আগ্রহী।[১২৩] যদিও রিয়াল মাদ্রিদ জানায় যে তারা রোনালদোকে বিক্রি করবে না, এর বদলে তারা রোনালদোর সাথে নতুন একটি চুক্তি করতে যাচ্ছে যার ফলে রোনালদোকে তারা ২০১৮ সাল পর্যন্ত তাদের দলে রাখতে পারবে। [১২৪][১২৫] ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে, ফ্লোরেন্তিনো পেরজ নিশ্চিত করেন যে তারা রোনালদোর সাথে নতুন চুক্তি করতে যাচ্ছেন,[১২৬] অপরদিকে মরিনহো মত প্রকাশ করেন যে রোনালদো রিয়ালের জন্য অপরিহার্য।[১২৭] ২০১৩ সালের মে মাসে পেরেজ বলেন যে তাদের রোনালদোকে বিক্রি করার কোন পরিকল্পনা নেই।[১২৮][১২৯]

৬ই জানুয়ারি, ২০১৩ সালে রিয়ালের প্রথম খেলায় রোনালদো জোড়া গোল করেন এবং ১০ সদস্যের রিয়াল রিয়াল সোসিয়াদাদকে ৪-৩ গোলে হারায়।[১৩০] ওই খেলায় রোনালদো প্রথমবারের মত রিয়ালের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন,[১৩১][১৩২] কিন্তু মৌসুমের ৫ম হলুদ কার্ড দেখার কারনে ওসাসুনার বিরুদ্ধে পরের খেলায় নিষিদ্ধ হন। এটা ছিল সরাসরি সেই লাল কার্ড খাওয়ার পর প্রথম খেলা যেখানে তিনি নিষিদ্ধ হন।[১৩৩] ৭ই জানুয়ারি, রোনালদো চতুরথবারের মত মেসির পিছনে থেকে ২০১২ ফিফা বালোঁ দ’অর এ ২য় হন।[১৩৪] ৯ জানুয়ারি, রোনালদো কোপা দেল রের একটি খেলার ২য় লেগে সেল্টা ভিগোর সাথে হ্যাট্রিক করেন।[১৩৫] ১৫ই জানুয়ারি, ভ্যালেন্সিয়ার সাথে কোপা দেল রেতে একটি খেলায় জয়ের পর রোনালদো, ম্যানেজার জোসে মরিনহোর সাথে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন।[১৩৬][১৩৭]

২৭শে জানুয়ারি, রোনালদো, গেতাফের বিরুদ্ধে ৪-০ গোলে জয়লাভের খেলায় একটি হ্যাট্রিক করেন যা ক্লাবে তার গোলসংখ্যা ৩০০ তে উন্নীত করে।[১৩৮] ৩০শে জানুয়ারি, রোনালদো বার্সেলোনার বিরুদ্ধে কোপা দেল রেতে ক্লাবের হয়ে নিজের ৫০০ তম খেলায় মাঠে নামেন। ওই খেলায় তিনি সর্বশেষ ৬০ বছরের ইতিহাসে প্রথম কোন অ-স্পেনীয় খেলোয়াড় হিসেবে এল ক্লাসিকোতে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।[১৩৯] ২ ফেব্রুয়ারি, রোনালদোর ক্যারিয়ারের প্রথম আত্মঘাতী গোলের কারনে রিয়াল গ্রানাডার বিরুদ্ধে ১-০ গোলে পরাজয় বরন করে।[১৪০] রোনালদো এর পরের সপ্তাহে সেভিয়ার বিরুদ্ধে আরেকটি হ্যাট্রিক করেন যা তার ক্যারিয়ারে ২১তম ও লা লিগায় ১৭তম হ্যাট্রিক ছিল।[১৪১]

১৩ই ফেব্রুয়ারি রোনালদো প্রথমবারের মত ক্লাব প্রাক্তন ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের খেলায় মাঠে নামেন। সান্টিয়াগো বার্নাব্যুতে অনুষ্ঠিত ওই খেলায় রিয়াল ১-১ গোলে ড্র করে।[১৪২] ২৬ ফেব্রুয়ারি, রোনালদো বার্সেলোনার বিরুদ্ধে কোপা দেল রের সেমিফাইনালে জোড়া গোল করেন, যা ন্যু ক্যাম্পে তার টানা ষষ্ঠ গোল ছিল।[১৪৩] রোনালদো এর পরে ৫ই মার্চ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়লাভের খেলায় জয়সূচক গোলটি করেন। এই খেলায় রোনালদোর রেকর্ড £৮০ মিলিয়নে রিয়ালে যাওয়ার পর ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রথম খেলতে নামেন।[১৪৪] পরবর্তীতে রোনালদো বলেন তার গোলে ইউনাইটেড চ্যাম্পিয়ন্স লীগ থেকে বের হয়ে যাওয়ার ঘটনায় তিনি বিমর্ষ এবং এটা তার জন্য একটা বিচিত্র অভিজ্ঞতা।[১৪৫][১৪৬]

১০ই মার্চ, রোনালদো সেল্টা ভিগোর বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে লা লীগায় রিয়াল কে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের উপরে ২য় স্থানে নিয়ে যান।[১৪৭] তার ২য় গোলটি, লা লিগায় তার ১৩৮তম ছিল, যা তাঁকে লা লীগার ইতিহাসে সেরা ২৫ গোল করা খেলোয়াড়দের তালিকায় নিয়ে যায়। এটা অর্জন করতে রোনালদো মাত্র ১২৭টি ম্যাচ খেলেছিলেন এবং ম্যাচ প্রতি তার গোল গড় ছিল ১.০৮ যা বাকি ২৪ খেলোয়াড়য়ের চেয়ে বেশি ছিল।[১৪৮] ১৬ই মার্চে, রোনালদোর মালাকোরার বিরুদ্ধে ৫-২ গোলে জয়লাভের খেলায় সমতাসূচক গোলটি তার ক্যারিয়ারের ৩৫০তম গোল ছিল।[১৪৮][১৪৯] ৩ এপ্রিল রোনালদো চ্যাম্পিয়ন্স লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে গ্যালেতেসারের বিরুদ্ধে খেলার প্রথম গোলটি করেন।[১৫০] ৯ই এপ্রিল, ২য় লেগে, রোনালদোর জোড়া গোলে রিয়াল ২ লেগ মিলিয়ে ৫-৩ গোলে গ্যালেতেসারেকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌছায়।[১৫১]

২৪ এপ্রিল চ্যাম্পিয়ন্স লেগে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের সাথে সেমিফাইনালে খেলার পূর্বে রোনালদোর উরুর পেশীতে টান পরে। রোনালদো ওই ম্যাচে অংশগ্রহণ করেন এবং ১ গোল করেন, যদিও বরুসিয়ার ঘরের মাঠে ওই খেলায় রিয়াল ৪-১ গোলে পরাজিত হয়।[১৫২] তিনি পরের ম্যাচে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে মাঠে নামেননি,[১৫৩] যদিও ৩০শে এপ্রিল বরুসিয়ার বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জয়লাভের খেলায় তিনি মাঠে নামেন। রিয়াল দুই লেগ মিলিয়ে ৩-৪ গোলে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[১৫৪] ৪ মে রোনালদোর হেড থেকে দুই গোলের সুবাদে রিয়াল ৪-৩ গোলে রিয়াল ভ্যালাদোলিদকে হারায়।[১৫৫] ব্রিটিশ মিডিয়া রিপোর্ট প্রকাশ করে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের প্রধান নির্বাহী ডেভিড গিল রিয়াল মাদ্রিদে গিয়েছিলেন রোনালদোকে ওল্ড ট্রাফোর্ডে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে,[১৫৬] যদিও কিছু মিডিয়া জানায় যে ইউনাইটেডে ম্যানেজার স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের অবসরের পর রোনালদোকে ইউনাইটেডে নিয়ে আসা তাদের পক্ষে অত্যান্ত কঠিন হবে।[১৫৭][১৫৮]

৮ই মে মালাগার বিরুদ্ধে গোলে জয়ের খেলায় রোনালদো রিয়ালের হয়ে তার ২০০তম গোলটি করেন, যা তাঁকে ক্লাবের সর্বনিম্ন ১৯৭ ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় ৬ষ্ঠ স্থানে নিয়ে যায়।[১৫৯] ১৭ মে ২০১৩ কোপা দেল রের ফাইনালে রোনালদো ওজিলের নেয়া কর্নার কিক থেকে হেডের মাধ্যমে গোল করেন, যদিও অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ওই খেলায় রিয়াল ২-১ গোলে হেরে যায়।[১৬০] ওই ম্যাচের ১১৪ মিনিটে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় গ্যাবির সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ায় রোনালদোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠের বাইরে বের করে দেয়া হয়।[১৬১] ওই ম্যাচ শেষে রয়াল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন কর্তৃক অতিরিক্ত হলুদ কার্ড খাওয়ার জন্য ও তার আচরণের জন্য তাঁকে কোপা দেল রের পরবর্তী ২ খেলায় নিষিদ্ধ করে।[১৬২]

রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদে তার ৪র্থ মৌসুম শেষ করেন উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে ১২ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার মাধ্যমে। লা লিগায় রিয়াল তাদের শিরোপা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, বার্সেলোনার কাছে রানার্স আপ হওয়ার মাধ্যমে এবং চ্যাম্পিয়ন্স লীগে টানা ২য় বারের মত সেমিফাইনাল থেকে নেয়। সকল প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রোনালদো ৫৫ গোল করেন যার ৩০টি এসেছে ডান পা থেকে, ১৭টি বাম থেকে ও ৮টি হেড থেকে।[১৬৩]

২০১৩-১৪ মৌসুম[সম্পাদনা]

২০১৩-১৪ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লীগের গ্রুপ পর্বে গ্যালেতেসারের বিরুদ্ধে রোনালদো

২০১২-১৩ মৌসুমে রিয়ালের কোন শিরোপা জিততে ব্যর্থতার ফলে রোনালদোর ক্লাব ছেড়ে যাওয়ার গুঞ্জন রটে।[১৬৪][১৬৫][১৬৬][১৬৭] ৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে, রোনালদো সকল গুজবে পানি ঢেলে দেন এই জানিয়ে যে তিনি শীঘ্রই ক্লাবের সাথে চুক্তি নবায়ন করতে যাচ্ছেন।[১৬৮] ৩রা জুলাই ২০১৩ সালে রোনালদো স্বীকার করেন যে তিনি প্রিমিয়ার লীগকে মিস করছেন, যদিও তিনি নিকট ভবিষৎ এ ওল্ড ট্রাফোর্ডে ফিরে যাওয়ার সম্ভবনা নাকচ করে দেন।[১৬৯]

১৮ই আগস্ট ২০১৩ সালে, রোনালদো রিয়াল বেতিসের বিরুদ্ধে রিয়ালের হয়ে নিজের ২০০ তম প্রতিযোগিতাপূর্ণ খেলায় মাঠে নামেন।[১৭০] ২০১৩-১৪ মৌসুমের লা লীগার প্রথম দুই খেলায় রোনালদো গোল করতে ব্যর্থ হলেও তার ৩য় খেলায় অ্যাতলেতিকো বিলবাওয়ের বিরুদ্ধে প্রথম গোল করেন; ঘরের মাঠ সান্টিয়াগো বার্নাব্যুতে রিয়াল ওই খেলা ৩-১ গোলে জেতে।[১৭১]

১৫ই সেপ্টেম্বর ২০১৩ সালে, রোনালদো সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটে রিয়ালের সাথে নতুন চুক্তিতে উপনীত হন যার ফলে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তাঁকে রিয়ালের হয়ে খেলতে হবে।[১৭২] এ চুক্তির ফলে তার বার্ষিক বেতন গিয়ে দাড়ায় €২১ মিলিয়নে (ট্যাক্স পরিশোধ করার পর), যা তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বেতনভুক্ত ফুটবলার বানায়।[১৭৩] ১৭ সেপ্টেম্বর, গ্যালেতেসারের বিরুদ্ধে ২০১৩-১৪ চ্যাম্পিয়ন্স লীগের গ্রুপ পর্বের প্রথম খেলায়, রোনালদো তার ক্যারিয়ারের ২য় চ্যাম্পিয়ন্স লীগ হ্যাট্রিক করেন এবং রিয়াল ম্যাচটি ৬-২ গোলে জিতে নেয়। [১৭৪] ২২ সেপ্টেম্বর, ঘরের মাঠে গেতাফের বিরুদ্ধে ৪-১ গোলে জয়লাভের খেলায় রোনালদো জোড়া গোল করেন। এই গোলের মাধ্যমে রিয়ালে রোনালদো ২০৫টি খেলায় ২০৯তম গোল করেন যা তাঁকে ক্লাবের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় ৫ম স্থানে নিয়ে যায়।[১৭৫]

২ অক্টোবর, রোনালদোর ১০০তম ইউরোপিয়ান লীগ খেলায়, এফসি কোপেনহেগেনের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করেন এবং রিয়াল খেলায় ৪-০ গোলে জয়ী হয়।[১৭৬] ৫ অক্টোবর লেভান্তের বিপক্ষে খেলার শেষমুহুর্তে রোনালদো জয়সূচক গোলটি করেন যার মাধ্যমে তিনি ২০১৩ সালে প্রধান ৫ ইউরোপিয়ান লীগগুলোর মধ্যে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ৫০তম গোলের কোটা পূর্ণ করেন।[১৭৭] ২৩ অক্টোবর ২০১৩ সালে, ঘরের মাঠে জুভেন্টাসের বিরুদ্ধে ২-১ গোলের জয়লাভের খেলায় রোনালদো একাই ২ গোল করেন যা তাঁকে ৫৭ গোলের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ইতিহাসে ৩য় সর্বোচ্চ গোলপ্রদানকারী খেলোয়াড় বানায়।[১৭৮][১৭৯] ৩০ অক্টোবর ঘরের মাঠে সেভিয়ার বিরুদ্ধে ৭-৩ গোলে জয়লাভের খেলায় রোনালদো তার ১৮ তম লা লীগা হ্যাট্রিক করেন, যা সকল প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তার ২৩তম ছিল।[১৮০]

২০১৩ সালে অক্সফোর্ড ইউনিয়নে এক বিতর্কে, যখন ফিফা প্রেসিডেন্ট সেপ ব্লাটারকে প্রশ্ন তিনি মেসি ও রোনালদোর মধ্যে কাকে অধিক শ্রেয় মনে করেন, তিনি মেসির কাজের নীতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং রোনালদোর ব্যাপারে দাবী করেন যে সে তার চুলের যত্নের জন্য অন্যদের চেয়ে বেশি ব্যয় করেন। রিয়াল এই ঘটনার জন্যে পরবর্তীতে ব্লাটারের ক্ষমাপ্রার্থনার দাবী জানায় এবং ব্লাটার এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চান। যদিও ব্লাটার তাঁকে "কমান্ডার" বলে অভিহিত করায়, রোনালদো সেভিয়ার বিপক্ষে গোল করার পর ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে স্যালুট জানিয়ে এর প্রত্যুত্তর দেন।[১৮১][১৮২]

২ নভেম্বর ২০১৩ সালে, রোনালদো, বিপক্ষের মাঠে রিয়ালের হয়ে ১০৬ তম খেলায় তিনি তার ১০০তম অ্যাওয়ে গোল পূর্ণ করেন যার ম্যাচপ্রতি গড় ছিল ০.৯৪।[১৮৩] ৫ নভেম্বর, জুভেন্টাসের বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র হওয়ার খেলায় রোনালদো সমতাসূচক গোলটি করেন, যার ফলে তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ইতিহাসে ১ বছরে সবচেয়ে বেশি ১৪ গোলের রেকর্ড গড়েন।[১৮৪] ৯ নভেম্বর, রিয়াল সোসিয়াদাদের বিরুদ্ধে ৫-১ গোলে জয়লাভের খেলায় রোনালদো লা লীগায় সর্বোচ্চ ১৯তম হ্যাট্রিক করেন। ওই খেলায় রোনালদো রিয়ালের হয়ে ফ্রি-কিক থেকে নিজের ২০ তম গোল করেন যা বার্সেলোনার ফ্রি-কিক স্পেশালিষ্ট রোনালদিনহোর চেয়ে ১টি বেশি ছিল।[১৮৫]

২০১৩-১৪ মৌসুমে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ক্লাব ও আন্তর্জাতিক খেলা মিলিয়ে ২২ খেলায় ৫ হ্যাট্রিক সহ ৩২ গোল করের পর রোনালদো জানান যে তিনি হয়ত তার জীবনে "জীবনের সেরা ফর্মে" রয়েছেন।[১৮৬] ২৩ নভেম্বর আলমেরিয়ার বিরুদ্ধে খেলায় পেশীতে টান পরার কারনে রোনালদোকে ৫২তম মিনিটে মাঠ থেকে উঠিয়ে নেয়া হয়।[১৮৭][১৮৮] রোনালদো ১০ ডিসেম্বর চ্যাম্পিয়ন্স লীগে কোপেনহেগেনের বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জয়লাভের খেলায় ইনজুরি কাটিয়ে পুনরায় মাঠে নামেন এবং মোট ৯ গোল করার সুবাদে গ্রুপ পর্বে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড অর্জন করেন।[১৮৯] ভ্যালেন্সিয়ার বিরুদ্ধে বছরের শেষ খেলায় রোনালদো হেডের মাধ্যমে ১টি গোল করেন এবং ২০১৩ সালে ৫৯ খেলায় ৬৯ গোল করেন, যা তার নিজের সর্বোচ্চ।[১৯০][১৯১] ওই গোলের মাধ্যমে রোনালদো ১৬৪ লীগ গোলের মাধ্যমে রিয়ালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় ৪র্থ স্থানে উঠে আসেন। এছাড়া অ্যাওয়ে গোলের তালিকায় তিনি ৭২ গোলের মাধ্যমে ২য় স্থানে উঠে আসেন, যা সর্বোচ্চ রাউলের চেয়ে ১৫টি কম।[১৯২]

রোনালদো তার প্রতিভা ও পেশাদারিত্বের জন্য একজন অনন্য খেলোয়াড়। সে অত্যান্ত ধারাবাহিক।

— কার্লো আনচেলত্তি[১৯৩]

২০১৪ সালের প্রথম খেলায় রোনালদো সেল্টা ভিগোর বিরুদ্ধে জোড়া গোল করেন এর মধ্যে ক্লাব এবং দেশের হয়ে ৬৫৩ খেলায় তার ৪০০ তম গোলও অন্তর্ভুক্ত। তিনি ওই গোল দুইটিকে ইউসেবিয়োর নামে উৎসর্গ করেন যিনি মাত্র ২ দিন আগে মারা যান।[১২][১৯৪]

১৩ই জানুয়ারি ২০১৪ সালে আগের ৪ বছরে বিজয়ী মেসিকে হারিয়ে রোনালদো ফিফা বালোঁ দ’অর জেতেন।[১৯৫] এটা ২০০৮ সালের পর তার দ্বিতীয় বালোঁ দ’অর ছিল যার ফলে তিনি ১০ম খেলোয়াড় হিসেবে ২ বা ততোধিকবার এই পুরস্কার জেতার কৃতিত্ব অর্জন করেন।[১৯৬] তিনি দলের হয়ে কোন ট্রফি না জিতেও পুরস্কার জেতা ৬ষ্ঠ খেলোয়াড় [১৯৭] এছাড়া তিনি রিয়াল মাদ্রিদের তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই পুরস্কার জেতেন ।[১৯৮] রোনালদো ২০০৭, ২০০৯, ২০১১, ২০১২ সালে রানার্স আপ হন।[১৯৯] অশ্রুসিক্ত রোনালদো পুরস্কারটি নিতে গিয়ে বলেন "তার ওই মুহূর্তটিকে ব্যাখ্যা করার মত ভাষা নেই" এবং "পুরস্কারটি জেতা অনেক শক্ত"।[২০০] এই সম্মননার ফলে অনেক মিডিয়া তাঁকে সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে অভিহিত করে।[২০১][২০২][২০৩]

আন্তর্জাতিক কেরিয়ার[সম্পাদনা]

রোনালদো ব্রাজিল জাতীয় দলের বিপক্ষে খেলছে

২০০৩ সালের আগস্টে কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অঙ্গণে রোনালদোর অভিষেক হয়। ইউরো ২০০৪ এর উদ্বোধনী যে খেলায় গ্রিসের বিরুদ্ধে পর্তুগাল ২-১ গোলে হেরে যায়, তাতে তিনি ছিলেন পর্তুগালের একমাত্র গোলদাতা। সেমি-ফাইনালে পর্তুগাল নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়ী হয় এবং সেটির প্রথম গোল তিনিই করেন। ফাইনালে উদ্বোধনী খেলার পুণরাবৃত্তি ঘটে এবং গ্রিস পর্তুগালকে হারিয়ে ইউরো ২০০৪ চ্যাম্পিয়ন হয়।

২০০৪ গ্রীষ্ম অলিম্পিকে তিনি পর্তুগালের প্রতিনিধিত্ব করেন। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তিনি ৭ গোল করে ইউরোপীয় অঞ্চলের দ্বিতীয় সেরা গোলদাতা হয়েছিলেন। ১৭ জুন, ২০০৫ পর্যন্ত পর্তুগালের পক্ষে ২৫ খেলায় তিনি ১১ গোল করেন।

ইরানের বিরুদ্ধে পেনাল্টি কিক থেকে রোনালদো বিশ্বকাপে তার প্রথম গোল করেন।

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের সাথে নেদারল্যান্ডের খেলায় খালিদ বোলারুজের সাথে সংঘর্ষে তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মাঠ ছাড়েন। এ খেলায় পর্তুগাল ১-০ গোলে জয়ী হয়।

২০০৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাজিলের বিপক্ষে একটি প্রীতি খেলায় রোনালদো প্রথমবারের মত জাতীয় দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হন। পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন চেয়ারম্যান কার্লোস সিলভার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার জন্য, যিনি খেলার দুই দিন আগে মারা যান, রোনালদোকে অধিনায়ক করা হয়। পর্তুগালের কোচ ফিলিপ স্কলারি ব্যাখ্যা করেন, "মি. সিলভা আমাকে তাকে (রোনালদোকে) অধিনায়ক করতে বলেন। তিনি মনে করেছিলেন ইংরেজ দর্শক তাকে অনেক কষ্ট দেবে এবং এটা সেটার জবাব। সে দলনায়ক হওয়ার জন্য খুবই কম বয়সী, কিন্তু মি. সিলভা আমাকে বলেছিলেন, এবং আজ তিনি আমাদের মাঝে আর নেই।"[২০৪]

বিশ্বকাপের ঘটনা[সম্পাদনা]

২০০৬ সালের ৮ জুলাই অনুষ্ঠিত ২০০৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের একটি খেলায় ইউনাইটেড সহযোগী ওয়েইন রুনিকে লাল কার্ড দেয়ার ব্যাপারে রোনালদোর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ইংরেজ গণমাধ্যম এই লাল কার্ড দেয়ার পিছনে রোনালদোর ভূমিকা আছে বলে সরব হয়। রোনালদো তখন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তার কাছে মনে হয় তার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে যাওয়া উচিত, কেননা তখনকার অবস্থা সেখানে খেলার উপযুক্ত ছিলনা।[২০৫]

স্প্যানিশ দৈনিক মার্সাকে দৃঢ় কন্ঠে রোনালদো বলেন, “আমি আমার এজেন্টকে বলেছি আমি ছেড়ে যেতে প্রস্তুত। আমি এটা যতটা সম্ভব ভালভাবে করতে চাই। আমি রিয়াল মাদ্রিদে খেলতে চাই এবং এটা আমার একটি স্বপ্ন।”[২০৬] ৯ জুলাই তিনি একটি পর্তুগিজ চ্যানেল এসআইসিকে বলেন, তার বিরুদ্ধে চলমান বাকযুদ্ধ ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জল্পনা-কল্পনার কোন অর্থ খুজে পান না। রোনালদো বলেন পর্তুগাল ইংল্যান্ডকে যে খেলায় হারিয়ে দিয়েছে সেখানে তিনি কোন খারাপ আচরণ করেননি এবং তাকে পর্তুগালের সম্মান রক্ষা করার জন্য দোষারোপ করাও উচিত নয়। তিনি আরো বলেন, যেখানে লোকজন তাকে পছন্দ করে না সেখানে তিনি বসবাস কিংবা কাজ করতে পারবেন না, তাই তিনি ইংল্যান্ড ছেড়ে গেলেই খুশি হবেন।

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়ার পর রোনালদো ইংরেজ ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলির রোষানলে পড়েন। দি সান তার চোখ টেপার ছবি দিয়ে একটি ডার্ট বোর্ড তৈরি করে যেরকম বোর্ড দি ডেইলি মিরর ১৯৯৮ বিশ্বকাপে বেকহ্যামের জন্য বানিয়েছিল।[২০৭][২০৮][২০৯]

রোনালদো বলেছেন রুনি তার বন্ধু এবং তিনি রুনিকে লাল কার্ড পেতে সাহায্য করেননি।[২১০] রুনি বলেন, "ক্রিস্টিয়ানোর প্রতি আমার কোন খারাপ মনোভাব নেই তবে এই ঘটনায় তার জড়ানোয় আমি দুঃখ পেয়েছি।"[২১১]

ফিফা শৃংখলা কমিটি লাল কার্ড পাওয়ার ঘটনা তদন্ত করে রুনিকে দুটি খেলাতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এবং ৫,০০০ সুইস ফ্রাঁ (২,২০৭ পাউন্ড) জরিমানা করে।

খেলার পর রোনালদো স্বীকার করেন রিয়াল মাদ্রিদ তাকে পেতে আগ্রহী এবং তিনি নিজেও গ্রীষ্মের দলবদলের মৌসুমে দলত্যাগ করে রিয়ালে বা অন্য কোন দলে যেতে আগ্রহী।[২১২]

৫ জুলাই ফ্রান্সের কাছে পর্তুগাল সেমি-ফাইনালে ১-০ ব্যবধানে হেরে যায়। এ খেলায় যখনই রোনালদোর কাছে বল যায় তখনই ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের সমর্থকেরা রোনালদোর উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে দুয়ো ধ্বনি দিতে থাকে। রোনালদো ও তার সতীর্থদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে পড়ে গিয়ে রেফারির ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উত্থাপিত হয়।[২১৩][২১৪][২১৫][২১৬][২১৭] এই অভিযোগ রোনালদোর বিরুদ্ধে আগেও ছিল এবং একারণে প্রিমিয়ারশিপে তাকে একাধিকবার হলুদ কার্ড পেতে হয়েছে।[২১৮][২১৯][২২০] অনলাইনে ভোটের মাধ্যমে ফিফা শ্রেষ্ঠ তরুণ খেলোয়াড় নির্বাচনে তিনি দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে যাওয়ার পর বিবিসি স্পোর্ট প্রকাশ করে যে, ইংল্যান্ডের সমর্থকেরা তার বিরুদ্ধে ই-মেইল প্রচারণা চালাচ্ছে। তারা রোনালদোকে পুরস্কার বঞ্চিত করার জন্য লুইস ভ্যালেন্সিয়াকে ভোট দেয়ার প্রচারণা চালায় যিনি রোনালদোর পর দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন।[২২১] যদিও অনলাইন ভোট কেবল মনোনয়ন কাজকেই প্রভাবিত করেছে, ফিফা টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপ জার্মানির লুকাস পোদোলস্কিকে শ্রেষ্ঠ তরুণ খেলোয়াড় নির্বাচন করে এবং রোনালদোর আচরণকে এই পুরস্কার না জেতার একটি নিয়ামক হিসেবে উল্লেখ করে।[২২২]

১২ জুলাই ইউনাইটেড একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলে, "দল নিশ্চিত করছে যে রোনালদোকে বিক্রির কোন সম্ভাবনা নেই। ক্রিস্টিয়ানো সাম্প্রতিক সময়ে একটি নতুন চুক্তি করেছে যা ২০১০ সাল পর্যন্ত স্থায়ী এবং দল প্রত্যাশা করে তিনি চুক্তির মর্যাদা রাখবেন। দল ক্রিস্টিয়ানোর জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনা করবে না," এবং ১৭ জুলাই স্যার এলেক্স ফার্গুসন বলেন, "ক্রিস্টিয়ানো ফেরত আসবে।" চেলসি ম্যানেজার জোসে মরিনহো বলেন, "সে যদি ইংল্যান্ডে থাকে, তবে সব পরিবর্তন করবে।"[২২৩][২২৪] স্যার এলেক্স ফার্গুসন সহকারী বস কার্লোস কুইরোজ|কার্লোস কুইরোজকে পর্তুগালে পাঠান যাতে রোনালদোর মতের পরিবর্তন হয়[২২৫] এবং রুনি রোনালদোকে দল না ছাড়তে অনুরোধ করেন ও তাদের মতপার্থক্য ভুলে যেতে বলেন।[২২৬] শেষপর্যন্ত, রোনালদো ২০০৬-০৭ মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেই থেকে যান।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

২০০৫ সালের অক্টোবরে রোনালদো ও আরেকজনকে পুলিশ যৌন নিপীড়নের দায়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। রোনালদো অভিযোগ অস্বীকার করেন। পুলিশ পরে যথেষ্ট প্রমাণের অভাবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেনি।[২২৭]

২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি রাশিয়ান সুপারমডেল ইরিনা শায়ক এর সাথে ডেট করেন [২২৮]

রোনালদো অনেক দাতব্য কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত থেকেছেন। ২০০৫ সালের জুনে তিনি মার্তুনিস নামে এক ১১ বছর বয়সী সুনামি থেকে বেঁচে যাওয়া ইন্দোনেশিয়ান ও তার বাবাকে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব দেখার সুযোগ করে দেন, যার সম্পূর্ণ খরচ তিনি নিজে বহন করেন। পরে সব খেলোয়াড়েরা মিলে তার জন্য ইন্দোনেশিয়ায় একটি বাড়ি কিনতে সাহায্য করেন।[২২৯][২৩০]

২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রিস্টিয়ানো তার নিজ শহরে "সিআর৭" নামে একটি ফ্যাশন স্টোর স্থাপন করেন। তার বোনেরা এটির দেখাশোনা করেন

দুটি বিশ্বকাপ বাছাই খেলার পর রোনালদো ইন্দোনেশিয়ায় যান। তিনি সেখানকার সুনামিদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং অর্থ-সাহায্য তুলতে অংশ নেন। তিনি ইন্দোনেশিয়ার উপ-রাষ্ট্রপতি জুসুফ কাল্লাপূর্ব টিমোরের রাষ্ট্রপতি জানানা গুসমাওর সাথে দেখা করেন এবং তার নিজস্ব খেলার সরঞ্জামাদির নিলাম করে ৬৬,০০০ পাউন্ড সংগ্রহ করেন।[২৩১]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

পর্তুগাল এবং আর্জেন্টিনার প্রীতি ম্যাচে রোনালদো ও লিওনেল মেসি, জেনেভা সুইজারল্যান্ড, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১।

ক্লাব[সম্পাদনা]

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
রিয়াল মাদ্রিদ

আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

পর্তুগাল
চতুর্থ স্থান (১): ২০০৬
  • উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ:
রানার-আপ (১): ২০০৪
ব্রোঞ্জ (১): ২০১২

ব্যাক্তিগত[সম্পাদনা]

  • উয়েফা চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টের সেরা দল (২): ২০০৪, ২০১২
  • ব্রাভো অ্যাওয়ার্ড (১): ২০০৪
  • উয়েফা বর্ষসেরা দল (৮): ২০০৪, ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৩
  • স্যার ম্যাট বাসবি বর্ষসেরা খেলোয়াড় (৩): ২০০৩-০৪, ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮
  • ফিফপ্রো সেরা তরুণ খেলোয়াড়( দর্শক ভোটে) (২): ২০০৫,[২৩২] ২০০৬[২৩৩]
  • পিএফএ প্রিমিয়ার লীগ সেরা একাদশ (৪): ২০০৫-০৬, ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮, ২০০৮-০৯
  • পিএফএ বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড় (১): ২০০৬-০৭
  • পিএফএ বর্ষসেরা খেলোয়াড়( খেলোয়াড়দের ভোটে) (২): ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮
  • পিএফএ বর্ষসেরা খেলোয়াড়( দর্শকদের ভোটে) (২): ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮
  • এফডব্লিউএ বর্ষসেরা খেলোয়াড় (২): ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮
  • বার্কলেস বর্ষসেরা খেলোয়াড় (২): ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮
  • প্রিমিয়ার লীগ মাসের সেরা খেলোয়াড় (৪): নভেম্বর ২০০৬, ডিসেম্বর ২০০৬, জানুয়ারি ২০০৮, মার্চ ২০০৮
  • পর্তুগিজ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব: ২০০৬
  • পর্তুগিজ বর্ষসেরা ফুটবলার: ২০০৭
  • ইএসএম বর্ষসেরা একাদশ (৪): ২০০৬-০৭, ২০০৭–০৮, ২০১০–১১, ২০১১–১২
  • প্রিমিয়ার লীগ গোল্ডেন বুট (১): ২০০৭-০৮
  • ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু (২): ২০০৭-০৮, ২০১০-১১
  • ফিফাপ্রো বিশ্ব একাদশ (৭): ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৩
  • উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ সর্বোচ্চ গোলদাতা (২): ২০০৭-০৮, ২০১২-১৩
  • উয়েফা ক্লাব সেরা ফরওয়ার্ড (১): ২০০৭–০৮
  • উয়েফা ক্লাব বিশ্বসেরা খেলোয়াড় (১): ২০০৭-০৮
  • ফিফা বিশ্বকাপ সিলভার বল (১): ২০০৮
  • বালোঁ দ’অর (১): ২০০৮
  • ফিফা বিশ্বসেরা খেলোয়াড় (১): ২০০৮
  • ফিফপ্রো বিশ্বসেরা খেলোয়াড় (১): ২০০৮
  • ওনজে দ’অর (১): ২০০৮
  • ওয়ার্ল্ড সকার ম্যাগাজিন বিশ্বসেরা খেলোয়াড় (২): ২০০৮, ২০১৩
  • ফিফা পুস্কাস অ্যাওয়ার্ড (১): ২০০৯
  • লা লীগা সর্বোচ্চ গোলদাতা (১): ২০১০-১১
  • কোপা দেল রে সর্বোচ্চ গোলদাতা (১): ২০১০-১১
  • গ্লোব সেরা খেলোয়াড় (২): ২০১১, ২০১৩
  • ট্রফেও আলফেদ্রো দে স্তেফানো (২): ২০১১-১২, ২০১২-১৩
  • এলএফপি মূল্যবান খেলোয়াড় (১): ২০১২–১৩
  • আইএফএফএইসএস বিশ্বসেরা সর্বোচ্চ গোলদাতা : ২০১৩[২৩৪]
  • ফিফা বালোঁ দ’অর (১): ২০১৩
  • ফিফা বালোঁ দ’অর (১): ২০১৪

ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

ক্লাব[সম্পাদনা]

ক্লাব মৌসুম লীগ1 ঘরোয়া কাপ ঘরোয়া লীগ ইউরোপ অন্যান্য2 সর্বমোট
উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল
স্পোর্টিং ক্লাবে ডি পর্তুগাল ২০০২-০৩ ২৫ ৩১
সর্বমোট ২৫ ৩১
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ২০০৩-০৪ ২৯ ৪০
২০০৪-০৫ ৩৩ 0 ৫০
২০০৫-০৬ ৩৩ ৪৭ ১২
২০০৬-০৭ ৩৪ ১৭ ১১ ৫৩ ২৩
২০০৭-০৮ ৩৪ ৩১ ১১ ৪৯ ৪২
২০০৮-০৯ ৩৩ ১৮ ১২ ৫৩ ২৬
সর্বমোট ১৯৬ ৮৪ ২৬ ১৩ ১২ ৫৫ ১৬ ২৯২ ১১৮
রিয়াল মাদ্রিদ ২০০৯-১০ ২৯ ২৬ ৩৫ ৩৩
২০১০-১১ ৩৪ ৪০ ১২ ৫৪ ৫৩
২০১১-১২ ৩৮ ৪৬ ১০ ১০ ৫৫ ৬০
২০১২-১৩ ৩৪ ৩৪ ১২ ১২ ৫৫ ৫৫
২০১৩-১৪ ৩০ ৩১ ১১ ১৭ ৪৭ ৫১
২০১৪-১৫ ১৬ ২৬ ২৮ ৩৩
সর্বোমোট ১৮১ ২০৩ ২৭ ২০ ৫৭ ৫৭ ২৭৪ ২৮৫
ক্যারিয়ার সর্বোমোট ৪০২ ২৯০ ৫৬ ৩৫ ১২ ১১৫ ৭৩ ১২ ৫৯৭ ৪০৮

আর্ন্তজাতিক[সম্পাদনা]

আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে খেলছেন রোনালদো ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে।
  • ১৮ নভেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত[২৩৭]
জাতীয় দল সাল উপস্থিতি গোল
পর্তুগাল ২০০৩
২০০৪ ১৬
২০০৫ ১০
২০০৬ ১৪
২০০৭ ১০
২০০৮
২০০৯
২০১০ ১১
২০১১
২০১২ ১৩
২০১৩ ১০
২০১৪
সর্বমোট ১১৮ ৫২

আন্তর্জাতিক গোল[সম্পাদনা]

গোল সময় স্থান প্রতিপক্ষ স্কোর ফলাফল প্রতিযোগিতা
১২ জুন ২০০৪ এস্তাদিও দো দ্রাগো, পোর্তো, পর্তুগাল  গ্রিস –২ ১–২ উয়েফা ইউরো ২০০৪
৩০ জুন ২০০৪ এস্তাদিও জোসে আলভালদে, লিসবন, পর্তুগাল  নেদারল্যান্ডস –০ ২–১ উয়েফা ইউরো ২০০৪
৪ সেপ্টেম্বর ২০০৪ স্কোন্টো স্টেডিয়াম, রিগা, ল্যাতিভা  লাতভিয়া –০ ২–০ ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
৮ সেপ্টেম্বর ২০০৪ এস্তাদিও ডঃ মেগালহ্যায়েস পেসোয়া, লিয়েরা, পর্তুগাল  ইস্তোনিয়া –০ ৪–০ ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
১৩ অক্টোবর ২০০৪ এস্তাদিও জোসে আলভালদে, লিসবন, পর্তুগাল  রাশিয়া –০ ৭–১ ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
–০
১৭ নভেম্বর ২০০৪ স্টেড জোসি বার্থেল, লুক্সেমবার্গ, লুক্সেমবার্গ  লুক্সেমবুর্গ –০ ৫–০ ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
৪ জুন ২০০৫ এস্তাদিও জোসে আলভালদে, লিসবন, পর্তুগাল  স্লোভাকিয়া –০ ২–০ ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
৮ জুন ২০০৫ এ. লে কগ অ্যারেনা, তালিন, এস্তোনিয়া  ইস্তোনিয়া –০ ১–০ ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
১০ ১ মার্চ ২০০৬ এলটিইউ অ্যারেনা, ডুসেলডর্ফ, জার্মানি  সৌদি আরব –০ ৩–০ প্রীতি ম্যাচ
১১ –০
১২ ১৭ জুন ২০০৬ কমার্জব্যাক অ্যারেনা, ফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি  ইরান –০ ২–০ ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ
১৩ ৭ অক্টোবর ২০০৬ এস্তাদিও দো বেসা, পোর্তো, পর্তুগাল  আজারবাইজান –০ ৩–০ উয়েফা ইউরো ২০০৮ বাছাইপর্ব
১৪ –০
১৫ ১৫ নভেম্বর ২০০৬ এস্তাদিও সিদাদে দে কোইমব্রা, কোইমব্রা, পর্তুগাল  কাজাখস্তান –০ ৩–০ উয়েফা ইউরো ২০০৮ বাছাইপর্ব
১৬ ২৪ মার্চ ২০০৭ এস্তাদিও জোসে আলভালদে, লিসবন, পর্তুগাল  বেলজিয়াম –০ ৪–০ উয়েফা ইউরো ২০০৮ বাছাইপর্ব
১৭ –০
১৮ ২২ আগস্ট ২০০৭ রিপাবলিকান স্টেডিয়াম, ইয়েরেভ্যান, আর্মেনিয়া  আর্মেনিয়া –১ ১–১ উয়েফা ইউরো ২০০৮ বাছাইপর্ব
১৯ ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৭ এস্তাদিও জোসে আলভালদে, লিসবন, পর্তুগাল  পোল্যান্ড –১ ২–২ উয়েফা ইউরো ২০০৮ বাছাইপর্ব
২০ ১৭ অক্টোবর ২০০৭ আলমাতি সেন্ট্রাল স্টেডিয়াম, আলমাতি, কাজাখিস্তান  কাজাখস্তান –০ ২–১ উয়েফা ইউরো ২০০৮ বাছাইপর্ব
২১ ১১ জুন ২০০৮ স্টেড দে জেনেভে, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড  চেক প্রজাতন্ত্র –১ ৩–১ উয়েফা ইউরো ২০০৮
২২ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ এস্তাদিও আলগার্ভে, ফারো, পর্তুগাল  ফিনল্যান্ড –০ ১–০ প্রীতি ম্যাচ
২৩ ২১ জুন ২০১০ কেপ টাউন স্টেডিয়াম, কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা  উত্তর কোরিয়া –০ ৭–০ ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ
২৪ ৮ অক্টোবর ২০১০ এস্তাদিও দো দ্রাগো, পোর্তো, পর্তুগাল  ডেনমার্ক –১ ৩–১ উয়েফা ইউরো ২০১২ বাছাইপর্ব
২৫ ১২ অক্টোবর ২০১০ লওগার্ডারসভলুর, রেকজাভিক, আইসল্যান্ড  আইসল্যান্ড –০ ৩–১ উয়েফা ইউরো ২০১২ বাছাইপর্ব
২৬ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১ স্টেড দে জেনেভে, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড  আর্জেন্টিনা –১ ১–২ প্রীতি ম্যাচ
২৭ ১০ আগস্ট ২০১১ এস্তাদিও আলগার্ভে, ফারো, পর্তুগাল  লুক্সেমবুর্গ –০ ৫–০ প্রীতি ম্যাচ
২৮ ২ সেপ্টেম্বর ২০১১ জিএসপি স্টেডিয়াম, নিকোসিয়া, সাইপ্রাস  সাইপ্রাস –০ ৪–০ উয়েফা ইউরো ২০১২ বাছাইপর্ব
২৯ –০
৩০ ১১ অক্টোবর ২০১১ পার্কেন স্টেডিয়াম, কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক  ডেনমার্ক –২ ১–২ উয়েফা ইউরো ২০১২ বাছাইপর্ব
৩১ ১৫ নভেম্বর ২০১১ এস্তাদিও দা লুজ, লিসবন, পর্তুগাল  বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা –০ ৬–২ উয়েফা ইউরো ২০১২ বাছাইপর্ব
৩২ –১
৩৩ ১৭ জুন ২০১২ মেটালিস্ট স্টেডিয়াম, খারখিভ, ইউক্রেইন  নেদারল্যান্ডস –১ ২–১ উয়েফা ইউরো ২০১২
৩৪ –১
৩৫ ২১ জুন ২০১২ ন্যাশনাল স্টেডিয়াম, ওয়ারশ, পোল্যান্ড  চেক প্রজাতন্ত্র –০ ১–০ উয়েফা ইউরো ২০১২
৩৬ ১৫ আগস্ট ২০১২ এস্তাদিও আলগার্ভে, ফারো, পর্তুগাল  পানামা –০ ২–০ প্রীতি ম্যাচ
৩৭ ৭ সেপ্টেম্বর ২০১২ স্টেড জোসি বার্থেল, লুক্সেমবার্গ, লুক্সেমবার্গ  লুক্সেমবুর্গ –১ ২–১ ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
৩৮ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ এস্তাদিও ডঃ আফোন্সো হেনরিকজ, গুইমারিয়েজ, পর্তুগাল  ইকুয়েডর –১ ২–৩ প্রীতি ম্যাচ
৩৯ ১০ জুন ২০১৩ স্টেড দে জেনেভে, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড  ক্রোয়েশিয়া –০ ১–০ প্রীতি ম্যাচ
৪০ ১৪ আগস্ট ২০১৩ এস্তাদিও আলগার্ভে, ফারো, পর্তুগাল  নেদারল্যান্ডস –১ ১–১ প্রীতি ম্যাচ
৪১ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ উইন্ডসোর পার্ক, বেলফাস্ট, নর্দান আয়ারল্যান্ড  উত্তর আয়ারল্যান্ড –২ ৪–২ ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
৪২ –২
৪৩ –২
৪৪ ১৫ নভেম্বর ২০১৩ এস্তাদিও দা লুজ, লিসবন, পর্তুগাল  সুইডেন –০ ১–০ ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
৪৫ ১৯ নভেম্বর ২০১৩ ফ্রেন্ডস অ্যারেনা, সোলনা, সুইডেন  সুইডেন –০ ৩–২ ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
৪৬ –২
৪৭ –২
৪৮ ৫ মার্চ ২০১৪ এস্তাদিও ডঃ মেগালহ্যায়েস পেসোয়া, লিয়েরা, পর্তুগাল  ক্যামেরুন –০ ৫–১ প্রীতি ম্যাচ
৪৯ –১
৫০ ২৬ জুন ২০১৪ এস্তাদিও ন্যাশিওন্যাল মানে গ্যারিঞ্চা, ব্রাসিলিয়া  ঘানা –১ ২–১ ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ
৫১ ১৪ অক্টোবর ২০১৪ পারকেন, কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক  ডেনমার্ক –০ ১–০ উয়েফা ইউরো ২০১৬ বাছাইপর্ব
৫২ ১৪ নভেম্বর ২০১৪ এস্তাদিও আ'গার্ভে, ফারো, পর্তুগাল  আর্মেনিয়া –০ ১–০ উয়েফা ইউরো ২০১৬ বাছাইপর্ব

রেকর্ডসমূহ[সম্পাদনা]

(“১২ জুলাই ২০১৪ পর্যন্ত")

বিশ্ব[সম্পাদনা]

  • বিশ্বের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড়[২৩৮]

ইউরোপ[সম্পাদনা]

  • একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ২টি ভিন্ন লীগে খেলে ইউরোপিয়ান ইবনি শু পুরস্কার অর্জন(ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ ও স্প্যানিশ লা লীগা)
  • প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে প্রধান ইউরোপিয়ান লীগগুলোতে এক মৌসুমে ৪০ বা তার অধিক গোল করা।
  • উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে সবচেয়ে বেশি টানা ম্যাচে গোল করা: ৬ ম্যাচ (মারুয়ান চামাক ও বুরাক ইয়ালমাজ এর সাথে মিলিতভাবে)
  • উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের গ্রুপ পর্বে সবচেয়ে বেশি গোল: ৯ গোল
  • উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ১ বছরে সবচেয়ে বেশি গোল: ১৫ গোল, ২০১৩ সালে[২৩৯]

ইংল্যান্ড[সম্পাদনা]

  • ১ মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের জন্য প্রিমিয়ার লীগ গোল্ডেন বুট অর্জন (৩৮ খেলায়): ৩১ গোল ( অ্যালান শিয়ারারের সাথে যৌথভাবে)

স্পেন[সম্পাদনা]

  • লা লীগা ২০ দলে সম্প্রসারণের পর একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে সব দলের বিরুদ্ধে গোল করা[২৪০]
  • প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ৬ এল ক্লাসিকোতে গোল[২৪১]
  • লা লীগায় প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১ মৌসুমে বিপক্ষের মাঠে ২০ গোল করা।[২৪২]
  • লা লীগায় ১৫০ গোল করা দ্রুততম খেলোয়াড়।[২৪৩]

পর্তুগাল[সম্পাদনা]

  • পর্তুগালের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করা খেলোয়াড়: ৫০ গোল
  • পর্তুগালের হয়ে উয়েফা ইউরোতে সবচেয়ে বেশি গোল করা খেলোয়াড়: ৬ গোল (নুনো গোমেজের সাথে যৌথভাবে)
  • ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন্সশীপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা পর্তুগিজ খেলোয়াড়: ( লুইজ ফিগো ও নুনো গোমেজের সাথে যৌথভাবে)
  • বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা পর্তুগিজ খেলোয়াড়: ১১ ম্যাচ (সিমো সাবরোসার সাথে যৌথভাবে)
  • সবচেয়ে কমবয়সী খেলোয়াড় হিসেবে ১০০ ম্যাচ খেলা পর্তুগিজ: ২৭ বছর ৮ মাস ১১ দিন

রিয়াল মাদ্রিদ[সম্পাদনা]

  • ১ মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোল: ৬০ গোল
  • লা লীগার ১ মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোল: ৪৬ গোল
  • উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ১ মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোল: ১২ গোল
  • ১ মৌসুমে সবচেয়ে বেশি হ্যাট্রিক: ৭টি
  • দ্রুততম সময়ে ৫০ লীগ গোল অর্জন[২৪৪]
  • দ্রুততম সময়ে ১০০ লীগ গোল অর্জন[২৪৫]
  • দ্রুততম সময়ে ১৫০ লীগ গোল অর্জন
  • দ্রুততম সময়ে ২০০ গোল অর্জন[২৪৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Cristiano Ronaldo dos Santos Aveiro"। Real Madrid C.F.। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  2. "Revealed: How Cristiano Ronaldo landed record-breaking €105m contract"। Goal.com। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ৪ অক্টোবর ২০১৩ 
  3. "Real Madrid shield Cristiano Ronaldo with €1bn buy-out clause"inside World Soccer। ২৩ জুন ২০০৯। সংগৃহীত ২৭ মার্চ ২০১১ 
  4. "Cristiano Ronaldo" (French ভাষায়)। France Football। ২ ডিসেম্বর ২০০৮। 
  5. "Cristiano Ronaldo: Now I want a third"। FIFA। ১৩ জানুয়ারি ২০১৪। 
  6. "Ronaldo named FIFPro World Player of the Year"। London। Reuters। ২৭ অক্টোবর ২০০৮। আসল থেকে অক্টোবর ৩০, ২০০৮-এ আর্কাইভ করা। 
  7. "Cristiano Ronaldo wins World Soccer award"। World Soccer। ১১ ডিসেম্বর ২০০৮। আসল থেকে ডিসেম্বর ১৪, ২০০৮-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১২ মে ২০১১ 
  8. ""Onze Mondial" Awards"। Rec.Sport.Soccer Statistics Foundation। সংগৃহীত ১২ মে ২০১১ 
  9. ৯.০ ৯.১ "Ronaldo makes history scoring against every La Liga team"। footballzz.com। সংগৃহীত ১৪ মে ২০১২ 
  10. "Cristiano Ronaldo passes 300 club goals with treble against Getafe"The Times of Indiaআসল থেকে জানুয়ারি ২৭, ২০১৩-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩ 
  11. "Cristiano Ronaldo passes 300-goal mark"। sportsmole.co.uk। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩ 
  12. ১২.০ ১২.১ "Cristiano Ronaldo reaches 400-goal milestone and dedicates achievement to Eusébio after Real Madrid win"The Daily Telegraph। ৭ জানুয়ারি ২০১৪। সংগৃহীত ১৩ জানুয়ারি ২০১৪ 
  13. ১৩.০ ১৩.১ "Cristiano Ronaldo Biography"। christianoronaldo101.com। সংগৃহীত ২০০৭-০৪-১৬ 
  14. "Sporting – Sociedade Desportiva de Futebol, SAD, announces sale of the sporting rights of the player informa Cristiano Ronaldo"Sporting CP (Portuguese ভাষায়) (Published by Portuguese Securities Market Commission)। ১২ আগস্ট ২০০৩। সংগৃহীত ৯ নভেম্বর ২০১০ 
  15. "Cristiano Ronaldo"। Sky Sports। সংগৃহীত ১৮ জুন ২০০৭ 
  16. Beauchamp, Eric; Spanton, Tim (১২ এপ্রিল ২০০৭)। "I never wanted the No7 shirt"The Sun (London)। সংগৃহীত ১৬ এপ্রিল ২০০৭ 
  17. "Man Utd win FA Cup"। BBC Sport। ২২ মে ২০০৪। সংগৃহীত ২৬ জানুয়ারি ২০১১ 
  18. "Middlesbrough 4–1 Man Utd"। BBC Sport। ২৯ অক্টোবর ২০০৫। সংগৃহীত ১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  19. Ley, John (১০ নভেম্বর ২০১০)। "Top 10: Manchester derbies"The Daily Telegraph (London)। 
  20. "Man Utd ease to Carling Cup glory"। BBC Sport। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৬। সংগৃহীত ২৬ জানুয়ারি ২০১১ 
  21. Henry Winter, The Daily Telegraph, Sport, 29 Aug 2013, The secrets behind the development of Real Madrid's Cristiano Ronaldo, revealed by Rene Meulensteen
  22. "Ronaldo lands back-to-back accolades"। inthenews.com। ১১ জানুয়ারি ২০০৭। সংগৃহীত ১২ জানুয়ারি ২০০৭ 
  23. "Ronaldo wins monthly award again"। BBC Sport। ১১ জানুয়ারি ২০০৭। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১০ 
  24. "Real ready to offer £54m to secure Ronaldo"। The Guardian। ২০০৭-০৪-১২। সংগৃহীত ২০০৭-০৪-১৫ 
  25. "Ferguson lets rip at Madrid after Ronaldo signs £31m deal"। The Times। ২০০৭-০৪-১৪। সংগৃহীত ২০০৭-০৪-১৬ 
  26. "Ronaldo signs new deal at Man Utd"। BBC। ২০০৭-০৪-১৩। সংগৃহীত ২০০৭-০৪-১৬ 
  27. "Ronaldo secures PFA awards double"। BBC Sport। ২২ এপ্রিল ২০০৭। সংগৃহীত ১ মে ২০০৭ 
  28. Thompson, Gemma (১৫ আগস্ট ২০০৭)। "Ronny fell into Pompey trap"News & Features (Manchester United)। সংগৃহীত ১৭ আগস্ট ২০০৭ 
  29. "Ronaldo pledges to keep his cool"। BBC Sport। ১৫ আগস্ট ২০০৭। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১০ 
  30. McNulty, Phil (২৭ নভেম্বর ২০০৭)। "Man Utd 2–1 Sporting Lisbon"। BBC Sport। সংগৃহীত ৪ ডিসেম্বর ২০০৭ 
  31. "Kaká's year capped by Ballon d'Or"। UEFA। ২ ডিসেম্বর ২০০৭। সংগৃহীত ৩ জুলাই ২০১২ 
  32. "Ronaldo:Going the right way"। FIFA। ১৭ ডিসেম্বর ২০০৭। আসল থেকে ডিসেম্বর ১৮, ২০০৭-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৮ ডিসেম্বর ২০০৭ 
  33. "Man Utd 6–0 Newcastle"। BBC Sport। ১২ জানুয়ারি ২০০৮। সংগৃহীত ১২ জানুয়ারি ২০০৮ 
  34. Mercer, Nathan (১৯ জানুয়ারি ২০০৮)। "Man Utd 0–2 Reading"। BBC Sport। সংগৃহীত ২০ জানুয়ারি ২০০৮ 
  35. "UEFA asked to probe Ronaldo laser incident"। CNN। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। সংগৃহীত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ 
  36. Ledsom, Mark (২০ মার্চ ২০০৮)। "Lyon fined over Champions League laser incident"। Reuters UK। 
  37. Kay, Oliver (২০ মার্চ ২০০৮)। "Cristiano Ronaldo revels in role of Captain Fantastic as United stretch lead"The Times (London)। 
  38. "Best's crown intact until Ronaldo cures his travel sickness"The Guardian (London)। ১ এপ্রিল ২০০৮। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০০৮ 
  39. "ESM Golden Shoe ranking"। European Sports Magazines। ৭ এপ্রিল ২০০৮। আসল থেকে ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০০৭-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ৭ এপ্রিল ২০০৮ 
  40. "Cruyff: Ronaldo, United's best ever"। Press TV। ২ এপ্রিল ২০০৮। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০০৮ 
  41. "UEFA Fans' Man of the Match"। UEFA। 
  42. "Ronaldo breaks silence"। Sky Sports। ৫ জুন ২০০৮। সংগৃহীত ৫ জুন ২০০৮ 
  43. "Real reported over Ronaldo link"। BBC Sport। ৯ জুন ২০০৮। সংগৃহীত ৯ জুন ২০০৮ 
  44. "FIFA to take no action over Ronaldo complaint"। FourFourTwo। ১৭ জুন ২০০৮। সংগৃহীত ১৭ জুন ২০০৮ 
  45. "I will stay at Man Utd – Ronaldo"। BBC Sport। ৬ আগস্ট ২০০৮। সংগৃহীত ৬ আগস্ট ২০০৮ 
  46. "Ronaldo ankle surgery a 'success'"। BBC Sport। ৭ জুলাই ২০০৮। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১০ 
  47. Hart, Simon (১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮)। "Villarreal return to frustrate United"। UEFA। সংগৃহীত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ 
  48. Wilson, Steve (১৫ নভেম্বর ২০০৮)। "Premier League Round-up: Liverpool and United back to winning ways as Arsenal lose"The Daily Telegraph (London)। সংগৃহীত ৩০ এপ্রিল ২০১০ 
  49. "Stat Attack"। United Review (Manchester United) 70 (11): ৬৫। ১৫ নভেম্বর ২০০৮। 
  50. "Ronaldo scoops Ballon d'Or"। The World Game। ২ ডিসেম্বর ২০০৮। সংগৃহীত ২ ডিসেম্বর ২০০৮ 
  51. "World Club Championship"। FIFA। ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০০৯ 
  52. "Ronaldo involved in Ferrari crash"। BBC News। ৮ জানুয়ারি ২০০৯। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০০৯ 
  53. "Ronaldo named Fifa player of 2008"। BBC Sport। ১২ জানুয়ারি ২০০৯। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১০ 
  54. McNulty, Phil (১১ মার্চ ২০০৯)। "Man Utd 2–0 Inter Milan (agg 2–0)"। BBC Sport। সংগৃহীত ১১ মার্চ ২০০৯ 
  55. "Ronaldo's 'incredible, fantastic' goal"। FIFA। ২১ ডিসেম্বর ২০০৯। আসল থেকে ডিসেম্বর ২৪, ২০০৯-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৫ জানুয়ারি ২০১১ 
  56. Fletcher, Paul (১৫ এপ্রিল ২০০৯)। "FC Porto 0–1 Man Utd (agg 2–3)"। BBC Sport। সংগৃহীত ১৫ এপ্রিল ২০০৯ 
  57. "Ronaldo stunner thrills Ferguson"। BBC Sport। ১৫ এপ্রিল ২০০৯। সংগৃহীত ১৫ এপ্রিল ২০০৯ 
  58. "Man Utd accept £80m Ronaldo bid"। BBC Sport। ১১ জুন ২০০৯। সংগৃহীত ১১ জুন ২০০৯ 
  59. "Glazers to fund Fergie spree"Sky Sports (BSkyB)। ১২ জুন ২০০৯। সংগৃহীত ১২ জুন ২০০৯ 
  60. "Ronaldo vows to justify price tag"। BBC Sport। ৪ জুলাই ২০০৯। সংগৃহীত ৪ জুলাই ২০০৯ 
  61. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; bio নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  62. Ogden, Mark (১১ জুন ২০০৯)। "Cristiano Ronaldo transfer: Real Madrid agree £80 million fee with Manchester United"The Daily Telegraph (London)। সংগৃহীত ৫ নভেম্বর ২০১০ 
  63. "Real Madrid and Manchester United seal the transfer of Cristiano Ronaldo"Real Madrid CF। ২৬ জুন ২০০৯। সংগৃহীত ২৬ জুন ২০০৯ 
  64. "Ronaldo agrees six-year Real deal"। BBC Sport। ২৬ জুন ২০০৯। সংগৃহীত ২৭ জুন ২০০৯ 
  65. "Cristiano Ronaldo ya es Real" [Cristiano Ronaldo now is Real]Marca (Spanish ভাষায়)। ২৬ জুন ২০০৯। সংগৃহীত ২৬ জুন ২০০৯ 
  66. "Seen Around the World"। Real Madrid C.F.। ৫ জুন ২০০৯। সংগৃহীত ৫ জুন ২০০৯ 
  67. "Cristiano to wear the number '9'"। Real Madrid CF। ৬ জুন ২০০৯। সংগৃহীত ৬ জুন ২০০৯ 
  68. "Ronaldo aims shot at English game"। BBC Sport। ৬ জুলাই ২০০৯। সংগৃহীত ৬ জুলাই ২০০৯ 
  69. "Cristiano Ronaldo welcomed by 80,000 fans at Real Madrid unveiling"The Guardian (London)। ৬ জুলাই ২০০৯। সংগৃহীত ৬ জুলাই ২০০৯ 
  70. "Cristiano Ronaldo: I'm worth more than £80m Real Madrid paid Manchester United"The Daily Telegraph। ৯ জুলাই ২০০৯। সংগৃহীত ৮ জুলাই ২০১২ 
  71. "Cristiano Ronaldo ya llena el Bernabéu"। rtve.es। ৬ জুলাই ২০০৯। সংগৃহীত ৮ জুলাই ২০১২  (স্পেনীয়)
  72. "Apresentação de Ronaldo em directo"। rtp.pt। ৯ জুলাই ২০০৯। সংগৃহীত ৮ জুলাই ২০১২  (পর্তুগিজ)
  73. "Cristiano Ronaldo scores his first goal at the Bernabéu"। Typicallyspanish.com। ২৯ জুলাই ২০০৯। সংগৃহীত ১২ এপ্রিল ২০১০ 
  74. "Ronaldo in winning start for Real"। BBC Sport। ২৯ আগস্ট ২০০৯। সংগৃহীত ২৯ আগস্ট ২০০৯ 
  75. "Tuesday's Champions League review"। BBC Sport। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯। সংগৃহীত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯ 
  76. "Cristiano makes Real Madrid history"। Real Madrid C.F.। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯। সংগৃহীত ২৫ আগস্ট ২০১০ 
  77. "Cristiano Ronaldo scores and sent off in Real victory"। BBC Sport। ৫ ডিসেম্বর ২০০৯। সংগৃহীত ৫ ডিসেম্বর ২০০৯ 
  78. "New entry in record book"Real Madrid C.F.। ৬ মে ২০১০। সংগৃহীত ৬ মে ২০১০ 
  79. "Cristiano Ronaldo Takes Raul's No.7 Shirt at Real Madrid, Benzema Moves To No.9, Xabi Alonso Takes No.14"। whoateallthepies.tv। ৩ আগস্ট ২০১০। সংগৃহীত ৩ আগস্ট ২০১০ 
  80. "Four-goal Ronaldo shares glory"। : The World Game on SBS। ২৪ অক্টোবর ২০১০। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০১১ 
  81. "Four Real: Ronaldo fires Madrid to top of La Liga"The Sydney Morning Herald। ২৫ অক্টোবর ২০১০। 
  82. "Real Madrid C.F. – Official Web Site – Mr. October"। Real Madrid C.F.। ২৯ অক্টোবর ২০১০। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০১১ 
  83. "Real Madrid C.F. – Official Web Site – Historic drubbing to close out 2010"। Real Madrid C.F.। ২২ ডিসেম্বর ২০১০। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০১১ 
  84. "Ronaldo iguala los registros goleadores de Di Stéfano, Hugo Sánchez y Alday (in Spanish)"। Real Madrid C.F.। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০১১ 
  85. "Cristiano Ronaldo makes club history"। Real Madrid C.F.। ১৪ জানুয়ারি ২০১১। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০১১ 
  86. "Real Madrid C.F. – Official Web Site – Getafe 2–3 Real Madrid"। Real Madrid C.F.। ৩ জানুয়ারি ২০১১। সংগৃহীত ২ এপ্রিল ২০১১ 
  87. Madrid clinch Copa del Rey Sky Sports Retrieved 20 April 2011
  88. "¿Cuál ha sido el mejor gol del Madrid de esta temporada?"Marca। Spain। সংগৃহীত ২৪ জুন ২০১১ 
  89. "Real Madrid C.F. – Official Web Site – Fans decide Cristiano Ronaldo's best goal of the season was his header in the Copa del Rey final"। Real Madrid C.F.। ১৭ জুন ২০১১। সংগৃহীত ২৪ জুন ২০১১ 
  90. "Report: Sevilla FC v Real Madrid – Spanish Primera División – ESPN Soccernet"। ESPN FC। ৭ মে ২০১১। সংগৃহীত ৩ আগস্ট ২০১১ 
  91. "Pepe's goal is awarded to Cristiano Ronaldo"Marca (Spanish ভাষায়) (Spain)। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১০। সংগৃহীত ৪ ডিসেম্বর ২০১০ 
  92. "Choosing the world's best starting lineup: It's all about movement"। sportsillustrated.cnn.com/। ২০ জুন ২০১১। সংগৃহীত ২২ এপ্রিল ২০১২ 
  93. "Cristiano Ronaldo stats"। Ronaldo7.net। ২১ মে ২০১১। সংগৃহীত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  94. "2011-07-16: LA Galaxy vs. Real Madrid"MLSsoccer.com। ১৬ জুলাই ২০১১। সংগৃহীত ১৮ জুলাই ২০১১ 
  95. "HIGHLIGHTS: LA vs Real Madrid"MLSsoccer.com। ১৬ জুলাই ২০১১। সংগৃহীত ২০ জুলাই ২০১১ 
  96. "Report: Real Madrid v Osasuna – Spanish Primera División – ESPN Soccernet"। ESPN FC। ৬ নভেম্বর ২০১১। সংগৃহীত ১০ জুন ২০১২ 
  97. "Madrid and Barca victorious"। ESPN Soccernet। ২৪ মার্চ ২০১১। 
  98. Lowe, Sid (২৫ মে ২০১৩)। "Real Madrid 2–1 Bayern Munich (BM win 3–1 on pens)"The Guardian। সংগৃহীত ১ জুন ২০১৩ 
  99. "Cristiano Ronaldo: I think I'm better than Messi at the moment"। Goal.com। ১৮ মে ২০১২। সংগৃহীত ১১ জুন ২০১২ 
  100. "3–2: The Supercup to be decided in Madrid"। Real Madrid C.F.। ২৩ আগস্ট ২০১২। সংগৃহীত ৩০ আগস্ট ২০১২ 
  101. Duff, Alex (৩০ আগস্ট ২০১২)। "Real Madrid Beats Barcelona 2–1 to Win Spanish Soccer Super Cup"। Bloomberg। সংগৃহীত ৩০ আগস্ট ২০১২ 
  102. "Man City offered 200 million for Cristiano this summer"। AS.com। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ 
  103. "Cristiano Ronaldo, finalist for UEFA Best Player"। Real Madrid CF। ১৪ আগস্ট ২০১২। সংগৃহীত ১৫ আগস্ট ২০১২ 
  104. "Cristiano Ronaldo scores 150th Real Madrid goal against Granada"। Goal.com। ২ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগৃহীত ১৪ জানুয়ারি ২০১৪ 
  105. "'I didn't celebrate because I'm unhappy' – Cristiano Ronaldo makes shock claim after Madrid win"। Goal.com। ২ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  106. "'I already knew about Cristiano Ronaldo's statements and they don't surprise me' – Jorge Mendes"। Goal.com। ৩ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  107. "Cristiano Ronaldo: Real Madrid sadness nothing to do with money"। Goal.com। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  108. "Perez: Ronaldo doesn't want to leave Real Madrid"। Goal.com। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  109. "I'm focused on winning with Real Madrid, insists Ronaldo"। Goal.com। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  110. "Mourinho: If Ronaldo is sad but plays like he does, that's perfect for me"। Goal.com। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ১৩ অক্টোবর ২০১২ 
  111. "Cristiano Ronaldo had a reason to be upset, says Mourinho"। Goal.com। ৬ অক্টোবর ২০১২। সংগৃহীত ১৩ অক্টোবর ২০১২ 
  112. "Real Madrid 3–2 Man City: Ronaldo rocking"। Goal.com। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২১ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  113. "R. Madrid 5–1 Deportivo: Ronaldo hat trick"। Goal.com। ১৬ জুন ২০১০। সংগৃহীত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১২ 
  114. "Ajax 1–4 Real Madrid: Ronaldo hat trick"। Goal.com। ৩ অক্টোবর ২০১২। সংগৃহীত ১৩ অক্টোবর ২০১২ 
  115. Rogers, Iain (৭ অক্টোবর ২০১২)। "Messi, Ronaldo trade blows in 2–2 Clasico draw"। Yahoo!। সংগৃহীত ১৩ অক্টোবর ২০১২ 
  116. Ingle, Sean (২৪ অক্টোবর ২০১২)। "Borussia Dortmund 2–1 Real Madrid: as it happened"The Guardian। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  117. "Real Mallorca 0–5 Real Madrid"The Guardian। ২৯ অক্টোবর ২০১২। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  118. "Match Report: Levante 1–2 Real Madrid"। Goal.com। ১১ নভেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২৮ নভেম্বর ২০১২ 
  119. "Mourinho: "I hadn’t won here before and they are three extremely important points""। Real Madrid C.F.। ১১ নভেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২৮ নভেম্বর ২০১২ 
  120. "Cristiano Ronaldo will not play for Portugal"। Real Madrid C.F.। ১২ নভেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২৮ নভেম্বর ২০১২ 
  121. "How to stop Ronaldo? Call the police, suggests Manchester City boss Mancini"। Goal.com। ২০ নভেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২৮ নভেম্বর ২০১২ 
  122. "Real Madrid 2–0 Atletico: CR7 inspires"। Goal.com। ১ ডিসেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ৯ ডিসেম্বর ২০১২ 
  123. "Real Madrid will not sell Cristiano Ronaldo at any price"। AS.com। ১৯ ডিসেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ 
  124. "Real Madrid will not sell Cristiano Ronaldo"। Inside Spanish Football। ১৯ ডিসেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ 
  125. "Cristiano will not accept Real Madrid's offer of a new contract"। AS.com। ২৭ ডিসেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ 
  126. "Madrid confident Cristiano Ronaldo will stay but coy about José Mourinho"The Guardian। ২২ এপ্রিল ২০১৩। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  127. "Mourinho: Ronaldo renewal would be a boost for Madrid"। Goal.com। ২৪ এপ্রিল ২০১৩। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  128. "Real Madrid rule out sale of former Manchester United star Cristiano Ronaldo"। ESPN.co.uk। ২৮ মে ২০১৩। সংগৃহীত ১ জুন ২০১৩ 
  129. "Cristiano Ronaldo not for sale – even for €1bn"। GiveMeSport। ৩০ মে ২০১৩। সংগৃহীত ১ জুন ২০১৩ 
  130. "Real Madrid 4–3 Sociedad: Ronaldo brace"। Goal.com। ৬ জানুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ 
  131. "Casillas refuses Ronaldo's offer of the captain's armband: Bizarre or touching?"। 101greatgoals.com। ৬ জানুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ 
  132. Marioni, Massimo (৭ জানুয়ারি ২০১৩)। "Iker Casillas rejects captain's armband gesture from Cristiano Ronaldo"Metro। UK। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ 
  133. "Ronaldo will miss Osasuna clash"। Inside Spanish Football। ৭ জানুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ 
  134. "Messi crowned world's best for record fourth time"। CNN। ৮ জানুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  135. "Cristiano Ronaldo scores hat-trick as Real Madrid thrash Celta Vigo"The Guardian। ৯ জানুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ 
  136. "Ronaldo tells Mourinho: "I put everything into it for you. You're wrong to criticise me""Marca (Spain)। ১৯ জানুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ 
  137. "Ronaldo hurt and disappointed with José Mourinho"। AS.com। ১৮ জানুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ 
  138. "Ronaldo scores 300th club goal"Independent Online। South Africa। ২৭ জানুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  139. Lowe, Sid (৩০ জানুয়ারি ২০১৩)। "Real Madrid 1–1 Barcelona Copa del Rey semi-final first leg match report"The Guardian। সংগৃহীত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  140. "Granada 1–0 Real Madrid La Liga match report"The Guardian। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  141. "Real Madrid 4–1 Sevilla La Liga match report"The Guardian। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  142. Lowe, Sid (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "Cristiano Ronaldo rises to big occasion with impeccable timing"The Guardian। সংগৃহীত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  143. Lowe, Sid (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "Barcelona 1–3 Real Madrid (Real win 4–2 on agg)"The Guardian। সংগৃহীত ১৩ মার্চ ২০১৩ 
  144. Taylor, Daniel (৫ মার্চ ২০১৩)। "Nani's red card opens door and Real Madrid defeat Manchester United"The Guardian। সংগৃহীত ৬ মার্চ ২০১৩ 
  145. Jackson, Jamie (৬ মার্চ ২০১৩)। "Cristiano Ronaldo 'sad' after his goal knocks out Manchester United"The Guardian। সংগৃহীত ১৩ মার্চ ২০১৩ 
  146. Caferoglu, Livio (৫ মার্চ ২০১৩)। "Ronaldo admits 'strange feeling' after eliminating Man Utd from Champions League"। Goal.com। সংগৃহীত ১৩ মার্চ ২০১৩ 
  147. "Cristiano Ronaldo double sends Real Madrid above Atlético in La Liga"The Guardian। ১০ মার্চ ২০১৩। সংগৃহীত ১৩ মার্চ ২০১৩ 
  148. ১৪৮.০ ১৪৮.১ "Cristiano Ronaldo enters Top 25 La Liga goalscorers of all time"। AS.com। ১৬ মার্চ ২০১৩। সংগৃহীত ২৫ মার্চ ২০১৩ 
  149. "Real Madrid 5–2 Real Mallorca La Liga match report"The Guardian। ১৭ মার্চ ২০১৩। সংগৃহীত ২৫ মার্চ ২০১৩ 
  150. Rigg, Zac Lee (৪ এপ্রিল ২০১৩)। "Real Madrid ties up loose ends early against Galatasaray"। Aol.sportingnews.com। সংগৃহীত ২০ এপ্রিল ২০১৩ 
  151. "Galatasaray 3–2 Real Madrid (agg 3–5)"The Guardian। ৯ এপ্রিল ২০১৩। সংগৃহীত ২০ এপ্রিল ২০১৩ 
  152. Lowe, Sid (২৪ এপ্রিল ২০১৩)। "Borussia Dortmund 4–1 Real Madrid Champions League semi-final first leg match report"The Guardian। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  153. "Atlético Madrid 1–2 Real Madrid"The Guardian। ২৭ এপ্রিল ২০১৩। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  154. Lowe, Sid (৩০ এপ্রিল ২০১৩)। "Real Madrid 2–0 Borussia Dortmund Champions League semi-final, second leg match report"The Guardian। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  155. "Real Madrid 4–3 Valladolid"The Guardian। ৪ মে ২০১৩। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  156. "Cristiano Ronaldo return to Manchester United: David Gill flies to Madrid to talk to super-agent"Daily Mail। ৮ মে ২০১৩। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  157. Lowe, Sid (৯ মে ২০১৩)। "Cristiano Ronaldo likely to be out of reach for Manchester United"The Guardian। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  158. "Ronaldo resists renewing Real contract but chances of rejoining Manchester United are slim"The Irish Times। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  159. "Cristiano Ronaldo scored his 200th goal for Real Madrid against Malaga"। Real Madrid C.F.। ৮ মে ২০১৩। সংগৃহীত ১০ মে ২০১৩ 
  160. "Cristiano Ronaldo scored his 55th goal this season"। Real Madrid C.F.। ১৮ মে ২০১৩। সংগৃহীত ১ জুন ২০১৩ 
  161. "Ronaldo Red Card: Real Madrid Star Scores Opening Goal In Copa Del Rey Final, Gets Sent Off"Huffington Post। ১৭ মে ২০১৩। সংগৃহীত ২৪ মে ২০১৩ 
  162. "Mourinho, Ronaldo get two-match bans for Cup final reds"The Guardian। ২১ এপ্রিল ২০০৮। সংগৃহীত ২৪ মে ২০১৩ 
  163. "Cristiano Ronaldo"। Facebook। সংগৃহীত ৯ জুন ২০১৩ 
  164. Purnell, Gareth (১২ জুন ২০১৩)। "Monaco set to make world record £85m bid for Real Madrid's Cristiano Ronaldo"The Independent। সংগৃহীত ৮ জুলাই ২০১৩ 
  165. Ogden, Mark (৯ জুলাই ২০১৩)। "Real Madrid want to make Cristiano Ronaldo the highest-paid player in the world and frustrate Manchester United"The Daily Telegraph (London)। সংগৃহীত ১৩ জুলাই ২০১৩ 
  166. Higounet, Alexandre (১৩ জুলাই ২০১৩)। "AS Monaco: Rencontre Ronaldo-Rybolovlev"। Le10Sport। সংগৃহীত ১৩ জুলাই ২০১৩ 
    "French claim Cristiano met with Monaco owner"Marca (Spain)। ১৩ জুলাই ২০১৩। সংগৃহীত ১৩ জুলাই ২০১৩ 
  167. Taylor, Daniel (২৪ আগস্ট ২০১৩)। "Cristiano Ronaldo tells Manchester United he is keen on a return to club"The Guardian। সংগৃহীত ১৪ অক্টোবর ২০১৩ 
  168. "Cristiano Ronaldo confident he will renew his contract at Real Madrid"The Guardian। ৮ জুন ২০১৩। সংগৃহীত ৯ জুন ২০১৩ 
  169. "Cristiano Ronaldo 'missing Manchester United' but rules out quick return"The Guardian। ৩ জুলাই ২০১৩। সংগৃহীত ৮ জুলাই ২০১৩ 
  170. "Cristiano Ronaldo made his 200th competitive appearance for Real Madrid against Betis"। Real Madrid C.F.। সংগৃহীত ১৮ আগস্ট ২০১৩ 
  171. "Cristiano Ronaldo ends his goal drought"Marca (Spain)। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  172. "Cristiano Ronaldo signed a new contract with Real Madrid"। Real Madrid CF। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  173. "Revealed: How Cristiano Ronaldo landed record-breaking €105m contract"। Goal.com। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩। 
  174. "Ronaldo scored Hat-trick against Galatasaray"। Goal.com। সংগৃহীত ২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  175. "Cristiano Ronaldo passed Hugo Sánchez's record and now ranks fifth as the best goal scorer in Real Madrid history"। Real Madrid C.F.। সংগৃহীত ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  176. "Cristiano Ronaldo scored against Copenhagen in his 100th game in the European competition"। Real Madrid C.F.। ২ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ৪ অক্টোবর ২০১৩ 
  177. "Cristiano Ronaldo is the first player from the big five leagues to score 50 goals in 2013"। Real Madrid C.F.। ৭ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ১৪ অক্টোবর ২০১৩ 
  178. "Ronaldo closes in on Van Nistelrooy and all-time Champions League top scorers –"। Goal.com। ২৩ অক্টোবর ২০১৩। 
  179. "CR7 scores his seventh Champions League goal – ''Marca'' (English version)"Marca। Spain। ২৩ অক্টোবর ২০১৩। 
  180. "Gareth Bale: Wales international scores twice in Real win"। BBC। 
  181. "Sepp Blatter's biggest controversies – Infuriates Ronaldo with 'hairdresser' jibe –"। Goal.com। ১ নভেম্বর ২০১৩। 
  182. "Cristiano Ronaldo: Sepp Blatter's apology to Real Madrid"। BBC। ২৯ অক্টোবর ২০১৩। 
  183. 4 de noviembre de 2013 0:02h (৪ নভেম্বর ২০১৩)। "Insatiable Cristiano reaches a century on the road"। As.com। 
  184. "Ronaldo breaks Messi's record for Champions League goals in a calendar year"। Goal.com। ৫ নভেম্বর ২০১৩। 
  185. 9 de noviembre de 2013 h (৯ নভেম্বর ২০১৩)। "CR7: 19 league hat-tricks and 20 goals from free-kicks"। As.com। 
  186. "Ronaldo: This is the form of my life"Yahoo Sport। সংগৃহীত ২৭ নভেম্বর ২০১৩ 
  187. "Cristiano Ronaldo Injury: Updates on Real Madrid Star's Status"। Bleacherreport.com। 
  188. "Cristiano Ronaldo says he is ready to return for Real Madrid after injury"The Guardian। Reuters। 
  189. "Cristiano Ronaldo broke the Champions League group stage goal-scoring record"। Real Madrid C.F.। ১০ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ১০ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  190. "2013 Calendar Year Goals – Messi VS Ronaldo | Messi 2013 Calendar Year Goals, Ronaldo 2013 Calendar Year Goals"। Messi VS Ronaldo। 
  191. "Cristiano Ronaldo's goal-den 2013, month by month"Marca। Spain। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩। 
  192. 23 de diciembre de 2013 h (২৩ ডিসেম্বর ২০১৩)। "CR7 becomes Madrid's fourth top scorer in the league"। AS.com। 
  193. "Ronaldo deserves the Ballon d'Or, says Ancelotti"। Yahoo Sports। ১১ জানুয়ারি ২০১৪। সংগৃহীত ১২ জানুয়ারি ২০১৪ 
  194. "Cristiano Ronaldo reaches 400 career goals with Celta double"। Goal.com। ৬ জানুয়ারি ২০১৪। 
  195. "Ballon d'Or: Cristiano Ronaldo beats Lionel Messi and Ribery"। BBC Sport। ১৩ জানুয়ারি ২০১৪। 
  196. "Ronaldo joins Messi, Platini and elite list of multiple Ballon d'Or winners"। Goal। ১৪ জানুয়ারি ২০১৪। 
  197. "Cristiano Ronaldo bursts into tears after winning Ballon d'Or"inside World Soccer। ১৪ জানুয়ারি ২০১৪। 
  198. "Ronaldo, third Ballon d'Or 100% made in Real"Marca। ১৪ জানুয়ারি ২০১৪। 
  199. "Cristiano Ronaldo is 2013 Ballon D'Or Winner"Marca (Spain)। ১৩ জানুয়ারি ২০১৪। 
  200. "Ronaldo: "I want to be one of the best ever""Marca (Spain)। ১৩ জানুয়ারি ২০১৪। 
  201. "Ronaldo must now be considered an all-time great after second Ballon d'Or win"। Goal। ১৩ জানুয়ারি ২০১৪। 
  202. "Ballon d'Or: Ronaldo rewarded for making miraculous mundane"। The Guardian। ১৪ জানুয়ারি ২০১৪। 
  203. "Cristiano Ronaldo deserved the Ballon d'Or but must target WC now"। IBN Live। ১৪ জানুয়ারি ২০১৪। 
  204. Collett, Mike। "Scolari delighted with Portugal victory over Brazil"। The Guardian। 
  205. "Ronaldo intends to leave Man Utd"। BBC। ২০০৬-০৭-০৮। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-০৮ 
  206. "Cristiano Ronaldo plans Real move"। Reuters। ২০০৬-০৬-২৮। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  207. Luis Arroyave (২০০৬-০৭-০২)। "Beckham gives up armband"। The Chicago Tribune। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  208. "British press bids Eriksson `good riddance'"। Associated Press। ২০০৬-০৭-০২। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  209. Tim Spanton। "Give Ron one in the eye"। The Sun। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  210. Tim Spanton (২০০৬-০৭-০২)। "Ronaldo: I never asked for Rooney red card"। The Sun। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  211. Matt Barlow (২০০৬-০৭-০৪)। "Rooney Thanks Team-mates"। Sporting Life। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-০৬ 
  212. "World-Ronaldo's future at Manchester United in doubt"। Reuters। ২০০৬-০৭-০১। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  213. youtube.com। "Portugal have a Dive"। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-২০ 
  214. Mike Hytner (২০০৬-০৭-০৬)। "Diving threatens to ruin game"। Eurosport। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  215. John Haydon (২০০৬-০৭-০৬)। "Semifinal act"। The Washington Times। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-০৬ 
  216. Martyn Ziegler (২০০৬-০৭-০৫)। "NO FOND FAREWELL FOR SCOLARI"। Sporting Life। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  217. Bruce Crumley (২০০৬-০৭-০৫)। "Hungry to the final whistle"। Time। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-০৬ 
  218. Henry Winter (২০০৫-০৪-১৮)। "Ferguson's men script a showdown"। The Daily Telegraph। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-০৬ 
  219. Roy Collins (২০০৪-০১-১৮)। "Wolves turn the tables on United"। The Daily Telegraph। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-০৬ 
  220. Tim Rich (২০০৫-০৪-১৮)। "Two sent off as United receive history lesson"। The Daily Telegraph। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-০৬ 
  221. "Supporters 'hijack' Ronaldo vote"। BBC। ২০০৬-০৭-০৬। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  222. "Podolski beats Ronaldo to award"। BBC। ২০০৬-০৭-০৭। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  223. "United Won't Listen to Ronaldo Offers"। ESPNsoccernet। ২০০৬-০৭-১২। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১২ 
  224. "Fergie: Ronaldo will be back"। FoxSoccer.com। ২০০৬-০৭-১২। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১৭ 
  225. "Ferguson sends Man Utd No2 Queiroz to Ronaldo meeting"। Tribal Football। ২০০৬-০৭-১১। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১১ 
  226. "Rooney pleads with Ronaldo not to quit Man Utd"। Tribal Football। ২০০৬-০৭-০৯। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১১ 
  227. "Ronaldo will not face rape charge"। BBC। ২০০৫-১১-২৪। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  228. "Cristiano Ronaldo Confirms Irina Shayk Breakup: We Believed It Would Be Best for Both of Us"। E Online। সংগৃহীত ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ 
  229. "Cristiano Ronaldo: "United can win the title""। FIFA.com। ২০০৫-০২-২৮। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  230. Dyah Ayu Wanodyasari (২০০৫-০৬-২৭)। "Revisit the Tsunami Victim: a Little Miracle for Little Martunis"। Blogcritics.org। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  231. "Ronaldo will wait on United deal."। Soccernet। ২০০৫-০৬-২৩। সংগৃহীত ২০০৬-০৭-১০ 
  232. "FIFPro Young Player Fan Award, 2005"। fifpro.org। 
  233. "FIFPro Young Player Fan Award, 2006"। fifpro.org। 
  234. "The World's Best Top Goal Scorer 2013"। iffhs.de। 
  235. "Cristiano Ronaldo dos Santos Aveiro"Real Madrid C.F.। সংগৃহীত ১৫ মে ২০১৩ 
  236. "Cristiano Ronaldo Bio, Stats, News – Football / Soccer – – ESPN Soccernet"। ESPN Soccernet। সংগৃহীত ১৫ মে ২০১৩ 
  237. National-Football-Teams.com-এ Ronaldo ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো
  238. "Bale's transfer fee revealed"। FIFA। Agence France-Presse। ১৫ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ১৪ জানুয়ারি ২০১৪ 
  239. "Ronaldo sets Champions League goals record"। Futaa.com। 
  240. "Jose Mourinho, Real Madrid earn vindication after La Liga conquest – La Liga News | FOX Sports on MSN"। Msn.foxsports.com। ১৩ মে ২০১২। সংগৃহীত ১৯ আগস্ট ২০১২ 
  241. "Cristiano Ronaldo is the first player to score in six consecutive Clasicos"। ৮ অক্টোবর ২০১২। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১৩ 
  242. "Insaciable Cristiano"Marca (Spain)। ১২ এপ্রিল ২০১২। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১৩ 
  243. "Cristiano Ronaldo is the player who hits the 150 goal mark the fastest in Liga history"। Real Madrid C.F.। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১৩ 
  244. "Ronaldo makes Real Madrid history"। Real Madrid C.F.। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১৩ 
  245. "Fastest player to score 100 goals in La Liga with Real Madrid"। Real Madrid C.F.। ২৫ মার্চ ২০১২। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১৩ 
  246. "Cristiano Ronaldo scored his 200th goal for Real Madrid against Malaga"। Real Madrid C.F.। ৮ মে ২০১৩। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১৩ 

বহিঃসূত্র[সম্পাদনা]

পুরস্কার
পূর্বসূরী
নেই
ফিফপ্রো বিশেষ বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড়
২০০৫, ২০০৬
উত্তরসূরী
নেই
পূর্বসূরী
ওয়েইন রুনি
পিএফএ বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড়
২০০৭
উত্তরসূরী
নেই
পূর্বসূরী
স্টিভেন জেরার্ড
পিএফএ বর্ষসেরা খেলোয়াড়
২০০৭
উত্তরসূরী
নেই
পূর্বসূরী
ওয়েইন রুনি
পিএফএ সমর্থক রায়ে বর্ষসেরা খেলোয়াড়
২০০৭
উত্তরসূরী
নেই
পূর্বসূরী
রিকার্দো কোয়ারেজমা
পর্তুগিজ বর্ষসেরা ফুটবলার
২০০৭
উত্তরসূরী
নেই
পূর্বসূরী
থিয়েরি অঁরি
ফুটবল লেখক সংস্থা পুরস্কার
২০০৭
উত্তরসূরী
নেই