স্পোর্ট লিসবোয়া বেনফিকা
| পূর্ণ নাম | স্পোর্ট লিসবোয়া ই বেনফিকা | |||
|---|---|---|---|---|
| ডাকনাম | As Águias (ঈগল) Os Encarnados (লাল) O Glorioso (এক গৌরব) | |||
| প্রতিষ্ঠিত | ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯০৪ স্পোর্ট লিসবোয়া হিসেবে | |||
| মাঠ | এস্তাদিও দা লুজ লিসবন, পর্তুগাল | |||
| ধারণক্ষমতা | ৬৪,৬৪২[১] | |||
| সভাপতি | লুইস ফিলিপে ভিয়েইরা | |||
| প্রধান কোচ | জর্জ জেসুস | |||
| লিগ | প্রিমেইরা লিগা | |||
| ২০১৯–২০ | ২য় | |||
| ওয়েবসাইট | ক্লাব ওয়েবসাইট | |||
|
| ||||
স্পোর্ট লিসবোয়া বেনফিকা সিওএমসি এমএইচআইএইচ ওএম (পর্তুগিজ উচ্চারণ: [sɨˈpɔɾ liʒˈboɐ i βɐ̃jˈfikɐ]; শুধুমাত্র বেনফিকা নামে সুপরিচিত) হলো পর্তুগালের লিসবনে অবস্থিত একটি পেশাদার ফুটবল ক্লাব, যেটি পর্তুগাল ফুটবলের শীর্ষ স্তর প্রিমেইরা লিগায় প্রতিযোগিতা করে।
১৯৮৪ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি তারিখে স্পোর্ট লিসবোয়া নামে প্রতিষ্ঠিত বেনফিকা পর্তুগালের জনপ্রিয় "বিগ থ্রি" ক্লাবের মধ্যে অন্যতম। বিগ থ্রি তথা বেনফিকা, স্পোর্টিং সিপি এবং পোর্তোর প্রিমেইরা লিগা থেকে কখনো অবনমিত না হওয়া তিনটি। এই ক্লাবের শার্টের রঙ এবং ক্লাবের চিহ্ন অনুযায়ী এই ক্লাবকে ঈগল (As Águias) এবং লাল (Os Encarnados) বলে ডাকা হয়। ২০০৩ সাল থেকে তারা পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অবস্থিত এস্তাদিও দা লুজে তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করছে, এর পূর্বে তারা ১৯৫৪ সালে নির্মিত এস্তাদিও দা লুজ স্টেডিয়ামটি ব্যবহার করেছিল। বেনফিকা সবচেয়ে বেশি সমর্থিত পর্তুগিজ ক্লাব এবং ইউরোপীয় ক্লাবের মধ্যে একটি। এই ক্লাবের প্রায় ২,৩০,০০০ সদস্যের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ১৪০ লক্ষ ভক্ত বা সমর্থক রয়েছে।[২][৩][৪] এই ক্লাবের সংগীত, "সের বেনফিকিস্তা", বেনফিকার সমর্থকদের নির্দেশ করে, যাদের বেনফিকিস্তাস বলে ডাকা হয়। "ই প্লুরিবুস উনুম" হচ্ছে এই ক্লাবের মূলমন্ত্র।
ফিফা শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ ক্লাবের তালিকায় বেনফিকা দ্বাদশ স্থান অধিকার করেছে[৫] এবং আইএফএফএইচএস ২০শ শতাব্দীর শীর্ষ ২০০ ইউরোপীয় ক্লাবের তালিকায় ৯ম স্থান অধিকার করেছে।[৬] বর্তমানে বেনফিকা উয়েফার সর্বকালের ক্লাব র্যাঙ্কিংয়ে ৮ম স্থানে (১১ই মার্চ ২০২০ অনুযায়ী)[৭] এবং উয়েফা গুণাঙ্কে ২০তম স্থানে রয়েছে।[৮] বেনফিকা ইউরোপীয় কাপ/উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (৩৯) বার অংশগ্রহণ করেছে (২০১৯–২০ মৌসুম পর্যন্ত)।[৭] এই প্রতিযোগিতায়, তারা ১৯৬৫–৬৬ মৌসুমে, সর্বাধিক সামগ্রিক গোলের রেকর্ড অর্জন করেছে, যা বর্তমান পর্যন্ত বলবৎ রয়েছে।
খেলোয়াড়
[সম্পাদনা]বর্তমান দল
[সম্পাদনা]- ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত।[৯]
টীকা: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফার যোগ্যতার নিয়মের অধীনে নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।
|
|
অর্জন
[সম্পাদনা]ঘরোয়া
[সম্পাদনা]- চ্যাম্পিয়ন (৩৭) – রেকর্ড: ১৯৩৫–৩৬, ১৯৩৬–৩৭, ১৯৩৭–৩৮, ১৯৪১–৪২, ১৯৪২–৪৩, ১৯৪৪–৪৫, ১৯৪৯–৫০, ১৯৫৪–৫৫, ১৯৫৬–৫৭, ১৯৫৯–৬০, ১৯৬০–৬১, ১৯৬২–৬৩, ১৯৬৩–৬৪, ১৯৬৪–৬৫, ১৯৬৬–৬৭, ১৯৬৭–৬৮, ১৯৬৮–৬৯, ১৯৭০–৭১, ১৯৭১–৭২, ১৯৭২–৭৩, ১৯৭৪–৭৫, ১৯৭৫–৭৬, ১৯৭৬–৭৭, ১৯৮০–৮১, ১৯৮২–৮৩, ১৯৮৩–৮৪, ১৯৮৬–৮৭, ১৯৮৮–৮৯, ১৯৯০–৯১, ১৯৯৩–৯৪, ২০০৪–০৫, ২০০৯–১০, ২০১৩–১৪, ২০১৪–১৫, ২০১৫–১৬, ২০১৬–১৭, ২০১৮–১৯
- চ্যাম্পিয়ন (২৬) – রেকর্ড: ১৯৩৯–৪০, ১৯৪২–৪৩, ১৯৪৩–৪৪, ১৯৪৮–৪৯, ১৯৫০–৫১, ১৯৫১–৫২, ১৯৫২–৫৩, ১৯৫৪–৫৫, ১৯৫৬–৫৭, ১৯৫৮–৫৯, ১৯৬১–৬২, ১৯৬৩–৬৪, ১৯৬৮–৬৯, ১৯৬৯–৭০, ১৯৭১–৭২, ১৯৭৯–৮০, ১৯৮০–৮১, ১৯৮২–৮৩, ১৯৮৪–৮৫, ১৯৮৫–৮৬, ১৯৮৬–৮৭, ১৯৯২–৯৩, ১৯৯৫–৯৬, ২০০৩–০৪, ২০১৩–১৪, ২০১৬–১৭
- চ্যাম্পিয়ন (৩): ১৯২৯–৩০, ১৯৩০–৩১, ১৯৩৪–৩৫
ইউরোপীয়
[সম্পাদনা]অন্যান্য
[সম্পাদনা]- চ্যাম্পিয়ন (১): ১৯৫০
- চ্যাম্পিয়ন (৩) – যৌথ রেকর্ড: ১৯৬৩–৬৪, ১৯৬৫–৬৬, ১৯৭০–৭১
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Tipologia de lugares" [Seating typology] (পিডিএফ)। CMVM (পর্তুগিজ ভাষায়)। S.L. Benfica। ১৪ এপ্রিল ২০১৬। পৃ. ৮১। ১৭ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ "Classic club: Eagles ready to take flight"। FIFA। ৩০ জুন ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫।
- ↑ Pereira 2009, পৃ. 220–221।
- ↑ Palma, Irene (২৯ এপ্রিল ২০০৫)। "Benfica: 6 milhões de adeptos em Angola e Moçambique, 14 milhões no Mundo" [Benfica: 6 million supporters in Angola and Mozambique, 14 million worldwide]। Maisfutebol (পর্তুগিজ ভাষায়)। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০১৬।
- ↑ "The FIFA Club of the Century" (পিডিএফ)। FIFA। ২৩ এপ্রিল ২০০৭ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Europe's Club of the Century"। IFFHS। ১০ সেপ্টেম্বর ২০০৯। ৫ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০১৪।
- 1 2 "2019–20 UEFA Champions League statistics handbook – All-time records 1955–2019" (পিডিএফ)। UEFA। পৃ. ১।
- ↑ "Member associations – UEFA rankings – Club coefficients"। UEFA। সংগ্রহের তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "First team squad information"। S.L. Benfica। ১১ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৯।
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- Oliveira, Mário Fernando de; Silva, Carlos Rebelo da (১৯৫৪)। História do Sport Lisboa e Benfica (1904–1954) [History of Sport Lisboa e Benfica (1904–1954)] (পর্তুগিজ ভাষায়)। Lisbon, Portugal।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক) - Perdigão, Carlos (২০০৪)। Sport Lisboa e Benfica: 100 gloriosos anos [Sport Lisboa e Benfica: 100 glorious years] (পর্তুগিজ ভাষায়)। Matosinhos, Portugal: QuidNovi। আইএসবিএন ৯৮৯-৫৫৪-০৯৯-X।
- Pereira, Luís Miguel (নভেম্বর ২০০৯)। Bíblia do Benfica [Benfica Bible] (পর্তুগিজ ভাষায়) (7th সংস্করণ)। Carcavelos, Portugal: Prime Books। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৯-৬৫৫-০০৫-৯।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Tovar, Rui Miguel (২০১৪)। Almanaque do Benfica (1904–2014) [Benfica Almanac (1904–2014)] (পর্তুগিজ ভাষায়) (2nd সংস্করণ)। Alfragide, Portugal: Lua de Papel। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৯-২৩-২৭৬৪-৮।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট
(পর্তুগিজ) (ইংরেজি) (স্পেনীয়) (ফরাসি) - ligaportugal-এ স্পোর্ট লিসবোয়া বেনফিকা ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৩ মে ২০২০ তারিখে (ইংরেজি) (পর্তুগিজ)