চেলসি ফুটবল ক্লাব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
চেলসি
Chelsea FC.svg
পূর্ণ নাম চেলসি ফুটবল ক্লাব
ডাকনাম দ্যা পেনশনার্স (১৯৫২ পর্যন্ত)
দ্যা ব্লুজ (বর্তমান)
প্রতিষ্ঠিত ১০ মার্চ ১৯০৫; ১১২ বছর আগে (১৯০৫-০৩-১০)[১]
মাঠ Stamford Bridge,
Fulham, London
মাঠের ধারণক্ষমতা 41,837[২]
মালিক Roman Abramovich
চেয়ারম্যান Bruce Buck
ম্যানেজার Guus Hidink
লীগ Premier League
2012–13 Premier League, 3rd
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
বর্তমান মৌসুম

চেলসি ফুটবল ক্লাব (দ্য ব্লুজ অথবা পূর্বে দ্য পেনশনার্স নামেও পরিচিত) একটি ইংরেজ পেশাদার ফুটবল দল যা লন্ডনে অবস্থিত। ১৯০৫ সালে ক্লাবটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ক্লাবটি এ পর্যন্ত বেশিরভাগ সময়ে ইংল্যান্ডের ফুটবলে শীর্ষ দশে অবস্থান করেছে। তারা দুটি সময়ে সফলতা পেয়েছে, একটি হচ্ছে ১৯৬০ দশকের শেষভাগ ও ১৯৭০ দশকের শুরুতে এবং ১৯৯০ দশকের শেষভাগ থেকে বর্তমান পর্যন্ত। চেলসি চারটি লীগ শিরোপা, সাতটি এফ.এ. কাপ শিরোপা, চারটি লীগ কাপ, দুটি উয়েফা কাপ উইনার্স কাপ, একটি উয়েফা সুপার কাপ , একটি উয়েফা ইউরোপা কাপ , একটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জিতেছে। চেলসি হলো ইতিহাসের প্রথম ক্লাব যারা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জেতার পরের বছরই উয়েফা ইউরোপা কাপ জিতেছে। [৩]

চেলসির ৪২,০৫৫ দর্শক ধারণক্ষমতার[২] নিজস্ব মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ পশ্চিম লন্ডনের ফুলহ্যাম এলাকায় অবস্থিত। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তারা এখানে খেলে আসছে। ২০০৩ সালে ক্লাবটি কিনে নেন রাশিয়ান তেল ব্যবসায়ী রোমান আব্রামোভিচ[৪]

ক্লাবের ঐতিহ্যবাহী পোশাক হচ্ছে নীল রংএর জামা ও শর্টস এবং সাদা মোজা। দলের প্রতীক হচ্ছে একটি সিংহ। ২০০৫ সালে প্রতীকটি পরিবর্ধিত করা হয়।[৫] চেলসি যুক্তরাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় দল। তাদের সমর্থক সংখ্যা আনুমানিক চার মিলিয়ন।[৬] এছাড়া জনপ্রিয় সংস্কৃতিতেও ক্লাবের ভূমিকা রয়েছে। বিভিন্ন চলচ্চিত্র ও গানে চেলসি অংশ নিয়েছে।

খেলোয়াড়গণ ও কোচ[সম্পাদনা]

বর্তমান কোচ[সম্পাদনা]

দলের বর্তমান কোচ আন্তোনিও কন্তে। যিনি ২০১৬-২০১৭ মৌসুমে ইতালি জাতীয় ফুটবল দল থেকে চেলসিতে যোগদান করেন। এর আগে ২০১৫-১৬ সেশনের মাঝামাঝি সময়ে হোসে মরিনহো কে সরিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে নেদারল্যান্ডের গাস হিডিংক কে নিয়োগ দেয়া হয়। পরবর্তীতে আন্তোনিও কন্তে পূর্ণকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পান।

বর্তমান প্রথম একাদশ[সম্পাদনা]

২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ অনুসারে।[৭]

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতার নিয়ম অধীন নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
আর্জেন্টিনা গো উইলি কাবায়েরো
জার্মানি অান্তোনিও রুডিগার
স্পেন মার্কোস আলোন্সো
স্পেন সেস্ক ফ্যাব্রেগাস
ইংল্যান্ড ড্যানিয়েল ড্রিংকওয়াটার
ফ্রান্স এন'গোলো কান্তে
স্পেন আলভারো মোরাতা
১০ বেলজিয়াম ইডেন হ্যাজার্ড
১১ স্পেন পেদ্রো
১৩ বেলজিয়াম গো থিবো কোর্তোয়া
১৪ ফ্রান্স তিমু বাকায়োকো
১৫ নাইজেরিয়া ভিক্টর মোজেস
১৬ ব্রাজিল কেনেডি
১৭ বেলজিয়াম চার্লি মুসোন্ডা জুনিয়র
২১ ইতালি ডাভিডে জাপাকস্তা
২২ ব্রাজিল উইলিয়ান
২৩ বেলজিয়াম মিচি বাতশুয়াই
২৪ ইংল্যান্ড গ্যারি কাহিল (অধিনায়ক)
২৭ ডেনমার্ক আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেন
২৮ স্পেন সিজার অাজপিলিকুয়েতা (সহ-অধিনায়ক)
৩০ ব্রাজিল ডেভিড লুইজ
৩৫ ইংল্যান্ড জেক ক্লার্ক-সল্টার
৩৬ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কাইল স্কট
৩৭ পর্তুগাল গো এদুয়ার্দো
৪৪ ওয়েল্‌স্‌ ইথান আম্পাদু
৬৬ ইংল্যান্ড দুজন স্টার্লিং
- ঘানা বাবা আব্দুল রহমান

চুক্তিবদ্ধ অন্যান্য খেলোয়াড়গণ[সম্পাদনা]

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতার নিয়ম অধীন নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
৪১ ইংল্যান্ড গো মিচেল বিনি
- ক্রোয়েশিয়া গো মাতেই দিলাচ
- ব্রাজিল ওয়ালেস
- স্কটল্যান্ড ইসলাম ফেরুজ

ধারে অন্য দলে[সম্পাদনা]

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতার নিয়ম অধীন নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
- ইংল্যান্ড গো জামাল ব্ল্যাকম্যান (শেফিল্ডে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড গো নাথান ব্যাক্সটার (য়োকিংয়ে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড গো ব্র্যাডলি কলিন্স (ফরেস্ট গ্রিন রোভার্সে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড গো জ্যারেড থম্পসন (চিপেনহ্যাম টাউনে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড ফ্যাংক্যাটি ডাবো (ভিতেসে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড জে ডাসিলভা (চার্লটন অ্যাথলেটিকে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড টড কেন (গ্রোনিংগেনে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড ফিকায়ো

তোমোরি (হাল সিটিতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)

- ইংল্যান্ড লুইস বেকার (মিডলসব্রোতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড চার্লি কল্কেট (ভিতেসে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড জর্ডান হটন (ডনকাস্টার রোভার্সে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড রুবেন লফটাস-চিক (ক্রিস্টাল প্যালেসে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড ম্যাসন মাউন্ট (ভিতেসে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড কেসি পালমার (হাডার্সফিল্ডে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড চার্লি ওয়েকফিল্ড (স্টিভেনেজে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড ট্যামি আব্রাহাম (সোয়ানসিতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড ইজি ব্রাউন (ব্রাইটন ও হোভ অ্যালবিয়নে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইংল্যান্ড ইকে উগবো (বার্ন্সলিতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ব্রাজিল নাথান (এমিয়েন্সে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ব্রাজিল লুকাস পিয়াজোঁ (ফুলহ্যামে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- কোত দিভোয়ার ভিক্টোরিয়েন আংবান (ওয়াসল্যান্ড-বেভেরেনে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- কোত দিভোয়ার জেরেমি বগা (বার্মিংহাম সিটিতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- নাইজেরিয়া ওলা আয়না (হাল সিটিতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- নাইজেরিয়া কেনেথ ওমেরুও (কাসিম্পাসাতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- জ্যামাইকা মাইকেল

হেক্টর (হাল সিটিতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)

- চেক প্রজাতন্ত্র টমাস কালাস (ফুলহ্যামে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ম্যাট মিয়াজগা (ভিতেসে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ফ্রান্স কার্ট জুমা (স্টোক সিটিতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- সার্বিয়া দানিলো পান্তিচ (পার্টিজানে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ক্রোয়েশিয়া মারিও পাসালিচ (স্পার্তাক মস্কোতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- নেদারল্যান্ডস মার্কো ভ্যান জিংকেল (পিএসভি আইন্দহোভেনে এ ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- ইকুয়েডর হোসিমার কুইন্তেরো (রোস্তভে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)
- কলম্বিয়া হোয়াও রদ্রিগেজ (তাম্পিকো মাদেরোতে ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত)

সম্মাননা[সম্পাদনা]

ঘরোয়া[সম্পাদনা]

লীগ[সম্পাদনা]

বিজয়ী  : ১৯৫৪-৫৫, ২০০৪-০৫, ২০০৫-০৬, ২০০৯-২০১০, ২০১৪-১৫, ২০১৬-১৭ রানার্সআপঃ ২০০৩-০৪, ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮

{{{3}}}
১৯৮৩-৮৪, ১৯৮৮-৮৯

কাপ[সম্পাদনা]

১৯৭০, ১৯৯৭, ২০০০, ২০০৭, ২০০৯
১৯৬৫, ১৯৯৮, ২০০৫, ২০০৭
১৯৫৫, ২০০০, ২০০৫
১৯৮৬, ১৯৯০

ইউরোপীয়ান[সম্পাদনা]

১৯৭১, ১৯৯৮
১৯৯৮
২০১২
২০১৩

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Team History – Introduction"। Chelsea F.C. official website। সংগৃহীত ১১ মে ২০১১ 
  2. "Club Information"। Chelsea F.C. official website। সংগৃহীত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  3. "Trophy Cabinet"chelseafc.com। সংগৃহীত ২৫ জানুয়ারি  |accessyear= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  4. "Russian businessman buys Chelsea"। BBC। ২০০৩-০৭-০২। সংগৃহীত ২০০৭-০২-১১ 
  5. "Chelsea centenary crest unveiled"। BBC। ২০০৪-১১-১২। সংগৃহীত ২০০৭-০১-০২ 
  6. "Chelsea voted one of UK's top brands"chelseafc.com। সংগৃহীত ২০০৬-০৯-২৮ 
  7. "First Team Squad List"। চেলসি ফুটবল ক্লাব ওয়েবসাইট। সংগৃহীত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  8. Until 1992, when the Premier League was formed, the top tier of English football was known as the First Division
  9. The trophy was known as the Charity Shield until 2002, and as the Community Shield ever since.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]