প্রবেশদ্বার:ফুটবল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

প্রবেশদ্বার ফুটবল শিরোনাম.svg


ফুটবল

Olympic pictogram Football.png

এসোসিয়েশন ফুটবল (ইংরেজি: Association football), সকার বা সহজ ভাষায় ফুটবল একটি দলগত খেলা। তবে, ফুটবল নামেই এটি বৈশ্বিকভাবে ব্যাপক পরিচিত খেলা। কেবলমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় খেলাটি সকার নামে পরিচিত। এটি দুই দলের মধ্যে খেলা হয়, যার প্রতিটি দলে ১১ জন করে খেলোয়াড় থাকে। একবিংশ শতকে এসে ফুটবল খেলা দুই শতাধিক দেশের ২৫০ মিলিয়নেরও অধিক খেলোয়াড় খেলে থাকে। এরফলে ফুটবল বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় ও প্রচলিত খেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

নির্বাচিত নিবন্ধ

UEFA logo 2012.png
ইউনিয়ন অব ইউরোপীয়ান ফুটবল এসোসিয়েশন, যা উয়েফা, ইউরোপের ফুটবল নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান। ইউরোপের জাতীয় ফুটবল এসোসিয়েশনগুলো এই সংস্থার সদস্য। এটি ইউরোপে জাতীয় ও দলগত পর্যায়ে প্রতিযোগিতা পরিচালনা, খেলোয়াড়ের প্রাইজমানি ও গনমাধ্যম প্রচারনাস্বত্ত্ব এবং খেলার নিয়ম-শৃংখলা রক্ষার কাজ নিয়ন্ত্রন ও সম্পাদন করে। কয়েকটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এশিয়াইউরোপের মাঝামাঝি হওয়া সত্ত্বেও এএফসির সদস্য না হয়ে উয়েফার সদস্য হয়েছে। এরা হলো সাইপ্রাস, আর্মেনিয়া, জর্জিয়া, তুরস্ক, কাজাখস্তান, রাশিয়াআজারবাইজান (কাজাখস্তান পূর্বে এএফসির সদস্য ছিল)। সাইপ্রাসের কাছে ইউরোপ, এশিয়া অথবা আফ্রিকার সদস্য হওয়ার সুযোগ ছিল এবং তারা নিজেকে ইউরোপীয়ান ফুটবল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

ফিফার ছয়টি মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থার মধ্যে উয়েফা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। উয়েফা অন্যান্য সংস্থা থেকে সম্পদ ও প্রভাব প্রতিপত্তির দিক থেকে সবচেয়ে শক্তিশালী। বিশ্বের প্রায় সব উঁচুমানের খেলোয়াড়েরা বিভিন্ন ইউরোপীয়ান লীগে খেলে থাকেন কেননা এখানে তাদের বেতন ও অন্যান্য সুবিধাদি অনেক বেশী। পৃথিবীর বিত্তবান ফুটবল দলগুলোর সিংহভাগই ইউরোপে খেলে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ ইংল্যান্ড, ইতালি, স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স প্রভৃতি দেশের লীগ। বিশ্বের শক্তিশালী জাতীয় ফুটবল দলের বেশিরভাগই ইউরোপের। বিশ্বকাপে ৩২টি দেশের মধ্যে ১৪টি দেশ ইউরোপের জন্য বরাদ্দ থাকে। বিশ্ব ফুটবল র্যাংশকিংএ শীর্ষ ২০টি জাতীয় দলের ১৬টিই উয়েফা সদস্য।

নির্বাচিত দল

আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল (স্পেনীয়: Selección de fútbol de Argentina) বিশ্ব ফুটবলে আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিত্ব করে। এটি আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থা (এএফএ) দ্বারা পরিচালিত হয়, যা আর্জেন্টিনাতে ফুটবলের পরিচালক। আর্জেন্টিনার ঘরের মাঠ ইস্ত্যাদিও অ্যান্তনিও ভেসপুসিও নিবার্তি এবং তাদের প্রধান কোচ আলেহান্দ্রো সাবেয়া। দলটি বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‍্যাংকিং-এ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

আর্জেন্টিনা মোট চারবার ফিফা বিশ্বকাপে ফাইনাল খেলেছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপ, যেখানে তারা উরুগুয়ের বিপক্ষে ৪–২ ব্যবধানে পরাজিত হয়। এরপরের ফাইনাল ১৯৭৮ সালে, যেখানে তারা নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৩–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে এবং তাদের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে। ১৯৮৬ সালে দিয়েগো মারাদোনার নেতৃত্বে পশ্চিম জার্মানিকে ৩–২ ব্যবধানে হারিয়ে তারা তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে। আর্জেন্টিনার সর্বশেষ বিশ্বকাপ ফাইনাল ছিল ১৯৯০ সালে, যেখানে তারা জার্মানির বিপক্ষে বিতর্কিত পেনাল্টিতে ১–০ ব্যবধানে পরাজিত হয়।

নির্বাচিত ছবি

আপনি জানেন কী...

আজাকি প্রশ্ন চিহ্ন
  • ... ফুটবল খেলায় সবচেয়ে কম সময়ে লাল কার্ড পাওয়া লি টড খেলা শুরুর ২ সেকেন্ডের মাথায় লাল কার্ড পান?
  • ... ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের দুই জন খেলোয়ারের নাম ছিল গেরি স্টিভেন্স?
  • ... সাবেক ইংল্যান্ড ফুটবলার মিক ক্যানন এখন বর্তমানে একজন সফল ঘোড়া প্রশিক্ষক?
  • ... বিশ্বের প্রথম পেশাদার ফুটবল দল, দ্য জুলুস ১৮৭৯ সালে ইংল্যান্ডের শেফিল্ডে প্রতিষ্ঠিত হয়?

সাম্প্রতিক ও বর্তমান টুর্নামেন্ট

নির্বাচিত ফুটবলার

২০১২ ইউরোতে স্পেনের হয়ে খেলছেন ইনিয়েস্তা
আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা লুহান (উচ্চারিত: [anˈdɾes iˈnjesta luˈxan], জন্ম: ১১ মে ১৯৮৪) একজন স্পেনীয় ফুটবলার, যিনি সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হিসেবে লা লিগার দল বার্সেলোনা এবং স্পেন জাতীয় ফুটবল দলে খেলছেন।

ইনিয়েস্তা তার শৈশব কাটিয়েছেন বার্সেলোনার যুব প্রকল্প লা মাসিয়াতে। প্রথম দলে তার অভিষেক হয় ২০০২ সালে, ১৮ বছর বয়সে। ২০০৪–০৫ মৌসুমে তিনি দলের নিয়মিত খেলোয়াড়ে পরিনত। ২০০৬ সালে স্পেন জাতীয় দলে অভিষেকের পূর্বে তিনি স্পেন অনুর্ধ্ব ১৬, অনুর্ধ্ব ১৯ এবংঅনুর্ধ্ব ২১ দলে খেলেছেন। ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপে তিনি স্পেনের হয়ে অংশগ্রহন করেন এবং একটি খেলায় মাঠে নামেন। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই স্পেন বিদায় নেয়। ২০০৮ ইউরো বাছাইপর্ব টপকাতে তিনি স্পেন দলকে সহায়তা করেন। টুর্নামেন্টের মূল পর্বে স্পেন চ্যাম্পিয়ন হয়। এক্ষেত্রে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০১০ বিশ্বকাপের ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিনি খেলার একমাত্র গোলটি করেন। তাকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ ঘোষনা করা হয়। বিশ্বকাপের আরও দুইটি খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছিলেন। টুর্নামেন্টের অল স্টার দলে ইনিয়েস্তা জায়গা পান। ২০১২ ইউরোতে স্পেনের শিরোপা জয়ে তিনি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচন করা হয়।এছাড়া ২০১১–১২ মৌসুমে তিনি ইউরোপের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

ফিফা র‌্যাঙ্কিং

৮ মে ২০১৪ প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ ২০ দলের সর্বশেষ র‍্যাঙ্ককিং
র‍্যাঙ্ক দল পয়েন্ট
 স্পেন ১৪৬০
 জার্মানি ১৩৪০
 পর্তুগাল ১২৪৫
 ব্রাজিল ১২১০
 কলম্বিয়া ১১৮৬
 উরুগুয়ে ১১৮১
 আর্জেন্টিনা ১১৭৮
  সুইজারল্যান্ড ১১৬১
 ইতালি ১১১৫
১০  গ্রিস ১০৮২
১১  ইংল্যান্ড ১০৪৩
১২  বেলজিয়াম ১০৩৯
১৩  চিলি ১০৩৭
১৪  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১০১৫
১৫  নেদারল্যান্ডস ৯৬৭
১৬  ফ্রান্স ৯৩৫
১৭  ইউক্রেন ৯১৩
১৮  রাশিয়া ৯০৩
১৯  মেক্সিকো ৮৭৭
২০  ক্রোয়েশিয়া ৮৭১
সম্পূর্ণ তালিকা

বিষয়শ্রেণী

সংশ্লিষ্ট প্রবেশদ্বারসমূহ

উইকিমিডিয়া

উইকিসংবাদে ফুটবল   উইকিউক্তিতে ফুটবল   উইকিবইয়ে ফুটবল   উইকিসংকলনে ফুটবল   উইকিঅভিধানে ফুটবল   উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ে ফুটবল   উইকিমিডিয়া কমন্সে ফুটবল উইকিউপাত্তে ফুটবল উইকিভ্রমণে ফুটবল
উন্মুক্ত সংবাদ উৎস উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল উন্মুক্ত পাঠাগার অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ উন্মুক্ত শিক্ষা মাধ্যম মুক্ত মিডিয়া ভাণ্ডার উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা
Wikinews-logo.svg
Wikiquote-logo.svg
Wikibooks-logo.png
Wikisource-logo.svg
Wiktionary-logo.svg
Wikiversity-logo.svg
Commons-logo.svg
Wikidata-logo.svg
Wikivoyage-Logo-v3-icon.svg