আখাউড়া-কুলাউড়া-ছাতক রেলপথ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আখাউড়া–কুলাউড়া–ছাতক রেলপথ
Rline.jpg
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে আখাউড়া–কুলাউড়া–ছাতক রেলপথ
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
অবস্থাসক্রিয়
অঞ্চলবাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল, বাংলাদেশ
বিরতিস্থলআখাউড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশন
ছাতক বাজার রেলওয়ে স্টেশন
স্টেশনসমূহ৩৮ সক্রিয়, ১৮ নিষ্ক্রিয়, মোট ৫৬
ক্রিয়াকলাপ
উদ্বোধন
  • ১৮৯৬–৯৮: আখাউড়া–কুলাউড়া–শাহবাজপুর
  • ১৯১২–১৫: কুলাউড়া–সিলেট
  • ১৯২৮–২৯: হবিগঞ্জ বাজার–শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা
  • ১৯৫৪: সিলেট–ছাতক বাজার
মালিকবাংলাদেশ রেলওয়ে
পরিচালকবাংলাদেশ রেলওয়ে
প্রযুক্তিগত
ট্র্যাক গেজ১,০০০ মিলিমিটার (৩ ফুট   ইঞ্চি) metre gauge
পথের মানচিত্র

ছাতক বাজার
আফজালাবাদ
সৎপুর হল্ট
খাজাঞ্চীগাঁও
সিলেট
মোগলাবাজার
ফেঞ্চুগঞ্জ
রেলওয়ে সেতু
ফেঞ্চুগঞ্জ
মাইজগাঁও
ভাটেরা বাজার
বরমচাল
ছকাপন
Up arrow
লামডিং–ডিব্রুগড়
রেলপথ
মহিশাষণ
ভারত
বাংলাদেশ
সীমান্ত
শাহবাজপুর
মুড়াউল
বড়লেখা
কাঁঠালতলী
দক্ষিণভাগ
ধামাই
জুড়ী
কুলাউড়া জংশন
লংলা
টিলাগাঁও
মনু
শমসেরনগর
ভানুগাছ
শ্রীমঙ্গল
সাতগাঁও
রশিদপুর
সাটিয়াজুরী হল্ট
লস্করপুর
খোয়াই
রেলওয়ে সেতু
বারকোটা
শাকির মোহাম্মদ
সুতাং বাজার
চুনারুঘাট
আমু রোড
আসামপারা
বাল্লা
শায়েস্তাগঞ্জ জংশন
হবিগঞ্জ বাজার
হবিগঞ্জ কোর্ট
ধুলিয়াখাল
পাইকপাড়া
সুতাং
শাহজিবাজার
ছাতিয়াইন
নোয়াপাড়া
ইটাখোলা
তেলিয়াপাড়া
শাহপুর
মনতলা
কাশিমনগর
হরষপুর
মুকুন্দপুর
মেরাসানি
সিঙ্গারবিল
আজমপুর
Left arrow
টঙ্গী-ভৈরব-
আখাউড়া রেলপথ
আখাউড়া জংশন
Down arrow
আখাউড়া-লাকসাম-
চট্টগ্রাম রেলপথ
সূত্র: বাংলাদেশ রেলওয়ে মানচিত্র

আখাউড়া-কুলাউড়া-ছাতক রেলপথ হচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল অধীনস্থ বাংলাদেশের একটি মিটার-গেজ রেলপথ যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া জংশন থেকে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ জংশন হয়ে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া জংশন এবং সেখান থেকে সিলেট জেলার সিলেট স্টেশন হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক বাজার স্টেশন পর্যন্ত বিস্তৃত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে একটি রেলপথ সংযোগের জন্য আসামের চা উৎপাদনকারীদের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে, আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে ১৮৯১ সালে বঙ্গের পূর্বাঞ্চলে একটি রেলওয়ে ট্রাক নির্মাণ শুরু করে। চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লায় ১৫০ কিলোমিটার (৯৩ মা)-এর একটি পথ ১৮৯৫ সালে চালু করা হয়।

১৮৯২ সালে ইংল্যান্ডে গঠিত আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি এদেশে রেলপথ নির্মাণের দায়িত্ব নেয়। ১৮৯৫ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা ১৫০ কিমি মিটারগেজ লাইন এবং লাকসাম থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত ৬৯ কিমি রেললাইন জনসাধারণের জন্য খোলা হয়। ১৮৯৬ সালে কুমিল্লা-আখাউড়া-শাহবাজপুর রেলপথ স্থাপন করা হয়।[১]

রেলপথ[সম্পাদনা]

কুমিল্লা–আখাউড়া–কুলাউড়া–বদরপুর রেলপথ অংশ ১৮৯৬–৯৮-এ চালু করা হয় এবং ১৯০৩ সালে লামডিং পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়।[২][৩][৪]

কুলাউড়া–শাহবাজপুর ১৮৯৬ সালে কুমিল্লা-আখাউড়া-শাহবাজপুর রেলপথ স্থাপন করা হয়।[৫] কুলাউড়া–শাহবাজপুর রেলপথটির দৈর্ঘ্য ৪২ কিলোমিটার।[৬] কুলাউড়া–শাহবাজপুর রেলপথে মোট ৭টি স্টেশন রয়েছে (কুলাউড়া জংশন বাদে), এর মধ্যে জুড়ী, ধামাই, দক্ষিণভাগ, কাঁঠালতলী, বড়লেখামুড়াউল রেলওয়ে স্টেশন অন্তর্ভুক্ত।[৬] এখানে উল্লেখ্য যে, পূর্বে শাহবাজপুর রেলওয়ে স্টেশনের সাথে ভারতের মহিশাষণ রেলওয়ে স্টেশনের সংযোগ ছিল।[৭] ১৯৮৮ সালে রেলপথটি ট্রেন চলাচলের অনুপযোগী হিসেবে চিহ্নিত হয়।[৬] এর ১৪ বছর পর ২০০২ সালের ৮ জুলাই এ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।[৬]

কুলাউড়া–সিলেট রেলপথ অংশটি ১৯১২–১৫ সালে উদ্বোধন করা হয়।

হবিগঞ্জ বাজার–শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা রেলপথটি ১৯২৮ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার হবিগঞ্জ জেলা সদর শহর থেকে শায়েস্তাগঞ্জ জংশন হয়ে বাল্লা সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ৪৫[৮] অথবা ৫২ কিলোমিটার[৯] দীর্ঘ রেলপথ চালু করে।[১০][১১] এর মধ্যে ১৯২৮ সালে শায়েস্তাগঞ্জ–হবিগঞ্জ (১৫[৮] অথবা ১৬ কিমি[৯]) এবং ১৯২৯ সালে শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা (৩০[৯] অথবা ৩৬ কিমি[৮]) রেলপথ উদ্বোধন করা হয়। সে সময় হবিগঞ্জের চুনারঘাট উপজেলার ১৩টি বাগানের চা পাতা রপ্তানি ও বাগানের রেশনসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র আমদানী করার একমাত্র মাধ্যম ছিল এ রেলপথ। শায়েস্তাগঞ্জ–হবিগঞ্জ রেলপথে মোট ৪টি স্টেশন রয়েছে (শায়েস্তাগঞ্জ জংশন বাদে), যথা: হবিগঞ্জ বাজার, হবিগঞ্জ কোর্ট, ধুলিয়াখাল এবং পাইকপাড়া। শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা রেলপথে মোট ৭টি স্টেশন রয়েছে (শায়েস্তাগঞ্জ জংশন বাদে), যথা: বারকোটা, শাকির মোহাম্মদ, সুতাং বাজার, চুনারুঘাট, আমু রোড, আসামপারা এবং বাল্লা[৯] বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরবর্তীতে এরশাদ সরকারের প্রথম দিকে হবিগঞ্জ বাজারশায়েস্তাগঞ্জবাল্লা সর্বপ্রথম অঘোষিতভাবে বন্ধ হয়, তবে জনসাধারণের প্রতিবাদ আন্দোলনের চাপে পরে আবার চালু হয়। এরপর ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে অনুরূপ বন্ধ হয় এবং ২০০০ সালে রেলপথটি উন্নত সংস্কার করে ট্রেন চলাচল চালু হয়েও সর্বশেষ ২০০৩ সালে হবিগঞ্জ বাজারশায়েস্তাগঞ্জবাল্লা রেলপথে ট্রেন চলাচল আবারো অঘোষিতভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।[৮] ২০০৫ সালে হবিগঞ্জ বাজার এর নিকট হইতে শায়েস্তাগঞ্জ জংশন এর কাছাকাছি পর্যন্ত রেলপথ লাইনটি উপড়ে তুলে ফেলা হয় তথাকথিত বাইপাস সড়ক নির্মানের অজুহাতে এবং পরবর্তীতে বিতর্কিত বাইপাস সড়ক নির্মান করা হয়। (বর্তমানে হবিগঞ্জ বাজার স্টেশনের স্থাবর-অস্থাবর বাংলাদেশ রেলওয়ে সম্পত্তিগুলো আদালত মামলাধীন)[৮][৯]

সিলেট–ছাতক বাজার রেলপথ ১৯৫৪ সালে প্রবর্তন করা হয়।[১২]

রেল ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

আখাউড়া-কুলাউড়া-ছাতক রেলপথ মূলত বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল এর রেলপথ। এই রেলপথে তিনটি প্রধান রেলওয়ে জংশন স্টেশন এবং একটি বিভাগীয় মেট্রোপলিটন প্রধান রেলওয়ে স্টেশন সহ মোট ৫৬টি রেল স্টেশন (৩৮টি সক্রিয়, ১৮টি নিষ্ক্রিয়) রয়েছে। যেমন:

ছাতক বাজার রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় অবস্থিত রেলওয়ে স্টেশন। এটি আখাউড়া-কুলাউড়া-ছাতক রেলপথের সর্বশেষ স্টেশন।[১৩]

সিলেট রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের সিলেট জেলার সিলেট সদর উপজেলায় অবস্থিত একটি রেলওয়ে স্টেশন। সিলেট রেলওয়ে স্টেশনটি আখাউড়া-কুলাউড়া-ছাতক রেলপথের অন্তর্ভূক্ত। এই স্টেশন থেকে দুই দিকে রেলপথ গিয়েছে, যথা: উত্তর-পশ্চিমে সিলেট–ছাতক রেলপথ এবং দক্ষিণ-পূর্বে সিলেট–কুলাউড়া রেলপথ। সিলেট–কুলাউড়া রেলপথটি কুলাউড়া–শায়েস্তাগঞ্জআখাউড়া রেলপথ এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম এবং ঢাকা উভয় দিক থেকেই সিলেট রেলওয়ে স্টেশন মিটার গেজ রেলপথের সাথে সংযুক্ত।

কুলাউড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের একটি জংশন রেলওয়ে স্টেশন যা মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে সেকশনের সিলেট বিভাগে পাঁচটি জংশন ছিল, তার মধ্যে অন্যতম জংশন এটি। কুলাউড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশনটি আখাউড়া-কুলাউড়া-ছাতক রেলপথের অন্তর্ভুক্ত। এই স্টেশন থেকে তিনটি দিকে রেলপথ গেছে, যথা: পশ্চিম-উত্তরে কুলাউড়া–সিলেট রেলপথ, দক্ষিণ-পশ্চিমে কুলাউড়া–শায়েস্তাগঞ্জ রেলপথ, এবং পূর্ব-উত্তরে কুলাউড়া–শাহবাজপুর রেলপথ।

শায়েস্তাগঞ্জ জংশন রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের একটি জংশন রেলওয়ে স্টেশন যা হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে সেকশনের সিলেট বিভাগে পাঁচটি জংশন ছিল, তার মধ্যে অন্যতম এটি।[৬] ১৯০৩ সালে এটি চালু হয়।[১২] পরবর্তীতে ১৯২৮ সালে হবিগঞ্জ বাজার–শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা রেলপথ চালু হলে স্টেশনটি জংশন স্টেশনে রুপান্তরিত হয়।[১২] শায়েস্তাগঞ্জ জংশন রেলওয়ে স্টেশনটি আখাউড়া-কুলাউড়া-ছাতক রেলপথের অন্তর্ভুক্ত। এই স্টেশন থেকে চারটি দিকে রেলপথ গেছে, যথা: পূর্ব-উত্তরে শায়েস্তাগঞ্জ–কুলাউড়া রেলপথ, পশ্চিম-দক্ষিণে শায়েস্তাগঞ্জ–আখাউড়া রেলপথ, এবং পশ্চিম-উত্তরে শায়েস্তাগঞ্জ–হবিগঞ্জ বাজার[১৪] রেলপথ, পূর্ব-দক্ষিণে শায়েস্তাগঞ্জ–বাল্লা [১৪] রেলপথ।

আখাউড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলায় অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন[১৫][১৬] ১৮৯২ সালে ইংল্যান্ডে গঠিত আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি এদেশে রেলপথ নির্মাণের দায়িত্ব নেয়। ১৮৯৫ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা ১৫০ কিমি মিটারগেজ লাইন এবং লাকসাম থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত ৬৯ কিমি রেললাইন জনসাধারণের জন্য খোলা হয়। ১৮৯৬ সালে কুমিল্লা-আখাউড়া-শাহবাজপুর রেলপথ স্থাপন করা হয়।[১৭] এসময় কুমিল্লা-আখাউড়া-শাহবাজপুর লাইনের স্টেশন হিসেবে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন তৈরি করা হয়। আখাউড়া থেকে টঙ্গী পর্যন্ত রেললাইন তৈরি হলে আখাউড়া জংশন স্টেশনে পরিণত হয়। একাধিক রেলপথের সমন্বয় থাকা আখাউড়া জংশন রেলওয়ে স্টেশনটি আখাউড়া-কুলাউড়া-ছাতক রেলপথেরও অন্তর্ভুক্ত। এই স্টেশন থেকে চারটি দিকে রেলপথ গেছে, যথা: উত্তর-পূর্বে আখাউড়া–শায়েস্তাগঞ্জ–কুলাউড়া রেলপথ, উত্তর-পশ্চিমে আখাউড়া–ভৈরব–টঙ্গী রেলপথ এবং দক্ষিণ-পূর্বে আখাউড়া–আগরতলা (ভারত সংযোগ) রেলপথ ও দক্ষিণে আখাউড়া–লাকসাম–চট্টগ্রাম রেলপথ।

রেল সেবা[সম্পাদনা]

সিলেট এবং রাজধানী ঢাকার মধ্যে সরাসরি কিছু রেল সেবা রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে সিলেট–ঢাকা রেলপথে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেন পারাবত এক্সপ্রেস, কালনী এক্সপ্রেস, জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস, মেইল ট্রেন সুরমা এক্সপ্রেস। এই পথে ওয়ান-ওয়ে ভ্রমণে সাত ঘণ্টার কিছু বেশি সময় লাগে।[১৮] সিলেট থেকে চট্টগ্রামেও এই পথে ট্রেন চলাচল করে,[১৯] তার মধ্যে রয়েছে সিলেট–চট্টগ্রাম রেলপথে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেন পাহাড়িকা এক্সপ্রেসউদয়ন এক্সপ্রেস,[৬]মেইল ট্রেন জালালাবাদ এক্সপ্রেস এবং সিলেট–আখাউড়া রেলপথে চলাচলকারী লোকাল ট্রেন কুশিয়ারা এক্সপ্রেস। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০০৩ সাল থেকে পূর্ববর্তী বিগত বছর গুলোতে হবিগঞ্জ বাজারশায়েস্তাগঞ্জবাল্লা রেলপথে লোকাল ট্রেন চলাচল করতো, ২০০৩ সালে অঘোষিত ভাবে হবিগঞ্জ বাজারশায়েস্তাগঞ্জবাল্লা রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় সেই লোকাল ট্রেন এখন সিলেট-আখাউড়া রুটে চলে।[১৪]


সিলেটের নতুন রেলওয়ে স্টেশন ২০০৪ সালে উদ্বোধন করা হয়। এ.কে. রফিক উদ্দিন আহমেদ, এই প্রকল্পের প্রধান স্থপতি হিসেবে প্রকৌশল এবং প্ল্যানিং কনসাল্টেন্ট লিমিটেডের প্রতিনিধিত্ব করেন।[২০]

কাছাকাছি স্থান[সম্পাদনা]

মাধবকুণ্ড দক্ষিণবাগ রেলস্টেশন থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে, যা রিক্সায় চড়ে যাওয়া যায়। সিলেট এবং শ্রীমঙ্গল থেকেও এখানে যাওয়া যায়।[১৯]

বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তের তামাবিল-ডাউকি স্থল সীমান্ত-ক্রসিং সিলেট থেক ৫৫ কিলোমিটার উত্তরদিকে অবস্থিত।[১৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "রেলওয়ে - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-০৭ 
  2. ফিদা, কাজী আবুল (২০১২)। "রেলওয়ে"ইসলাম, সিরাজুল; জামাল, আহমেদ এ.। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (দ্বিতীয় সংস্করণ)। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি 
  3. "Report on the administration of North East India (1921–22)"পৃ- ৪৬। গুগোল বই/ মিত্তাল পাবলিশার্স ডিস্ট্রিবিউশন। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬ 
  4. এস.এন.সিংহ, অমরেন্দ্র নারায়ণ, পূর্ণেন্দু কুমার। "Socio Economic and Political Problems of Tea Garden Workers: A Study of Assam, Published 2006, ISBN 81-8324-098-4"পৃ- ১০৫। মিত্তাল পাবলিকেশন্স, নয়া দিল্লী। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬ 
  5. "রেলওয়ে - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-০৭ 
  6. "সংস্কারে প্রকল্প নেওয়া হলেও আটকে আছে অনুমোদন"প্রথম আলো। ২০১৫-০২-১৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-২১  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ অবৈধ; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে ":0" নাম একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  7. "ভূগোল– আন্তর্জাতিক"IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬ 
  8. "১৪ বছরেও চালু হয়নি শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ"দৈনিক সমকাল। ২০১৭-০২-১৪। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-২২ 
  9. "কোটি কোটি টাকার মালামাল লুটপাট : ১৬ বছর ধরে বন্ধ হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ বাল্লা রেলপথ"দৈনিক জালালাবাদ। ২০২০-০১-৩১। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-২২ 
  10. "সংক্ষিপ্ত ইতিহাস"। বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬ 
  11. "১৪ বছরেও চালু হয়নি শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ"দৈনিক সমকাল। ২০১৭-০২-১৪। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-২২ 
  12. "সংক্ষিপ্ত ইতিহাস"। বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ অবৈধ; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে ":1" নাম একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  13. "Chhatak Bazar Railway Station Forum/Discussion - Railway Enquiry"indiarailinfo.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-১০ 
  14. "কোটি কোটি টাকার মালামাল লুটপাট : ১৬ বছর ধরে বন্ধ হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ বাল্লা রেলপথ"dailyjalalabad.com। ৩১ জানুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-০৮  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ অবৈধ; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "dailyjalalabad.com" নাম একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  15. "আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে সংকেত বিড়ম্বনা, আতঙ্ক"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-১০ 
  16. "আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রী বাড়ছে, কমছে আসন"www.bhorerkagoj.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-১০ 
  17. "রেলওয়ে - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-০৭ 
  18. "নাজিমগড় রিসোর্ট"। ২০ নভেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬ 
  19. স্টুয়ার্ট বাটলার। "বাংলাদেশ"পৃ- ১৫০। লোনলি প্ল্যানেট/ গুগোল বই। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬ 
  20. "New Sylhet Railway Station will provide modern amenities"। নিউজ ফ্রম বাংলাদেশ, ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৪। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৬