দর্শনা জংশন-খুলনা লাইন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দর্শনা জংশন–খুলনা রেলপথ
ট্রেন লাইন.jpg
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
ধরনবাংলাদেশের ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি গেজ রেলপথ
অবস্থাসক্রিয়
অঞ্চল বাংলাদেশ
বিরতিস্থলশুরু দর্শনা জংশন রেলওয়ে স্টেশন
শেষ খুলনা রেলওয়ে স্টেশন
স্টেশনসমূহ২৩ টি
ক্রিয়াকলাপ
উদ্বোধন
  • ১৯৫৪ (দর্শনা জংশন–যশোর জংশন)
  • ১৮৮৪ (যশোর জংশন–খুলনা)
মালিকবাংলাদেশ রেলওয়ে
পরিচালকবাংলাদেশ রেলওয়ে
প্রযুক্তিগত
ট্র্যাক গেজব্রড গেজ ১,৬৭৬ মিলিমিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি)
চালন গতি৮০ কিমি/ঘণ্টা
পথের মানচিত্র

চিলাহাটি-পার্বতীপুর-
সান্তাহার-দর্শনা লাইন
থেকে
দর্শনা জংশন
Left arrow
দর্শনা
বাংলাদেশ
ভারত
সীমান্ত
গেদে
দর্শনা হল্ট
উথলী
আনসারবাড়িয়া
সাফদারপুর
কোটচাঁদপুর
সুন্দরপুর
মোবারকগঞ্জ
বারোবাজার
ভৈরব নদ
মেহেরুল্লানগর
যশোর ক্যান্টনমেন্ট
পেট্রাপোল
বাংলাদেশ
ভারত
সীমান্ত
বেনাপোল
নাভারন
কপোতাক্ষ নদ
ঝিকরগাছা
ধোপাখোলা
Left arrow
যশোর জংশন
রূপদিয়া
Right arrow ঢাকা-যশোর রেলপথ
সিঙ্গিয়া
চেঙ্গুটিয়া
নওয়াপাড়া
বেজেরডাঙ্গা
ফুলতলা
Left arrow
আড়ংঘাটা
মোহম্মদনগর
রূপসা রেল সেতু
কাটাখালী
চুলকাটী
ভাগা
দিগরাজ
মংলা
দৌলতপুর
দৌলতপুর কলেজ
Right arrow খালিশপুর শিল্পাঞ্চল
খুলনা জংশন
খুলনা
সূত্র: বাংলাদেশ রেলওয়ে মানচিত্র

দর্শনা জংশন–খুলনা রেলপথ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি রেলপথ, যা বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালিত হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি সরাসরি যাতায়াত ব্যবস্থা চালু করার জন্য বৃটিশ সরকার ১৮৭৮ সালে চিলাহাটি-পার্বতীপুর-সান্তাহার-দর্শনা লাইন ও কলকাতা থেকে যশোর থেকে খুলনা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ করে। কিন্তু ১৯৪৭ এ দেশ ভাগ হয়ে যাবার পর দুই দেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাজশাহী রংপুরের সাথে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের খুলনার সরাসরি রেল যোগাযোগ ব্যাহত হয়। তাই খুব দ্রুত সময়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার দ্রুত দর্শনা জংশন থেকে যশোর জংশন পর্যন্ত নতুন রেলপথ স্থাপন করে[১] ১৯৫১[২] সালের মধ্যে। তখন থেকেই খুলনার সাথে সারা বাংলাদেশের সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু হয়।

শাখা রেলপথ[সম্পাদনা]

যশোর জংশন–বেনাপোল রেলপথ[সম্পাদনা]

যশোর জংশন থেকে বেনাপোলপেট্রাপোল হয়ে দমদম জংশন পর্যন্ত এই রেলপথ বিস্তৃত। বেনাপোল এক্সপ্রেস, বন্ধন এক্সপ্রেস, বেনাপোল কমিউটার, খুলনা কমিউটার ও মালবাহী ট্রেন এই পথ দিয়ে চলাচল করে।

খুলনা–মংলা রেলপথ[সম্পাদনা]

মংলা বন্দরকে দেশের রেলপথের সাথে সংযুক্ত করতে এই রেলপথ তৈরি করা হচ্ছে।

খুলনা–বাগেরহাট রেলপথ[সম্পাদনা]

বৃটিশ আমলে তৈরি এই রেলপথ ১৯৮০ সালে সরকার বন্ধ ঘোষণা করে। পরে এই পথের উপর দিয়ে সড়কপথ তৈরি করা হয়।

স্টেশন তালিকা[সম্পাদনা]

দর্শনা জংশন–খুলনা রেলপথ[সম্পাদনা]

যশোর–বেনাপোল শাখা রেলপথ[সম্পাদনা]

খুলনা–মংলা শাখা রেলপথ[সম্পাদনা]

খুলনা জংশন–বাগেরহাট শাখা রেলপথ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "প্রবল চাহিদার বিপরীতে রেল কেন জনবান্ধব হতে পারল না"যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-১৫ 
  2. "রেলওয়ে - বাংলাপিডিয়া"bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-১৬