শিলচর–সাব্রুম রেলপথ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
শিলচর–সাব্রুম রেলপথ
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
অবস্থাআংশিকভাবে পরিচালনাগত
সেবাগ্রহণকারী অঞ্চলআসাম এবং ত্রিপুরা
বিরতিস্থলশিলচর রেলওয়ে স্টেশন
সাব্রুম রেলওয়ে স্টেশন
পরিষেবাবদরপুর হয়ে
ক্রিয়াকলাপ
উদ্বোধনের তারিখ১৯৯৭
মালিকভারতীয় রেল
পরিচালনাকারীউত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল
প্রযুক্তিগত
রেললাইনের মোট দৈর্ঘ্য৩১২ কিমি (১৯৪ মা)
ট্র্যাক গেজ১,৬৭৬ মিমি (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) ব্রড গেজ

শিলচর-সাবরুম রেলপথটি ভারতীয় রেলওয়ের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল অঞ্চলের লুমডিং রেল বিভাগের অধীনস্থ একটি রেলওয়ে লাইন বা রেলপথ। এটি আসাম রাজ্যের কাছাড় জেলার শিলচর থেকে ত্রিপুরা রাজ্যের পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার আগরতলা পর্যন্ত যাওয়া একটি ১,৬৭৬ মিমি (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) ব্রড গেজ ট্র্যাক নিয়ে গঠিত। আগরতলা থেকে দক্ষিণে উদয়পুর পর্যন্ত যাওয়া ৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ১,৬৭৬ মিমি (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) ব্রড গেজ ট্র্যাকের রেলপথটির কাজ ২০১৬ সালে সমাপ্ত হয় এবং ২৩ জানুয়ারী ২০১৭ সালে এটি কার্যক্রম শুরু করে। অবশিষ্ট ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ রেল ট্র্যাক সীমান্তবর্তী ফেনী নদীর তীরে সাব্রুমের কাছে সমাপ্ত হবে। ২০২০ সালে সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

আসামের শিলচর থেকে ত্রিপুরার ধর্মনগরকৈলাসহরের মধ্যে মিটার গেজ ট্র্যাক নির্মাণের মাধ্যমে ত্রিপুরাতে রেলপথ ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়,[১] কিন্তু ট্র্যাকটি রাজধানী আগরতলাকে সংযুক্ত করে নি। ১৯৯৬ সালে ১১৯ কিলোমিটারের কুমারঘাট-আগরতলা রেলপথ প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। এটি ছিল বিদ্যুৎ সংযোগ বিহীন একক ট্র্যাকের মিটার গেজ এবং ২০১৬ সালে রেলপথটিকে বিস্তৃত গেজে রূপান্তরিত করা হয়।[২] আগরতলা থেকে উদয়পুর পর্যন্ত ৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ট্র্যাক স্থাপন করা হয় এবং ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ সালে আগরতলা থেকে উদয়পুরে (স্টেশন কোড ইউডিইউপি) মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরের কাছাকাছি পর্যন্ত রেল চলাচল করছে।

নির্মানাধীন[সম্পাদনা]

রেলপথটি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ফেনী নদীর তীরে উদয়পুরে থেকে ৭০ কিমি দক্ষিণে সাব্রুম পর্যন্ত বিস্তৃত করা হচ্ছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ৭৫ কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত রেলপথটি সম্প্রসারিত করার চেষ্টা চলছে। আগরতলা থেকে বাংলাদেশের আখাউড়া পর্যন্ত একটি শাখা রেলপথ নির্মাণাধীন আছে। এই রেলপথটি আগরতলা থেকে কলকাতার দূরত্ব প্রায় ৫০০ কিমি পর্যন্ত হ্রাস করবে। বর্তমানে গুয়াহাটি হয়ে আগরতলা থেকে কলকাতার দূরত্ব প্রায় ১,৫০০ কিমি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Agartala now on India's rail map"iGovernment › Infrastructure। igovernment.in। ১৫ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১৩ 
  2. "ব্রডগেজ মানচিত্রে জুড়ল ত্রিপুরা"। আনন্দবাজার পত্রিকা। ১ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]