কোদালকাটি ইউনিয়ন
| কোদালকাটি | |
|---|---|
| ইউনিয়ন | |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| বিভাগ | রংপুর বিভাগ |
| জেলা | কুড়িগ্রাম জেলা |
| উপজেলা | চর রাজিবপুর উপজেলা |
| ইউপি ভবন স্থাপন কাল | ১৯৭৩ |
| আয়তন[১] | |
| • মোট | ২৫.০৮ বর্গকিমি (৯.৬৮ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০২২ আদমশুমারি)[২] [৩] | |
| • মোট | ১৫,৩৫৭ |
| • জনঘনত্ব | ৬১০/বর্গকিমি (১,৬০০/বর্গমাইল) |
| সাক্ষরতার হার[৪] | |
| • মোট | ৬২.৫৩% |
| সময় অঞ্চল | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| পোস্ট কোড | ৫৬৫০ |
| ওয়েবসাইট | দাপ্তরিক ওয়েবসাইট |
২নং কোদালকাটি ইউনিয়ন বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন পরিষদ[৫]।
অবস্থান
[সম্পাদনা]কোদালকাটি ইউনিয়নটি চার দিকে নদীবেষ্টীত একটি দ্বীপ। এর উত্তর ও পশ্চিমে অষ্টমীর চর ইউপি,দক্ষিণে রাজিবপুর ও মোহনগঞ্জ ইউপি,পূর্বে যাদুর চর ইউপি [৬]। পশ্চিম ও দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র এবং পূর্ব- উত্তরে সোনাভরি নদী।
ইতিহাস ও প্রশাসনিক কার্যক্রম
[সম্পাদনা]এই ইউনিয়নটি পূর্বে রাজিবপুর ইউনিয়নের অধিভুক্ত ছিল। পরে স্থানীয় ব্যক্তি মরহুম আঃ কুদ্দুস আলী ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের সহযোগীতায় কোদালকাটি ইউনিয়ন গঠিত হয়। এই ইউনিয়নে ৯টি ওয়ার্ড বিদ্যমান। ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন সদস্য, ৩ জন মহিলা সদস্য ও ১জন ইউপি চেয়ারম্যান নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত।
মৌজা ও গ্রাম
[সম্পাদনা]- মৌজা-০৪টি [৭]
- কোদালকাটি
- চর সাজাই
- সাজাই
- মাধবপুর সংকরপুর
- গ্রাম-১৬টি
- শংকর মাধবপুর
- সাজাই
- তারাবর
- চর সাজাই
- কোদালকাটি
কোদালকাটির মুক্তিযুদ্ধ
[সম্পাদনা]১৯৭১ সালের ৪ আগস্ট, পাকবাহিনী কোদালকাটি দখল করে নেয়। ১৩ আগস্ট তারাবরে পাকবাহিনীর সাথে ভয়াবহ যুদ্ধে লিপ্ত হয় মুক্তিবাহিনী, পাকবাহিনী দিশেহারা হয়ে পিছু হটে। ২ অক্টোবর, কোদালকাটি ও শংকর মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়, যেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতায় পাকিস্তানি ১০০-১৫০ সেনা হতাহত হয়। এই যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন শংকর মাধবপুরের বীর প্রতীক তারামন বিবি[৮] ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান সরকার (ভারী মেশিনগান চালাতেন)[৯]। পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর, পাকবাহিনীর পলায়নের মাধ্যমে কোদালকাটি মুক্ত হয়। ৪ অক্টোবর কোদালকাটি মুক্ত দিবস।[১০][১১]
শংকর মাধবপুর এর গণহত্যা
[সম্পাদনা]শংকর মাধবপুর গ্রামটি ছিল তৎকালীন বৃহত্তর রংপুর জেলার (বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলা) রৌমারী থানার (বর্তমানে রাজিবপুর উপজেলা) কোদালকাটি ইউনিয়নের একটি গ্রাম। দেশের অন্যান্য স্থানের মত স্বাধীনতা সংগ্রামকালীন সময়ে বর্বর দখলদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসররা এখানে চালিয়েছিল এক গণহত্যা। তেররশী, খারুভাঞ্জ, সাজাই, ভেলামারী, উত্তর ভেলামারী, কোদালকাটি, শংকর মাধবপুর এবং দেউয়ার চর নিয়ে গঠিত হয়েছিল কোদালকাটি ইউনিয়নটি। শংকর মাধবপুর ছিল এই ইউনিয়নের সর্ববৃহৎ গ্রাম।
১৯৭১ সালের ৪ আগস্ট, পাকবাহিনী কোদালকাটির বিভিন্ন গ্রামগুলোকে দখলে নিয়ে নেয়। বিভিন্ন গ্রামের মানুষ যাদুরচর ও রাজিবপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রামে আশ্রয় নেয়। শংকর মাধবপুরের ধনাঢ্য ব্যক্তি বাদশা দেওয়ানী পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর সাথে একটা ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলে। তার অনেকগুলো ঘোড়া ছিলো ও আবাদী জমি ছিলো কয়েকশত বিঘা। তার জমিগুলোতে বর্গাচাষি হিসাবে ১৫০ টি পরিবার নিয়োজিত ছিলো। তার আশ্বাসে ৭০/৮০ টি পরিবার চাষাবাদের কাজের জন্য গ্রামে ফিরে আসে। এদের অধিকাংশ নদীর অপর তীরে মুক্তিবাহিনীকে পাকিস্তানি বাহিনীর মুভমেন্ট এর খবর দিতো।
৬ আগস্ট মুক্তিবাহিনী কোদালকাটি সিজ অপারেশন শুরু করে। ৮ আগস্ট তারা পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরক্ষা গড়ে তোলে। ১৩ আগস্ট তারাবরে ব্যাপক যুদ্ধ হয় এর পর পাকবাহিনী পিছু হটে। এর পর আগস্ট-সেপ্টেম্বর জুড়ে আক্রমণ ও পালটা আক্রমণ চলতে থাকে।[১২][১৩]
১৯৭১ সালের ২ অক্টোবর, এদিন মুক্তিবাহিনীর প্রবল আক্রমণের মুখে কোদালকাটি অবস্থান ছেড়ে পাকিস্তানিরা চিলমারীর উদ্দেশ্যে চলে যায়। যাবার আগ মুহূর্তে পাকিস্তানিরা শংকর মাধবপুর, সাজাই, ভেলামারী ও কোদালাকাটি গ্রামের ৬৫ জন বেসামরিক মানুষকে ১০/১২ জনের দলে দলে রশি দিয়ে বেঁধে খারুভাঞ্জ ক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গ্রামবাসীদের দিয়ে তারা তাদের নিহত সৈন্যদের লাশ এবং মাল-সামানা স্টীমার ও লঞ্চে লোড করার কাজে নিয়োজিত করে। নৌকা ঘাট ত্যাগ করার আগে সবাইকে নিয়ে শংকর মাধবপুরের সাজাইয়ে এলএমজি, এমজি এবং এসএমজির ব্রাস্ট ফায়ারে হত্যা করে। বাদশা দেওয়ানীকেও মেরে ফেলে। নিহতদের মধ্যে ৫৭ জনই ছিলো শংকর মাধবপুরের।
লাশগুলো যতোতত্র ফেলে রাখার কারনে কুকুরগুলো লাশের মাংস ভক্ষনের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে এতে অনেকের চেহারা বিকৃত হয়ে যায়। ৪ অক্টোবর গ্রামবাসী ৫৩ জনকে শনাক্ত করতে পারেন, বাদশা দেওয়ানীর চশমা দেখে তাকে শনাক্ত করা হয়। পরের দিন অর্থাৎ ৫ অক্টোবর, ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী গনকবরের মাধ্যমে দাফন কাফনের ব্যাবস্থা করা হয়। [১৪][১৫]
কৃষি সম্পদ
[সম্পাদনা]- চাষ উপযোগী: ২৫০ একর
- পতিত জমি: ২০৮ একর
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান
[সম্পাদনা]- মাধ্যমিক/নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
- কোদালকাটি সাদাকাত হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়
- শংকর মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- কোদালকাটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- উত্তর কোদালকাটি জুনিয়র স্কুল
- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়[১৭]
- শংকর মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-০১
- বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- সাজাই নতুন গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- মধ্যচর সাজাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- উত্তর কোদালকাটি মন্ডলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- সরকার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- কোদালকাটি আন্সার ডিলারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- শংকর মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-০২
- কোদালকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- চর সাজাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- সাজাইয়ের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- সাজাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- নাজিমূদ্দৌলা কোদালকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- উত্তর চরসাজাই মন্ডল পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- মাদ্রাসা
- চর সাজাই দাখিল মাদ্রাসা
- হাফিজিয়া মাদ্রাসা-০২টি
- পোস্ট অফিস-০১টি
- কমিউনিটি ক্লিনিক-০২টি
যোগাযোগ ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]২ নং কোদালকাটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জেলা ও উপজেলায় যোগাযোগের অন্যতম বাহন নৌকা। রাজিবপুর উপজেলা সদর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের দুরত্ব ৪.২৫ কি.মি.। নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হয়ে বিভিন্ন বাহনযোগে সারাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়া যায়।
হাট-বাজার
[সম্পাদনা]- কোদালকাটি হাট
- শংকর মাধবপুর হাট (ডুগডুগির হাট নামে পরিচিত)
- উঃ কোদালকাটি হাট
- দঃ সাজাই হাট
- আনান্দ বাজার হাট [১৮]
দর্শনীয় স্থান ও নদী
[সম্পাদনা]- সোনাভরি[১৯]
- হলহলিয়া
- ব্রহ্মপুত্র নদ
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি
[সম্পাদনা]- বীর প্রতীক তারামন বিবি: তিনি ১৯৭১ সালে ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন এবং বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক উপাধি প্রদান করে।বাংলাদেশের দুজন মহিলা বীর প্রতীকের মধ্যে উনি একজন। তারনামে জাহাঙ্গী্রনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের নামকরণ করা হয়েছে।[২০][২১]
- বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সোলায়মান সরকার: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারী মেশিনগান চালানো বীর যোদ্ধা, বর্তমানে রাজিবপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর আহবায়ক (কমান্ডার)।[২২]তার জন্ম শংকর মাধবপুর গ্রামে।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো"। bbs.portal.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো"। bbs.portal.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ - কুড়িগ্রাম জেলা" (পিডিএফ)। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। পৃ. পিডিএফ। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো"। bbs.portal.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "চর রাজিবপুর উপজেলা"। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২১।
- ↑ "কোদালকাটি ইউনিয়ন"। ১০ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২১।
- ↑ "বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো"। bbs.portal.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (১৫ ডিসেম্বর ২০১৮)। "তারামন বিবির বাড়িতে"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ প্রতিনিধি, নিজস্ব। "গুলির দাগ বুকে নিয়ে আজ রাজিবপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার সোলায়মান সরকার" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ ইশতিয়াক, আহমাদ (১৫ ডিসেম্বর ২০২৪)। "মুক্তিযুদ্ধে রৌমারীর আফতাব বাহিনী"। The Daily Star Bangla (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ Harun-or-Rashid; Miẏā, Sājāhāna, সম্পাদকগণ (২০২০)। Bāṃlādeśa muktiyuddha jñānakoṣa. 9. Khanḍa। Ḍhākā: Bāṃlādeśa Eśiẏāṭika Socāiṭī। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪-৯২৬৮-৫।
- ↑ ইশতিয়াক, আহমাদ (১৫ ডিসেম্বর ২০২৪)। "মুক্তিযুদ্ধে রৌমারীর আফতাব বাহিনী"। দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "রাজিবপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হলেন সোলায়মান সরকার"। মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ হারুন-অর-রশীদ; মিয়া, শাহজাহান, সম্পাদকগণ (২০২০)। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ - ৯ম খন্ড। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪-৯২৬৮-৫।
- ↑ "1971.10.25 | শংকর মাধবপুর গণহত্যা | কুড়িগ্রাম | সংগ্রামের নোটবুক" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)"। banbeis.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "কুড়িগ্রাম জেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা"।
- ↑ "হাট বাজারের তালিকা"। kodalkatiup.kurigram.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "নদ-নদীর তালিকা"। kodalkatiup.kurigram.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "যবিপ্রবিতে বীরপ্রতীক তারামন বিবির নামে হলের নামকরণ"। Dhaka Tribune। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ নিউজ, সময়। "নতুন নাম পেলো জাবির ৬ আবাসিক হল | শিক্ষা"। Somoy News। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "রাজিবপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হলেন সোলায়মান সরকার"। মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৫।
