বিষয়বস্তুতে চলুন

কুমারখালী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(কুমারখালি থেকে পুনর্নির্দেশিত)
কুমারখালী
শহর
গড়াই সেতু ও শহরের দিগন্ত রেখা
গড়াই সেতু ও শহরের দিগন্ত রেখা
মানচিত্র
কুমারখালী খুলনা বিভাগ-এ অবস্থিত
কুমারখালী
কুমারখালী
কুমারখালী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
কুমারখালী
কুমারখালী
স্থানাঙ্ক: ২৩°৫১′৩০″ উত্তর ৮৯°১৪′৩৪″ পূর্ব / ২৩.৮৫৮২৪২° উত্তর ৮৯.২৪২৭৮০° পূর্ব / 23.858242; 89.242780
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগখুলনা
জেলাকুষ্টিয়া
উপজেলাকুমারখালী
পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত এপ্রিল ১৮৬৯; ১৫৬ বছর আগে (1869-04-01)
সরকার
  ধরনপৌরসভা
  শাসককুমারখালী পৌরসভা
আয়তন
  পৌর এলাকা১০.৫০ বর্গকিমি (৪.০৫ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা
  পৌর এলাকা২৪,৪৬৮
  পৌর এলাকার জনঘনত্ব২,৩০০/বর্গকিমি (৬,০০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবাংলাদেশ মান সময় (ইউটিসি+০৬:০০)
পোস্টকোড৭০১০
পৌর কোড৪৪
ওয়েবসাইটকুমারখালী পৌরসভা

কুমারখালী বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত কুমারখালী উপজেলার একটি শহর[] এটি গড়াই নদীর তীরে অবস্থিত কুমারখালী উপজেলার সদরদপ্তর।[] কুমারখালী এর ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পের কারণে ব্রিটিশ আমল থেকেই বিশেষভাবে পরিচিত।[][] সেইসময় নদীবন্দর ও বানিজ্য কেন্দ্র হিসেবে শহরটি গড়ে ওঠে। শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির জন্য শহরটির বিশেষ খ্যাতি রয়েছে। এটিকে অনেকসময়ই জাদুঘরের শহরকুষ্টিয়ার পানাম নগর বলে উল্লেখ করা হয়ে থাকে।[][] কুমারখালী পৌরসভার আয়তন ১০.৫০ কিমি (৪.০৫ মা)[] ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী কুমারখালী পৌরসভায় ২৪,৪৬৮ জন মানুষ বসবাস করে।[][]

নামকরণ

[সম্পাদনা]

নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ রাজস্ব আদায়ের জন্য কমরকুলি খাঁ-কে এই অঞ্চলের প্রশাসক নিযুক্ত করেন। তার নামানুসারে এই অঞ্চলের 'কমরখালী' হিসেবে পরিচিত পায় যা বর্তমানে 'কুমারখালী' নামে পরিচিত।[১০]

কুমার নদের খাল থেকে 'কুমারখালী' নামের উৎপত্তি হয়েছে বলেও ধারণা করা হয়।[] কমর শাহ্ নামের এক ব্যক্তির নাম থেকে 'কুমারখালী' নামকরণ হয়েছে বলেও শোনা যায়। তবে ইতিপূর্বে কমর শাহ্ নামের কোনো ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া যায়নি।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে কুমারখালী হলো অপেক্ষাকৃত প্রাচীন জনপদ।[] জেমস রেনেলের মানচিত্রে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে দেখানো হয়েছে। একসময় কুষ্টিয়ার পরিচয় দেওয়ার জন্য 'কুমারখালী কুষ্টিয়া' বলতে হতো। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সময়ে এটি রেশম ও নীলের ব্যবসায়ীক কেন্দ্র ছিল।[] এটি তৎকালীন সময়ের আশেপাশের নীলকুঠির সদরদপ্তর ছিল। ১৭৯৫ সালে কুমারখালী খ্রিস্টান কবরস্থান প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে ধারণা করা হয় এই কবরস্থানের সবচেয়ে পুরাতন সমাধিটি ১৭৯০ সালের।[১১] ১৮৫৫ সালে পাবনা জেলার অধীনে কুমারখালী থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতোপূর্বে এটি যশোর জেলার অধীনে ছিল। ১৮৫৭ সালে কুমারখালী, খোকসা, পাংশা এবং বালিয়াকান্দি থানা নিয়ে কুমারখালী মহুকুমা গঠিত হয়। ১৮৬৯ সালে ১ এপ্রিল কুমারখালী পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৭১ সালে কুমারখালী মহকুমাকে বিলুপ্ত করা হয় এবং কুমারখালীখোকসা থানাকে কুষ্টিয়া মহকুমার অধীনে দেওয়া হলে কুমারখালী নদীয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়।[১২][১৩][১৪]

গড়াই নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়া কুমারখালী মথুরানাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন

কুমারখালীতে গড়াই নদীর তীরে ১৮৫৬ সালে একটি পরিত্যক্ত নীলকুঠিতে কুমারখালী মথুরানাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যা বর্তমান কুষ্টিয়া জেলার অন্যতম প্রাচীন বিদ্যালয়।[১৫] ১৮৬৩ সালে কুমারখালী সরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যা বাংলাদেশের প্রথম নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। হরিনাথ মজুমদার এই বিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষক ছিলেন।[১৬] ১৮৭২ সালে এখানে দারিদ্র বান্ধব পাঠাগার প্রতিষ্ঠিত হয়। জলধর সেন এই পাঠাগারের সভাপতি ও হরিনাথ মজুমদার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬১ সালে পাঠাগারটির নাম পরিবর্তন করে কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরি নামকরণ করা হয়।[১৭]

১৮৭১ সালের ১ জানুয়ারি কুষ্টিয়া থেকে গোয়ালন্দ ঘাট পর্যন্ত রেলপথ চালু হয়। এইসময় কুমারখালী রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণ করা হয়।[১৮]

ব্রিটিশ আমলে কুমারখালীতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার গড়ে ওঠে যেখানে এই অঞ্চলের তাঁতিদের তৈরি মোটা কাপড় প্রচুর পরিমাণে বিক্রি হতো। এখানে একটি রং শিল্পকারখানাও ছিল যেখানে স্থানীয়ভাবে তৈরি সুতো রঞ্জিত করা হতো।[] ব্রিটিশ আমলে এখানে একটি চিকিৎসা কেন্দ্রও ছিল যা স্থানীয়দের অনুদানে পরিচালিত হতো।[১৯] ১৯০১–১৯০৫ সালে কুমারখালী থানায় ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে শতকরা ৩৮.৬৫ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়। ফলে জনপরিসংখ্যানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে। এসময় কুমারখালী থানা নদীয়া জেলার সবচেয়ে ম্যালেরিয়াগ্রস্ত থানাগুলোর মধ্যে একটি ছিল।[২০]

কুমারখালী বড় জামে মসজিদ

ব্রিটিশ শাসনামলে এখানে কয়েকটি মসজিদ নির্মিত রয়েছে। এগুলোর মধ্যে তেবাড়িয়া তিন গম্বুজ জামে মসজিদ, দুর্গাপুর কাজী মিয়াজান মসজিদকুমারখালী বড় জামে মসজিদ উল্লেখযোগ্য। তেবাড়িয়া তিন গম্বুজ জামে মসজিদ ও কুমারখালী বড় জামে মসজিদ শহরের শেরকান্দি পাড়ায় অবস্থিত। হাজী আলীমুদ্দিন নামক একজন ১৮৮৭ সালে মসজিদ দুইটি নির্মাণ করেন। তেবাড়িয়া তিন গম্বুজ জামে মসজিদটি নির্মাণে লাহোরের বাদশাহী মসজিদের নকশাকে অনুকরণ করা হয়েছে। কুমারখালী বড় জামে মসজিদটি শেরকান্দি হাজীর মসজিদ নামেও পরিচিত।[২২] দুর্গাপুর কাজী মিয়াজান মসজিদ শহরের দুর্গাপুর পাড়ায়। ১৮১৮ সালে ওয়াহাবী নেতা কাজী মিয়াজান মসজিদটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে দ্বিতল মসজিদটি নান্দনিক ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে পুনরায় নির্মাণ করা হয়েছে।[২৩]

ভূগোল

[সম্পাদনা]

কুমারখালী দক্ষিণবঙ্গের গড়াই নদীর তীরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায় অবস্থিত। কুষ্টিয়া–রাজবাড়ী মহাসড়ক শহরটিকে দুইভাগে বিভক্ত করেছে।

পাবলিক লাইব্রেরি সংলগ্ন এলাকা

পাড়াসমূহ

[সম্পাদনা]

কুমারখালী পৌরসভা ৯টি ওয়ার্ড বিভক্ত। প্রতিটি ওয়ার্ড কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয়েছে।[২৪]

জনপরিসংখ্যান

[সম্পাদনা]
ঐতিহাসিক জনসংখ্যা
বছরজন.ব.প্র. ±%
১৮৭২৫,২৫১    
১৮৮১৬,০৪১+১.৫৭%
১৮৯১৬,১৬৫+০.২%
১৯০১৪,৫৮৪−২.৯২%
১৯১১৩,৭৬৯−১.৯৪%
১৯২১৩,৭৬৩−০.০২%
বছরজন.ব.প্র. ±%
১৯৭৪১০,৫৪৪+১.৯৬%
১৯৮১১৩,৮২৮+৩.৯৫%
১৯৯১১১,৬৪৫−১.৭%
২০০১১৯,৭০৭+৫.৪%
২০১১২১,৯১৪+১.০৭%
২০২২২৪,৪৬৮+১.০১%
[২৪][২৫][২৬][২৭]

বাংলাদেশের জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী কুমারখালী পৌরসভায় মোট ৬,৮০২টি পরিবার রয়েছে ও ২৪,৪৬৮ জন মানুষ বসবাস করে। এর মধ্যে পুরুষ ১১,৮৯৮ জন, নারী ১২,৫৬৮ জন ও হিজড়া ২ জন।[২৪]

কুমারখালী পৌরসভায় মোট ৭,৮০৩ জন কর্মজীবী রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ৬,৮৩৮ জন এবং নারী ৯৬৫ জন। অন্যদিকে মোট ৬,৭১৯ জন ব্যক্তি গৃহকর্মের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন যাদের মধ্যে ৬,৫৫১ জনই নারী। কর্মজীবীদের মধ্যে ৭১.৪৫ শতাংশ সেবামূলক, ২৪.৫৩ শতাংশ শিল্প ও ৪.০২ শতাংশ কৃষি কর্মের সঙ্গে জড়িত।[২৪]

কুমারখালী পৌরসভায় ধর্ম (২০২২)[২৪]
  1. ইসলাম (৮৮.৯৭%)
  2. হিন্দু (১১.০৩%)
  3. অন্যান্য (০%)

২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী কুমারখালী পৌরসভায় শুধু ইসলাম ও হিন্দুধর্মের অনুসারী রয়েছেন। বসবাসকারী মোট ২৪,৪৬৮ জন মানুষের মধ্যে ২১,৭৭০ জন ইসলাম ও ২,৬৯৮ জন হিন্দু ধর্মের অনুসারী ছিলেন।

২০১১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী কুমারখালী পৌরসভায় বসবাসকারী ২১,৯১৪ জন মানুষের মধ্যে ১৯,২৬৪ জন ইসলাম, ২,৬৪৮ জন হিন্দু ও ২ জন অন্যান্য ধর্মের অনুসারী ছিলেন।[২৮]

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

[সম্পাদনা]
মহাবিদ্যালয়
মাধ্যমিক বিদ্যালয়
অন্যান্য
  • কুমারখালী সঙ্গীত বিদ্যালয় (১৯৯৩)
  • কুমারখালী সঙ্গীত একাডেমি
  • সুর সঙ্গীত একাডেমি

দর্শনীয় স্থান

[সম্পাদনা]

২০১৩ সালে কাঙাল হরিনাথ স্মৃতি জাদুঘরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৯ ডিসেম্বর জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এখানে হরিনাথ মজুমদারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সংরক্ষিত রয়েছে।[২৯][৩০]

  • কাঙাল কুটির

কাঙাল কুটির বা কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের বাস্তুভিটা কুমারখালীর কুণ্ডুপাড়ায় জাবেদ আলী মোল্লা সড়কের পাশে অবস্থিত। এখানে হরিনাথ মজুমদার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পূর্ব বাংলার প্রথম মুদ্রণালয় এমএন প্রেসের কার্যালয় ছিল।[৩০][৩১]

  • কুমারখালী গড়াই সেতু

কুমারখালী গড়াই সেতু বা শহীদ গোলাম কিবরিয়া সেতু শহরের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত গড়াই নদীর উপর নির্মিত একটি সড়ক সেতু। ২০২৩ সালের ২৮ জুন থেকে সেতুতে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।[৩২]

  • কুমারখালী পৌর শিশু পার্ক
  • গড়াই ইকো পার্ক

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি

[সম্পাদনা]

চিত্রশালা

[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]
  • শ. ম. শওকত আলী (১৯৮৭)। কুষ্টিয়ার ইতিহাস। কুষ্টিয়া: কল্লোল মুদ্রায়ণ।
  • ড. মুহাম্মদ এমদাদ হাসনায়েন; সারিয়া সুলতানা (২০১৮)। কুষ্টিয়ার ইতিহাস। ঢাকা: বর্ণ প্রকাশ লিমিটেড। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৯৩১১০২৭
  • মোঃ রেজাউল করিম, সম্পাদক (২০২৩)। কুষ্টিয়ার প্রত্ননিদর্শন। ঢাকা: গতিধারা। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪৬০৮-১-৩
  • ড. মুহাম্মদ এমদাদ হাসনায়েন; ড. সারিয়া সুলতানা (২০২০)। ধর্মীয় ইতিহাস স্থাপত্যে কুষ্টিয়া। ঢাকা: কন্ঠধ্বনি প্রকাশনী। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৯৪৪৩৫-০-৬
  • কুমুদনাথ মল্লিক (১৯১২)। নদীয়া-কাহিনী (পিডিএফ)। রানাঘাট: পুস্তক বিপণি।
  • কুমুদনাথ মল্লিক (১৯৮৮) [১৯১২]। মোহিত রায় (সম্পাদক)। নদীয়া-কাহিনী (পিডিএফ) (দ্বিতীয় সংস্করণ)। রানাঘাট: পুস্তক বিপণি।
  • অশোক চট্টোপাধ্যায় (২০০১)। কাঙাল হরিনাথ মজুমদার জীবন সাহিত্য ও সমকাল (পিডিএফ)
  • শচীন্দ্রনাথ অধিকারী (১৯৫৪)। শিলাইদহ ও রবীন্দ্রনাথ (পিডিএফ)। কলতাকা: শ্রী গোপাল প্রেস।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. শচীন্দ্রনাথ অধিকারী (১৯৫৪)। শিলাইদহ ও রবীন্দ্রনাথ (পিডিএফ)। কলতাকা: শ্রী গোপাল প্রেস। পৃ. ৬–। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৫
  2. "প্রাচীন কুমারখালীর তুলসি গ্রাম ছিল এ অঞ্চলের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি"কুষ্টিয়ার কাগজ। ১৪ জানুয়ারি ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫
  3. 1 2 3 জে.এম. প্রিঙ্গেল; এ.এইচ. কেইএমএম (১৯২৮)। Final Report on the Survey and Settlement Operations on the District of Nadia 1918–1926 [১৯১৮-১৯২৬ সালে নদীয়া জেলার জরিপ ও বসতি স্থাপন কার্যক্রমের চূড়ান্ত প্রতিবেদন] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। কলকাতা: বেঙ্গল সেকেটেইয়েট বুক ডিপো। পৃ. ২১। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫
  4. জয়নাল আবেদীন শিশির (৭ অক্টোবর ২০২১)। "বড় ক্ষতিতে কুমারখালি তাঁতশিল্প"দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। ৩০ মে ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  5. 1 2 ড. মুহাম্মদ এমদাদ হাসনায়েন; সারিয়া সুলতানা (২০১৮)। কুষ্টিয়ার ইতিহাস। ঢাকা: বর্ণ প্রকাশ লিমিটেড। পৃ. ৩০–৩৬। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৯৩১১০২৭
  6. "জাদুঘরের শহর কুমারখালী"প্রথম আলো। ২৭ জুন ২০১৯। ১১ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৫
  7. 1 2 3 "এক নজরে কুমারখালী পৌরসভা"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - কুমারখালী উপজেলা। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  8. "Population and Housing Census 2022" [জনসংখ্যা ও গৃহগণনা ২০২২] (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  9. "কুমারখালীর তাঁত শিল্প ঐতিহ্য হারাচ্ছে"আমার সংবাদ। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ২৫ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  10. "কুমারখালী উপজেলার ইতিহাস"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন - কুমারখালী উপজেলা। ৩০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  11. ড. মুহাম্মদ এমদাদ হাসনায়েন; ড. সারিয়া সুলতানা (২০২০)। ধর্মীয় ইতিহাস স্থাপত্যে কুষ্টিয়া। ঢাকা: কন্ঠধ্বনি প্রকাশনী। পৃ. ২৩৫। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৯৪৪৩৫-০-৬
  12. মোঃ রেজাউল করিম, সম্পাদক (২০২৩)। কুষ্টিয়ার প্রত্ননিদর্শন। ঢাকা: গতিধারা। পৃ. ২৪। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪৬০৮-১-৩
  13. "স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহ্যবাহী কুমারখালী"প্রথম আলো। ১ ডিসেম্বর ২০১৯। ৯ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  14. অশোক চট্টোপাধ্যায় (২০০১)। কাঙাল হরিনাথ মজুমদার জীবন সাহিত্য ও সমকাল (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  15. মোঃ রেজাউল করিম, সম্পাদক (২০২৩)। কুষ্টিয়ার প্রত্ননিদর্শন। ঢাকা: গতিধারা। পৃ. ১৯২। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪৬০৮-১-৩
  16. তৌহিদী হাসান। "আজও আলো ছড়াচ্ছে দেশের প্রাচীন বালিকা বিদ্যালয়টি"২০২২-১২-২৪। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  17. ড. মুহাম্মদ এমদাদ হাসনায়েন; সারিয়া সুলতানা (২০১৮)। কুষ্টিয়ার ইতিহাস। ঢাকা: বর্ণ প্রকাশ লিমিটেড। পৃ. ১২০। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৯৩১১০২৭
  18. INFORMATION BOOK 2018 [তথ্য বই ২০১৮] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০১৮। পৃ. ১। ৩০ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  19. জে. এইচ. ই. গ্যারেট (১৯১০)। BENGAL DISTRICT GAZETTEERS NADIA [বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার্স নদীয়া] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। কলকাতা: বেঙ্গল সেকেটেইয়েট বুক ডিপো। পৃ. ৬৪, ৬৫। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫
  20. REPORT OF THE DRAINAGE COMMITTEE BENGAL PRESIDENCY DIVISION [ড্রেনেজ কমিটি বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি বিভাগের প্রতিবেদন] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। কলকাতা: বেঙ্গল সেক্রেটারিয়েট প্রেস। ১৯০৭। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫
  21. অন্নদাশঙ্কর রায় (১৯৫৯)। যুক্তবঙ্গের স্মৃতি (পিডিএফ)। কলকাতা: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ। পৃ. ৪০। সংগ্রহের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৫
  22. ড. মুহাম্মদ এমদাদ হাসনায়েন; ড. সারিয়া সুলতানা (২০২০)। ধর্মীয় ইতিহাস স্থাপত্যে কুষ্টিয়া। ঢাকা: কন্ঠধ্বনি প্রকাশনী। পৃ. ১১৫, ১২৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৯৪৪৩৫-০-৬
  23. ড. মুহাম্মদ এমদাদ হাসনায়েন; ড. সারিয়া সুলতানা (২০২০)। ধর্মীয় ইতিহাস স্থাপত্যে কুষ্টিয়া। ঢাকা: কন্ঠধ্বনি প্রকাশনী। পৃ. ১০৭। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৯৪৪৩৫-০-৬
  24. 1 2 3 4 5 "Population and Housing Census 2022 COMMUNITY REPORT: KUSHTIA" [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ কমিউনিটি রিপোর্ট: কুষ্টিয়া] (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ জুলাই ২০২১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  25. "Nadia District : statistics, 1911-1912 to 1920-21" (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫
  26. "Nadia District : statistics, 1900-1901 to 1911-1912" (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫
  27. "Population And Housing Census National Report Volume-03: Urban Area Rport, 2011" [জনসংখ্যা ও গৃহগণনা জাতীয় প্রতিবেদন খণ্ড-০৩: নগর এলাকা প্রতিবেদন, ২০১১] (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  28. "Population and Housing Census 2011 Zila Report: Kushtia" [জনসংখ্যা ও গৃহগণনা ২০১১ জেলা প্রতিবেদন: কুষ্টিয়া] (পিডিএফ)বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫
  29. "কাঙ্গাল হরিনাথ জাদুঘর"বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর। ২৯ জুন ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫
  30. 1 2 কামরুজ্জামান ভূঁইয়া (১৮ অক্টোবর ২০২২)। "কাঙাল হরিনাথ জাদুঘর ও কিছু কথা"প্রথম আলো। ১৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২৫
  31. মোঃ রেজাউল করিম, সম্পাদক (২০২৩)। কুষ্টিয়ার প্রত্ননিদর্শন। ঢাকা: গতিধারা। পৃ. ৩২। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৪৬০৮-১-৩
  32. "কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে উদ্বোধনের পরদিন সেতু পরিণত হলো ঈদ বিনোদনকেন্দ্রে"প্রথম আলো। ২৯ জুন ২০২৩। ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]