গাংনী উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
গাংনী
উপজেলা
গাংনী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
গাংনী
গাংনী
বাংলাদেশে গাংনী উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৯′ উত্তর ৮৮°৪৫′ পূর্ব / ২৩.৮১৭° উত্তর ৮৮.৭৫০° পূর্ব / 23.817; 88.750স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৯′ উত্তর ৮৮°৪৫′ পূর্ব / ২৩.৮১৭° উত্তর ৮৮.৭৫০° পূর্ব / 23.817; 88.750 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ খুলনা বিভাগ
জেলা মেহেরপুর জেলা
আয়তন
 • মোট ৩৪৪.৪৭ কিমি (১৩৩�০০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,৯৯,৬০৭
 • ঘনত্ব ৮৭০/কিমি (২৩০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৪২.২%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

গাংনী বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। ১৯৮৪ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি একে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।[২]

অবস্থান ও পরিচিতি[সম্পাদনা]

গাংনী নামের সাথে যুক্ত হয়ে আছে এ অঞ্চলের ভৌগোলিক পরিবেশের পরিচয়। গাংনী পদটিই এখানে প্রধান। নদী বা নদীর মৃতপ্রায় ধারাকে এ এলাকার মানুষ গাং বা গাঙ বলে। অনুমান করা হয় যে, গাঙ্গেয় অববাহিকার এ এলাকায় প্রথম বসতি স্থাপনকারী মানুষেরা অন্যদের বসবাসে উদ্বুদ্ধ করার জন্য ‘এ এলাকায় গাং অর্থাৎ নদী নেই’- এমন ঘোষণা দেয়। ‘গাং নেই’ পরবর্তীকালে হয়ে যায়- ‘গাংনী’। এ এলাকার মানুষেরা নেই বুঝাতে ‘নি’ উচ্চারণ করে। গাংনী নামকরণে ভিন্ন আর একটি যুক্তিও পাওয়া যায়। পশ্চিমে কাজলা নদী এবং পূর্বে মাথাভাঙ্গা নদীর মধ্যবর্তী দোয়ার অঞ্চলে এ থানার অবস্থান। সেই অর্থে এ নদীর প্রধান উৎস গঙ্গা। গঙ্গার কন্যা মনে করার কারণে খরস্রোতা মাথাভাঙ্গাকে একসময় এ এলাকার মানুষ ‘গাংগীনি’ বলে ডাকত। গাংগীনি থেকে গাঙ্গনী বা গাংনী শব্দের উৎপত্তি। গাংনী নামকরণে মুলত এ অঞ্চলের নদী সম্পৃক্ততার পরিচয় ফুটে উঠেছে।[৩]

এই উপজেলার উত্তরে দৌলতপুর উপজেলা, দক্ষিণে আলমডাঙ্গা উপজেলামেহেরপুর সদর উপজেলা, পূর্বে দৌলতপুর উপজেলা, আলমডাঙ্গা উপজেলামিরপুর উপজেলা, পশ্চিমে মেহেরপুর সদর উপজেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

উপজেলার মোট আয়তন ৩৪৪.৪৭ বর্গ কিলোমিটার। এটি ১টি থানা, ১টি পৌরসভা (গ শ্রেণীর), ৯টি ওয়ার্ড, ১৩টি মহল্লা, ০৯টি ইউনিয়ন, ১০৩টি মৌজা, ১২০টি গ্রাম নিয়ে গঠিত।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

মোট জনসংখ্যা ২,৬৯০৮৫ জন (২০০১ সনের আদমশুমারী অনুযায়ী), পুরুষ ১,৩৭,৯২১ জন, মহিলা ১,৩১,১৬৪ জন, মোট খানার সংখ্যা ৬৪,৩৬৫ টি, বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৬২%।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষার হার ৩৬.৫০% (পুরুষ ৩৮.৭০.%, মহিলা ৩৪.১০%)।

  • প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৮২টি (সরকারি ৭৮টি, বেসরকারি রেজিষ্টার্ড ৬৮টি, আন রেজিষ্টার্ড ৮টি, কিন্ডার গার্ডেন ১৪টি, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা ০১টি, উচ্চ মাদ্রাসা সংলগ্ন নেই, কমিউনিটি ৪টি),
  • নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১১ টি,
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৫০ টি,
  • উচ্চ মাধ্যমিক ০৩ টি,
  • স্কুল এন্ড কলেজ ০১ টি,
  • ডিগ্রী কলেজ ০৩ টি (বেসরকারি),
  • কলেজ ০৯ টি,
  • ফাযিল মাদ্রাসা ০১ টি,
  • আলিম মাদ্রাসা ০১ টি,
  • দাখিল মাদ্রাসা ০৭টি।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

গাংনী উপজেলায় ৩টি নদী রয়েছে। নদীগুলো হচ্ছে ভৈরব নদী, হিশনা-ঝাঞ্চা নদী এবং কাজলা নদী।[৪][৫]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে গাংনী"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারী, ২০১৫ 
  2. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২ জুন, ২০১৫ 
  3. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "উৎপত্তি ও নামকরণ"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারী, ২০১৫ 
  4. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৮৩-৮৪, ৩৮৯, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  5. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬১২, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]