ডুমুরিয়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
ডুমুরিয়া
উপজেলা
ডুমুরিয়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ডুমুরিয়া
ডুমুরিয়া
বাংলাদেশে ডুমুরিয়া উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৪৮′১৩″ উত্তর ৮৯°২৫′১৮″ পূর্ব / ২২.৮০৩৬১° উত্তর ৮৯.৪২১৬৭° পূর্ব / 22.80361; 89.42167স্থানাঙ্ক: ২২°৪৮′১৩″ উত্তর ৮৯°২৫′১৮″ পূর্ব / ২২.৮০৩৬১° উত্তর ৮৯.৪২১৬৭° পূর্ব / 22.80361; 89.42167 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ খুলনা বিভাগ
জেলা খুলনা জেলা
আয়তন
 • মোট ৪৫৪.২৩ কিমি (১৭৫.৩৮ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ৩,০৫,৬৭৫
 • ঘনত্ব ৬৭০/কিমি (১৭০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৫৫.৬৬%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

ডুমুরিয়া উপজেলা বাংলাদেশের খুলনা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের বিভাগীয় শহর খুলনা। এই জেলার ০৯ টি উপজেলার মধ্যে সর্ববৃহৎ উপজেলা ডুমুরিয়া । নদীমাতৃক ডুমুরিয়া উপজেলার আয়তন ৪৫৪.২৩ বর্গকিলোমিটার। অবস্থান: ২২°৩৯´ থেকে ২২°৫৬´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°১৫´ থেকে ৮৯°৩২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তরে মনিরামপুর উপজেলা, অভয়নগর উপজেলা এবং ফুলতলা উপজেলা, দক্ষিণে বটিয়াঘাটা উপজেলাপাইকগাছা উপজেলা, পূর্বে খানজাহান আলী, খালিশপুর এবং সোনাডাঙ্গা থানা ও বটিয়াঘাটা উপজেলা, পশ্চিমে তালা উপজেলা, অভয়নগর উপজেলা, মনিরামপুর উপজেলা ও কেশবপুর উপজেলা। জলাশয় প্রধান নদী: শিবসা নদী ও সিংড়াইল। প্রধান বিল: বিল ডাকাতিয়া। প্রশাসন থানা গঠিত হয় ২৫ মার্চ ১৯১৮ এবং থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৩ সালে।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

এই উপজেলার ইউনিয়নসমূহ হছে -

  1. ধামালিয়া ইউনিয়ন
  2. রঘুনাথপুর ইউনিয়ন
  3. রুদাঘরা ইউনিয়ন
  4. খর্ণিয়া ইউনিয়ন
  5. আটলিয়া ইউনিয়ন
  6. মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন
  7. শোভনা ইউনিয়ন
  8. শরাফপুর ইউনিয়ন
  9. সাহস ইউনিয়ন
  10. ভান্ডারপাড়া ইউনিয়ন
  11. ডুমুরিয়া ইউনিয়ন
  12. রংপুর ইউনিয়ন
  13. গুটুদিয়া ইউনিয়ন এবং
  14. মাগুরখালী ইউনিয়ন

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ডুমুরিয়ার ইতিহাস প্রাচীনতম। ধারনা করা হয় এ অঞ্চলটি পুন্ড্র এর অপভ্রংশ। পুন্ড্র সময়কালে এ অঞ্চলে বাগাদি ও বাছাড় নামে প্রধান দুটো জাতি বসবাস করতো। ঐতিহাসিক সতীশ চন্দ্র মিত্রের মতে দশম শতকে এ অঞ্চল মূলত ভারত রাজার অধীনে ছিল। মধ্যযুগে আলাউদ্দিন শাহ এবং হযরত শেখ আফজাল এর মাধ্যমে পঞ্চদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি এ অঞ্চলে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদামশুমারি অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা ৩,০৫,৬৭৫।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

চিংড়ি চাষ জীবিকার প্রধান উৎস।গলদা, বাগদা,হরিণা চিংড়ি চাষ হয় ঘেরে। আর ঘেরের আইলে চাষ হয় শীতকালীন সবজী,টমেটো,আলু,মটর, শীম, কুমড়ো,লাউ,শষা,করোলা,পটল ইত্যাদি।ইরি মৌসুমে প্রচুর ধান উৎপাদিত হয়।কৃষি নির্ভর অর্থনীতি ছাড়াও এখানে কুটির শিল্প বিদ্যমান।কুমোরেরা মাটির হাড়ি পাতিল, ফুলের টব তৈরি করে।জেলেরা মাছ ধরে আর জাল বুনে।

নদ-নদী[সম্পাদনা]

ডুমুরিয়া উপজেলায় রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নদী। এখানকার নদীগুলো হচ্ছে শিবসা নদী, তেলিগঙ্গা-ঘেংরাইল নদী, ঘনরাজ নদী।[২][৩]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • শহীদ বুদ্ধিজীবী প্রফুল্ল কুমার বিশ্বাস।
  • বিশিষ্ট বংশীবাদক গাজী আব্দুল হাকিম
  • বিপ্লবী কামখ্যাপ্রসাদ রায়চৌধুরী (১৯২০-২০১৬)
  • কৃষকনেতা শেখ আবদুল মজিদ
  • বিষ্ণু চট্টোপাধ্যায়
  • সুখময় সরকার (১৮৯৯-১৯৮৫), জাতিতত্ত্বের লেখক ও ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের লীলাসঙ্গী
  • সালাউদ্দিন ইউসুফ, প্রাক্তন মন্ত্রী
  • অ্যাডভোকেট এনায়েত আলী, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক
  • লে. কর্নেল এইচ এম এ গফফার, বীর উত্তম
  • আবদুল বাখার, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক
  • পংকজ কান্তি বিশ্বাস, বান্দা, শিক্ষা প্রসারক
  • নারায়ন চন্দ্র চন্দ, সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী
  • নুরুল ইসলাম মানিক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার
  • ড. আইনুন নিশাত, বিশিষ্ট পানি বিশেষজ্ঞ
  • ড. সন্দীপক মল্লিক, গবেষক ও পরিবেশবাদী
  • ড. দিব্যদ্যুতি সরকার, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক
  • ডাঃ মো সেলিম, বিশিষ্ট শিশু বিশেষজ্ঞ
  • অধ্যাপক কে আলী, ইতিহাসবিদ
  • নারায়ণ চন্দ্র গোস্বামী, শাক্ত সাধক
  • ধীরেন্দ্রনাথ সাধু, বৈষ্ণব ধর্মগুরু
  • বিপ্লবী চারু চন্দ্র বসু

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে ডুমুরিয়া"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারী ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৮৯, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৯, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]