তেরখাদা উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
তেরখাদা
উপজেলা
তেরখাদা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
তেরখাদা
তেরখাদা
বাংলাদেশে তেরখাদা উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৫৬′৩৫″ উত্তর ৮৯°৩৯′৫৬″ পূর্ব / ২২.৯৪৩০৬° উত্তর ৮৯.৬৬৫৫৬° পূর্ব / 22.94306; 89.66556স্থানাঙ্ক: ২২°৫৬′৩৫″ উত্তর ৮৯°৩৯′৫৬″ পূর্ব / ২২.৯৪৩০৬° উত্তর ৮৯.৬৬৫৫৬° পূর্ব / 22.94306; 89.66556 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ খুলনা বিভাগ
জেলা খুলনা জেলা
আয়তন
 • মোট ১৮৬.৫৪ কিমি (৭২.০২ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ১,১৮,৮৫৪
 • ঘনত্ব ৬৪০/কিমি (১৭০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৬৫%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

তেরখাদা বাংলাদেশের খুলনা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

তেরখাদা ভৌগলিক ভাবে ২২.৯৪১৭° N ৮৯.৬৬৯৪° E অবস্থিত। তেরখাদা উপজেলার মোট আয়তন ১৮৯.৪৮ বর্গকিলোমিটার। এই উপজেলার - উত্তরে কালিয়া উপজেলা, দক্ষিণে রূপসা উপজেলা, পুর্বে মোল্লাহাট উপজেলা ও পশ্চিমে দিঘলিয়া উপজেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

তেরখাদা উপজেলায় ৬ টি ইউনিয়ন রয়েছে। মৌজা ৩২ টি। মোট গ্রামের সংখ্যা ৯৯ টি। তেরখাদা উপজেলার অন্তর্গত ৬ টি ইউনিয়ন হলঃ ১) সাচিয়াদহ ইউনিয়ন ২) ছাগলাদাহ ইউনিয়ন ৩) কাটেংগা ইউনিয়ন ৪) মধুপুর ইউনিয়ন ৫) বারাসাত ইউনিয়ন ৬) আজগড়া ইউনিয়ন

ইতিহাস[সম্পাদনা]

তেরখাদা থানা (বর্তমানে উপজেলা), প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯১৮ সালে। ১৯৭১ সালের ১৫ই মে তারিখে রাজাকার গাউস মোল্লা'র প্রত্যক্ষ ইন্ধনে পাক হানাদার বাহিনি তেরখাদা আক্রমণ করে। হানাদার বাহিনি সাহাপাড়া এবং সাচিয়াদহসহ আরও কয়েকটি গ্রামে অগ্নিসংযোগ করে। অনেকে হতাহত হয়। তেরখাদা উপজেলায় বেশ কয়েকটি সম্মুখযুদ্ধ সংঘটিত হয়।

তেরখাদা নামকরনের ইতিহাস সম্পর্কে স্থানীয় জনগন বিশ্বাস করেন, বহু পুর্বে নড়াইলের জমিদার বরদা প্রসাদ রায় এখানে ১৩ খাদা (১ খাদা= ১০০ বিঘা) জমি কেনেন রাত্রিযাপনের জন্য। তিনি খুলনা থেকে এ পথে ফিরছিলেন। সেই সময়ে এই স্থান তার অত্যন্ত ভাল লেগে যায়। সেই তের খাদা জমির নামানুসারে আজও অব্দি এই ভুখন্ড তেরখাদা নামে পরিচিত।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী তেরখাদা উপজেলার লোকসংখ্যা ১,১৬,৭০৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৮,৩৬৩ জন এবং নারী ৫৮,৩৪৬ জন। পুরুষ এবং নারীর অনুপাত ৫০.০২:৪৯.৯৮।[২]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

এই উপজেলার শিক্ষার হার শতকরা ৪৮.৫ জন (আদমশুমারী ২০১১ অনুযায়ী)। শিক্ষার হার পুরুষ ৪৯.৯% এবং নারী ৪৭%। তেরখাদা উপজেলায়

  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৯৫ টি
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৬ টি
  • কলেজ ৪ টি
  • মাদ্রাসা ১৪ টি।

নদ-নদী[সম্পাদনা]

তেরখাদা উপজেলায় রয়েছে ১টি নদী। নদীটি হচ্ছে আঠারোবাঁকি নদী[৩][৪]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

এখানকার অধিকাংশ মানুষ কৃষিজীবী। প্রধান কৃষি পণ্য ধান, পাট, আখ, গম ও তিল। বর্তমানে ভুতিয়ার বিলে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা থাকায় কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে, যার বিরুপ প্রভাব পড়ছে অধিবাসীদের অর্থনৈতিক অবস্থায়।

= কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

তেরখাদা উপজেলার দুঃখ নামে পরিচিত হল ভুতিয়ার বিল। এই বিলের জলাবদ্ধতার কারনে কৃষিকাজ হচ্ছে ব্যাহত। যার প্রভাব পড়ছে এলাকার অর্থনীতি এবং সমাজ ব্যাবস্থার উপরে। যথাযথ উদ্দোগের অভাবে এই বিলের আশেপাশের গ্রাম যেমন, পাতলা, নাচুয়ানিয়া, আদমপুর, আদালতপুর আটলিয়া সহ ১০/১২ টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে তেরখাদা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারী, ২০১৫ 
  2. http://www.bbs.gov.bd/WebTestApplication/userfiles/Image/Census2011/Khulna/Khulna/Khulna_C07.pdf
  3. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৮৯, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  4. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৯, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]