কয়রা উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২২°২০′৩০″উত্তর ৮৯°১৮′০০″পূর্ব / ২২.৩৪১৭° উত্তর ৮৯.৩০০০° পূর্ব / 22.3417; 89.3000

কয়রা উপজেলা
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
কয়রা
বিভাগ
 - জেলা
খুলনা বিভাগ
 - খুলনা জেলা
স্থানাঙ্ক ২২°২০′৩০″উত্তর ৮৯°১৮′০০″পূর্ব / ২২.৩৪১৭° উত্তর ৮৯.৩০০০° পূর্ব / 22.3417; 89.3000
আয়তন ১৭৭৫.৪১ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (১৯৯১)
 - ঘনত্ব
১৬৫৪৭৩
 - ৯৩ বর্গকিমি
ওয়েবসাইট: উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট
কয়রা সদরে অবস্থিত স্মৃতি সৌধ এবং শহীদ মিনার

কয়রা (ইংরেজি: Koyra) হল বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের খুলনা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

ভৌগলিক অবস্থান[সম্পাদনা]

কয়রার ভৌগলিক অবস্থান ২২°২০′৩০″উত্তর ৮৯°১৮′০০″পূর্ব / ২২.৩৪১৭° উত্তর ৮৯.৩০০০° পূর্ব / 22.3417; 89.3000। এখানে ২৮০৬১ পরিবারের ইউনিট রয়েছে এবং মোট এলাকা ১৭৭৫,৪১ কিমি²। উত্তরে পাইকগাছা উপজেলা, দক্ষিণ ও পূর্বে সুন্দরবনদাকোপ উপজেলা, পশ্চিমে সাতক্ষীরা জেলা শ্যামনগর উপজেলাআশাশুনি উপজেলা

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

১৯৯১ সালের বাংলাদেশের আদমশুমারি এর হিসাব অনুযায়ী, কয়রার ১৬৫.৪৭৩ জনসংখ্যা রয়েছে। পুরুষদের জনসংখ্যার ৪৯.৬৮% এবং নারী ৫০.৩২%। এই উপজেলার আঠার পর্যন্ত জনসংখ্যা ৮০.৮৩০ হয়। কয়রায় গড় শিক্ষিতের হার ৩২.৪% (৭+ বছর) রয়েছে এবং জাতীয় গড় শিক্ষিত ৩২.৪%।[১]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

কয়রায় ৭টি পোস্টাল ইউনিয়ন/ওয়ার্ড রয়েছে, ৭২টি মৌজা/মহল্লা এবং ১৩১ টি গ্রাম।

ইউনিয়নগুলি হল:

  • আমাদী
  • বাগালী
  • মহেশ্বরীপুর
  • মহারাজপুর
  • কয়রা
  • উত্তর বেদকাশী
  • দক্ষিণ বেদকাশী

ইতিহাস[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

কয়রা উপজেলায় বর্তমানে শিক্ষার হার দিন দিন বাড়ছে। এই এলাকার মানুষজন নিজেদের সন্তানকে শিক্ষিত করে তোলার ব্যাপারে বেশ সচেতন। উপজেলায় বেশ কিছু প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মহাবিদ্যালয় আছে।

উচ্চবিদ্যালয়
  • ভাগবাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
  • কয়রা মদিনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
  • বেদকাশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
  • মহেশ্বরীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়
  • গিলাবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
  • মঠবাড়ি শিরাযিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়
মহাবিদ্যালয়
  • কপোতাক্ষ কলেজ
  • জোবেদা খানম মহিলা মহাবিদ্যালয়

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কয়রার অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। এখানকার অধিকাংশ জমি এক ফসলি। শুধু মাত্র বর্ষা মৌসুমে চাষ হয়। তাছাড়া বিস্তীর্ণ এলাকায় মাছের, প্রধানত চিংড়ি, চাষ হয়। এলাকার জনগোষ্ঠীর বড় একটা অংশ সুন্দরবনের উপর প্রত্যক্ষভাবে নির্ভরশীল। সুন্দরবন থেকে বছর জুড়ে কাঠ, মাছ, মধু আহরণ অব্যহত থাকে। শিক্ষিত শ্রেনী চাকরি করে।

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Population Census Wing, BBS."আসল থেকে ২০০৫-০৩-২৭-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত নভেম্বর ১০, ২০০৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]