লিভ উলমান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
লিভ উলমান
Liv Ullmann 2014.jpg
স্থানীয় নাম
Liv Ullmann
জন্ম
লিভ ইয়োহানে উলমান

(১৯৩৮-১২-১৬)১৬ ডিসেম্বর ১৯৩৮
পেশাঅভিনেত্রী
কার্যকাল১৯৫৭-বর্তমান
সঙ্গীইংমার বারিমান (১৯৬৫-১৯৭০)
সন্তানলিন উলমান

লিভ ইয়োহানে উলমান (Liv Johanne Ullmann; জন্ম: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৩৮)[১] হলেন একজন নরওয়েজীয় অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক। তিনি সুয়েডীয় পরিচালক ইংমার বারিমানের পাণিপ্রার্থীদের একজন।[২]

উলমান দ্য এমিগ্র্যান্টস (১৯৭১) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সেরা নাট্য চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অর্জন করেন এবং আরও চারটি গোল্ডেন গ্লোবের মনোনয়ন লাভ করেন। ২০০০ সালে তিনি তার নির্মিত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ফেইথলেস-এর জন্য পাল্ম দর পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তিনি সিনস ফ্রম আ ম্যারিজ (১৯৭৩) ও ফেস টু ফেস (১৯৭৬) চলচ্চিত্রের জন্য দুটি বাফটা পুরস্কার এবং দি ইমিগ্র্যান্টসফেস টু ফেস চলচ্চিত্রের জন্য দুটি একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

উলমান ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে নরওয়েতে মঞ্চ অভিনেত্রী হিসেবে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। তিনি তার কর্মজীবনের বেশির ভাগ সময়ই মঞ্চে কাজ করেন এবং হেনরিক ইবসেনের আ ডল্‌স হাউজ নাটকে নোরা চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি অর্জন করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তিনি সুয়েডীয় পরিচালক ইংমার বারিমানের চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করার পর অধিক খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি বারিমানের ১০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পারসোনা (১৯৬৬), দ্য প্যাসন অব অ্যানা (১৯৬৯), ক্রাইজ অ্যান্ড হুইস্পার্স (১৯৭২) ও অটাম সোনাটা (১৯৭৮)। শেষোক্ত চলচ্চিত্রে তার সাথে অভিনয় করেন ইংরিদ বারিমান এবং এই ছবি দিয়ে ইংরিদ পুনরায় সুয়েডীয় চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। উলমানকে প্রায়ই সুয়েডীয় অভিনেতা ও ইংমারের সহকর্মী এরলান্ড ইয়োসেফসনের বিপরীতে অভিনয় করতে দেখা যেত। তার সাথে তিনি সুয়েডীয় টেলিভিশন নাটক সিনস ফ্রম আ ম্যারিজ (১৯৭৩)-এ অভিনয় করেন, যা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে সম্পাদনা করা হয়েছিল এবং প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়েছিল। উলমান রিচার্ড অ্যাটনবারা পরিচালিত আ ব্রিজ টু ফার (১৯৭৭) ছবিতে লরন্স অলিভিয়ের বিপরীতে অভিনয় করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Liv Ullmann"স্টোর নর্স্ক লেক্সিকন। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  2. হোল্ডেন, স্টিভেন (১২ ডিসেম্বর ২০১৩)। "A Filmmaker's Hold on His Muse"দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]