ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট
Kristen Stewart Crillon Hotel.jpg
প্যারিসের কার্লটন হোটেলে, দ্য টোয়াইলাইট সাগা: নিউ মুন চলচ্চিত্রের ফটোকলে স্টুয়ার্ট
জন্ম ক্রিস্টেন জেইমস স্টুয়ার্ট
পেশা অভিনেত্রী
কার্যকাল ১৯৯৯–বর্তমান
ওয়েবসাইট
kristenstewart.com

ক্রিস্টেন জেইমস স্টুয়ার্ট (ইংরেজি: Kristen Jaymes Stewart) (জন্ম: ৯ এপ্রিল, ১৯৯০) একজন মার্কিন অভিনেত্রী। তিনি সবচেয়ে বেশি দ্য টোয়াইলাইট সাগা চলচ্চিত্র ধারাবাহিকে বেলা সোয়ান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য। পাশাপাশি তিনি প্যানিক রুম, (২০০২), জাথুরা (২০০৫), ইন দ্য ল্যান্ড অফ উইমেন (২০০৭), দ্য মেসেঞ্জার (২০০৭), অ্যাডভেঞ্চারল্যান্ড (২০০৯), দ্য রানওয়েজ (২০১০) প্রভৃতি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্যও তিনি পরিচিত। ২০১২ সালে তাঁর অভিনীত "স্নো হোয়াইট অ্যান্ড দ্যা হান্টসম্যান" ছবিটি মুক্তি পেয়েছে।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের জন্ম ও বেড়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলসে[১][২][৩] তাঁর বাবা জন স্টুয়ার্ট ছিলেন একজন মঞ্চ ব্যবস্থাপক ও টেলিভিশন প্রযোজক, এবং তিনি ফক্স ব্রডকাস্টি কর্পোরেশনের জন্য কাজ করতেন।[৪] স্টুয়ার্টের মা, জুলস মান-স্টুয়ার্ট পেশায় ছিলেন একজন চিত্রনাট্য সুপারভাইজর। তাঁর জন্ম অস্ট্রেলিয়ার, কুইন্সল্যান্ডের, মারুচিডোরে।[৩][৫][৬][৭] ক্যামেরন স্টুয়ার্ট নামের ক্রিস্টনের একটি বড় ভাই রয়েছে।[৮] সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত স্টুয়ার্ট স্কুলে পড়াশোনা করতেন। এরপর হাই স্কুল পর্যন্ত তিনি স্কুল ছেড়ে আলাদাভাবে পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছিলেন।[৩][৯]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

স্টুয়ার্ট বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলসের উডল্যান্ড হিলে বসবাস করছেন। তবে তিনি অস্ট্রেলিয়াতে বসবাসের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। এ বিষয়ে তিনি বলে, "আমি ইউনিভার্সিটি ও সিডনিতে পড়াশোনা করতে চাই। আমার মা সেখান থেকে পড়াশোনো করেছেন।"[১০] অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি অদূর ভবিষ্যতে কলেজে ভর্তি হওয়ার ব্যাপারে আশা রাখেন। এ বিষয়ে তাঁর ভাষ্য, "সাহিত্য পড়ার জন্য আমি কলেজে যেতে চাই। আমি একজন সাহিত্যিক হতে চাই। কিন্তু বর্তমানে আমি যা করছি তা আমি ভালোবাসলেও, এটি আমার সব চাওয়া নয়—বাকী জীবনটা একজন পেশাদার মিথ্যেবাদী হয়ে কাটিয়ে দেওয়া।"[১১] ভ্যানিটি ফেয়ার ম্যাগাজিনের সাথে এক সাক্ষাৎকারে স্টুয়ার্ট উল্লেখ করেছিলেন যে, স্পিক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সময় তিনি সেখানে তাঁর সহঅভিনেতা মাইকেল অ্যাঙ্গারানোর সাথে কিছুদিন প্রেমের সম্পর্ক চালিয়েছিলেন।[১২] স্টুয়ার্ট অভিনেতা রবার্ট প্যাটিন্সনের সাথে তাঁর সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন জুলাই, ২০১২ তে যখন "ইউএস উইকলি" তে "স্নো হোয়াইট অ্যান্ড দ্যা হান্টসম্যান" ছবির পরিচালক রুপার্ট স্যান্ডার্সের তাঁর কিছু ছবি প্রকাশিত হয়।[১৩] তিনি পরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে প্যাটিনসনের কাছে ক্ষমা চান। ক্ষমা চাইলেও পরবর্তীতে প্যাটিনসন তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে । [১৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Kristen Stewart Biography – Yahoo! Movies"। Movies.yahoo.com। এপ্রিল ৯, ১৯৯০। সংগৃহীত জানুয়ারি ২, ২০১০ 
  2. According to the State of California. California Birth Index, 1905–1995. Center for Health Statistics, California Department of Health Services, Sacramento, California. At Ancestry.com
  3. ৩.০ ৩.১ ৩.২ "Kristen Stewart Interview, The Messengers – MoviesOnline"। Moviesonline.ca। সংগৃহীত জানুয়ারি ২, ২০১০ 
  4. "Kristen Stewart - AskMen.com"। AskMen.com<!। সংগৃহীত জানুয়ারি ২, ২০১০ 
  5. Larry Carroll (নভেম্বর ২১, ২০০৮)। "EXCLUSIVE: 'Twilight' Stars Kristen Stewart & Nikki Reed To Reunite, Play Men In Prison Film 'K-11'"। MTV। সংগৃহীত নভেম্বর ২৮, ২০০৮ 
  6. Jules Mann-Stewart
  7. "Kristen Stewart Biography (1990–)"। Filmreference.com। সংগৃহীত জানুয়ারি ২, ২০১০ 
  8. "Interview from"। Portrait Magazine। সংগৃহীত জানুয়ারি ২, ২০১০ 
  9. Dennis Hopper (অক্টোবর ১, ২০০৯)। "Kristen Stewart"Interview। সংগৃহীত অক্টোবর ১, ২০০৯ 
  10. Lynn B.। "Kristen Stewart Gets The "Message""। A Girl's World। সংগৃহীত জানুয়ারি ২, ২০০৯ 
  11. "The Vanities Girls"Vanity Fair। ফেব্রুয়ারি ৬, ২০০৯। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০০৯ 
  12. Ahlborn, Kate। "Q&A: Twilight's Kristen Stewart | VF Daily"। Vanity Fair। সংগৃহীত এপ্রিল ২৬, ২০১০ 
  13. "Kristen Stewart's Cheating Apology: PR Insider Weighs In"। Huffington Post। সংগৃহীত ২৬ জুলাই ২০১২ 
  14. "Kristen Stewart's Apology to Robert Pattinson for Cheating"। People Magazine। সংগৃহীত ২৫ জুলাই ২০১২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]