এমা টমসন
এমা টমসন | |
|---|---|
ইংরেজি: Emma Thompson | |
২০২২ সালে টমসন | |
| জন্ম | ১৫ এপ্রিল ১৯৫৯ |
| জাতীয়তা | ব্রিটিশ |
| মাতৃশিক্ষায়তন | নিউনহ্যাম কলেজ, কেমব্রিজ |
| পেশা |
|
| কর্মজীবন | ১৯৮২–বর্তমান |
| দাম্পত্য সঙ্গী |
|
| পিতা-মাতা | |
| আত্মীয় | সোফি টমসন (বোন) |
| পুরস্কার | পূর্ণ তালিকা |
ডেম এমা টমসন, ডিবিই[২] (ইংরেজি: Emma Thompson; জন্ম: ১৫ এপ্রিল, ১৯৫৯) হলেন একজন ব্রিটিশ অভিনেত্রী ও চিত্রনাট্যকার। তিনি তার রহস্যময় নারীরূপ, সাহিত্যের উপযোগকরণ, এবং মাতৃস্থানীয় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রসিদ্ধ। চার দশকের পর্দা ও মঞ্চে কর্মজীবনে তিনি দুটি একাডেমি পুরস্কার, দুটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার, তিনটি বাফটা পুরস্কার ও একটি প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার অর্জন করেছেন। নাট্যকলায় অবদানের জন্য ২০১৮ সালে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ তাকে ডেম খেতাবে ভূষিত করেন।
ইংরেজ অভিনেতা এরিক টমসন ও স্কটিশ অভিনেত্রী ফিলিডা লয়ের ঘরে জন্ম নেওয়া টমসন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউনহাম কলেজে পড়াশুনা করেন। ক্যামব্রিজে থাকাকালীন তিনি ফুটলাইট ট্রুপের সদস্য হন। কয়েকটি হাস্যরসাত্মক অনুষ্ঠানে কাজ করার পর তিনি ১৯৮৭ সালে বিবিসির দুটি টেলিভিশন ধারাবাহিক, টুট্টি ফ্রুট্টি ও ফরচুনস্ অব ওয়ার-এ অভিনয় করেন। এই দুটি ধারাবাহিকের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা টিভি পুরস্কার লাভ করেন। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র হল ১৯৮৯ সালের প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক দ্য টল গাই। ১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিকে তাকে তার তৎকালীন স্বামী কেনেথ ব্র্যানার সাথে প্রায়ই বিভিন্ন চলচ্চিত্রে দেখা যেত। এই যুগল ব্রিটিশ গণমাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন এবং ডেড অ্যাগেইন (১৯৯১) এবং মাচ অডো অ্যাবাউট নাথিং (১৯৯৩) সহ আরও কয়েকটি চলচ্চিত্রে কাজ করেন।
১৯৯২ সালে টমসন হাওয়ার্ডস এন্ড ছবিতে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার ও বাফটা পুরস্কার অর্জন করেন। ১৯৯৩ সালে দ্য রিমেইন্স অব দ্য ডে ছবিতে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী এবং ইন দ্য নেম অব দ্য ফাদার ছবিতে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। ১৯৯৫ সালে টমসন সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি ছবির চিত্রনাট্য রচনা করেন এবং এতে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন। এই ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ উপযোগকৃত চিত্রনাট্য বিভাগে একাডেমি পুরস্কার ও শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কার লাভ করেন। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্য হ্যারি পটার চলচ্চিত্র ধারাবাহিক, উইট (২০০১), লাভ অ্যাকচুয়ালি (২০০৩), অ্যাঞ্জেলস ইন আমেরিকা (২০০৩), ন্যানি ম্যাকফি (২০০৫), স্ট্রেঞ্জার দ্যান ফিকশন (২০০৬), লাস্ট চান্স হার্ভি (২০০৮), মেন ইন ব্ল্যাক থ্রি (২০১২), ব্রেভ (২০১২), এবং বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট (২০১৭)। ২০১৩ সালে তিনি সেভিং মিস্টার ব্যাঙ্কস চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন এবং কয়েকটি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।
টমসন অভিনেতা গ্রেগ ওয়াইজকে বিয়ে করেন এবং লন্ডনে বসবাস করছেন। তাদের এক কন্যা এবং এক দত্তক নেওয়া পুত্র রয়েছে। তিনি একজন মানবাধিকার কর্মী ও পরিবেশবাদী। তিনি দ্য টেল অব পিটার র্যাবিট অবলম্বনে দুটি বই রচনা করেছেন।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]টমসন ১৯৫৯ সালের ১৫ই এপ্রিল লন্ডনের প্যাডিংটনে জন্মগ্রহণ করেন।[৩][ক] তার মাতা স্কটিশ অভিনেত্রী ফিলিডা ল এবং তার পিতা এরিক টমসন মঞ্চের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন ও জনপ্রিয় শিশুতোষ টেলিভিশন ধারাবাহিক দ্য ম্যাজিক রাউন্ডঅ্যাবাউট-এর লেখক ও বর্ণনাকারী ছিলেন।[৬][৭] তার ধর্মপিতা পরিচালক ও লেখক রোনাল্ড আয়ার।[৮][৯] তার বোন সোফি টমসনও একজন অভিনেত্রী। তার পরিবার উত্তর লন্ডনের ওয়েস্ট হ্যামস্টিডে বসবাস করত।[৭] টমসন ক্যামডেন স্কুল ফর গার্লসে পড়াশোনা করেন।[১০] তিনি তার শৈশবের অধিকাংশ সময় স্কটল্যান্ডে কাটান এবং তার মাতামহ-মাতামহী ও মামাদের আবাসস্থল আর্ডেন্টিনিতে প্রায়ই যাতায়াত করতেন।[১১]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]টমসনের কর্মজীবনের বাঁক বদল হিসেবে উল্লেখ করা হয় মার্চেন্ট আইভরি প্রডাকশন্সের হাওয়ার্ডস এন্ড চলচ্চিত্রটিকে। ই. এম. ফরস্টারের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রটিতে তিনি অ্যান্থনি হপকিন্স ও ভানেসা রেডগ্রেভের সাথে অভিনয় করেন। এই চলচ্চিত্রে হাওয়ার্ডীয় ইংল্যান্ডে সামাজিক শ্রেণি ব্যবস্থার চিত্রায়ন ঘটে, এতে টমসন একটি বিত্তবান ও রক্ষণশীল পরিবারের ভাববাদী, বুদ্ধিদীপ্ত ও অগ্রসরমান নারী চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি এই চরিত্রের জন্য বারবার পরিচালক জেমস আইভরির নিকট চিঠি লিখেন, ফলে আইভরি তার অডিশন নিতে রাজি হন এবং তাকে এই চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দেন।[১২] সমালোচক ভিনসেন্ট ক্যানবির মতে, এই চলচ্চিত্রটি টমসনকে ব্র্যানার নিকট থেকে সরে তার নিজের পথে আসতে সাহায্য করে।"[১৩] চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর রজার ইবার্ট লিখেন, "তিনি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অসাধারণ: শান্ত, শ্লেষপূর্ণ, পর্যবেক্ষণশীল এবং ভেতর থেকে ইস্পাতের ন্যায় দৃঢ়।"[১৪] হাওয়ার্ডস এন্ড চলচ্চিত্রটি ভূয়সী প্রশংসা লাভ করে,[১৫] এবং অপ্রত্যাশিতভাবে ব্যবসা সফল হয়।[১৬] চলচ্চিত্রটি নয়টি বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করে[১৭] এবং তিনটি পুরস্কার জয়ের মধ্যে একটি টমসনের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার। এছাড়া তিনি নাট্যধর্মী চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার ও শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কার অর্জন করেন।[৫]

১৯৯৫ সালের সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি দিয়ে টমসনের একাডেমি পুরস্কারের সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। এই চলচ্চিত্রটিকে ১৯৯০-এর দশকের জেন অস্টেনের সৃষ্টিকর্মের একাধিক চলচ্চিত্ররূপের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নিখুঁত বলে গণ্য করা হয়।[১৮][১৯][২০] আজীবন অস্টেনের রচনার ভক্ত টমসনকে তার টমসন ধারাবাহিক স্কেচের উপর ভিত্তি করে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য রচনার জন্য নিযুক্ত করা হয়।[২১] তিনি এই চিত্রনাট্য রচনার জন্য পাঁচ বছর ব্যয় করেন[২২] এবং এলিনর ড্যাশউড চরিত্রে অভিনয় করেন, যদিও তখন ৩৫ বছর বয়সী টমসন সাহিত্যের চরিত্রের চেয়ে ১৬ বছর বড় ছিলেন।[২৩] অ্যাং লি পরিচালিত চলচ্চিত্রটি ভূয়সী প্রশংসা লাভ করে[২৪] এবং এটি টমসনের কর্মজীবনের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রের একটি।[২৫] টমসন এই ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তার তৃতীয় একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন এবং শ্রেষ্ঠ উপযোগকৃত চিত্রনাট্য বিভাগে একাডেমি পুরস্কার অর্জন করেন, যার ফলে তিনি অভিনয় ও লেখনীর জন্য অস্কার প্রাপ্ত একমাত্র ব্যক্তি।[২৬] এছাড়া তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কার ও শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার লাভ করেন।[৫]
প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র দ্য লাভ পাঞ্চ (২০১৩)-এ টমসন স্বামীর নিকট থেকে বিচ্ছেদপ্রাপ্ত স্ত্রী চরিত্রে অভিনয় করেন, তারা দুজন মিলে স্বামীর প্রাক্তন বসের হীরা চুরি করেন। চলচ্চিত্রটি টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়।[২৭] ২০১৭ সালে টমসন ডিজনির ১৯৯১ সালের অ্যানিমেটেড বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট চলচ্চিত্রের লাইভ-অ্যাকশন চলচ্চিত্ররূপে মিসেস পটস চরিত্রে কণ্ঠ দেন। এতে তার হ্যারি পটার চলচ্চিত্র ধারাবাহিকের সহশিল্পী এমা ওয়াটসন বেল চরিত্রে এবং ড্যান স্টিভেন্স বিস্ট চরিত্রে অভিনয় করেন।[২৮] চলচ্চিত্রটি ইতিবাচক পর্যালোচনা লাভ করে[২৯] এবং বিশ্বব্যাপী ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে, যা সর্বোচ্চ আয়কারী লাইভ-অ্যাকশন সঙ্গীতধর্মী চলচ্চিত্র, ২০১৭ সালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র এবং সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী ১৭তম চলচ্চিত্র।[৩০][৩১][৩২] এছাড়া তিনি নোয়া বাউমব্যাকের নাট্যধর্মী হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র দ্য মেয়ারোভিট্জ স্টোরিজ-এ পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন, যা কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয় ও সমাদৃত হয়।[৩৩]
টীকা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Emma Thompson"। The Film Programme। ২৮ নভেম্বর ২০১৩। বিবিসি রেডিও ৪। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০১৮।
{{পর্ব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|serieslink=উপেক্ষা করা হয়েছে (|series-link=প্রস্তাবিত) (সাহায্য) - ↑ "Dalglish and Thompson head honours list"। বিবিসি নিউজ (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ৯ জুন ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৮।
- 1 2 জেপসন, টিম; পোর্জেস, ল্যারি (৪ নভেম্বর ২০১৪)। National Geographic London Book of Lists: The City's Best, Worst, Oldest, Greatest, and Quirkiest। National Geographic Society। পৃ. ১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪২৬২-১৩৮৫-৪।
- ↑ "Emma Thompson"। The England and Wales Birth Registration Index। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ – Familysearch.org এর মাধ্যমে।
- 1 2 3 "Emma Thompson"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। ১৬ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- ↑ গ্রিস, এলিজাবেথ (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "Phyllida Law: my mother's dementia had its funny side"। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- 1 2 মুরহেড, জোঅ্যানা (২০ মার্চ ২০১০)। "Emma Thompson: 'Family is about connection'"। The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
- ↑ টমসন, এমা (১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৫)। "Beneath the skin"। The Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- ↑ "Emma Thompson: A Life in Pictures"। বাফটা গুরু। ২৪ নভেম্বর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- ↑ কেলাওয়ে, কেট (১৬ অক্টোবর ২০০৫)। "Warts'n'all"। দ্য গার্ডিয়ান। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- ↑ ফুল্টন, রিক (১২ অক্টোবর ২০০৫)। "It's Nanny McMe; Thespian beauty Emma Thompson was gutted when it took make-up artists only an hour to turn her into grotesque old granny Nanny McPhee for her latest movie."। গ্লাসগো ডেইলি রেকর্ড। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫ – দ্য ফ্রি লাইব্রেরি এর মাধ্যমে।
- ↑ "Emma Thompson: A Life in Pictures"। বাফটা গুরু (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ নভেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ ক্যানবি, ভিনসেন্ট (১৩ মার্চ ১৯৯২)। "Howards End (1992)"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ ইবার্ট, রজার (১ মে ১৯৯২)। "Howards End"। শিকাগো সান-টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ "Howards End"। রটেন টম্যাটোস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ ডি ভ্রাইস, হিলারি (৩১ অক্টোবর ১৯৯৩)। "Simply Put, It's Chemistry: Two actors, two Oscars, two tart tongues—Emma Thompson and Anthony Hopkins do the Tracy and Hepburn thing"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ ক্যানবি, ভিনসেন্ট। "Howards End (1992)"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ গ্যালপেরিন, উইলিয়াম এইচ. (২০০৩)। The Historical Austen। ইউনিভার্সিটি অব পেন্সিলভেনিয়া প্রেস। পৃ. ১০৯। আইএসবিএন ০-৮১২২-৩৬৮৭-৪।
- ↑ ফ্ল্যাভিন, লুইস (১ জানুয়ারি ২০০৪)। Jane Austen in the Classroom: Viewing the Novel/reading the Film। পিটার ল্যাং। পৃ. ৪২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮২০৪-৬৮১১-২। ৩ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ জোন্স, ওয়েন্ডি এস. (২০০৫)। Consensual Fictions: Women, Liberalism, and the English Novel। ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো প্রেস। পৃ. ১০১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০২০-৮৭১৭-১। ১ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ ক্রল, জ্যাক (১৭ ডিসেম্বর ১৯৯৫)। "Jane Austen does lunch"। দ্য ডেইলি বিস্ট। ১৬ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ Thompson, Emma (১৯৯৫)। "The Diaries"। ডোরান, লিন্ডসে; টমসন, এমা (সম্পাদকগণ)। Sense and Sensibility: The Screenplay and Diaries। ব্লুমসবারি। পৃ. ২০৮। আইএসবিএন ১-৫৫৭০৪-৭৮২-০।
- ↑ মিলার, ফ্র্যাঙ্ক। "Sense and Sensibility"। টার্নার ক্লাসিক মুভিজ। ১ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "Sense and Sensibility"। রটেন টম্যাটোস। ২০ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "Emma Thompson"। বক্স অফিস মোজো। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ জনসন, অ্যান্ড্রু (২৮ মার্চ ২০১০)। "Emma Thompson: How Jane Austen saved me from going under"। দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট। ২৬ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ বার্নস, হেনরি (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩)। "The Love Punch: Toronto 2013 – first look review"। দ্য গার্ডিয়ান। ৯ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ ফোর্ড, রেবেকা (১৬ মার্চ ২০১৫)। "Disney's Live-Action 'Beauty and the Beast' Gets Release Date"। দ্য হলিউড রিপোর্টার। ৭ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "Beauty and the Beast (2017)"। রটেন টম্যাটোস। ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "Beauty and the Beast (2017)"। বক্স অফিস মোজো। ২৬ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ হানিসেট, ক্রিস (১৭ মার্চ ২০১৭)। "Beauty and the Beast review: Irresistible charm shows no one casts a spell quite like Disney"। ডেইলি মিরর। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ রোপার, রিচার্ড (১৫ মার্চ ২০১৭)। "Lavish 'Beauty and the Beast' true as it can be to original"। শিকাগো সান-টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "The Meyerowitz Stories (2017)"। রটেন টম্যাটোস। ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- অলমুভিতে এমা টমসন
- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে এমা টমসন (ইংরেজি)
- টার্নার ক্লাসিক মুভিজ ডেটাবেজে এমা টমসন (ইংরেজি)
- বক্স অফিস মোজোতে এমা টমসন (ইংরেজি)
- ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের স্ক্রিনঅনলাইনে এমা টমসন
- রটেন টম্যাটোসে এমা টমসন (ইংরেজি)
- এমা টমসন
- ১৯৫৯-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- ২০শ শতাব্দীর ব্রিটিশ অভিনেত্রী
- ২০শ শতাব্দীর ব্রিটিশ লেখিকা
- ২১শ শতাব্দীর ব্রিটিশ অভিনেত্রী
- ২১শ শতাব্দীর ব্রিটিশ লেখিকা
- ব্রিটিশ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
- ব্রিটিশ টেলিভিশন অভিনেত্রী
- ব্রিটিশ নারী চিত্রনাট্যকার
- ব্রিটিশ নাস্তিক
- ব্রিটিশ পরিবেশবাদী
- ব্রিটিশ মঞ্চ অভিনেত্রী
- ব্রিটিশ মানবাধিকার কর্মী
- ব্রিটিশ নারীবাদী লেখিকা
- লন্ডনের অভিনেত্রী
- লন্ডনের লেখিকা
- শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী
- এম্পায়ার পুরস্কার বিজয়ী
- গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (সেরা অভিনেত্রী - নাট্য চলচ্চিত্র) বিজয়ী
- গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (সেরা চিত্রনাট্যকার) বিজয়ী
- প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজয়ী
- শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কার বিজয়ী
- শ্রেষ্ঠ উপযোগকৃত চিত্রনাট্য বিভাগে একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী
- রাইটার্স গিল্ড অব আমেরিকা পুরস্কার বিজয়ী
- এইচআইভি/এইডস কর্মী
- ২০শ শতাব্দীর নাস্তিক
- ২১শ শতাব্দীর নাস্তিক
- ব্রিটিশ নারীবাদী লেখক
- ব্রিটিশ ডেমহুড প্রাপ্ত অভিনেত্রী
- অডিওবই পাঠক
- ব্রিটিশ চিত্রনাট্যকার
- ব্রিটিশ শেকসপিয়রীয় অভিনেত্রী
- ইংরেজ টেলিভিশন অভিনেত্রী
- ব্রিটিশ কণ্ঠাভিনেত্রী
- ব্রিটিশ কৌতুকাভিনেত্রী
- ধর্মের সমালোচক
- শ্রমিক দল (যুক্তরাজ্য) এর ব্যক্তি
- লন্ডনের লেখক
- ব্রিটিশ বেতার অভিনেত্রী
- ধর্মের ব্রিটিশ সমালোচক
- নিউনহ্যাম কলেজ, কেমব্রিজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী