মিশেল ফাইফার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মিশেল ফাইফার
Michelle Pfeiffer 2007.jpg
২০০৭ সালে ফাইফার
স্থানীয় নাম
Michelle Pfeiffer
জন্ম
মিশেল মারি ফাইফার

(1958-04-29) ২৯ এপ্রিল ১৯৫৮ (বয়স ৬১)
বাসস্থানউডসাইড, ক্যালিফোর্নিয়া
জাতীয়তামার্কিন
পেশাঅভিনেত্রী, প্রযোজক
কার্যকাল১৯৭৮-বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গীপিটার হর্টন (বি. ১৯৮১–১৯৮৮)
ডেভিড ই. কেলি (বি. ১৯৯৩)
পিতা-মাতাডেডি ফাইফার (পিতা)

মিশেল মারি ফাইফার (ইংরেজি: Michelle Marie Pfeiffer; জন্ম: ২৯শে এপ্রিল ১৯৫৮) হলেন একজন মার্কিন অভিনেত্রী ও প্রযোজক। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার, একটি বাফটা পুরস্কার, একটি রৌপ্য ভল্লুক ও একাধিক ক্রিটিকস সার্কেল পুরস্কার লাভ করেছেন এবং তিনটি একাডেমি পুরস্কার[১] ও একটি এমি পুরস্কারের মনোনয়ন অর্জন করেছেন।

১৯৭৮ সালে তিনি তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৮২ সালে সঙ্গীতধর্মী গ্রিজ টু ছবিতে প্রথম কেন্দ্রীয় ভূমিকায় কাজ করেন। তিনি ব্রায়ান দে পালমার অপরাধধর্মী থ্রিলার স্কারফেস (১৯৮৩) দিয়ে প্রথম মূলধারার চলচ্চিত্রে সফলতা লাভ করেন। তিনি ডেঞ্জারাস লিয়াজুঁ (১৯৮৮), দ্য ফেবুলাস বেকার বয়েজ (১৯৮৯) এবং লাভ ফিল্ড (১৯৯২) চলচ্চিত্রগুলোতে অভিনয় করে তিনটি একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন[২] এবং তিনটি ছবির জন্য তিনি যথাক্রমে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কার (১৯৮৮) শ্রেষ্ঠ নাট্য চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (১৯৮৯) ও শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে রৌপ্য ভল্লুক (১৯৯২) অর্জন করেন।

ফাইফার টিম বার্টন পরিচালিত সুপারহিরো চলচ্চিত্র ব্যাটম্যান রিটার্নস (১৯৯২) চলচ্চিত্রে ক্যাটওম্যান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সমালোচক ও দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করেন। তিনি পরবর্তীতে মার্টিন স্কোরসেজির দি এজ অব ইনোসেন্স (১৯৯৩), মাইক নিকোল্‌সের উল্‌ফ (১৯৯৪), রবার্ট জেমেকিসের হোয়াট লাইজ বিনিথ (২০০০) ও পিটার কসমিন্‌স্কির হোয়াইট ওলিন্ডার (২০০২) চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠাংশে কাজ করেন। পাঁচ বছরের অভিনয় বিরতির পর তাকে হেয়ারস্প্রে (২০০৭), চেরি (২০০৯), ও ডার্ক শ্যাডোজ (২০১২) চলচ্চিত্রে দেখা যায়। তিনি এইচবিওর দ্য উইজার্ড অব লাইজ (২০১৭) টেলিভিশন চলচ্চিত্রে রুথ ম্যাডফ চরিত্রের জন্য তার প্রথম এমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। এছাড়া তিনি ২০১৭ সালের মাদারমার্ডার অন দি ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস এবং ২০১৮ সালে অ্যান্ট-ম্যান অ্যান্ড দ্য ওয়াস্প ছবিতে কাজ করেন।[৩][৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "অভিনয়ের প্রতি ভালবাসা কখনও কমেনি -মিশেল ফাইফার"দৈনিক ইনকিলাব (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ এপ্রিল ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৯ 
  2. "অস্কার পাননি তাতে কী আসে যায়! | তারাঝিলমিল | Jugantor"দৈনিক যুগান্তর। ১৬ মার্চ ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৯ 
  3. "মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস নতুন মোড়কে আসছে"বণিক বার্তা। ১১ জানুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৯ 
  4. "পিঁপড়ার সঙ্গে এবার বোলতা"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ৫ জুলাই ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]