সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Abul Ala Maududi থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী
Abul ala maududi.jpg
জন্ম২৫ সেপ্টেম্বর ১৯০৩
আওরঙ্গাবাদ, মহারাষ্ট্র, হায়দ্রাবাদ, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯(1979-09-22) (বয়স ৭৫)
বাফেলো, নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
যুগআধুনিক যুগ, বিংশ শতাব্দী
অঞ্চলমুসলিম বিশ্ব (বিশেষতঃ ভারতবর্ষ)
ধারাসুন্নি ইসলাম এবং মুজতাহিদ
আগ্রহতাফসির, হাদিস, ফিকাহ,ইসলামী আন্দোলন,সংগঠন, রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি
অবদান“We cannot expect the rest of mankind to embrace Islam without any effort on our part”

সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯০৩ - ২২ সেপ্টেম্বের ১৯৭৯), যিনি মাওলানা মওদুদী, বা শাইখ সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী নামেও পরিচিত, ছিলেন একজন মুসলিম গবেষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা ও বিংশ শতাব্দীর একজন গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী চিন্তাবিদ ও দার্শনিক[১] তিনি তার নিজ দেশ পাকিস্তানের একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও ছিলেন। তিনি জামায়াতে ইসলামী নামক একটি ইসলামী রাজনৈতিক দলেরও প্রতিষ্ঠাতা।[২] তিনি ছিলেন ২০ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিম স্কলারদের মধ্যে একজন।[৩] তিনি ইতিহাসের দ্বিতীয় এবং সর্বশেষ ব্যক্তি যাহার গায়েবানা জানাজার নামাজ পবিত্র কাবাতে পড়া হয়।[৪][৫] তার আদর্শে পরিচালিত পূর্ব পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় লক্ষ লক্ষ বাঙালী হিন্দু ও স্বাধীনতাপন্থী বাঙালী মুসলমানকে হত্যা করার কাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিল।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

পটভূমি[সম্পাদনা]

মওদুদী ভারতের আওরঙ্গবাদে জন্মগ্রহণ করেন।

পেশায় আইনজীবী মাওলানা আহমদ হাসান এর তিন সন্তানের মধ্যে তিনি সর্বনিম্ন[৬] ছিলেন। যদিও তার পিতা কেবল মধ্যবিত্ত ছিলেন, তিনি ছিলেন চিশতি ধারার বংশধর। প্রকৃতপক্ষে তার শেষ নামটি চিশতি সিলসিলাহের প্রথম সদস্য, খাজা সৈয়দ কুতুব উল-দিন মওদুদ চিশতি (ডি ৫২৭ এএইচ) থেকে পেয়েছিলেন।[৭] তার পিতার মা ইসলামী আধুনিকতাবাদী চিন্তাবিদ সাইয়িদ আহমদ খান সম্পর্কিত ছিল।[৮] তিনি নিজেই বলেছিলেন, তার পিতা-মাতার পরিবারটি মূলত সিকান্দার লোদি (১৫১৭ অব্দ) এর সময় আফগানিস্তানে আধুনিক আফগানিস্তানের চিত্ত থেকে চলে এসেছিল, প্রথমে শুরু হরিয়ানা রাজ্যে দিল্লিতে চলে যাওয়ার আগে এবং তার মা , তার পূর্বপুরুষ মির্জা তুলক তুর্কি বংশের একজন সৈনিক সম্রাট ওরঙ্গজেব (১৭০৭ অব্দ) এর সময় ট্রান্সক্সিয়ানা থেকে ভারতে চলে যান, তার পিতামহ মির্জা কুরবান আলী বেগ খান সালিক (১৮১৬-১৮৮১) ছিলেন দিল্লিতে একজন সুপরিচিত লেখক ও কবি, বিখ্যাত উর্দু কবি গালিবের বন্ধু।[৯]

শৈশব[সম্পাদনা]

শৈশব বয়সে, নয় বছর পর্যন্ত মওদুদিকে গৃহশিক্ষা দেওয়া হয়, তিনি "তার পিতার হাতে এবং তার দ্বারা নিযুক্ত বিভিন্ন শিক্ষকের কাছ থেকে ধর্মীয় পুষ্টি লাভ করেন।"[৭] তার পিতা তাকে মৌলবী বানাতে চেয়েছিলেন। এই শিক্ষার মধ্যে ছিল আরবি, ফারসি, ইসলামী আইন ও হাদীস শিক্ষা।[১০] তিনি মানতিক (যুক্তিবিদ্যা) বইগুলিও অধ্যয়ন করেন।[১১][১২] ১১ বছর বয়সে তিনি আরবি থেকে উর্দু ভাষায় উর্দুতে কাশিম আমিনের আল মারহা আল-জাদিদাহ ("নতুন নারী"), আধুনিক ও নারীবাদীদের কাজ অনুবাদ করেছিলেন।[১৩][১৪] অনুবাদের ক্ষেত্রে, কয়েক বছর পর, তিনি পার্সিয়ান রহস্যময় চিন্তাবিদ মুলা সাদ্রাের কাজ, আসফারের প্রায় ৩,৫০০ পৃষ্ঠার কিছু অংশেও কাজ করেছিলেন।[১৫] তার চিন্তাধারা মওদুদীকে প্রভাবিত করে, "সাদ্দামের স্থায়ী আদেশের পুনরুত্থানের ধারণা, এবং মানুষের আধ্যাত্মিক উত্সাহের জন্য ইসলামী আইন (শরিয়া) শাসনের প্রয়োজনীয়তা, মওদুদীর কাজগুলিতে এসবের একটি প্রতিচ্ছবি পাওয়া গেছে।"[১৬]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

সাংবাদিকতা[সম্পাদনা]

রাজনৈতিক লেখা[সম্পাদনা]

প্রভাব ও ধারাবাহিকতা[সম্পাদনা]

মাওলানা মওদুদীর প্রভাব ছিল। এমনকি শিয়া অধ্যুষিত ইরানেও মওদুদীর বড় ধরনের প্রভাব আছে। ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ্ খোমেনী ১৯৬৩ সালে মাওলানা মওদুদীর সাথে সাক্ষাত করেন, পরবর্তীতে ইমাম খোমেনী মওদুদীর বইগুলো ফার্সি ভাষায় অনুবাদ করেন। এখনো পর্যন্ত প্রায়শঃই ইরানের সরকার মাওলানা মওদুদীর কর্মপন্থা অনুসরন করে থাকে।[১৭]ইমাম ইবনে তাইমিয়ার পর তিনি (মওদুদী) দ্বিতীয় চিন্তাবিদ যিনি আধুনিক বিশ্বে ইসলামী রাজনৈতিক চিন্তাধারা-কে প্রভাবিত করেছেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

জীবনকাল[সম্পাদনা]

জন্মস্থানঃ আওরঙ্গাবাদ (বর্তমানে মহারাষ্ট্রের মধ্যে), হায়দারাবাদ, ভারত
  • ১৯০৩- জন্ম গ্রহণ করেন। জন্মস্থানঃ আওরঙ্গাবাদ (বর্তমানে মহারাষ্ট্রের মধ্যে), হায়দারাবাদ, ভারত।
  • ১৯১৮- সাংবাদিক হিসেবে 'বিজনোর' (Bijnore) পত্রিকায় কাজ শুরু করেন।
  • ১৯২০- জবলপুরে 'তাজ' পত্রিকার এডিটর হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
  • ১৯২১- দিল্লিতে মাওলানা আব্দুস সালাম নিয়াজির কাছে আরবি শিক্ষা গ্রহণ করেন।
  • ১৯২১- দৈনিক 'মুসলিম' পত্রিকার এডিটর হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
  • ১৯২৫- নয়া দিল্লির 'আল জামিয়াহ' পত্রিকার এডিটর হিসেবে নিয়োগ লাভ।
  • ১৯২৬- দিল্লির 'দারুল উলুম ফতেহপুরি' থেকে 'উলুম-এ-আকালিয়া ওয়া নাকালিয়া' সনদ লাভ করেন।
  • ১৯২৭- 'আল জিহাদ ফিল ইসলাম' নামে জিহাদ বিষয়ক একটি গবেষণাধর্মী গ্রন্থ রচনা শুরু করেন।
  • ১৯২৮- উক্ত প্রতিষ্ঠান (দারুল উলুম ফতেহপুরি) থেকে 'জামে তিরমিযি' এবং 'মুয়াত্তা ইমাম মালিক' সনদ লাভ করেন।
  • ১৯৩০- 'আল জিহাদ ফিল ইসলাম' নামের বিখ্যাত বইটি প্রকাশিত হয়। তখন তার বয়স ২৭ বছর।
  • ১৯৩৩- ভারতের হায়দারাবাদ থেকে 'তরজুমানুল কুরআন' নামক পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন।
  • ১৯৩৭- তার ৩৪ বছর বয়সে, লাহোরে, দক্ষিণ এশিয়ার কিংবদন্তিতুল্য মুসলিম কবি ও দার্শনিক আল্লামা মুহাম্মাদ ইকবালের সাথে পরিচয় হয়। পরিচয় করিয়ে দেন চৌধুরী নিয়াজ আলী খান।
  • ১৯৩৮- তার ৩৫ বছর বয়সে, হায়দারাবাদ থেকে পাঠানকোটে গমন করেন। সেখানে তিনি দারুল ইসলাম ট্রাস্ট ইনস্টিটিউটে যোগদান করেন, যেটি ১৯৩৬ সালে আল্লামা ইকবালের পরামর্শে চৌধুরী নিয়াজ আলী খান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পাঠানকোটের ৫ কিমি পশ্চিমে, জামালপুরে, চৌধুরী নিয়াজ আলী খানের ১০০০ একর এস্টেট ছিল। চৌধুরী নিয়াজ আলী খান সেখান থেকে ৬৬ একর জমি দান করেন।
  • ১৯৪১- লাহোরে 'জামায়াতে ইসলামী হিন্দ' নামে একটি ইসলামী রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর আমির হন।
  • ১৯৪২ - জামায়াতে ইসলামীর প্রধান কার্যালয় পাঠানকোটে স্থানান্তর করেন।
  • ১৯৪২ - তাফহীমুল কুরআন নামক তাফসির গ্রন্থ প্রনয়ন শুরু করেন।
  • ১৯৪৭ - জামায়াতে ইসলামীর প্রধান কার্যালয় লাহোরের ইছরায় স্থানান্তর করেন।
সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদীর বাড়ির প্রবেশ পথ, ইছরা, লাহোর
  • ১৯৪৮ - 'ইসলামী সংবিধান' ও 'ইসলামী সরকার' প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচারণা শুরু করেন।
  • ১৯৪৮ - পাকিস্তান সরকার তাকে কারাগারে বন্দী করে।
  • ১৯৪৯ - পাকিস্তান সরকার জামায়াতের 'ইসলামী সংবিধানের রূপরেখা' গ্রহণ করে।
  • ১৯৫০ - কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন।
  • ১৯৫৩- 'কাদিয়ানী সমস্যা' নামে একটি বই লিখে কাদিয়ানী বা আহমদিয়া সম্প্রদায়কে অমুসলিম প্রমাণ করেন। ফলে ইতিহাসখ্যাত বড় রকমের কাদিয়ানী বিরোধী হাঙ্গামার সৃষ্টি হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এ সময় অনেকগুলো সংগঠন একযোগে কাদিয়ানীদেরকে সরকারিভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। তারা সর্বদলীয় কনভেনশনে ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে 'ডাইরেক্ট একশন কমিটি' গঠন করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] জামায়াত এই কমিটির বিরোধিতা করে অহিংস আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নেয়। কিন্তু তথাপি মার্চ মাসের শুরুতে আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে এবং পুলিশের গুলিতে কিছু লোক নিহত হয়।[১৮] পরে একটি সামরিক আদালত আবুল আ'লাকে এই গোলযোগের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেয়, (যদিও কাদিয়ানী সমস্যা নামক বইটি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি)। অবশ্য সেই মৃত্যুদন্ডাদেশ কার্যকর করা হয়নি।[১৯]
  • ১৯৫৩- মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর চাপ এবং দেশী বিদেশী মুসলিম নেতৃবৃন্দের অনুরোধে মৃত্যুদন্ডাদেশ পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড করা হয়, কিন্তু পরে তা-ও প্রত্যাহার করা হয়।
  • ১৯৫৮- সামরিক শাসক ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান 'জামায়াতে ইসলামী'কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।
  • ১৯৬৪- আবারো তাকে কারাবন্দী করা হয়।
  • ১৯৬৪- কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়।
  • ১৯৭১- পাকিস্তান থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আলাদা হবে কিনা এ প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতের উপর ন্যাস্ত করেন[২০]
  • ১৯৭২- তাফহীমুল কুরআন নামক তাফসির গ্রন্থটির রচনা সম্পন্ন করেন।
  • ১৯৭২- জামায়াতে ইসলামীর আমির পদ থেকে ইস্তফা দেন।
সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদীর কবর
  • ১৯৭৮- তার রচিত শেষ বই 'সিরাতে সারওয়ারে আলম' প্রকাশিত হয়। এটি নবী মুহাম্মাদ-এর জীবনী গ্রন্থ।
  • ১৯৭৯- চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন।
  • ১৯৭৯- যুক্তরাষ্ট্রে তার মৃত্যু হয়।[২১]
  • ১৯৭৯- লাহোরের ইছরায় সমাধিস্থ করা হয়।

গ্রন্থাবলী[সম্পাদনা]

কুরআন
  • তরজমায়ে কুরআন মজীদ – তরজুমায়ে কুরআন মজীদ;
  • তাফহীমুল কুরআন – তাফহীমুল কুরআন;
  • তাফহীমুল কুরআন বিষয় নির্দেশিকা – মাওয়ূয়াতে কুরআনী;
  • কুরআনের মর্মকথা – মুকাদ্দামায়ে তাফহীমুল কুরআন;
  • কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা – কুরআন কী চার বুনয়াদী ইসতেলার্হী।
হাদীস/সুন্নাহ
  • সুন্নাতে রাসূলের আইনগত মর্যাদা – সুন্নাত কী আইনী হাইসিয়ত;
  • কুরআনের মহত্ব ও মর্যাদা – ফাযায়েলে কুরআন (হাদীস কী রোশনী মেঁ)।
ইসলামী জীবন দর্শন&n
  • ইসলাম পরিচিতি – রিসালায়ে দ্বীনীয়াত;
  • ঈমানের হাকিকত – হাকীকতে ঈমান;
  • ইসলামের হাকিকত – হাকীকতে ইসলাম;
  • নামায রোযার হাকিকত – হাকীকতে সাওম আওর সালাত;
  • জিহাদের হাকিকত – হাকীকতে জিহাদ;
  • হজ্জের হাকিকত – হাকীকতে হজ্জ;
  • যাকাতের হাকিকত – হাকীকতে যাকাত;
  • তাকদীরের হাকিকত – মাসয়ালায়ে জবর ওয়া কদর;
  • তাকওয়ার হাকিকত – হাকীকতে তাকওয়া;
  • শিরকের হাকিকত – হাকীকতে শিরক;
  • তাওহীদের হাকিকত – হাকীকতে তাওহীদ;
  • শান্তিপথ – সালামতী কা রাস্তা;
  • একমাত্র ধর্ম – দ্বীনে হক;
  • তাওহীদ রিসালাত ও আখিরাত – তাওহীদ রিসালাত আওর যীন্দেগী বা’দ মওতকা আকলী সুবুত;
  • ইসলামের জীবন পদ্ধতি – ইসলাম কা নেযামে হায়াত;
  • ইসলাম ও জাহেলিয়াত – ইসলাম আওর জাহেলিয়াত;
  • ইসলামের শক্তির উৎস – ইসলাম কা ছের চশমায়ে কুঅত;
  • কুরবানীর তাৎপর্য – ইসবাতে কুরবানী বিআয়াতে কুরআনী;
  • ইসলামের নৈতিক দৃষ্টিকোণ – ইসলাম কা আখলাকী নোকতায়ে নযর;
  • ইসলামী দাওয়াতের দার্শনিক ভিত্তি – ইসলাম আওর মাগরিবী লা দ্বীনী জমহুরিয়ত;
  • ইসলাম ও সামাজিক সুবিচার – ইসলাম আওর আদলে ইজতেমায়ী;
  • ইসলামী জীবন ব্যবস্থার মৌলিক রূপরেখা – ইসলামী নেযামে যিন্দেগী আওর উসকে বুনয়াদী তাসবিরাত;
  • ইসলাম ও পাশ্চাত্য সভ্যতার দ্বন্দ্ব – তানকীহাত;
  • ইসলামী সংস্কৃতির মর্মকথা – ইসলামী তাহযীব আওর উসকে উসুল ওয়া মুবাদী;
  • ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ – মাসয়ালায়ে কাওমিয়াত;
  • ইসলাম ও সমাজতন্ত্র;
  • শিক্ষা ব্যবস্থা : ইসলামী দৃষ্টিকোণ – তা’লীমাত;
  • আল জিহাদ – আল জিহাদু ফিল ইসলাম;
  • নির্বাচিত রচনাবলী (১-৩ভাগ) – তাফহীমাত (১-৩জিলদ)।
আইন, রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা
  • ইসলামের রাজনৈতিক মতবাদ -ইসলাম কা নযরিয়ায়ে সিয়াসী;
  • ইসলামী রাষ্ট্র – ইসলামী রিয়াসত;
  • ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রণয়ন – ইসলামী দস্তুর কি তাদবীন;
  • ইসলামী শাসন্তন্ত্রের মূলনীতি – ইসলামী দস্তুর কি বুনিয়াদী;
  • ইসলামী আইন – ইসলামী কানুন;
  • ইসলামে মৌলিক মানবাধিকার – ইনসানকে বুনিয়াদী হুকুম;
  • ইসলামী রাষ্ট্রে অমুসলিমদের অধিকার – ইসলামী রিয়াসত মে জিম্মীয়ু কী হুকুক;
  • খেলাফত ও রাজতন্ত্র – খিলাফত ওয়া মুলূকিয়াত;
  • উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুসলমান (১-২খন্ড) – তাহরীকে আযাদী হিন্দ আওর মুসলমান (১-২জিলদ);
  • কুরআনের রাজনৈতিক শিক্ষা – কুরআন কী সিয়াসী তা’লীমাত;
  • মুরতাদের শাস্তি – মুরতাদ কী সাযা;
  • জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের ভিত্তি – কওমী ওয়াহদাত;
  • দাক্ষিণাত্যের রাজনৈতিক ইতিহাস – দাককিন কী সিয়াসী তারীখ।
ইসলামী আন্দোলন ও সংগঠন
  • ইসলামী দাওয়াত ও কর্মনীতি – দাওয়াতে ইসলামী আওর উসকা তারীক কার;
  • ইসলামী আন্দোলনের নৈতিক ভিত্তি – তাহরীকে ইসলামী কী আখলাকী বুনিয়াদী;
  • দায়ী ইলাল্লাহ দাওয়াত ইলাল্লাহ – দায়ী ইলাল্লাহ দাওয়াত ইলাল্লাহ;
  • ভাঙা ও গড়া – বানাও আওর বেগাড়;
  • একটি সত্যনিষ্ঠ দলের প্রয়োজন – এক সালেহ জামায়াত কা জরুরত;
  • সত্যের সাক্ষ্য – শাহাদাতে হাক;
  • জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াত – জামায়াতে ইসলামী কা দাওয়াত;
  • জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশ্য,ইতিহাস,কর্মসূচী – জামায়াতে ইসলামী কা মাকসাদে তারীখ আওর লায়েহায়ে আ’মল;
  • ইসলামী বিপ্লবের পথ – ইসলামী হুকুমাত কিসতারাহ কায়েম হূতী হ্যায়;
  • মুসলমানদের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের কর্মসূচী – মুসলমানু কা মাযী হাল মুস্তাকবেল কে লিয়ে লায়েহায়ে আমল;
  • ইসলামী আন্দোলন সাফল্যের শর্তাবলী – তাহরীকে ইসলামী কামিয়াবী কা শারায়েত;
  • আন্দোলন সংগঠন কর্মী – তাহরীক আওর কারে কুন;
  • ইসলামী আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কর্মসূচী – তাহরীকে ইসলামী কা আয়েনদাহ লায়েহায়ে আমল;
  • শাহাদাতে হুসাইন রাঃ – শাহাদাতে ইমাম হসাইন রাঃ;
  • আল্লাহর পথে জিহাদ – জিহাদুন ফি সাবীলিল্লাহ;
  • বিশ্ব মুসলিম ঐক্যজোট আন্দোলন – ইত্তেহাদে আলমে ইসলামী;
  • আজকের দুনিয়ায় ইসলাম – ইসলাম আসরে হাযের মে;
  • ইসলামী রেনেসা আন্দোলন – তাজদীদ ওয়া ইহইয়ায়ে দ্বীন;
  • জামায়াতে ইসলামীর ঊনত্রিশ বছর – জামায়াতে ইসলামী কা ঊনত্রিশ সাল।
অর্থনীতি ও ব্যাংক ব্যবস্থা
  • ইসলামী অর্থব্যবস্থার মূলনীতি – ইসলামী মায়া’শিয়াত কে উসুল;
  • কুরআনের অর্থনৈতিক নির্দেশিকা – কুরআন কী মায়াশী তা’লীমাত;
  • ইসলাম ও আধুনিক অর্থনৈতিক মতবাদ – ইসলাম আওর জাদীদে মায়া’শী নযরিয়াত;
  • অর্থনৈতিক সমস্যার ইসলামী সমাধান – ইনসান কা মায়া’শী মাসয়ালা আওর উসকা ইসলামী হল;
  • ভূমির মালিকানা বিধান – মাসয়ালায়ে মিলকিয়তে যমীন;
  • জাতীয় মালিকানা – কওমী মিলকিয়ত;
  • ইসলামী অর্থনীতি – মায়াশিয়াতে ইসলাম;
  • সুদ ও আধুনিক ব্যাংকিং – সুদ।
দাম্পত্য জীবন ও নারী
  • পর্দা ও ইসলাম – পর্দা;
  • মুসলিম নারীর নিকট ইসলামের দাবী – মুসলিম খাওয়াতীন সে ইসলাম কে মুতালিবাত;
  • স্বামী স্ত্রীর অধিকার – হুকুকুয যাওজাইন;
  • ইসলামের দৃষ্টিতে জন্ম নিয়ন্ত্রণ – ইসলাম আওর যবতে বেলাদাত।
তাযকিয়ায়ে নফস
  • হিদায়াত – হিদায়াত;
  • ইসলামী ইবাদতের মর্মকথা – ইসলামী ইবাদত পর তাহকীকী নযর;
  • আত্মশুদ্ধির ইসলামী পদ্ধতি – তাযকিয়ায়ে নফস;
  • ইসলামের বুনিয়াদি শিক্ষা – খুতবাত।
সীরাত
  • আদর্শ মানব – সরওয়ারে আলম কা আসলী কারনামা;
  • খতমে নবুয়্যাত – খতমে নবুওয়াত;
  • সীরাতে সরওয়ারে আলম (১-২খন্ড) – সীরাতে সরওয়ারে আলম (১-২জিলদ);
  • নবীর কুরআনী পরিচয় – কুরআন আপনে লায়ে ওয়ালে কো কেসরং মেঁ পেশ করতা হায়;
  • সাহাবায়ে কিরামের মর্যাদা – মাকামে সাহাবা।
অন্যান্য
  • কাদিয়ানী সমস্যা – কাদিয়ানী মাসয়ালাহ;
  • রাসায়েল ও মাসায়েল (১-৫খন্ড) – রাসায়েল ওয়া মাসায়েল (১-৫জিলদ);
  • যুব সমাজের মুখোমুখি মাওলানা মওদূদী – তাসরীহাত;
  • যুব জিজ্ঞাসার জবাব (১-২খন্ড) – ইসতিফসারাত (১-২জিলদ);
  • বিকালের আসর (১-২খন্ড) – আসরী মাজালিশ (১-২জিলদ);
  • খুতবাতুল হারাম – খুতবাতুল হারাম;
  • বেতার বক্তৃতা – নশরী তাকরীরী;
  • সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদীর পত্রাবলী (১-২খন্ড) – মাকাতীব মাওলানা মওদূদী (র.) (১-২জিলদ);
  • পত্রালাপ মাওলানা মওদূদী ও মরিয়ম জমিলা – মাওলানা মওদূদী আওর মরিয়ম জমিলা কে দরমিয়ান খত।

সমালোচনা[সম্পাদনা]

মওদুদী তার বহু সংখ্যক বইয়ের কারণে সমালোচিত হন যার একটি "খিলাফত ও রাজতন্ত্র" । পরবর্তীতে এই বইয়ের জবাবে পাকিস্তানের গ্রান্ড মুফতি ও পাকিস্তান শরিয়া আদালতের প্রধান বিচারক মুফতি মুহাম্মাদ তাকী উসমানী লিখেন মুসলিম সমাজ এ আলোড়ন সৃষ্টিকারি বই "ইতিহাসের কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া (রা:)"। পরবর্তীতে মওলানা বশিরুজ্জামান "সত্যের মশাল" "সত্যের আলো" বই লিখে মওলানা মওদূদীর বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগে খন্ডন করেন এবং মওদূদীবাদকে সঠিক বলে প্রমাণ করেন। মওদুদীর বিরুদ্ধে যে সকল সমালোচনা হয়ে থাকে তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:

রুহুল্লাহ্ খামেনেই ১৯৬৩ সালে মাওলানা মওদুদীর সাথে সাক্ষাত করেন, পরবর্তীতে ইমাম খোমেনী মওদুদীর বইগুলো ফার্সি ভাষায় অনুবাদ করেন।এখনো পর্যন্ত প্রায়শঃই ইরানের সরকার মাওলানা মওদুদীর কর্মপন্থা অনুসরন করে থাকে।[১৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Zebiri, Kate. Review of Maududi and the making of Islamic fundamentalism. Bulletin of the School of Oriental and African Studies, University of London, Vol. 61, No. 1.(1998), pp. 167-168.
  2. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৫ মার্চ ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০১০ 
  3. Nikhat Ekbal (২০০৯)। Great Muslims of undivided India। Kalpaz Publications। পৃষ্ঠা 165। আইএসবিএন 978-8178357560 
  4. Adams, Maududi and the Islamic State, 1983: p.99
  5. Martín, Richard C. (২০০৪)। Encyclopedia of Islam & the Muslim World। Granite Hill। পৃষ্ঠা 371। আইএসবিএন 9780028656038 
  6. "Sayyid Abul A'la Maududi"Official website of the Jamaat-e-Islami। ১৮ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  7. Adams, Maududi and the Islamic State 1983, পৃ. 100–101
  8. Nasr, Mawdudi and Islamic Revivalism 1996, পৃ. 10
  9. Vali Nasr, Mawdudi and the Making of Islamic Revivalism, Oxford University Press (1996), p. 11
  10. Irfan Ahmed in The Princeton Encyclopedia of Islamic Political Thought (collective), Princeton University Press (2013), p. 333
  11. Roy Jackson, Mawlana Mawdudi and Political Islam: Authority and the Islamic state, Routledge (2010), p. 18
  12. Vali Nasr, Mawdudi and the Making of Islamic Revivalism, Oxford University Press (1996), p. 12
  13. Roy Jackson, Mawlana Mawdudi and Political Islam: Authority and the Islamic state, Routledge (2010), p. 19
  14. Vali Nasr, Mawdudi and the Making of Islamic Revivalism, Oxford University Press (1996), p. 13
  15. Muhammad Suheyl Umar, "... hikmat i mara ba madrasah keh burd? The Influence of Shiraz School on the Indian Scholars", October 2004 – Volume: 45 – Number: 4, note 26
  16. Vali Nasr, Mawdudi and the Making of Islamic Revivalism, Oxford University Press (1996), p. 24
  17. tnr.com The New Republic "The roots of jihad in India" by Philip Jenkins, December 24, 2008
  18. [Leonard Binder: Religion and politics in Pakistan , page 263. University of California Press, 1961]
  19. Encyclopedia of World Biography© on Abul A'la Mawdudi
  20. http://www.shahfoundationbd.org/halim/the_politics_of_alliance_bangladesh_experience.html
  21. "Syed Moudoodi biography at a glance"। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০১০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

পূর্বসূরী
দল প্রতিষ্ঠা
জামায়াতে ইসলামীর আমির
১৯৪১– ১৯৭২
উত্তরসূরী
মিয়াঁ তুফাইল মুহাম্মাদ