আইএফএ শিল্ড
আইএফএ শিল্ডের ট্রফি | |
| আয়োজক | ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (পশ্চিমবঙ্গ) |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠিত | ১৮৯৩; ১২৮ বছর আগে |
| অঞ্চল | |
| দলের সংখ্যা | ৮ |
| সম্পর্কিত প্রতিযোগিতা | মহিলাদের আইএফএ শিল্ড |
| বর্তমান চ্যাম্পিয়ন | মোহনবাগান (২১তম শিরোপা) |
| সবচেয়ে সফল দল | ইস্টবেঙ্গল (২৯টি শিরোপা) |
| ওয়েবসাইট | আইএফএ শিল্ড |
আইএফএ শিল্ড সাংবার্ষিকভিত্তিতে অনুষ্ঠিত একটি ফুটবল প্রতিযোগিতা। ১৮৯৩ সালে প্রবর্তিত এ প্রতিযোগিতাটি ভারতীয় ফুটবল সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত হয়ে থাকে। ইংলিশ, স্কটিশ এফএ কাপ এবং ডুরান্ড কাপের পর এটি চতুর্থ প্রাচীনতম প্রতিযোগিতা হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হয়ে আসছে। ১৯১১ সালে প্রথম ভারতীয় ফুটবল ক্লাব হিসেবে এ মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হবার কৃতিত্ব অর্জন করে মোহনবাগান। দলটি ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্ট দলকে ২–১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছিল।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]
পাতিয়ালা এবং কোচবিহারের রাজ পরিবার, আর্মেনিয়ান ক্লাবের এ এ আপকার, ডালহৌসি অ্যাথলেটিক ক্লাবের জে সাদারল্যান্ড শিল্ডের প্রস্তুতিকরণে অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন। এই শিল্ডটির নকশা কলকাতার বিখ্যাত ওয়াল্টার লক এবং কোম্পানি কর্তৃক অঙ্কিত হয়েছিল এবং লন্ডনের মেসার্স এলকিংটোন কোম্পানি কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল।[১]
প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বছরগুলিতে, আইএফএ শিল্ডে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর আধিপত্য ছিল এবং রয়্যাল আইরিশ রাইফেলস ১৮৯৩ সালে ডব্লিউ.ডি.আর.এ.কে হারিয়ে প্রথম আইএফএ শিল্ড জেতে। তবে, শিল্ডের উপর তাদের আধিপত্য ভেঙে যায় ১৯১১ সালে,[২] যখন মোহনবাগান ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে আইএফএ শিল্ড জেতা প্রথম সর্বভারতীয় দল হয়ে ওঠে।[৩][৪][৫] ভারতীয় ফুটবলের পাশাপাশি স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্যও এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত ছিল, কারণ স্থানীয়রা ইংরেজদের তাদের নিজস্ব খেলায় পরাজিত করেছিল। যদিও রয়্যাল আইরিশ রাইফেলস ৫টি শিরোপা নিয়ে সবচেয়ে সফল ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর দল হিসেবে রয়ে গেছে, ইস্টবেঙ্গল ক্লাব রেকর্ড ২৯ বার আইএফএ শিল্ড জিতেছে।
২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত, আইএফএ শিল্ড একটি যুব টুর্নামেন্ট হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছিল যেখানে কলকাতা লিগের সকল বিভাগের যুব দল অংশগ্রহণের অনুমতি পেয়েছিল।[৬] এআইএফএফের ব্যস্ত সময়সূচীর কারণে আইএফএ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ, আই-লিগ, আই-লিগ ২, স্টেট লিগ এবং সুপার কাপ। ২০২০ সালে, টুর্নামেন্টটি আবারও একটি সিনিয়র ইভেন্ট হিসেবে আয়োজন করা হয়েছিল।[৭]
মাঝে ২০২২ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়নি, ২০২৫ সালে চার বছর বিরতির পর পুনরায় চালু হতে চলেছে।
ফলাফল
[সম্পাদনা]বিদেশী ক্লাবগুলির পারফরম্যান্স
[সম্পাদনা]- চ্যাম্পিয়ন:
এফসি আরারাত ইয়েরেভান (১৯৭৮)
ক্লাব অ্যাটলেটিকো পেনিয়ারোল (১৯৮৫)
পাখতাকোর তাসখন্দ ফুটবল ক্লাব (১৯৯৩)
ফিন্যান্স অ্যান্ড রেভিনিউ এফসি (২০০৪)
বায়ার্ন মিউনিখ রিজার্ভ (২০০৫)
- রানার্স আপ:
পাস তেহরান এফসি (১৯৭০)
পিয়ংইয়ং স্পোর্টস ক্লাব (১৯৭৩)
ফুটবল ক্লাব শাখতার দোনেৎস্ক (১৯৮৫)
ফুটবল ক্লাব ইরতিশ পাভলোদার (১৯৯৩)
ঢাকা মোহামেডান (১৯৯৫)
আল-কারখ স্পোর্টস ক্লাব (১৯৯৬)
পালমেইরাস রিজার্ভ (২০০১)
স্যান্টস এফসি (২০০৮)
শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব (২০১৪)
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Nagendra Prasad Sarbadhikari — The first visionary of Indian football"। Football Paradise (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ নভেম্বর ২০১৯। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
- ↑ Sengupta, Somnath (২৯ জুলাই ২০১১)। "Tactical Evolution Of Indian Football (Part One): Profiling Three Great 2—3—5 Teams"। thehardtackle.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। Kolkata: The Hard Tackle। ৯ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০২১।
- ↑ Majumdar, Boria, Bandyopadhyay, Kausik (১ ফেব্রুয়ারি ২০০৬)। Goalless: The Story of a Unique Footballing Nation। New Delhi: Penguin India। আইএসবিএন ৯৭৮০৬৭০০৫৮৭৪৭। ৮ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ "Chronology of Important Sports Events — West Bengal"। wbsportsandyouth.gov.in। Kolkata: Government of West Bengal – Department of youth services and sports। ২০১৭। ১৩ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Basu, Jaydeep (২৯ জুলাই ২০২০)। "A victory for India? Why Mohun Bagan's historic 1911 IFA Shield win was purely about football"। Scroll। ৫ মে ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০২২।
- ↑ "IFA Shield now U-19 tournament"। Telegraph India। ১০ জানুয়ারি ২০১৫। ২৭ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
- ↑ "IFA Shield set for return as senior event"। The Indian Express। ১২ নভেম্বর ২০২০। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০২০।
- ↑ "বাগানে দীপাবলি, ডার্বি জয়ের হ্যাটট্রিক হল না ইস্টবেঙ্গলের, টাইব্রেকারে লাল-হলুদকে হারিয়ে ২২ বছর পর শিল্ড সবুজ-মেরুনের"। আনন্দবাজার পত্রিকা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "Real Kashmir FC defends IFA Shield title, beats Sreenidi Deccan FC in a thriller"। sportstar.thehindu.com। Sportstar। ১৫ ডিসেম্বর ২০২১। ১৫ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ "IFA Shield 2020 FULL MATCH Real Kashmir Make History, Beat George Telegraph In Final | The Fan Garage (TFG)"। thefangarage.com। ১৯ ডিসেম্বর ২০২০। ২২ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২০।
- ↑ "IFA Shield: Tata Football Academy wins the 120th IFA Shield"। ৭ মার্চ ২০১৬। ১০ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০১৬।
