ভারত জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
ভারত
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন কুলচিহ্ন
ডাকনাম(সমূহ) নীল বাঘ (Blue Tiger)
অ্যাসোসিয়েশন অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশন এএফসি (এশিয়া)
প্রধান কোচ ইংল্যান্ড স্টিফেন কনস্টান্টটাইন
অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী
স্বাগতিক স্টেডিয়াম যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন, বিধাননগর
জওয়াহারলাল নেহেরু স্টেডিয়াম, দিল্লি
ফিফা কোড IND
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ৯৬
সর্বোচ্চ ৯৪ (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬)
সর্বনিম্ন ১৬৫ (মার্চ ২০০৭)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৬০
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
ফ্রান্স ফ্রান্স ২ - ১ ভারত ভারত
(লন্ডন, ইংল্যান্ড; জুলাই ৩১, ১৯৪৮)
বৃহত্তম জয়
ভারত ভারত ৭ - ০ শ্রীলঙ্কা শ্রীলঙ্কা
(বাঙ্গালোর, ভারত; ডিসেম্বর ১৬, ১৯৬৩)
ভারত ভারত ৬ - ০ কম্বোডিয়া কম্বোডিয়া
(নয়া দিল্লী, ভারত; আগস্ট ১৭, ২০০৭)
বৃহত্তম হার
রাশিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন ১১ - ১ ভারত ভারত
(মস্কো, সোভিয়েত ইউনিয়ন; সেপ্টেম্বর ১৬, ১৯৫৫)
এএফসি এশিয়ান কাপ
উপস্থিতি ২ (প্রথম ১৯৬৪)
সেরা সাফল্য রানার্স-আপ, ১৯৬৪

ভারত জাতীয় ফুটবল দল ভারতের জাতীয় ফুটবল দল এবং এর নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন। এটি এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন এবং ফিফা এর সদস্য।

বাছাইপর্বে তাদের সকল প্রতিদ্বন্দ্বী খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর কারনে ১৯৫০ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ভারত অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিল।[১]

১৯৫৬ সালের অলিম্পিকে ভারত চতুর্থ অবস্থান লাভ করে এবং ১৯৬২ সালের এশিয়ান গেমসে তারা স্বর্ণ পদক জিতে নেয়। তারা পরবর্তী দুই এশিয়ান গেমস এশিয়ান গেমসের সেমি-ফাইনালে উন্নীত হয়েছিল। এই যুগ ভারতের ফুটবলের স্বর্ণযুগ হিসেবে খ্যাত।

ভারতের সর্বশেষ সাফল্য হচ্ছে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন কাপ জেতা, ২০০২ সালে ইংরেজ কোচ স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন এর অধীনে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত এলজি কাপ জয়, এবং ২০০৭ সালে ববি হাফটনের অধীনে নেহেরু কাপ জেতা।

বর্তমানে ভারত দলের কোচের দায়িত্বে আছেন ববি হাফটন যিনি ২০০৬ সালের জুনে নিয়োগ পেয়েছিলেন। ইনি ৩০ বছর ধরে এ পেশায় নিয়োজিত আছেন এবং আফ্রিকা, এশিয়া, মধ্য প্রাচ্য, উত্তর আমেরিকাইউরোপে যথেষ্ঠ সফল ছিলেন।

ভারতের জার্সির নির্মাতা হচ্ছে নাইকি।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

হোমগ্রাউন্ড[সম্পাদনা]

জার্সি[সম্পাদনা]

বর্তমান টেকনিক্যাল স্টাফ[সম্পাদনা]

বর্তমান প্রধান কোচ স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন
পজিশন নাম
প্রধান কোচ ইংল্যান্ড স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন [২]
ম্যানেজার ভারত শানমুগাম ভেঙ্কটেশ
সহকারী কোচ ইংল্যান্ড লী জনসন
গোলকিপিং কোচ ব্রাজিল রোগারিও রামোস
ফিজিওথেরাপিস্ট ভারত জিগে জর্জ
ফিটনেস কোচ অস্ট্রেলিয়া ড্যানি ডেইগান
টিম পরিচালক ভারত কিরন কুমার কুলকার্নী
Masseur ভারত লিয়াকত আলী
Video Analyst ভারত শংকর শিজামনি
Coaching Family Liason Officer স্কটল্যান্ড Tofu McLaughlin
জার্সি ম্যানেজার ভারত সঞ্জয় ধিয়ানী
জাতীয় দলের পরিচালক ভারত অভিষেক য়ুদেব

খেলোয়ারেরা[সম্পাদনা]

বর্তমান খেলোয়ারেরা[সম্পাদনা]

নাম জন্মস্থান খেলার অবস্থান জাতীয় দলের সদস্য সাল ইন্ডিয়ান সুপার লীগ
গোলরক্ষক
গুরপ্রীত সিং সিন্ধু রূপনগর, পাঞ্জাব, ভারত - ২০১১ বেঙ্গালুরু এফসি
অমরিন্দর সিং মাহিলপুর, পাঞ্জাব, ভারত - ২০১৭ মুম্বাই সিটি এফসি
বিশাল কাইথ হিমাচল প্রদেশ - - এফসি পুনে সিটি
রক্ষণভাগের খেলোয়াড়
নারায়ণ দাস ত্রিবেনী, পশ্চিমবঙ্গ - ২০১১ এফসি গোয়া
সন্দেশ ঝিঙ্গান চণ্ডীগড় - ২০১৫ বেঙ্গালুরু এফসি
আনাস এড্যাথডিকা মালাপ্পুরম - ২০১৭ কেরালা ব্লাস্টার্স
জেরি লালরিনজুয়ালা মিজোরাম - ২০১৭ চেন্নাইয়ান এফসি
লালরুয়াতথারা মিজোরাম - ২০১৮ কেরালা ব্লাস্টার্স
সুভাশিষ বোস কলকাতা - ২০১৮ মুম্বাই সিটি এফসি
মধ্যমাঠের খেলোয়াড়
রোওলিন বোর্জেস দক্ষিণ গোয়া জেলা - ২০১৫ নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি
হোলিচরণ নার্জারি কোকড়াঝাড় জেলা - ২০১৫ নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি
লালিয়ানজুয়ালা ছাংতে মিজোরাম - ২০১৫ দিল্লী ডায়নামোস
উদান্তা সিং মণিপুর - ২০১৬ বেঙ্গালুরু এফসি
আক্রমণভাগের খেলোয়াড়
সুনীল ছেত্রী হায়দ্রাবাদ আক্রমণভাগের খেলোয়াড় ২০০৫ মুম্বাই সিটি এফ সি
জেজে লালপেখলুয়া হ্‌নাহথিয়াল আক্রমণভাগের খেলোয়াড় ২০১১ চেন্নাইয়ান এফসি
শেহনাজ সিং চণ্ডীগড় মধ্যমাঠের খেলোয়াড় ২০১৫ মুম্বাই সিটি এফ সি
রোমিও ফার্নান্ডেজ দক্ষিণ গোয়া জেলা মধ্যমাঠের খেলোয়াড় ২০১৫ এফ সি গোয়া
মহম্মদ রফিক কলকাতা মধ্যমাঠের খেলোয়াড় ২০১৬ কেরালা ব্লাস্টার্স

পূর্বের খেলোয়ারেরা[সম্পাদনা]

  1. শৈলেন মান্না
  2. চুনী গোস্বামী
  3. সৈয়দ নইমুদ্দিন
  4. মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য্য
  5. বাইচুং ভুটিয়া

খেলা ও ফলাফল[সম্পাদনা]

২০১৫[সম্পাদনা]

২০১৬[সম্পাদনা]

তুলনামূলক রেকর্ডসমূহ[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ রেকর্ড[সম্পাদনা]

  • ১৯৫০ - মূল-পর্বে খেলার জন্য যোগ্য নির্বাচিত, কিন্তু প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার - স্বাগতিক ব্রাজিল ও বিশ্বকাপজয়ী ইতালি ছাড়া ইউরোপের ৭ টি, আমেরিকা থেকে ৬টি ও এশিয়া থেকে ১ টি দল নিয়ে মোট ১৬ টি দলের খেলার কথা হয়। ১৯৪৮ সালের অলিম্পিকে খালি পায়ে (কয়েকজন মোজা পড়ে খেলেছিলেন) ফুটবল খেলে ফ্রান্সের সাথে নির্ধারিত সময় অবধি ১-১ ড্র ও অতিরিক্ত সময়ে ১-২ গোলে হেরে গেলেও বিশ্ব ফুটবলে ভারতীয় দল সাড়া ফেলে দেয়। তাই এশিয়া থেকে যোগ্যতা অর্জন পর্বে  ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, বার্মা (বর্তমান মায়ানমার) এর সঙ্গে ভারতও ডাক পায়। প্রথম তিনটি দল অংশ নিতে না চাইলে ভারত বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। অথচ, ভারতের ফুটবল ফেডারেশন (AIFF),  খেলার সূচী তৈরি (২২শে মে, ১৯৫০) হয়ে যাওয়ার পর ভারতীয় দলের নাম প্রত্যাহার করে নেয়। কারণ হিসেবে, ব্রাজিল যাওয়া আসার খরচ, প্র্যাকটিস করার সময়ের অভাব, দল নির্বাচন নিয়ে সমস্যা ইত্যাদি নানা কারণ দেখায়।যদিও ফিফা পরিবহন খরচের অনেকটাই নিজেরা বহন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।[৩]

এশিয়ান কাপ রেকর্ড[সম্পাদনা]

  • ১৯৬৪ - রানার্স-আপ

সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন কাপ রেকর্ড[সম্পাদনা]

  • ১৯৯৩ - বিজয়ী
  • ১৯৯৫ - রানার্স-আপ
  • ১৯৯৭ - বিজয়ী
  • ১৯৯৯ - বিজয়ী
  • ২০০৫ - বিজয়ী

এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপ রেকর্ড[সম্পাদনা]

  • ২০০৬ - কোয়ার্টার ফাইনাল

নেহরু কাপ রেকর্ড[সম্পাদনা]

  • ২০০৭ - বিজয়ী

সম্মাননা[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]