জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, এখন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়াসাঁকো শিক্ষাপ্রাঙ্গন
জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির সিংহদ্বার, রবীন্দ্র সরণির উপর

জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি কলকাতার জোড়াসাঁকোতে অবস্থিত ঠাকুর পরিবারের প্রাচীন বাড়ি। এই বাড়িটি বর্তমানে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গন হিসাবে ব্যবহার করা হয়।[১][২] এই বাড়িতে কবি এবং প্রথম অ-ইউরোপীয় নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহন করেন। এই বাড়িতেই কবি তার শৈশবকাল কাটান এবং ৭ আগস্ট, ১৯৪১ সালে মারা যান।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এটি আঠারো শতকে দ্বারকানাথ ঠাকুর (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা) নির্মাণ করেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই বাড়িতেই জন্মগ্রহন করেন।[৩]

বাঙালি সাহিত্যিক সালোক সেনগুপ্ত লিখেছেন, "কলিকাতা পত্তনের স্বল্প কালের পশ্চাতে জগন্নাথ কুশারি শীর্ষে এক ব্যাক্তি যশোর খুলনার গাঁ ত্যাগ করিয়া গোবিন্দপুর আসিয়া বসবাস আরম্ভ করেন। জগন্নাথ থাকিতেন জেলেপাড়ায়, তাহাদের পূজার্চনা করিতেন। সেই সূত্রেই সকলে তাঁহাকে ঠাকুরমশাই বলিত। জগন্নাথ কিছুকাল ইংরেজদের সাথে কারবার শুরু করিলে, তারা ঠাকুর এইরুপ ভাবিয়া বলিত যে, মনে হইতো টেগোর, তাই হইতেই কয়েক বৎসরের অন্তরেই কুশারি পদবী লোপ পাইয়া চালু হইলো ঠাকুর আর ইংরেজিতে টেগোর। এ বংশের নীলমণি ঠাকুর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি হইতে প্রাপ্ত দেওয়ানি লাভ করিয়া দারুণ অর্থ উপার্জন করিয়া জমিদারি স্থাপন করিয়া জোড়াসাঁকোয় ঠাকুর বাড়ি প্রতিষ্ঠা করিয়াছিলেন।"[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]