প্রবেশদ্বার:কলকাতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

কলকাতা প্রবেশদ্বার

কলকাতা

কলকাতা প্রবেশদ্বারে স্বাগত। ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী বলে কথিত শহর কলকাতা বাঙালির কৃষ্টি ও সভ্যতার এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। এই শহরে একদা জন্মগ্রহণ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সত্যজিৎ রায়, স্বামী বিবেকানন্দ, জ্যোতি বসু প্রমুখ জগদ্বিখ্যাত বাঙালিরা। আজ এই শহরের বাসিন্দা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মৃণাল সেন, মহাশ্বেতা দেবী, প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মতো কৃতী ব্যক্তিত্ব। ঐতিহাসিক কালবিচারের নিরিখে এই শহর খুব একটা প্রাচীন নয়। তবে নানা জাতি নানা ভাষার মিলনভূমি আজকের কলকাতা শহর শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের রাজধানীই নয়, একটি যথার্থ বিশ্বনগরী এবং বিশ্বভাতৃত্ববোধের প্রতীক।

কলকাতা

Victoria Memorial Kolkata panorama.jpg

কলকাতা (ইংরেজি:Kolkata, পূর্বে এই শব্দ সম্পর্কে Calcutta ) ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের রাজধানীহুগলী নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত এই শহরের পৌর অঞ্চলের জনসংখ্যা ৫০ লক্ষের কিছু বেশি। তবে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে বিস্তৃত কলকাতার মহানগরীয় অঞ্চলের জনসংখ্যা ১ কোটি ৪০ লক্ষের কাছাকাছি। এই জনসংখ্যার বিচারে এই কলকাতা ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম শহর ও তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রোপলিটান বা মহানগরীয় অঞ্চল।

১৯১১ সাল পর্যন্ত কলকাতা ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী ছিল। একদা ভারতের আধুনিক শিক্ষা, বিজ্ঞান, শিল্প, সংস্কৃতি ও রাজনীতির কেন্দ্রভূমি কলকাতা মহানগরে ১৯৫৪ সালের পর থেকে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত ও তার সঙ্গে সঙ্গে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয়। তবে ২০০০ সালের পর থেকে এই শহর আবার আর্থিক ও বাণিজ্যিক সমৃদ্ধির পথে অগ্রসর হয় ও সাংস্কৃতিক হৃতগৌরব অনেকাংশে পুণরাধিকার করে। যদিও ভারতের অন্যান্য মহানগরগুলির মতো নগরায়ণ সমস্যার অঙ্গ হিসাবে দারিদ্র, পরিবেশ দূষণ ও যানজটের সমস্যা থেকে একেবারে মুক্ত হতে পারেনি কলকাতা।

কলকাতা শহরের প্রসিদ্ধি তার বৈপ্লবিক আন্দোলনগুলির জন্য। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং পরবর্তীতে বামপন্থী বাণিজ্যিক ইউনিয়নগুলির আন্দোলন এ শহরের ইতিহাসের একটি বড় অংশ। এর সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক ভারতে কলকাতা ‘সাংস্কৃতিক রাজধানী’ ও ‘আনন্দ নগরী’ (‘সিটি অব জয়’) নামে নন্দিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রোনাল্ড রস, সুভাষচন্দ্র বসু, মাদার তেরেসা, সত্যজিৎ রায়, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, স্বামী বিবেকানন্দ রাজা রামমোহন রায় সি ভি রামন-সহ বহু বিশ্ববিশ্রুত ব্যক্তিত্বের বাসভূমি এই নগরী তার ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও সুসমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটের কারণে আজও বিশ্ববাসীর চোখে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত। (বাকি অংশ পড়ুন...)

নির্বাচিত নিবন্ধ

কলকাতা

সত্যজিৎ রায় (২রা মে, ১৯২১২৩শে এপ্রিল, ১৯৯২) একজন বাঙালী চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। কলকাতা শহরে সাহিত্য ও শিল্পের জগতে খ্যাতনামা এক বাঙালী পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজশান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সত্যজিতের কর্মজীবন একজন বাণিজ্যিক চিত্রকর হিসেবে শুরু হলেও প্রথমে কলকাতায় ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ রনোয়ারের সাথে সাক্ষাৎ ও পরে লন্ডন শহরে সফররত অবস্থায় ইতালীয় নব্য বাস্তবতাবাদী ছবি লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে (ইতালীয় ভাষায় Ladri di biciclette, "সাইকেল চোর") দেখার পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হন।

চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সত্যজিৎ ছিলেন বহুমুখী এবং তাঁর কাজের পরিমাণ বিপুল। তিনি ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র, প্রামাণ্যচিত্রস্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তাঁর নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, যাদের মধ্যে অন্যতম ছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া “শ্রেষ্ঠ মানব দলিল” (Best Human Document) পুরস্কারটি। পথের পাঁচালি, অপরাজিতঅপুর সংসার – এই তিনটি চলচ্চিত্রকে একত্রে অপু ত্রয়ী ডাকা হয়, এবং এই চলচ্চিত্র-ত্রয়ী তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কাজ বা ম্যাগনাম ওপাস হিসেবে বহুল স্বীকৃত। চলচ্চিত্র মাধ্যমে সত্যজিৎ চিত্রনাট্য রচনা, চরিত্রায়ন, সঙ্গীত স্বরলিপি রচনা, চিত্র গ্রহণ, শিল্প নির্দেশনা, সম্পাদনা, শিল্পী-কুশলীদের নামের তালিকা ও প্রচারণাপত্র নকশা করাসহ নানা কাজ করেছেন। চলচ্চিত্র নির্মাণের বাইরে তিনি ছিলেন একাধারে কল্পকাহিনী লেখক, প্রকাশক, চিত্রকর, গ্রাফিক নকশাবিদ ও চলচ্চিত্র সমালোচক। বর্ণময় কর্মজীবনে তিনি বহু পুরস্কার পেয়েছেন, তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল ১৯৯১ সালে পাওয়া একাডেমি সম্মানসূচক পুরস্কারটি (অস্কার), যা তিনি সমগ্র কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)

আপনি জানেন কি

...যে বাহুবলির পর আমাজন অভিযানের পৃথিবীর বৃহত্তম চলচ্চিত্রের পোস্টার মোহন বাগান গ্রাউন্ড, কলকাতা, ভারত-এ প্রদর্শিত হয়?
আপনি জানেন কি... বিস্তারিত...

নির্বাচিত চিত্র

Vidyasagar Setu .jpg

বিদ্যাসাগর সেতুপ্রিন্সেপ ঘাটহাওড়াকলকাতা শহরের সেতুবন্ধনকারী কলকাতার এই নব্য আইকন এবং সুপ্রাচীন ঐতিহ্যসম্পন্ন ঘাটের নামকরণ করা হয়েছে বাংলার নবজাগরণের দুই পুরোধা-ব্যক্তিত্ব ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরজেমস প্রিন্সেপের নামানুসারে।

বিষয়শ্রেণী

আপনি কি কি করতে পারেন

উইকিপ্রকল্প

আলোচ্য বিষয়

সম্পর্কিত প্রবেশদ্বার

সম্পর্কিত উইকিমিডিয়া

উইকিসংবাদে কলকাতা   উইকিউক্তিতে কলকাতা   উইকিবইয়ে কলকাতা   উইকিসংকলনে কলকাতা   উইকিঅভিধানে কলকাতা   উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ে কলকাতা   উইকিমিডিয়া কমন্সে কলকাতা উইকিউপাত্তে কলকাতা উইকিভ্রমণে কলকাতা
উন্মুক্ত সংবাদ উৎস উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল উন্মুক্ত পাঠাগার অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ উন্মুক্ত শিক্ষা মাধ্যম মুক্ত মিডিয়া ভাণ্ডার উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা
Wikinews-logo.svg
Wikiquote-logo.svg
Wikibooks-logo.png
Wikisource-logo.svg
Wiktionary-logo.svg
Wikiversity-logo.svg
Commons-logo.svg
Wikidata-logo.svg
Wikivoyage-Logo-v3-icon.svg

সার্ভার ক্যাশ খালি করুন