আই-লিগ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আই-লিগ
আই-লিগের লোগো.png
সংগঠকসর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF)
স্থাপিত২০০৭
প্রথম মৌসুম২০০৭-০৮
দেশ ভারত
কনফেডারেশনএএফসি
দলের সংখ্যা১৩ (২০২১-২২)
লীগের স্তর[১]
উন্নীতইন্ডিয়ান সুপার লীগ (২০২২-২৩ থেকে)
অবনমিতআই-লিগ দ্বিতীয় ডিভিশন
ঘরোয়া কাপডুরান্ড কাপ
আইএফএ শীল্ড
সুপার কাপ
ফেডারেশন কাপ (পূর্বে)
লীগ কাপডুরান্ড কাপ
আন্তর্জাতিক কাপএএফসি কাপ (এশীয় স্তরে ২য় সারি)
বর্তমান চ্যাম্পিয়নগোকুলাম কেরালা এফসি
(আই লিগ ২০২০-২১)
সর্বাধিক শিরোপাডেম্পো (৩টি শিরোপা)
ওয়েবসাইটhttp://i-league.org
২০২১-২২ আই-লিগ

আই-লিগ (ইংরেজি: I-League) ইন্ডিয়ান সুপার লীগের পাশাপাশি ভারতের জাতীয় ফুটবল লিগ। এই প্রতিযোগিতা ২০০৭ সালে ভারতীয় জাতীয় ফুটবল লিগের জায়গায় শুরু হয়েছে। প্রথম বছরে দশটি দল এই লিগে অংশ নেয়। ডেম্পো স্পোর্টস ক্লাব প্রথম বিজয়ীর সম্মান লাভ করে। অন্যদিকে সালগাওকর স্পোর্টস ক্লাব এবং ভিভা কেরালা আই-লিগ প্রথম ডিভিশন থেকে দ্বিতীয় ডিভিশনে নেমে যায়। বর্তমানে আই-লিগে ১৩ টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৯৬ সালে ভারতে প্রথম ঘরোয়া লীগ শুরু হয়েছিল জাতীয় ফুটবল লীগ নামে পরিচিত। লিগটি ভারতীয় ফুটবলে পেশাদারিত্বের প্রবর্তনের প্রয়াসে শুরু হয়েছিল।

২০০৬-০৭ এনএফএল মরশুমের পরে, ঘোষণা করা হয়েছিল যে জাতীয় ফুটবল লীগ পুনরায় চালু করা হবে এবং ২০০৭-০৮ মৌসুমের আই-লিগ হিসাবে পুনরায় নামকরণ করা হবে।

২০১০ সালের ৯ ডিসেম্বর অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের সাথে একটি ১৫ বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তি আইএমজি-রিলায়েন্সকে স্পনসর, বিজ্ঞাপন, সম্প্রচার, মার্চেন্ডাইজিং, ভিডিও, ফ্র্যাঞ্চাইজিং এবং একটি নতুন ফুটবল লীগ তৈরির অধিকারের একচেটিয়া বাণিজ্যিক অধিকার দিয়েছে। এআইএফএফ জি স্পোর্টসের সাথে পাঁচ বছরের প্রথম দিকে তাদের 10 বছরের চুক্তি শেষ করার পরে এই চুক্তি হয়েছিল।

এএফসি পুরস্কার[সম্পাদনা]

ডেভেলপিং লিগ সিলভার

মরসুম সমূহ[সম্পাদনা]

মৌসুম বিজয়ী কোচ সর্বোচ্চ ভারতীয় গোলদাতা
২০০৭-০৮ ডেম্পো স্পোর্টস ক্লাব ভারত আরমান্ডো কোলাকো বাইচুং ভুটিয়া (মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব) (১০)
২০০৮-০৯ চার্চিল ব্রাদার্স স্পোর্টস ক্লাব মরক্কো করিম বেনচেরিফা সুনীল ছেত্রী (কিংফিশার ইস্ট বেঙ্গল) (৯)
২০০৯-১০ ডেম্পো স্পোর্টস ক্লাব ভারত আরমান্ডো কোলাকো মোহাম্মদ রফি (মহিন্দ্র ইউনাইটেড) (১৪)
২০১০-১১ সালগাওকর স্পোর্টস ক্লাব মরক্কো করিম বেনচেরিফা জেজে লালপেখলুয়া (ইন্ডিয়ান আরোস) (১৩)
২০১১-১২ ডেম্পো স্পোর্টস ক্লাব ভারত আরমান্ডো কোলাকো চিনাডুরাই সাবিথ (পৈলান আরোজ) এবং মনদীপ সিং (এয়ার ইন্ডিয়া ফুটবল ক্লাব) (৯)
২০১২-১৩ চার্চিল ব্রাদার্স স্পোর্টস ক্লাব ভারত মারিয়ানো ডায়াস সি কে ভিনীত (প্রয়াগ ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাব) (৭)
২০১৩-১৪ বেঙ্গালুরু এফসি ইংল্যান্ড অ্যাশলে ওয়েস্টউড সুনীল ছেত্রী (বেঙ্গালুরু এফসি) (১৪)
২০১৪-১৫ মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব ভারত সঞ্জয় সেন থংখোসিয়েম হাওকিপ (পুনে এফসি) (৭)
২০১৫-১৬ বেঙ্গালুরু এফসি ইংল্যান্ড অ্যাশলে ওয়েস্টউড সুনীল ছেত্রী (বেঙ্গালুরু এফসি) এবং সুশীল কুমার সিং (মুম্বই ফুটবল ক্লাব) (৫)
২০১৬-১৭ আইজল এফসি ভারত খালিদ জামিল সি কে ভিনীত এবং সুনীল ছেত্রী (বেঙ্গালুরু এফসি) (৭)
২০১৭-১৮ মিনার্ভা পাঞ্জাব ভারত খোগেন সিং অভিজিৎ সরকার (ইন্ডিয়ান আরোস)সুভাষ সিং (নেরোকা) (৪)
২০১৮-১৯ চেন্নাই সিটি এফ.সি. সিঙ্গাপুর আকবর নওয়াস জব্বি জাস্টিন (ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব) (৯)
২০১৯-২০ মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব স্পেন কিবু ভিকুনা রোছারেজেলা (আইজল এফ.সি.) (৬)
২০২০-২১ গোকুলাম কেরালা এফসি ইতালি ভিনসেঞ্জো অ্যালবার্টো অ্যানেস বিদ্যাসাগর সিং (ট্রাউ এফসি) (১২)
২০২১-২২

আই-লিগ দলের তালিকা[সম্পাদনা]

ক্লাব শহর/রাজ্য স্টেডিয়াম ধারণক্ষমতা
রিয়াল কাশ্মীর এফসি শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর টিআরসি টার্ফ গ্রাউন্ড ১৫,০০০
রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব এফসি লুধিয়ানা গুরু নানক স্টেডিয়াম ৩০,০০০
তিদিম রোড অ্যাথলেটিক ইউনিয়ন এফসি ইম্ফল, মণিপুর খুমান লাম্পক স্টেডিয়াম ৩৫,২৮৫
নেরোকা এফসি
আইজল এফসি আইজল রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম ২০,০০০
ইন্ডিয়ান আরোস ভুবনেশ্বর কলিঙ্গ প্রধান স্টেডিয়াম ৫০,০০০
চার্চিল ব্রাদার্স স্পোর্টস ক্লাব সালসিতে তিলক ময়দান স্টেডিয়াম ৬,০০০
চেন্নাই সিটি এফসি কোয়েম্বাটুর, তামিলনাড়ু নেহেরু স্টেডিয়াম ৩০,০০০
মহামেডান এসসি কলকাতা‌,পশ্চিমবঙ্গ ময়দান, কলকাতা, মোহামেডান স্পোর্টিং গ্রাউন্ড
গোকুলম কেরালা এফসি কোঝিকোড়, কেরল এলমকুলাম মানাক্কাল শঙ্করণ স্টেডিয়াম ৮০,০০০

ম্যানেজার, অধিনায়ক এবং কিট[সম্পাদনা]

ক্লাব ম্যানেজার তারকা খেলোয়াড় জার্সি স্পনসর কিট স্পনসর
মিনার্ভা পাঞ্জাব এফসি ভারত খগেন সিং ঘানা উইলিয়াম উপকু
অ্যাপোলো টায়ার্স Mayor Sports
ইন্ডিয়ান আরোস পর্তুগাল লুইস নর্টন দে মাতোস ভারত অনিকেত যাদব(আ)
ভারত প্রভসুখান সিং গিল(গো)
ভারত এডমুন্ড লালরিন্দিকা(আ)
none none
শিলং লাজং ভারত ববি নোংবেট উত্তর কোরিয়া Minchol Son Aircel Adidas
নেরোকা এফসি ভারত গিফট রাইখান নাইজেরিয়া ফেলিক্স চিডি ওদিলি
ভারত লালিত ঠাপা
ভারত সুভাষ সিং
লাইবেরিয়া ভার্নেয় কালোন
চেন্নাই সিটি এফসি সিঙ্গাপুর আকবর নওয়াজ উরুগুয়ে পেড্রো মাঞ্জি(আ)
স্পেন নেস্টর গর্ডিল্লো(ম)
ভারত এডউইন সিডনি ভ্যান্সপাউল(ম)
ভারত অজিতকুমার কামরাজ(র)
- ব্রাজিল পেনাল্টি

সম্মাননা[সম্পাদনা]

নিয়মানুসারে লীগের চ্যাম্পিয়ন দল এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বে খেলার সুযোগ পাবে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]