আই-লিগ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আই-লিগ
আই-লিগের লোগো.png
সংগঠকসর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF)
স্থাপিত১৯৯৭; ২৫ বছর আগে (1997) (জাতীয় ফুটবল লিগ)
২০০৭; ১৫ বছর আগে (2007) (আই-লিগ)
প্রথম মৌসুম২০০৭-০৮
দেশ ভারত
কনফেডারেশনএএফসি
দলের সংখ্যা১২
লিগের স্তর[১]
উন্নীতইন্ডিয়ান সুপার লিগ (২০২২-২৩ থেকে)
অবনমিতআই-লিগ দ্বিতীয় ডিভিশন
ঘরোয়া কাপডুরান্ড কাপ
আইএফএ শীল্ড
সুপার কাপ
ফেডারেশন কাপ (পূর্বে)
লিগ কাপডুরান্ড কাপ
আন্তর্জাতিক কাপএএফসি কাপ (এশীয় স্তরে ২য় সারি)
বর্তমান চ্যাম্পিয়নগোকুলাম কেরালা এফসি (২য় শিরোপা)
(২০২১-২২ আই-লিগ)
সর্বাধিক শিরোপাডেম্পো (৩টি শিরোপা)
সম্প্রচারকফেসবুক১স্পোর্টস
ওয়েবসাইটhttp://i-league.org
২০২১-২২ আই-লিগ

আই-লিগ (ইংরেজি: I-League) ভারতীয় ফুটবলের দ্বিতীয় বিভাগ (২০২২ থেকে)। এই প্রতিযোগিতা ২০০৭ সালে ভারতীয় জাতীয় ফুটবল লিগের জায়গায় শুরু হয়েছে। প্রথম বছরে দশটি দল এই লিগে অংশ নেয়। ডেম্পো স্পোর্টস ক্লাব প্রথম বিজয়ীর সম্মান লাভ করে। অন্যদিকে সালগাওকর স্পোর্টস ক্লাব এবং ভিভা কেরালা আই-লিগ প্রথম ডিভিশন থেকে দ্বিতীয় ডিভিশনে নেমে যায়। বর্তমানে আই-লিগে ১২ টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৯৬ সালে ভারতে প্রথম ঘরোয়া লিগ শুরু হয়েছিল জাতীয় ফুটবল লিগ নামে পরিচিত। লিগটি ভারতীয় ফুটবলে পেশাদারিত্বের প্রবর্তনের প্রয়াসে শুরু হয়েছিল।

২০০৬-০৭ এনএফএল মরশুমের পরে, ঘোষণা করা হয়েছিল যে জাতীয় ফুটবল লীগ পুনরায় চালু করা হবে এবং ২০০৭-০৮ মৌসুমের আই-লিগ হিসাবে পুনরায় নামকরণ করা হবে।

২০১০ সালের ৯ ডিসেম্বর অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের সাথে একটি ১৫ বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তি আইএমজি-রিলায়েন্সকে স্পনসর, বিজ্ঞাপন, সম্প্রচার, মার্চেন্ডাইজিং, ভিডিও, ফ্র্যাঞ্চাইজিং এবং একটি নতুন ফুটবল লীগ তৈরির অধিকারের একচেটিয়া বাণিজ্যিক অধিকার দিয়েছে। এআইএফএফ জি স্পোর্টসের সাথে পাঁচ বছরের প্রথম দিকে তাদের ১০ বছরের চুক্তি শেষ করার পরে এই চুক্তি হয়েছিল।

ফরম্যাট[সম্পাদনা]

২০০৭ সালে লিগ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতি বছরই নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে লিগে ১৩টি দল রয়েছে। প্রতিটি ক্লাব মৌসুমে একে অপরের সাথে দুইবার খেলে, একবার হোম এবং অন্যটি অ্যাওয়ে। মহামারী চলাকালীন এটি ২ মরসুমের জন্য পরিত্যক্ত হয়েছিল। যে দল একটি ম্যাচ জিতবে তারা তিন পয়েন্ট পাবে এবং উভয় দল ড্র করলে এক পয়েন্ট অর্জন করবে। হেরে যাওয়া দলকে কোনো পয়েন্ট দেওয়া হয় না। মৌসুম শেষে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া দলটি লিগ জিতে নেয়। টাই হলে হেড-টু-হেড ফলাফল দেখা হয়, তাতেও টাইব্রেক না হলে গোল পার্থক্য দেখা হয়।[২]

এএফসি পুরস্কার[সম্পাদনা]

ডেভেলপিং লিগ সিলভার

স্পনসর[সম্পাদনা]

বছর স্পন্সর শিল্প প্রতিযোগিতা
২০০৭–১১ ভারত ওএনজিসি পেট্রোলিয়াম ওএনজিসি আই-লিগ
২০১১–১৩ নেই প্রযোজ্য নয় আই-লিগ
২০১৩–১৪ ভারত এয়ারটেল টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা এয়ারটেল আই-লিগ
২০১৪–বর্তমান ভারত হিরো অটোমোবাইল হিরো আই-লিগ

সম্প্রচারক[সম্পাদনা]

বর্তমানে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন-এর উদ্যোগে ফেসবুক ও ১স্পোর্টস এটি সম্প্রচার করে থাকে।

সময়কাল টিভি অনলাইন
২০০৭–১০ জি স্পোর্টস
২০১০–১৭ টেন অ্যাকশন, টেন স্পোর্টস ডিট্টোটিভি
২০১৭–১৯ স্টার স্পোর্টস ২ ও ৩ হটস্টার, জিও টিভি
২০১৯–বর্তমান ১স্পোর্টস ফেসবুক, ফ্যানকোড

মরসুম সমূহ[সম্পাদনা]

মৌসুম বিজয়ী বিজয়ী দলের কোচ দ্বিতীয় স্থান তৃতীয় স্থান সর্বোচ্চ ভারতীয় গোলদাতা
২০০৭-০৮ ডেম্পো ভারত আরমান্ডো কোলাকো চার্চিল ব্রাদার্স জেসিটি বাইচুং ভুটিয়া (মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব) (১০)
২০০৮-০৯ চার্চিল ব্রাদার্স মরক্কো করিম বেনচেরিফা মোহনবাগান স্পোর্টিং গোয়া সুনীল ছেত্রী (কিংফিশার ইস্ট বেঙ্গল) (৯)
২০০৯-১০ ডেম্পো ভারত আরমান্ডো কোলাকো চার্চিল ব্রাদার্স পুণে মোহাম্মদ রফি (মহিন্দ্র ইউনাইটেড) (১৪)
২০১০-১১ সালগাওকর মরক্কো করিম বেনচেরিফা ইস্টবেঙ্গল ডেম্পো জেজে লালপেখলুয়া (ইন্ডিয়ান অ্যারোস) (১৩)
২০১১-১২ ডেম্পো ভারত আরমান্ডো কোলাকো ইস্টবেঙ্গল চার্চিল ব্রাদার্স চিনাডুরাই সাবিথ (পৈলান অ্যারোস) এবং মনদীপ সিং (এয়ার ইন্ডিয়া ফুটবল ক্লাব) (৯)
২০১২-১৩ চার্চিল ব্রাদার্স ভারত মারিয়ানো দিয়াস পুণে ইস্টবেঙ্গল সি কে ভিনীত (প্রয়াগ ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাব) (৭)
২০১৩-১৪ বেঙ্গালুরু ইংল্যান্ড অ্যাশলে ওয়েস্টউড ইস্টবেঙ্গল সালগাওকর সুনীল ছেত্রী (বেঙ্গালুরু এফসি) (১৪)
২০১৪-১৫ মোহনবাগান ভারত সঞ্জয় সেন বেঙ্গালুরু রয়্যাল ওয়াহিংডোহ থংখোসিয়েম হাওকিপ (পুনে এফসি) (৭)
২০১৫-১৬ বেঙ্গালুরু এফসি ইংল্যান্ড অ্যাশলে ওয়েস্টউড মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গল সুনীল ছেত্রী (বেঙ্গালুরু এফসি) এবং সুশীল কুমার সিং (মুম্বই ফুটবল ক্লাব) (৫)
২০১৬-১৭ আইজল ভারত খালিদ জামিল সি কে ভিনীত এবং সুনীল ছেত্রী (বেঙ্গালুরু এফসি) (৭)
২০১৭-১৮ মিনার্ভা পাঞ্জাব ভারত খোগেন সিং নেরোকা মোহনবাগান অভিজিৎ সরকার (ইন্ডিয়ান আরোস)সুভাষ সিং (নেরোকা) (৪)
২০১৮-১৯ চেন্নাই সিটি সিঙ্গাপুর আকবর নওয়াস ইস্টবেঙ্গল রিয়েল কাশ্মীর জব্বি জাস্টিন (ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব) (৯)
২০১৯-২০ মোহনবাগান স্পেন কিবু ভিকুনা পুরস্কৃত করা হয়নি[ক] রোছারেজেলা (আইজল এফ.সি.) (৬)
২০২০-২১ গোকুলাম কেরালা ইতালি ভিনসেঞ্জো অ্যালবার্টো অ্যানেস চার্চিল ব্রাদার্স ট্রাউ বিদ্যাসাগর সিং (ট্রাউ এফসি) (১২)
২০২১-২২ মহামেডান চার্চিল ব্রাদার্স তাহির জামান (গোকুলাম কেরালা) ও শুভ পাল (সুদেবা দিল্লি) (৫)
২০২২-২৩

নোট[সম্পাদনা]

  1. শেষের ম্যাচগুলি কোভিড-১৯ মহামারীর জন্য বাতিল হয়ে যায় ও মোহনবাগানের সাথে দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দলের বিশাল পার্থক্য থাকায় চ্যাম্পিয়ন ঘোষিত হয়। পরবর্তী দলগুলির পয়েন্ট কাছাকাছি হবার জন্য আলাদা করে পুরস্কৃত করা হয়নি।[৩]

আই-লিগ দলের তালিকা[সম্পাদনা]

ক্লাব শহর/রাজ্য স্টেডিয়াম ধারণক্ষমতা
রিয়েল কাশ্মীর এফসি শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর টিআরসি টার্ফ গ্রাউন্ড ১৫,০০০
রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাব এফসি লুধিয়ানা গুরু নানক স্টেডিয়াম ৩০,০০০
তিদিম রোড অ্যাথলেটিক ইউনিয়ন এফসি ইম্ফল, মণিপুর খুমান লাম্পাক মেইন স্টেডিয়াম ৩৫,২৮৫
নেরোকা এফসি
আইজল এফসি আইজল রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম ২০,০০০
ইন্ডিয়ান অ্যারোস ভুবনেশ্বর কলিঙ্গ স্টেডিয়াম ৫০,০০০
চার্চিল ব্রাদার্স স্পোর্টস ক্লাব মারগাও তিলক ময়দান স্টেডিয়াম
ফতোরদা স্টেডিয়াম
৬,০০০
চেন্নাই সিটি এফসি কোয়েম্বাটুর, তামিলনাড়ু নেহেরু স্টেডিয়াম ৩০,০০০
মহামেডান এসসি কলকাতা‌,পশ্চিমবঙ্গ ময়দান, কলকাতা, মোহামেডান স্পোর্টিং গ্রাউন্ড
গোকুলাম কেরালা এফসি কোঝিকোড়, কেরল এলমকুলাম মানাক্কাল শঙ্করণ স্টেডিয়াম ৮০,০০০
সুদেবা দিল্লি এফসি নতুন দিল্লি আম্বেদকর স্টেডিয়াম ৩০,০০০
শ্রীনিদি ডেকান এফসি বিশাখাপত্তনম
রাজস্থান ইউনাইটেড ফুটবল ক্লাব ভিলওয়ারা, রাজস্থান রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস কমপ্লেক্স ৬,০০০

এএফসি কাপ[সম্পাদনা]

নিয়মানুসারে লিগের চ্যাম্পিয়ন দল এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বে খেলার সুযোগ পায়।

২০০৮ মরসুমে ডেম্পো এএফসি কাপের সেমি-ফাইনালে লেবাননের ক্লাব আল-সাফার কাছে হেরে বিদায় নেয়।[৪]

এরপর ২০১৩-তে ইস্টবেঙ্গল এএফসি কাপের সেমি-ফাইনালে কুয়েত এসসির কাছে হেরে বিদায় নেয়।[৫]

এখনো পর্যন্ত এএফসি কাপে সর্বশ্রেষ্ঠ ফল প্রদর্শনকারী আই-লিগ ক্লাব হল বেঙ্গালুরু এফসি। তারা ২০১৬ এএফসি কাপের ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়েছিল, যা ছিল ভারতীয় ফুটবলের যুগান্তকারী ঘটনা। তবে তারা ফাইনালে ইরাকের আল-কুয়া আল-জাউইয়ার কাছে হেরে রানার্স-আপ হয়।[৬]

নিম্নে আই-লিগ দলগুলির এএফসি কাপ পারফরম্যান্স তুলে ধরা হল:

এএফসি কাপ মরসুম দল অবস্থান
২০০৮-০৯ মোহনবাগান গ্রুপ পর্ব
ডেম্পো সেমি-ফাইনাল
২০০৯-১০ ইস্টবেঙ্গল গ্রুপ পর্ব
চার্চিল ব্রাদার্স ১৬ দলের পর্ব
২০১০-১১ ইস্টবেঙ্গল গ্রুপ পর্ব
ডেম্পো ১৬ দলের পর্ব
২০১১-১২ ইস্টবেঙ্গল গ্রুপ পর্ব
সালগাওকর গ্রুপ পর্ব
২০১২-১৩ চার্চিল ব্রাদার্স গ্রুপ পর্ব
ইস্টবেঙ্গল সেমি-ফাইনাল
২০১৩-১৪ পুণে গ্রুপ পর্ব
চার্চিল ব্রাদার্স ১৬ দলের পর্ব
২০১৪-১৫ বেঙ্গালুরু ১৬ দলের পর্ব
ইস্টবেঙ্গল গ্রুপ পর্ব
২০১৫-১৬ মোহনবাগান ১৬ দলের পর্ব
বেঙ্গালুরু রানার্স-আপ
২০১৬-১৭ বেঙ্গালুরু আন্তঃঅঞ্চল ফাইনাল
মোহনবাগান গ্রুপ পর্ব
২০১৭-১৮ বেঙ্গালুরু আন্তঃঅঞ্চল সেমি-ফাইনাল
আইজল গ্রুপ পর্ব
২০১৮-১৯ মিনার্ভা পাঞ্জাব গ্রুপ পর্ব
২০২০ চেন্নাই সিটি বাতিল[ক]
২০২১ মোহনবাগান (এটিকে মোহনবাগান হিসেবে)[খ] আন্তঃঅঞ্চল সেমি-ফাইনাল
২০২২ গোকুলাম কেরালা

এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ[সম্পাদনা]

এখনো পর্যন্ত আই-লিগের কোন ক্লাবই এফসি চাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বে উত্তীর্ণ হতে পারেনি, বাছাইপর্বের বাধা টপকাতে অক্ষম হয়েছে।[৭] বর্তমানে আই-লিগ থেকে সরাসরি এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে উত্তীর্ণ হবার সুযোগ দেওয়া হয় না।

নোট[সম্পাদনা]

  1. কোভিড-১৯ মহামারীর জন্য
  2. মোহনবাগান ও এটিকে পরস্পর জুড়ে যাবার পর এএফসি কাপে অবতীর্ণ হয়েছিল।

পুরস্কার মূল্য[সম্পাদনা]

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত।
অবস্থান মূল্য
চ্যাম্পিয়ন ১ কোটি
১ম রানার্স-আপ ৬০ লাখ
২য় রানার্স-আপ ৪০ লাখ
৪র্থ ২৫ লাখ
ম্যাচ দিন ভর্তুকি ১ লাখ
ম্যাচ জয়ী ৫০ হাজার
ম্যাচ সেরা ২৫ হাজার

সফল প্রশিক্ষকগণ[সম্পাদনা]

প্রধান কোচ জয় বছর দল
ভারত আর্মান্দো কোলাকো ২০০৭–০৮, ২০০৯–১০, ২০১১–১২ ডেম্পো
ইংল্যান্ড অ্যাশলে ওয়েস্টউড ২০১৩–১৪, ২০১৫–১৬ বেঙ্গালুরু
ইতালি ভিনসেঞ্জো অ্যালবার্টো অ্যানেস ২০২০−২১, ২০২১–২২ গোকুলাম কেরালা
স্পেন কিবু ভিকুনা ২০১৯–২০ মোহনবাগান
সিঙ্গাপুর আকবর নওয়াস ২০১৮-১৯ চেন্নাই সিটি
ভারত খগেন সিং ২০১৮–১৮ মিনার্ভা পাঞ্জাব
ভারত খালিদ জামিল ২০১৬–১৭ আইজল
ভারত সঞ্জয় সেন ২০১৪–১৫ মোহনবাগান
ভারত মারিয়ানো দিয়াজ ২০১২–১৩ চার্চিল ব্রাদার্স
মরক্কো করিম বেঞ্চেরিফা ২০১০–১১ সালগাওকর
সার্বিয়া জোরান ডরডেভিচ ২০০৮–০৯ চার্চিল ব্রাদার্স

সর্বোচ্চ দর্শক সংখ্যা[সম্পাদনা]

অব. হোম দল ফলাফল অ্যাওয়ে দল দর্শক স্টেডিয়াম তারিখ
মোহনবাগান ১–০ ইস্টবেঙ্গল ৯০,০০০ সল্ট লেক স্টেডিয়াম ২০ নভেম্বর ২০১১
০–১ ৮০,০০০ ২৪ নভেম্বর ২০১৩
২–১ ৬৩,৭৫৬

১৯ জানুয়ারি ২০২০

১–১ ৬৩,৩৪২ ২৬ জানুয়ারি ২০১৬
১–০ ৫৭,৭৮০ ২৮ মার্চ ২০১৫

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "AFC on I-League" 
  2. "2015–16 Regulations"The All India Football Federation। ২১ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  3. Sharma, Amitabha Das (২১ এপ্রিল ২০২০)। "No relegation, no individual prize money in I-League 2019-20"Sportstar। The Hindu। ২৭ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২০ 
  4. "East Bengal's Golden Continental Run"Goalden Times। ৭ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৪ 
  5. "Kuwait SC prove too good for East Bengal in AFC Cup SF"Rediff। ১৭ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৪ 
  6. "Bengaluru FC first Indian club to reach AFC Cup final"The Times of IndiaPTI। ১৯ অক্টোবর ২০১৬। ২৩ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৬ 
  7. "Bengaluru FC set sight on AFC Champions League qualification"NDTV Sports। ১৬ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]