তেলেঙ্গানা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
| সংক্ষেপে | টিএফএ |
|---|---|
| গঠিত | ১৯৩৯ (হায়দ্রাবাদ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন হিসেবে) ১৯৫৯ (হায়দ্রাবাদ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ও অন্ধ্র ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এর সঙ্গে একীভূত হয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন গঠন) ২০১৪ (বিভক্ত হওয়ার পর তেলেঙ্গানা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন হিসেবে গঠন করা হয়েছিল) |
| সদরদপ্তর | হায়দ্রাবাদ |
যে অঞ্চলে কাজ করে | তেলেঙ্গানা, ভারত |
সদস্যপদ | ১৪টি জেলা অ্যাসোসিয়েশন |
সভাপতি | মোহাম্মদ আলী রাফাত |
সচিব | জি পি পালগুনা |
প্রধান প্রতিষ্ঠান | সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) |
তেলেঙ্গানা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (সংক্ষেপে টিএফএ) হল ৩৬টি ভারতীয় রাজ্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে একটি যা সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সাথে অনুমোদিত।[১] এটি তেলেঙ্গানা রাজ্যে ফুটবল পরিচালনা করে। এটি সন্তোষ ট্রফি এবং সিনিয়র মহিলা জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য রাজ্য দলগুলিকেও পাঠায়।
হায়দ্রাবাদ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
[সম্পাদনা]ক্রীড়া ফেডারেশন ১৯৩৯ সালে প্রথম সচিব সৈয়দ মোহাম্মদ হাদীর উদ্যোগে হায়দ্রাবাদ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন হিসাবে গঠিত হয়।[২] গোলাম মুহাম্মদ এইচএফএ-এর প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৪২ সালে হাদি সভাপতি হন এবং সৈয়দ আবদুল রহিম সম্পাদক হন।[৩]
১৯৫৯ সালে, তৎকালীন এআইএফএফ এর সহ-সভাপতি শিব কুমার লালের পৃষ্ঠপোষকতায়, অন্ধ্র ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং হায়দ্রাবাদ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলিকে একীভূত করে অন্ধ্রপ্রদেশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন গঠন করা হয়েছিল।[৪][৫]
পটভূমি
[সম্পাদনা]তেলেঙ্গানা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (টিএফএ) হল তেলঙ্গানা রাজ্যের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এটি হায়দ্রাবাদে অবস্থিত। বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ রাফাত আলী এবং সাধারণ সম্পাদক জিপি পালগুনা।
অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম নেতা ছিলেন নবাব সুজাত আহমেদ খান। ১৯৫৩ সালে তিনি প্রথমবার অন্ধ্রপ্রদেশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৭৮ থেকে ১৯৮২ সময়কালে তিনি সচিব ছিলেন এবং নিজাম গোল্ড কাপকে একটি সম্মানজনক এবং স্মরণীয় টুর্নামেন্টে পরিণত করেছিলেন।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Telangana Football Association"। www.the-aiff.com। ৫ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০২২।
- ↑ Adnan, Minhaj (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১)। "Hyderabad's Rainbow Man Hadi played multiple sports at national and international levels"। siasat.com। The Siasat Daily। ১ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২৩।
- ↑ Talnikar, Neil (১ নভেম্বর ২০১৯)। "Hyderabad Football: Retracing the city's rich legacy in the sport"। khelnow.com। ১ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২৩।
- ↑ Kausik Bandyopadhyay (২৯ নভেম্বর ২০২০)। Scoring Off the Field: Football Culture in Bengal, 1911–80। Taylor & Francis। আইএসবিএন ৯৭৮১০০০০৮৪০৫৪। ৭ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২৩।
- ↑ "Regionalism and club domination: Growth of rival centres of footballing excellence"। Taylor & Francis। ৬ আগস্ট ২০০৬: ২২৭–২৫৬। ডিওআই:10.1080/14660970500106410। ১ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২৩।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য)