কলকাতার দুর্গাপূজা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শারদীয়া দুর্গাপূজা
5456g baghbazar-pratima crp.jpg
অন্য নামঅকালবোধন, শারদোৎসব
পালনকারীবাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়
ধরনহিন্দু উৎসব
উদযাপনপাঁচ দিন। অধিকাংশ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কমপক্ষে চারদিন বন্ধ থাকে।
শুরুদুর্গাষষ্ঠী
সমাপ্তিবিজয়াদশমী
তারিখআশ্বিন শুক্লপক্ষ
সম্পর্কিতমহালয়া
কলকাতার দুর্গাপূজা - বাগবাজার সার্বজনীন দুর্গোৎসব
বাগবাজার সার্বজনীন দুর্গোৎসব ২০১৮.jpg
দেশভারত
ধরনঐতিহ্যবাহী, সাংস্কৃতিক ও শিল্পনৈপুণ্য
সূত্র০০৭০৩
অন্তর্ভূক্তির ইতিহাস
অন্তর্ভূক্তি২০২১ (ষোড়শ অধিবেশন)
তালিকাপ্রতিনিধিত্বমূলক
UNESCO logo English.svg

শারদীয়া দুর্গাপূজা পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার বাঙালিদের বৃহত্তম উৎসব। কলকাতা বাঙালি হিন্দুপ্রধান শহর হওয়ায় দুর্গাপূজাই কলকাতার বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব। বর্তমান কলকাতার সবচেয়ে পুরনো দুর্গাপূজাটি হয় বড়িশার সাবর্ণ রায়চৌধুরী বাড়িতে। কলকাতার দ্বিতীয় প্রাচীনতম দুর্গাপূজাটি হল শোভাবাজার রাজবাড়ির পূজা। বিংশ শতাব্দীতে কলকাতায় বারোয়ারি বা সর্বজনীন পূজা জনপ্রিয় হয়। কলকাতায় প্রায় ২০০০ সার্বজনীন পূজা হয়।[১] এছাড়া বিভিন্ন পুরনো বাড়িতেও দুর্গাপূজা হয়। দুর্গাপূজার সময় কলকাতা শহর আলোকমালায় সাজানো হয়। অধিকাংশ অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চার দিন বন্ধ থাকে। রাতে শহরবাসী বিভিন্ন মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন করতে ভিড় জমান। দুর্গাপূজার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে কলকাতা পুলিশকে বিশেষ টাস্কফোর্স নিয়োগ করতে হয়। কলকাতার দুর্গাপূজাকে পূর্ব গোলার্ধের রিও কার্নিভাল বলা হয়।[২]

দুর্গা প্রতিমা
বেলুড় মঠের দুর্গা প্রতিমা

কলকাতা তথা বাংলার প্রধান ও প্রাণের এই উৎসব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্থান করে নিয়েছে। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা- ইউনেস্কো বাঙালি হিন্দুদের এই উৎসবকে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তথা মানবতার জন্য আবহমান অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২০২১ খ্রিস্টাব্দের আবহমান বিশ্ব সংস্কৃতি রক্ষা সংক্রান্ত ইউনেস্কোর আন্তঃসরকারি কমিটির ষোড়শ সম্মেলনে (১৫ই ডিসেম্বর) কলকাতার দুর্গাপূজা তালিকাভুক্তির স্বীকৃতি লাভ করে।[৩][৪]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৬১০ সাল থেকে সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবার বড়িশায় তাদের আদি বাসভবনে দুর্গাপূজার আয়োজন করে আসছেন। এটিই সম্ভবত কলকাতার প্রাচীনতম দুর্গোৎসব। বর্তমানে এই পরিবারের সাত শরিকের বাড়িতে সাতটি দুর্গাপূজা হয়। এগুলির মধ্যে ছয়টি বড়িশায় ও একটি বিরাটিতে[৫][৬] ১৭৫৭ সালে শোভাবাজার রাজবাড়িতে নবকৃষ্ণ দেব দুর্গাপূজা শুরু করেন। তার নির্দেশিত পথেই দুর্গাপূজা পরবর্তীকালে কলকাতার ধনিক বাবু সম্প্রদায়ের মর্যাদার প্রতীক হয়ে ওঠে। শাস্ত্রাচার এই সব পূজায় গৌণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। যে পূজায় যত বেশি সংখ্যক আমন্ত্রিত ইংরেজ অতিথি উপস্থিত হতেন, সেই পূজার মর্যাদা ততই বাড়ত। দেবীপ্রতিমার সম্মুখেই মুসলমান বাইজি নাচের আসর বসত। ইংরেজরা এসে নাচগান করতেন, তাদের জন্য উইলসন হোটেল থেকে গোরু ও শূকরের মাংস আনানো হত এবং মদ্যপানের আসরও বসত।[৭] রানি রাসমণি এই প্রথার বিরুদ্ধে গিয়ে শুদ্ধাচারে তার জানবাজারের বাড়িতে দুর্গাপূজা শুরু করেন। তিনি ইংরেজ অতিথিদের চিত্তবিনোদনের বদলে তার দেশীয় প্রজাদের বিনোদনের জন্য পূজা উপলক্ষে যাত্রানুষ্ঠানের আয়োজন করতেন। ১৮৬১ সালে তার মৃত্যুর পর রানির জামাতাগণ নিজ নিজ বাসভবনে রানির প্রদর্শিত পথেই দুর্গাপূজার আয়োজন করতে থাকেন।[৮] কলকাতায় আরো অনেক বাড়িতে এই ভাবে দুর্গাপূজা শুরু হয়।

বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে কলকাতায় বারোয়ারি দুর্গাপূজার সূচনা ঘটে। ১৯১০ সালে ভবানীপুরের বলরাম বসু ঘাট রোডে ভবানীপুর সনাতন ধর্মোৎসাহিনী সভার পক্ষ থেকে বারোয়ারি দুর্গাপূজা আয়োজিত হয়। এই পূজাটি আজও হয়ে আসছে। এরপর ১৯১১ সালে শ্যামপুকুর আদি সর্বজনীন,[৯] ১৯১৩ সালে শ্যামবাজারের শিকদারবাগান, ১৯১৯ সালে নেবুবাগান অর্থাৎ বর্তমান বাগবাজার সর্বজনীন এবং ১৯২৬ সালে সিমলা ব্যায়াম সমিতির বারোয়ারি দুর্গাপূজা শুরু হয়।[১০] ২০০৮ সালের হিসাব অনুসারে, কলকাতায় দুই হাজারেরও বেশি বারোয়ারি পূজা অনুষ্ঠিত হয়।[১১]

বড়িশা ক্লাব

১৯৮৫ সাল থেকে এশিয়ান পেইন্টস কর্তৃপক্ষ কলকাতার দুর্গাপূজা কমিটিগুলিকে পুরস্কৃত করার প্রথা চালু করেন। এই পুরস্কারটিকে এশিয়ান পেইন্টস শারদ সম্মান বলা হয়। পরে আরও অনেক বাণিজ্যিক সংস্থা "শারদ সম্মান" বা দুর্গাপূজা পুরস্কার চালু করে।[১২][১৩][১৪]

কুমারটুলি[সম্পাদনা]

কুমারটুলির স্টুডিওতে কর্মরত শিল্পী

উত্তর কলকাতার কুমারটুলি এলাকায় কলকাতার অধিকাংশ দুর্গাপ্রতিমা তৈরি হয়। কলকাতায় দুর্গাপ্রতিমা নির্মাণ ও দুর্গাপূজার প্রস্তুতির সঙ্গে কুমারটুলি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। কুমারটুলির শিল্পীদের দুর্গাপ্রতিমার বিশেষ খ্যাতি রয়েছে। বর্তমানকালে কুমারটুলির দুর্গাপ্রতিমা আমেরিকা, ইউরোপআফ্রিকায় প্রবাসী বাঙালিদের কাছে সরবরাহ করা হয়। ১৯৮৯ সালে প্রথম অমরনাথ ঘোষের তৈরি করা শোলার দুর্গাপ্রতিমা সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়ানাইজেরিয়ায় পাঠানো হয়। মাত্র তিন কিলোগ্রামের এই প্রতিমাগুলি বিমানযোগে প্রেরণের ক্ষেত্রে আদর্শ ছিল।[১৫] ২০০৬ সালে কুমারটুলি থেকে ১২,৩০০টি দুর্গাপ্রতিমা সরবরাহ করা হয়। প্রতি বছর বিশ্বের ৯৩টি রাষ্ট্রে কলকাতার এই পটুয়াপাড়া থেকে প্রতিমা প্রেরণ করা হয়ে থাকে। এই সংখ্যা বর্তমানে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। [১৬]

যদিও কুমারটুলির প্রতিমাশিল্পীরা অনেকেই দারিদ্র্যের মধ্যে দিনযাপন করেন। কুমারটুলির প্রতিমাশিল্পীদের মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় হলেন মোহনবাঁশী রুদ্রপাল ও তার দুই পুত্র সনাতন রুদ্রপাল ও প্রদীপ রুদ্রপাল, রাখাল পাল, গণেশ পাল, অলোক সেন, কার্তিক পাল, কেনা পাল প্রমুখ। বর্তমান যুগে ‘থিম শিল্পী’দের রমরমা সত্ত্বেও সনাতন প্রতিমার গুণগ্রাহী আজও কুমারটুলির মৃৎশিল্পীদের দিয়ে প্রতিমা নির্মাণ করান। পুরুষদের পাশাপাশি কুমারটুলিতে প্রায় ৩০ জন মহিলা প্রতিমাশিল্পী রয়েছেন। এঁদের মধ্যে মিনতি পাল, সোমা পাল, কাঞ্চী পাল ও চম্পারাণী পাল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এঁরা দীর্ঘকাল ধরে প্রতিমানির্মাণ শিল্পের সঙ্গে জড়িত।[১৭] কুমারটুলি অঞ্চলের নিজস্ব সর্বজনীন দুর্গাপূজার সূচনা হয় ১৯৩৩ সালে। সেযুগের বিশিষ্ট প্রতিমাশিল্পী গোপেশ্বর পাল ছিলেন কুমারটুলি সর্বজনীনের প্রতিমার নির্মাতা।[১৫] তিনিই সর্বজনীন দুর্গা প্রতিমায় বিবর্তন আনেন। পূর্বে সর্বজনীন দুর্গাপূজার প্রারম্ভিক একচালার (একই চালচিত্রের নিচে দুর্গা ও তাঁর পুত্রকন্যাদের মূর্তি গড়ার) প্রথাকে পরিবর্তন করে তিনিই প্রথম মূর্তিগুলিকে পৃথক পৃথক করে গড়া ও পাঁচ চালায় স্থাপন করা শুরু করেন।[১৮][১৯]

ইউনেস্কোর আবহমান অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি[সম্পাদনা]

দুর্গোৎসব বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। কেবল হিন্দু নয়, বাংলার সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বয়ে চলে আনন্দোৎসবের প্লাবন। এই উৎসব উদযাপনে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ সামিল হন। আবেগেই সমস্ত মানুষ মিলিত হন। আর সেই মিলনে বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সেরা দিকগুলি আলোকিত হয়। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতার দুর্গোৎসব তথা শারদোৎসবের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে উদ্যোগী হয়পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন (নমিনেশন নম্বর ০০৭০৩) গিয়েছিল জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা - ইউনেস্কার দপ্তরে। সেই আবেদনের মূল্যায়ন করেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা প্যারিসে, ১৩ই ডিসেম্বর শুরু হওয়া ষোড়শ অধিবেশনে। তাদের বিচারেই ১৫ই ডিসেম্বর 'হেরিটেজ' তকমা পায় কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গের সেরা প্রাণের উৎসব।[২০][২১]

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য এই যে, বিশ্বমানের এই স্বীকৃতি আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল আগেই। ২০১৮-১৯ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক শিল্প-ঐতিহাসিক তথা সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সের অধিকর্তা তপতী গুহ-ঠাকুরতাকে কলকাতার দুর্গাপূজাকে নিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রকের ডসিয়ার প্রস্তুত করার দায়িত্ব দেয় এবং তিনি ভারত সরকারের পক্ষে সেটি তৈরি করেছিলেন। [২২][২৩]

উল্লেখযোগ্য সর্বজনীন পূজার তালিকা[সম্পাদনা]

কলকাতার দুই হাজারেরও বেশি সর্বজনীন পূজাসমিতিগুলির মধ্যে থেকে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সর্বজনীন পূজার নামের তালিকা নিচে দেওয়া হল।

উত্তর কলকাতা[সম্পাদনা]

  • দর্পনারায়ণ ঠাকুর স্ট্রিট পল্লি সমিতি
  • পাথুরিয়াঘাটা ৫-এর পল্লি
  • হাটখোলা গোঁসাইপাড়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • মানিকতলা চালতাবাগান লোহাপট্টি সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • আহিরিটোলা বি কে পাল পার্ক সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • বাগবাজার সর্বজনীন
  • আহিরিটোলা শীতলাতলা সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • কুমোরটুলি পার্ক সর্বজনীন
  • কুমোরটুলি সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • শোভাবাজার বেনিয়াটোলা সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি
  • নিমতলা সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • হাতিবাগান নলিন সরকার স্ট্রিট সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • হাতিবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • হাতিবাগান নবীন পল্লি সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • মানিকতলা হরীতকীবাগান দুর্গোৎসব
  • গৌরীবাড়ি সর্বজনীন
  • ১ নং ওয়ার্ড সাধারণ দুর্গোৎসব (জগৎ মুখার্জি পার্ক)
  • সিমলা ব্যায়াম সমিতি
  • সিমলা বিবেকানন্দ স্পোর্টিং
  • রবীন্দ্রকানন
  • লেকভিউ পার্ক সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি
  • সিঁথি সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • বাঙালি সংঘ
  • নবজীবন যুবক সংঘ
  • উত্তর বরাহনগর সর্বজনীন শ্রীশ্রীমাতৃপূজা সমিতি
  • টালা বারোয়ারি

পূর্ব কলকাতা ও বিধাননগর (সল্টলেক)[সম্পাদনা]

  • তেলেঙ্গাবাগান
  • করবাগান
  • শুড়ির বাগান
  • উল্টোডাঙা বিধানসংঘ
  • মিতালি, কাঁকুড়গাছি
  • আবাসিকবৃন্দ, কাঁকুড়গাছি
  • শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব
  • লেকটাউন অধিবাসীবৃন্দ
  • নতুন পল্লি প্রদীপ সংঘ
  • আমরা সবাই, ১ নং পল্লিশ্রী কলোনি, লেকটাউন
  • পাতিপুকুর রেলওয়ে কোয়ার্টার্স ও দিঘিরপাড় অধিবাসীবৃন্দ
  • লেকটাউন নেতাজি স্পোর্টিং
  • জপুর ব্যায়াম সমিতি, কালিন্দী
  • ১৪-এর পল্লি সর্বজনীন, দমদম রোড
  • তরুণ সংঘ, দমদম পার্ক
  • দমদম পার্ক, ভারতচক্র
  • দমদম পার্ক যুবকবৃন্দ
  • দমদম তরুণ দল
  • লাবণী এস্টেট
  • এফডি ব্লক, সল্টলেক
  • বিকে ব্লক, সল্টলেক
  • এইচবি ব্লক, সল্টলেক
  • এজে ব্লক সর্বজনীন, সল্টলেক
  • বিই (ইস্ট), সল্টলেক
  • আইএ ব্লক, সল্টলেক
  • ফোর আর দুর্গোৎসব কমিটি, সল্টলেক

মধ্য কলকাতা[সম্পাদনা]

  • শিয়ালদহ রেলওয়ে অ্যাথলেটিক ক্লাব
  • তালতলা যুব গোষ্ঠী
  • তালতলা সর্বজনীন শারদোৎসব কমিটি
  • ইন্টালি উদয়ন সংঘ
  • সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার
  • তালতলা ডাক্তার লেন
  • মহম্মদ আলি পার্ক
  • পার্কসার্কাস বেনিয়াপুকুর সংযুক্ত সর্বজনীন দুর্গাপূজা কমিটি
  • উদ্দীপনী
  • কলেজ স্কোয়ার সর্বজনীন
  • মধ্য কলকাতা সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • তালতলা সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • মোহন বৃন্দাবন
  • সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার (নেবুতলা পার্ক)

বেহালা[সম্পাদনা]

  • বেহালা ক্লাব
  • দেবদারু ফটক
  • মুকুল সংঘ
  • বড়িশা ক্লাব
  • আদর্শ পল্লি
  • আচার্য প্রফুল্ল সংঘ
  • বড়িশা যুবক বৃন্দ
  • ঐক্য সম্মিলনী
  • বেহালা ২৯ পল্লি
  • সাহাপুর মিতালি সংঘ
  • সবেদা বাগান
  • বড়িশা তরুণ তীর্থ
  • বেহালা প্রগতি সংঘ
  • বড়িশা উদয়ন পল্লি
  • বেহালা নূতন দল
  • ঘোলসাহাপুর ইয়ংস্টার

দক্ষিণ কলকাতা[সম্পাদনা]

  • সুরুচি সংঘ
  • সন্তোষপুর লেকপল্লী
  • হরিদেবপুর অজেয় সংহতি
  • ৬৬ পল্লি
  • বাদামতলা আষাঢ় সংঘ
  • বাবুবাগান
  • অবসারিকা
  • ভবানীপুর মুক্তদল
  • পদ্মপুকুর বারোয়ারি সমিতি
  • বালিগঞ্জ সমাজসেবী সংঘ
  • ত্রিকোণ পার্ক সর্বজনীন দুর্গোৎসব
  • শিব মন্দির
  • বোসপুকুর তালবাগান
  • খিদিরপুর ২৫ পল্লি
  • ৯৫ পল্লি
  • কালীঘাট সংঘশ্রী
  • ৬৪ পল্লি
  • হরিদেবপুর বিবেকানন্দ স্পোর্টিং
  • হরিদেবপুর ৪১ পল্লি
  • রাজডাঙা নব উদয় সংঘ
  • পল্লিমঙ্গল সমিতি
  • সেলিমপুর পল্লি
  • গড়িয়া মিতালি সংঘ
  • সংঘশ্রী ক্লাব
  • ২১ পল্লি
  • একডালিয়া এভারগ্রিন
  • নাকতলা ভ্রাতৃমিলন সংঘ
  • নাকতলা সম্মিলনী
  • চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন
  • মুদিয়ালি ক্লাব
  • বোসপুকুর শীতলা মন্দির
  • ত্রিধারা সম্মিলনী
  • যোধপুর পার্ক শারদীয়া উৎসব কমিটি
  • দেশপ্রিয় পার্ক সর্বজনীন
  • বালিগঞ্জ কালচারাল
  • সিংহী পার্ক
  • হিন্দুস্তান ক্লাব
  • বালিগঞ্জ পূর্বপল্লি
  • হিন্দুস্তান পার্ক
  • গড়িয়া বিধানপল্লি পূর্বপাড়া
  • নাকতলা উদয়ন সংঘ
  • আদি বালিগঞ্জ
  • ভবানীপুর বকুল বাগান
  • হরিদেবপুর আদর্শ সমিতি
  • ম্যাডক্স স্কোয়ার
  • সোদপুর প্রগতি সংঘ
  • চেতলা অগ্রণী
  • ভবানীপুর ২২ পল্লি
  • সূর্যনগর সর্বজনীন দুর্গাপূজা
  • পশ্চিম পুটিয়ারি পল্লি উন্নয়ন সমিতি

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Times Of India Blog"The Times Of India 
  2. "Article On Durga Puja"। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০১১ 
  3. "UNESCO - Durga Puja in Kolkata"ich.unesco.org (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১২-১৭ 
  4. ঘোষঠাকুর, দেবদূত। "Unesco Heritage Durga Puja: এ বার প্রকৃত অর্থেই বাংলার সর্বজনীন দুর্গাপুজো বিশ্বজনীন হয়ে উঠল"www.anandabazar.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১২-১৭ 
  5. Bangiya Sabarna Katha Kalishetra Kalikatah by Bhabani Roy Choudhury, (বাংলা), Manna Publication. আইএসবিএন ৮১-৮৭৬৪৮-৩৬-৮
  6. Sabarna Prithivi - website of the Sabarna Roy Choudhury family
  7. Jaya Chaliha and Bunny Gupta, Durga Puja in Calcutta in Calcutta The Living City Vol II, edited by Sukanta Chaudhuri, Oxford University Press, first published 1990, paperback edition 2005, pp 332-333. আইএসবিএন ০-১৯-৫৬৩৬৯৭-X
  8. Chaliha, Jaya and Gupta, Bunny, Durga Puja in Calcutta, in Calcutta, the Living City, Vol. II, edited by Sukanta Chaudhuri, first published 1990, 2005 edition, pp. 334-335, Oxford University Press, আইএসবিএন ০১৯ ৫৬৩৬৯৭ X.
  9. "Shyampukur Adi Sarbojanin Durgotsab"। Committee, 22, Ramdhan Mitra Lane, Kolkata 700004 by Soumendra Nath Thakur। ২০১১-০৭-১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১১-০১ 
  10. Kolkatar karcha – Sekaler Durga Puja, Ananda Bazar Patrika, (বাংলা), 15 October 2007
  11. Gandhi, Maneka। "Think Again:Crime and No Punishment"8th DayThe Statesman, 13 January 2008। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০১-১৩ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  12. "About Asian Paints Sharad Shamman"। ১০ অক্টোবর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১২ 
  13. Commercialization of Durga Puja awards
  14. Success for Asian Paints after the Sharad Shamman
  15. Chaliha, Jaya, and Gupta, Bunny, Durga Puja in Calcutta, p.336, Calcutta, the Living City, Vol II, edited by Sukanta Chaudhuri, 1990/2005, p.2, Oxford University Press, আইএসবিএন ০১৯ ৫৬৩৬৯৭ X.
  16. Home Chowdhury, Amlan। "Kumartuli, Potters Town"। littleindia.com। ২০০৭-০৯-৩০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৭-১৫ 
  17. Sahoo, Srilat Saha। "Durga Puja – the festival of peace and harmony"Press Release। Press Information Bureau, Government of India। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৭-১৫ 
  18. প্রতিমার বিবর্তন
  19. "একচালার দুর্গা ভাঙলেন শিল্পী গোপেশ্বর পাল"। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-০৯ 
  20. সংবাদদাতা, নিজস্ব। "Durga Puja: ইউনেস্কো-র হেরিটেজের তালিকায় স্থান পেল বাংলার শারদোৎসব"www.anandabazar.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১২-১৭ 
  21. Singh, Shiv Sahay (২০২১-১২-১৫)। "Durga Puja in Kolkata is now UNESCO Intangible Cultural Heritage"The Hindu (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১২-১৭ 
  22. Singh, Shiv Sahay (জানুয়ারি ১২, ২০১৯)। "I-T notices to Durga Pujas even as festival seeks UNESCO status" – www.thehindu.com-এর মাধ্যমে। 
  23. Singh, Shiv Sahay (২০২১-১২-১৫)। "Durga Puja in Kolkata is now UNESCO Intangible Cultural Heritage"The Hindu (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১২-১৭