মহম্মদপুর উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(মোহাম্মদপুর উপজেলা থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মোহম্মদপুর
উপজেলা
মোহম্মদপুর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
মোহম্মদপুর
মোহম্মদপুর
বাংলাদেশে মহম্মদপুর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°২৪′০.০০০″ উত্তর ৮৯°৩৩′৩৬.০০০″ পূর্ব / ২৩.৪০০০০০০০° উত্তর ৮৯.৫৬০০০০০০° পূর্ব / 23.40000000; 89.56000000স্থানাঙ্ক: ২৩°২৪′০.০০০″ উত্তর ৮৯°৩৩′৩৬.০০০″ পূর্ব / ২৩.৪০০০০০০০° উত্তর ৮৯.৫৬০০০০০০° পূর্ব / 23.40000000; 89.56000000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগখুলনা বিভাগ
জেলামাগুরা জেলা
আয়তন
 • মোট২৩৪.২৯ কিমি (৯০.৪৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০০১)[১]
 • মোট১,৮৮,৭৬০
 • জনঘনত্ব৮১০/কিমি (২১০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৪০ ৫৫ ৬৬
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

মহম্মদপুর উপজেলা বাংলাদেশের মাগুরা জেলার অন্তর্গত। মাগুরা জেলা সদর হতে মহম্মদপুর উপজেলার দূরত্ব ২৬কি:মি:।

অবস্থান[সম্পাদনা]

মহম্মদপুর উপজেলার উত্তর ও উত্তর পশ্চিমে ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলা, পূর্ব দক্ষিণে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলাআলফাডাঙ্গা উপজেলা, দক্ষিণে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলা, পশ্চিম দক্ষিণে মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলা এবং পশ্চিম ও পশ্চিমে মাগুরা সদর উপজেলা

নামকরণ[সম্পাদনা]

মহম্মদপুর উপজেলার নাম করণের বিষয়ে সুর্নিদিষ্ট তথ্য নেই। তবে মোঘল আমলে অত্র অঞ্চলের জমিদার ছিলেন রাজা সীতারাম রায়( জন্ম ১৬৫৮ খ্রিঃ) তিনি এক পর্যায়ে নিজেকে স্বাধীন রাজা হিসেবে ঘোষণা করেন এবং মোঘল বাদশা আওরঙ্গজেবের সময় রাজস্ব প্রদান বন্ধ করে দেন। স্থানীয় মুসলিম ফকির মাহমুদের নামানুসারে তার রাজধানীর পুরাতন নাম বাগজান এর স্থলে মহম্মদপুর নামকরণ করেন।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

নির্বাচনী এলাকা ৯২ মাগুরা-২ (জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা) ইউনিয়নের সংখ্যা ৮ টি।

মৌজার সংখ্যা ১৩১ টি

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

উল্লেখযোগ্য স্থান/ স্থাপনা[সম্পাদনা]

রাজা সীতারাম রায়ের রাজধানীর পুরাকীর্তি[সম্পাদনা]

  • মহম্মদপুর দুর্গ
  • রাজ প্রাসাদ (ভগ্নাংশ)
  • বিলাস গৃহ (অস্তিত্ব নেই)
  • কোষাগার(অস্তিত্ব নেই)
  • মালখানা (অস্তিত্ব নেই)
  • তোষা খানা(অস্তিত্ব নেই)
  • নহবত খানা(অস্তিত্ব নেই)
  • গোলাঘর (অস্তিত্ব নেই)
  • কারাগার (অস্তিত্ব নেই)
  • দশ ভূজা মন্দির ( আছে)
  • লক্ষী নারায়ণ মন্দির (আছে)
  • জোড়া বাংলা কৃষ্ণ মন্দির ( আছে )
  • শিব মন্দির (অস্তিত্ব নেই)
  • দোল মঞ্চ (অস্তিত্ব নেই)
  • পঞ্চরত্ন মন্দির (অস্তিত্ব নেই)

জলাশয়[সম্পাদনা]

  • রামসাগর।
  • কৃষ্ণসাগর।
  • সুখ সাগর।
  • পদ্ম পুকুর।

ঐতিহ্য[সম্পাদনা]

  • ১৬ই মাঘ, বাবুখালী ঐতিহ্যবাহী মেলা, বাবুখালী, মহম্মদপুর, মাগুরা।
  • ২৮শে পৌষ মেলা, বড়রিয়া,মহম্মদপুর,মাগুরা।
  • নদীয়া চাঁদের ঘাট, মহম্মদপুর মধুমতি নদী, ধুপুড়িয়া, মহম্মদপুর, মাগুরা।
  • রাজা সিতারাম রায়ের কাঁচারী বাড়ি, মহম্মদপুর, মাগুরা।
  • ঘুল্লিয়ার বট গাছ, বিনোদপুর, মহম্মদপুর, মাগুরা

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

প্রাচীনকাল থেকেই মহম্মদপুর উপজেলা জনেগাষ্ঠী ক্রীড়ামোদী। এখানে প্রতিবছরই বিভিন্ন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। এখানকার জনপ্রিয় খেলার মধ্যে বর্তমানে হাডুডু, ক্রিকেট ও ফুটবলের আধিপত্য দেখা গেলেও অন্যান্য খেলাও পিছিয়ে নেই। মহম্মদপুর বেশ কয়েকটি খেলার মাঠ রয়েছে। এর মধ্যে মহমদপুর কলেজ মাঠ এবং আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউট ক্রিড়া মাঠ-শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। প্রতি বছর এ স্টেডিয়ামে নিম্নলিখিত ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ঃ

জেলাধীন উপজেলার পরিষদের বীরপ্রতীক গোলাম ইয়াকুব মার্কেটের সামনে উপজেলা যুব ক্রিড়া সংস্থা অফিস অবস্থিত। উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন ক্রীড়া, যেমন: ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, হা-ডু-ডু, সাতার, দাবা, ক্রাম বোর্ড সহ নানা খেলাধূলার আয়োজন করা হয়। যা মানুষের চিত্ত বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম।

প্রাকৃতিক সম্পদ[সম্পাদনা]

মহম্মদপুর উপজেলা প্রাকৃতিক সম্পদে তেমন সমৃদ্ধ নয়। এখানে বালু ছাড়া আর তেমন কোন প্রাকৃতিক সম্পদ পাওয়া যায় না।

নদ-নদী[সম্পাদনা]

মহম্মদপুর উপজেলায় অনেকগুলো নদী রয়েছে। নদীগুলো হচ্ছে গড়াই নদী, মধুমতি নদীনবগঙ্গা নদী[২][৩]

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

মাগুরা জেলা সদর হতে মহম্মদপুর উপজেলার দুরত্ব ২৬কি:মি:। মাগুরা হতে সরাসরি বাস যোগে মহম্মদপুর উপজেলায় আসা যায়।তাছাড়া ভ্যান,টেম্পু এবং ইজিবাইক যোগে এখানে আসা এবং যাওয়া যায়।

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে মহম্মদপুর উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১৮ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারী ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৩৮৯, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃষ্ঠা ৬১২। আইএসবিএন 984-70120-0436-4