রোমেলু লুকাকু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
রোমেলু লুকাকু
Romelu Lukaku 27 September 2017 cropped.jpg
২০১৭ সালে লুকাকু ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-এর হয়ে খেলছেন।
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম রোমেলু মেনামা লুকাকু বলিনগোলি[১]
জন্ম (১৯৯৩-০৫-১৩) ১৩ মে ১৯৯৩ (বয়স ২৪)[২]
জন্ম স্থান অনটেয়ার্প, বেলজিয়াম
উচ্চতা ১.৯০ মি (৬ ফু ৩ ইঞ্চি)[৩]
মাঠে অবস্থান স্ট্রাইকার
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
জার্সি নম্বর
যুব পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন
১৯৯৯–২০০৩ রুপেল বুম
২০০৩–২০০৪ কেএফসি উইন্টাম
২০০৪–২০০৬ লিয়ার্সে
২০০৬–২০০৯ এন্ডারলেচট
জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন*
বছর দল উপস্থিতি (গোল)
২০০৯–২০১১ এন্ডারলেচট ৭৩ (৩৩)
২০১২–২০১৪ চেলসি ১০ (০)
২০১২–২০১৩ ওয়েস্ট ব্রমউইচ আলবিয়ন (ধারে) ৩৫ (১৭)
২০১৩–২০১৪ এভারটন (ধারে) ৩১ (১৫)
২০১৪-২০১৭ এভারটন ১১০ (৫৩)
২০১৭– ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ২৩ (১১)
জাতীয় দল
২০০৮ বেলজিয়াম অনুর্ধ ১৫ (১)
২০১১ বেলজিয়াম অনুর্ধ ১৮ (০)
২০০৯ বেলজিয়াম অনুর্ধ ২১ (১)
২০১০– বেলজিয়াম 65 (৩১)
  • পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে এবং ১৭:০০, ২০শে জানুয়ারী ২০১৮ (ইউটিসি) তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।

‡ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সংখ্যা এবং গোল ১৪ই নভেম্বর ২০১৭ তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

রোমেলু মেনামা লুকাকু বলিনগোলি (জন্ম ১৩ মে ১৯৯৩) একজন বেলজিয়ান পেশাদার ফুটবলার, যিনি একজন স্ট্রাইকার হিসেবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ-এর ক্লাব ম্যানটেস্টার ইউনাইটেড এবং বেলজিয়াম জাতীয় দল-এর হয়ে খেলে থাকেন। তিনি মাত্র পাচঁ জন খেলোয়াড়দের একজন, যারা তাদের ২৩তম জন্মদিনের আগে প্রিমিয়ার লিগে ৫০টি গোল করেছেন,[৪] এছাড়াও একই লিগে, নিজের ২৪তম জন্মদিনের আগে ৮০টি গোল করা খেলোয়াড়দের মধ্যে তিনি চতুর্থ তম (এবং প্রথম বিদেশী খেলোয়াড়)।[৫] একজন বেলজিয়ান আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে, তার ঝুলিতে বেলজিয়াম জাতীয় দলের হয়ে ৩১টি আন্তর্জাতিক গোল করার সর্বকালের সেরা রেকর্ডও রয়েছে। [N1][৬]

২০১৩ সালে লুকাকু (বামে) বেলজিয়াম জাতীয় দলের সাথে সারিবদ্ধ হয়ে দাড়াচ্ছেন।

লুকাকু তার খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন স্থানীয় বেলজিয়ান ক্লাব রুপেল বুম-এ খেলার মাধ্যমে, যেটি ছিল আরেক ক্লাব লাইয়ার্স-এ যোগ দেবার পূর্বে, যেখানে তিনি ২০০৬ সালে বেলজিয়ান প্রথম বিভাগীয় লিগ বেলজিয়াম প্রো লিগ-এর দল এন্ডারলেচট-এ যোগদান করার যোগ্যতা অর্জন করে নেন। লুকাকু মাত্র ১৬ বছর বয়সে, একজন পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে অভিষিক্ত হন, যখন তিনি মাত্র স্কুলে পড়াশোনা করতেন, এবং তিনি বেলজিয়ামে ২০০৯–১০ মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নির্বাচিত হন, যদিও তার তার দল "এন্ডারলেচট" বেলজিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ-এর শিরোপা জিতে নেয়। ২০১১ সালে তিনি বেলজিয়ান ইবোনি শু নামক বেলজিয়ান পুরষ্কার পান। ২০১১ সালে র গ্রীষ্মকালীন দলবদলের সময়ে, লুকাকু জনপ্রিয় ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল চেলসি-তে যোগ দেন। তবে সেখানে তাকে প্রথম সিজনে নিয়মিত মাঠে দেখা যায়নি, এছাড়াও তিনি এর পরবর্তী দুই সিজন সমূহ যথাক্রমে দুই ব্রিটিশ ক্লাব ওয়েস্ট ব্রুমউইচ আলবিয়ন এবং এভারটন-এ ধারে খেলে কাটিয়ে দেন, ২০১৪ সালে যেখানে তিনি স্থায়ীভাবে ২৮ মিলিয়ন পাউন্ডের ক্লাব রেকর্ড চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তিন বছর পর, লুকাকু আরেক জনপ্রিয় ব্রিটিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হন।

২০১৩ সালে লুকাকু চেলসি'র হয়ে অনুশীলন করছেন।
২০১৪ সালে লুকাকু এভারটন-এর হয় অনুশীলন করছেন।

২০১০ সালে, লুকাকু বেলজিয়ামের হয়ে তার জ্যেষ্ঠ আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় হিসেবে অভিষেক করেন, এবং তখন থেকে বর্তমান পযন্ত তিনি ৫০টিরও বেশি ম্যাচ খেলেছেন, এবং তিনি নিজ দেশের হয়ে ৩১টি গোল করে করে তাদের সর্বকালের সেরা রেকর্ডধারী গোলদাতা। তিনি ২০১৪ ব্রাজিলে অনুষ্ঠেও ২০১৪ বিশ্বকাপ এবং ২০১৬ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠেও ইউরো ২০১৬-এ তার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

২০১৫ সালে লুকাকু এভারটনের হয়ে খেলছেন

ক্লাব কর্মজীবন[সম্পাদনা]

প্রাথমিক খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

লুকাকু তার স্থানীয় ফুটবল দল রুপেল বুম-এ মাত্র পাচঁ বছর বয়সে যোগদান করেন। রুপেল বুমে চারটি সিজন অতিবাহিত করার পর, তাকে বেলজিয়ামের প্রথম বিভাগীয় লিগ বেলজিয়ান প্রো লিগ এর ক্লাব লিয়ার্সে'র (তাদের একটি প্রতিষ্ঠিত যুব একডেমী রয়েছে) খেলোয়াড় অনুসন্ধানকারীরা আবিষ্কার করেন। তিনি লিয়ার্সের হয়ে ২০০৪ সাল থেকে ২০০৬ পযন্ত খেলেন, যেখানে তিনি মাত্র ৬৮ টি মম্যা খেলে ১২১টি গোল করেন।[৭] লিয়ার্সকে বেলজিয়ান প্রো লিগ থেকে নিস্ন লিগে নামিয়ে দেবার পর, আরেক বেলজিয়ান ক্লাব, এন্ডারলেচট, ২০০৬ সালের মাঝ সিজনে লিয়ার্সে থেকে ১৩ জন কিশোর খেলোয়াড়কে কিনে নেয়, যাদের মধ্যে লুকাকুও অন্যতম ছিল। তিনি এন্ডারলেচট এ একজন কিশোর খেলোয়াড় হিসেবে আরো তিন বছর খেলেন, সেখানে তিনি ৯৩টি ম্যাচ খেলে ১৩১টি গোল করেন।

২০১২ সালে লুকাকু ওয়েস্ট ব্রমউইচ আলবিয়ন-এর হয়ে খেলছেন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

লুকাকুর জন্ম, বেলজিয়ামের এনটর্প প্রদেশের রাজধানী এনটর্প শহরে,[৮] এটি বেলজিয়ামের উদীচীন দিকস্থ অঞ্চলে অবস্থিত শহর, এক কঙ্গোলিস (কঙ্গোর অধিবাসী) দম্পতির পরিবারে।[৯] তার পিতা, রজার লুকাকু,[১০] পেশাদার ফুটবল খেলেছেন এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানে জায়রে দ্বারা (কঙ্গো জাতীয় ফুটবল দল) অভিষিক্ত হন। [১১] তার জর্ডান লুকাকু নামক একজন ছোট ভাই রয়েছে, যিনি বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেল্‌স-এর আন্দারলেচট পৌসভায় অবস্থিত একটি কিশোর একাডেমীতে খেলার মাধ্যমে অগ্রগতি লাভ করেছেন[১০] এবং বর্তমানে তিনি ইটালীয় ক্লাব লাজিও-এর হয়ে খেলছেন।[১২] তার চাচাতো ভাই বোলি বলিনগোলি-এমবোমো অস্ট্রীয় ক্লাব রাপিড ভিন স্পোর্টক্লাবের হয়ে খেলেন।[১৩]

খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

ক্লাব[সম্পাদনা]

২০শে জানুয়ারী ২০১৮ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত।
ক্লাব অনুযায়ী উপস্থিতি এবং গোল, সিজন এবং প্রতিযোগিতা
ক্লাব সিজন লিগ জাতীয় কাপ সমূহে উপস্থিতি[ক] লিগ কাপ ইউরোপ অন্যান্য সর্বমোট
বিভাগ উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি Goals উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল
এন্ডারলেচট ২০০৮–০৯[১৪] বেলজিয়ান প্রথম বিভাগ
২০০৯–১০[১৪] Belgian Pro League ৩৩ ১৫ ১১[খ] ৪৫ ১৯
২০১০–১১[১৪] বেলজিয়ান প্রো লিগ ৩৭ ১৬ ১১[গ] 4 ৫০ ২০
২০১১–১২[১৪] বেলজিয়ান প্রো লিগ
সর্বমোট ৭৩ ৩৩ ২২ ৯৮ ৪১
চেলসি ২০১১–১২[১৫] প্রিমিয়ার লিগ ১২
২০১৩–১৪[১৬] প্রিমিয়ার লিগ [ঘ]
সর্বমোট ১০ ১৫
ওয়েস্ট ব্রমউইচ আলবিয়ন (ধারে) ২০১২–১৩[১৭] প্রিমিয়ার লিগ ৩৫ ১৭ ৩৮ ১৭
এভারটন (ধারে) 2013–14[১৬] প্রিমিয়ার লিগ ৩১ ১৫ ৩৩ ১৬
এভারটন ২০১৪–১৫[১৮] প্রিমিয়ার লিগ ৩৬ ১০ [ঙ] ৪৮ ২০
২০১৫–১৬[১৯] প্রিমিয়ার লিগ ৩৭ ১৮ ৪৬ ২৫
২০১৬–১৭[২০] প্রিমিয়ার লিগ ৩৭ ২৫ ৩৯ ২৬
সর্বমোট ১৪১ ৬৮ ১৬৬ ৮৭
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ২০১৭–১৮[২১] প্রিমিয়ার লিগ ২৩ ১১ [চ] [ঘ] ৩৩ ১৭
খেলোয়াড়ী জীবনে সর্বমোট ২৮২ 1২৯ ১৪ ১৫ ৩৭ ২০ ৩৫০ 1৬২

আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

১৪ই নভেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত।[২২][২৩]
জাতীয় দলে উপস্থিতি অনুযায়ী গোল।এবং সাল
জাতীয় দল সাল উপস্থিতি গোল
বেলজিয়াম[N2] ২০১০
২০১১
২০১২
২০১৪
২০১৪ ১১
২০১৫
২০১৬ ১৪ ১১
২০১৭
সর্বমোট ৬৫ ৩১

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Lukaku: Romelu Menama Lukaku Bolingoli"। BDFutbol। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  2. টেমপ্লেট:Hugman
  3. "Romelu Lukaku: Overview"। Premier League। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  4. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; becomes নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  5. Hafeez, Shamoon (১৯ মার্চ ২০১৭)। "Premier League statistics: Arsenal, Mahrez, Vardy, Lukaku, Deeney"। BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০১৭ 
  6. "Duivels winnen geen zieltjes met krappe oefenzege, Lukaku topschutter aller tijden"m.live.sporza.be 
  7. "The Full Interview: Teenage Sensation Reveals All About His Life, Loves And His Footballing 'Gift From God'"। Goal.com। ১৭ জানুয়ারি ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০১১ 
  8. "Romelu Lukaku"ESPN Soccernet। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১১ 
  9. "Christian Benteke beats Romelu Lukaku to D'Afrique Trophy"Mail Online। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৬ 
  10. Wilson, Jeremy (২৮ অক্টোবর ২০১০)। "Jose Mourinho and Real Madrid rival Chelsea for 'new Didier Drogba'"The Daily Telegraph। London। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১১ 
  11. "Menama Lukaku"FIFA। ৯ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১১ 
  12. CalcioNews24, Redazione (২১ জুলাই ২০১৬)। "Lazio, è arrivato Jordan Lukaku: ora visite e firma – Calcio News 24" 
  13. "Rapid verpflichtet Bolingoli-Mbombo von Brügge" (জার্মান ভাষায়)। স্কাই স্পোর্টস। ২২ জুন ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১৮ 
  14. "R. Lukaku"Soccerway। Perform Group। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০১৮ 
  15. টেমপ্লেট:Soccerbase season
  16. টেমপ্লেট:Soccerbase season
  17. টেমপ্লেট:Soccerbase season
  18. টেমপ্লেট:Soccerbase season
  19. টেমপ্লেট:Soccerbase season
  20. টেমপ্লেট:Soccerbase season
  21. টেমপ্লেট:Soccerbase season
  22. "Romelu Lukaku"। EU Football। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১৭ 
  23. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; goals নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


উদ্ধৃতি ত্রুটি: "lower-alpha" নামক গ্রুপের জন্য <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি, বা বন্ধকরণ </ref> দেয়া হয়নি