খুতবা

| ইসলাম |
|---|
| বিষয়ক ধারাবাহিক নিবন্ধের অংশ |
খুতবা বা খুৎবা (আরবি: خطبة, খুৎবাহ; ফার্সি: خطبه, খোত বে; তুর্কি: hutbe) হলো ইসলামি ঐতিহ্যের প্রধান আনুষ্ঠানিক গণ-উপদেশ। খুতবা প্রদানকারী ব্যক্তিকে খতিব বলা হয়।
সকল ইসলামি আইনশাস্ত্রের শিক্ষা অনুযায়ী, খুতবা নিয়মিতভাবে প্রদান করার বিধান রয়েছে। সাধারণত সাপ্তাহিক জুমার নামাজে এই প্রথাটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা হয়। এছাড়াও, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতো উৎসবের দিনগুলোতে এবং সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণের নামাজের পর, এবং বৃষ্টির জন্য প্রার্থনার (সালাতুল ইসতিসকা) পরেও খুতবা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।
সাধারণত খুতবা আরবি ভাষায় প্রদান করা হয়, তবে অনেক স্থানে স্থানীয় ভাষাতেও খুতবা দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে, শাসকের সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে খুতবায় তার নাম উল্লেখ করা হতো।
উৎপত্তি ও সংজ্ঞা
[সম্পাদনা]ধর্মীয় বয়ান (খুতবা সহ) বিভিন্ন স্থানে এবং বিভিন্ন সময়ে প্রদান করা যেতে পারে। তবে, খুতবা বলতে বিশেষভাবে খুতবাতুল জুমআ বা জুমার খুতবাকে বোঝানো হয়, যা সাধারণত সাপ্তাহিক (শুক্রবার) এবং বাৎসরিক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মসজিদে প্রদান করা হয়। অন্যান্য ধর্মীয় বক্তৃতা বা উপদেশের অনুষ্ঠানকে দরস (পাঠ) বা ওয়াজ (উপদেশ) বলা হয় এবং সেগুলোর বিন্যাসও ভিন্ন হয়ে থাকে।[১]
ইসলামের নবী মুহাম্মদের অনুশীলন থেকেখুতবার উৎপত্তি হয়েছে। তিনি মদিনায় তার বাড়ির প্রাঙ্গণে অবস্থিত মসজিদে ইবাদতের জন্য সমবেত হওয়া মানুষের উদ্দেশে উপদেশ, নির্দেশনা বা আদেশমূলক বক্তব্য প্রদান করতেন।
মক্কা বিজয়ের পর, ৬৩০ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ শহরের সামনে নিজেকে একজন খতিব হিসেবে উপস্থাপন করেন। প্রথম চার খলিফা, উমাইয়া খলিফা এবং প্রাদেশিক গভর্নররা সকলেই খুতবা প্রদান করতেন। সেই খুতবাগুলো সবসময় উপদেশমূলক ছিল না, বরং তাতে সরকারের প্রায়োগিক বিষয়াবলী এবং কখনও কখনও সরাসরি আদেশও অন্তর্ভুক্ত থাকত। আব্বাসীয়দের অধীনে, খলিফা নিজে আর খুতবা দিতেন না, বরং এই দায়িত্ব ধর্মীয় বিচারকদের ওপর অর্পণ করতেন। আব্বাসীয়রা উমাইয়াদের ধর্মনিরপেক্ষতা থেকে ইসলামকে মুক্ত করার দাবি করত এবং সম্ভবত এই বিষয়টিই খুতবার ধর্মীয় দিকটিকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।[২]
প্রদানের পদ্ধতি
[সম্পাদনা]
নামাজ বা উপাসনা শুরুর পূর্বে আজান দেওয়া হয়, যে সময় খতিব (যিনি খুতবা প্রদান করেন) বসে থাকেন। খতিব যখন মিম্বর থেকে নামেন, তখন ইক্বামাহ্ দেওয়া হয়। খুতবা দুটি অংশে প্রদান করা হয়। উভয় অংশই খতিব দাঁড়িয়ে প্রদান করেন এবং দুটি অংশের মধ্যে বিরতির সময় তিনি বসে পড়েন। খুতবা প্রদানের সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো পাঠ করা বাধ্যতামূলক:[৩]
- তাহমিদ, অর্থাৎ আল্লাহর প্রশংসা এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ; সাধারণত খুতবার শুরুতে আলহামদুলিল্লাহ ("সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য") বলাই যথেষ্ট,[৪]
- সালাওয়াত, অর্থাৎ মুহাম্মদের ওপর শান্তি ও আশীর্বাদ প্রার্থনা,
- খুতবার প্রথম অংশে কুরআনের একটি অংশ তিলাওয়াত করা, অথবা কিছু মতানুসারে, উভয় অংশেই তিলাওয়াত করা,
- খুতবার উভয় অংশে আল্লাহভীরুতা বা তাকওয়ার উপদেশ দেওয়া,
- এবং সব বিশ্বাসীদের পক্ষ থেকে দোয়া (প্রার্থনা) করা।
তোমরা সালাতকে দীর্ঘায়িত করবে এবং খুতবাকে সংক্ষিপ্ত করবে।
খতিবকে অবশ্যই ইসলামি পবিত্রতা অবস্থায় থাকতে হবে; তার পোশাক অবশ্যই শরিয়তের বিধান অনুযায়ী হতে হবে। খতিবের জন্য একটি মিম্বর বা উঁচু স্থানে দাঁড়ানো, মুসল্লিদের দিকে ফিরে তাদের সালাম দেওয়া, মুয়াজ্জিন কর্তৃক আজান শেষ হওয়া পর্যন্ত বসে থাকা, এবং সরাসরি শ্রোতাদের দিকে মুখ করে কথা বলা প্রশংসনীয় কাজ। পরিশেষে, খতিবের উচিত খুতবা সংক্ষিপ্ত করা।[৩]
ঐতিহাসিকভাবে, খুতবা ধ্রুপদী আরবি ভাষায় প্রদান করা হতো। এই ভাষাগত দক্ষতার জন্য খতিবদের বিশেষ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হতো এবং এর ফলে বিখ্যাত ইবনে নুবাতার (মৃত্যু ৯৮৪) মতো ব্যক্তিদের লেখা আদর্শ খুতবার একটি সাহিত্যিক ধারা গড়ে ওঠে। সাহাবায়ে কেরাম, বিদেশী ভূমিতে হিজরত করার পরেও, সর্বদা খুতবা ধ্রুপদী আরবিতেই প্রদান করতেন, তবে খুতবার আগে স্থানীয় ভাষায় একটি দীর্ঘ বক্তৃতা দিতেন।[৬] সুন্নি ইসলামের চারটি স্বীকৃত মাযহাব অনুসারে, খুতবা সম্পূর্ণরূপে ধ্রুপদী আরবিতে প্রদান করা একটি অপরিহার্য শর্ত।[৭] তবে আধুনিক যুগে, সমসাময়িক এবং অ-ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় বৃত্তে, কিছু নির্দিষ্ট আরবি অভিব্যক্তি ঠিক রেখে স্থানীয় ভাষায় খুতবা প্রদান একটি সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে।[৮]
শুক্রবার
[সম্পাদনা]জুমার নামাজের বৈধতার অন্যতম শর্ত হলো নামাজের পূর্বে দুটি খুতবা প্রদান করা। এই খুতবাগুলো তখনই প্রদান করা হয় যখন জুমার নামাজের জন্য বৈধ সংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত থাকে। হাম্বলি এবং শাফিঈ মাযহাব অনুসারে, এর জন্য ন্যূনতম ৪০ জন মুসল্লি প্রয়োজন। হানাফি মাযহাব অনুসারে, ইমাম ব্যতীত মাত্র তিনজন মুসল্লি প্রয়োজন। অন্যদিকে, মালিকি মাযহাব অনুসারে, ইমাম ব্যতীত স্থানীয় ১২ জন মুসল্লির উপস্থিতি আবশ্যক। [৯]
ঐতিহ্যগতভাবে, ইসলামি আইনশাস্ত্রের ধ্রুপদী গ্রন্থগুলোর নির্দেশনা অনুযায়ী, খুতবাসহ জুমার নামাজ শুধুমাত্র শহরের কেন্দ্রগুলোতে এবং সাধারণত প্রতিটি শহরের একটি প্রধান মসজিদে সীমাবদ্ধ ছিল। এই ধরনের মসজিদকে মসজিদ জামি, অর্থাৎ, "জামে মসজিদ" (বা "প্রধান মসজিদ") বলা হতো। এই মসজিদগুলো তাদের কেন্দ্রীয় অবস্থান, বিশাল আয়তন, স্থাপত্যশৈলী এবং প্রতীকী আসবাবপত্রের দ্বারা স্বতন্ত্র ছিল, যা এর উচ্চ মর্যাদার পরিচায়ক ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক ছিল মিম্বর (খুতবা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত উঁচু বেদি)।[১]
আধুনিক যুগে, খুতবাসহ জুমার নামাজ কয়েকটি কেন্দ্রীয় স্থানে সীমাবদ্ধ না থেকে, প্রায় সব আকারের ও অবস্থার মসজিদেই প্রচলিত রয়েছে। এছাড়াও, সংবাদপত্র, রেডিও এবং টেলিভিশনের মাধ্যমেও খুতবা প্রচার করা হয়ে থাকে।[১]
বিশেষ অনুষ্ঠান
[সম্পাদনা]
বিশেষ অনুষ্ঠানগুলোর খুতবায় সাধারণত সেই উৎসব (যেমন ঈদ) বা প্রাকৃতিক ঘটনার (যেমন সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ) সাথে প্রাসঙ্গিক বিষয়াবলী অন্তর্ভুক্ত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, ঈদুল ফিতরের খুতবায় খতিবের দায়িত্ব হলো উপস্থিত মুসল্লিদের যাকাত বা দান সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া। ঈদুল আযহার খুতবায়, খতিব কুরবানির নিয়মকানুন উল্লেখ করেন।[১]
ঈদুল ফিতর-এর খুতবায় কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। খুতবার প্রথম অংশ অবশ্যই নয়টি তাকবির দিয়ে শুরু করতে হয় এবং দ্বিতীয় অংশ সাতটি তাকবির দিয়ে শুরু করতে হয়। এই খুতবা বসেও প্রদান করা যেতে পারে। সূর্যগ্রহণ বা তীব্র খরার সময় প্রদত্ত খুতবা সম্পর্কে ধ্রুপদী গ্রন্থগুলোতে উপদেশ দেওয়া হয়েছে যে, এই খুতবাগুলোতে অবশ্যই শ্রোতাদের নসিহত করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। সাধারণত, সূরা আত-তাহরিমের ৯ নম্বর আয়াত (কুরআন ৬৬:০৯) পাঠ করা হয় এবং "মুহাম্মদের দোয়া" নামক একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করা হয়।[৩]
শাসকের নাম
[সম্পাদনা]প্রাক-আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যে, খুতবায় শাসকের নাম উল্লেখ করা ছিল সার্বভৌমত্বের দুটি বিশেষ অধিকারের মধ্যে একটি (অন্যটি ছিল মুদ্রা তৈরির অধিকার)। খুতবায় কারো নাম উল্লেখ করার অর্থ ছিল সেই শাসকের সার্বভৌমত্ব ও আধিপত্যকে স্বীকার করে নেওয়া, এবং এটি একজন ইসলামি শাসকের সার্বভৌমত্বের প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হতো।[১০] খুতবা থেকে কোনো শাসকের নাম বাদ দেওয়া ছিল প্রকাশ্যে স্বাধীনতা ঘোষণার শামিল। সার্বভৌমত্বের এই বিশেষ অধিকারটি ইসলাম কর্তৃক প্রবর্তিত হয়েছিল; প্রাক-ইসলামি যুগে এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এছাড়াও, খুতবা যোগাযোগের একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করত, যার মাধ্যমে একজন শাসকের পদচ্যুতি, নতুন শাসকের সিংহাসনে আরোহণ, উত্তরাধিকারীর মনোনয়ন এবং যুদ্ধের শুরু ও সমাপ্তি ঘোষণা করা হতো।[১১]
মুঘল শাসনামলেও খুতবায় শাসকের নাম উল্লেখ করার প্রথা প্রচলিত ছিল; জুমার খুতবায় বাবরকে 'জহির-উদ-দিন বাবর মুহাম্মদ' হিসেবে উল্লেখ করা হতো।[১২] মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের প্রতিপক্ষ শের খান এই শর্তে বাংলার শাসনাধিকার নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন যে, সম্রাট মুদ্রা তৈরি এবং নিজের নামে খুতবা প্রচারের অধিকার রাখবেন, যার ফলে শের খান "সম্রাটের অধীনস্থ শাসক" হিসেবে থাকবেন।[১৩]
কিছু মুসলিম রাজতন্ত্র, যেমন ব্রুনাই এবং মালয়েশিয়া, এখনও তাদের রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত খুতবায় এই প্রথাটি পালন করে।[১৪][১৫]
আধুনিক রাষ্ট্রে খুতবা ও ইসলামি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
[সম্পাদনা]
তুরস্ক, সৌদি আরব এবং মিশরের মতো বেশ কিছু দেশে, সরকারের তত্ত্বাবধানে একটি কেন্দ্রীয় ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ রয়েছে, যা তাদের এখতিয়ারভুক্ত সমস্ত মসজিদে প্রতি সপ্তাহে একটি নির্দিষ্ট খুতবা পাঠের জন্য জারি করে। তুরস্কে এই খুতবাগুলো দিয়ানেত কর্তৃক প্রস্তুত করা হয়, এবং সৌদি আরবে এটি ইসলামি বিষয়ক মন্ত্রণালয় দ্বারা প্রস্তুত করা হয়। মিশরে ২০১৬ সালে একই ধরনের একীভূত খুতবা ব্যবস্থা চালু করা হয়।[১৬][১৭][১৮]
সম্পর্কিত ধারণা
[সম্পাদনা]আবু-আল-ফারাজ ইবনে জাওজি তার রু'উস আল-কাওয়ারির গ্রন্থে খুতবা নামক একটি অনুরূপ ধারণার কথা লিখেছেন। যদিও এর নাম প্রচলিত খুতবার মতোই, তবে এই ধারণাটি ছিল ভিন্ন। এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য উপদেশ, নির্দেশনা বা তিরস্কার করা ছিল না, বরং আল্লাহর মহিমা ও প্রশংসা করা ছিল। এটি অন্যদেরকে আল্লাহর ইবাদত করতে এবং তার মহত্ত্ব উদযাপন করতে আমন্ত্রণ জানাত। ইবনে জাওজি তার লেখায় বিভিন্ন রূপক ব্যবহার করতেন এবং প্রায়শই প্রকৃতির উল্লেখ করতেন।[১৯]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 "Khutba", Encyclopedia of Islam and the Muslim World
- ↑ "Khutba", Students' Britannica India, p.236
- 1 2 3 "Khutba", Encyclopaedia of Islam
- ↑ "Ḥamdala", Encyclopaedia of Islam
- ↑ Muslim, Ḏj̲umʿa, tr. 47, quoted in "Ḵh̲uṭba", Encyclopaedia of Islam
- ↑ Usmani, Taqi (২০০১)। Contemporary Fataawa। Idara-e-Islamiat। পৃ. ৩১।
- ↑ Mufti Muhammad Taqi Usmani. The Language of the Friday Khutab. Karachi, Pakistan. Access via archive.org
- ↑ p. 39. Aaliya Rajah-Carrim. 2010. "Mauritian Muslims: Negotiating Changing Identities Through Language." In Tope Omoniyi (Ed): The Sociology of Language and Religion (Change, Conflict, Accommodation), pp. 29-44. Palgrave Macmillan, Basingstoke.
- ↑ https://islamqa.org/hanafi/askimam/2217/what-is-the-source-for-minimum-number-of-people-required-to-pray-in-congregation-behind-the-imam-in-the-different-madhahib/
- ↑ Lakeland, Fatima Mernissi ; translated by Mary Jo (১৯৯৩)। The forgotten queens of Islam ([Nachdr.] সংস্করণ)। Minneapolis: University of Minnesota Press। পৃ. ৭১। আইএসবিএন ০-৮১৬৬-২৪৩৯-৯।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Lewis p. 82-5
- ↑ Tarikh-i-Rashidi: A History of the Moghuls of Central Asia। Elias and Denison Ross (ed. and trans.)। ১৯৭২ [1898]। আইএসবিএন ০-৭০০৭-০০২১-৮।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক)গুগল বইয়ে Full text - ↑ Sharma, S.R. (১৯৯৯)। Mughal empire in India : a systematic study including source material (Rev. সংস্করণ)। New Delhi: Atlantic Publishers and Distributors। আইএসবিএন ৮১-৭১৫৬-৮২০-৩।
- ↑ "Hentikan Segera Guna Nama Guan Eng Dalam Khutbah Jumaat" [জুমার খুতবায় অবিলম্বে গুয়ান এং-এর নাম ব্যবহার বন্ধ করুন]। mStar (মালয় ভাষায়)। ২০ আগস্ট ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯।
- ↑ "Sermon reader defends controversial prayer"। The Star Online। ২৪ আগস্ট ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯।
- ↑ Egypt's new plan: 1 weekly sermon for over 80 million Muslims http://www.al-monitor.com/pulse/originals/2016/07/egypt-unified-text-friday-sermon-criticism-mosques.html#ixzz4F2K6JT9k
- ↑ "Unified Friday sermon rings out across Egypt for first time"।
- ↑ https://www.middleeastmonitor.com/20230909-egypt-denies-artificial-intelligence-friday-khotba-claims [অনাবৃত ইউআরএল]
- ↑ Hovannisian, p. 41-3
গ্রন্থপঞ্জী
[সম্পাদনা]- Gaffney, Patrick D. "Khutba." Encyclopedia of Islam and the Muslim World. Edited by Martin, Richard C. Macmillan Reference, 2004. vol. 1 p. 394. 20 April 2008
- Hoiberg, Dale; Ramchandani, Indu. Student's Britannica India. Popular Prakashan, 2000.
- Hovannisian, Richard G; Sabagh, Georges. Religion and Culture in Medieval Islam. Cambridge University Press, 2000.
- Jones, Linda, Preaching and Sermons, in Muhammad in History, Thought, and Culture: An Encyclopedia of the Prophet of God (2 vols.), Edited by C. Fitzpatrick and A. Walker, Santa Barbara, ABC-CLIO, 2014, Vol. II, pp. 478–482. আইএসবিএন ১৬১০৬৯১৭৭৬
- Lewis, Bernard. From Babel to Dragomans: Interpreting the Middle East. Oxford University Press, 2004.
- Wensinck, A.J. Encyclopaedia of Islam. Edited by: P. Bearman, Th. Bianquis, C.E. Bosworth, E. van Donzel and W.P. Heinrichs. Brill, 2008. Brill Online. 20 April 2008
