আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
ErnestHemingway.jpg
হেমিংওয়ে, ১৯৩৯ সালে
জীবিকা লেখক
জাতীয়তা আমেরিকান
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার কথাসাহিত্যে পুলিৎজার পুরস্কার (১৯৫৩)
সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (১৯৫৪)
দাম্পত্যসঙ্গী এলিজাবেথ হেডলি রিচার্ডসন (১৯২১-১৯২৭)
পলিন ফেইফার (১৯২৭-১৯৪০)
মার্থা গেলহর্ন (১৯৪০-১৯৪৫)
মেরি ওয়েলশ হেমিংওয়ে (১৯৪৬-১৯৬১)
সন্তান জ্যাক হেমিংওয়ে (১৯২৩-২০০০)
প্যাট্রিক হেমিংওয়ে (১৯২৮–)
গ্রেগরি হেমিংওয়ে (১৯৩১-২০০১)

স্বাক্ষর


আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে (জুলাই ২১, ১৮৯৯ -জুলাই ২, ১৯৬১) ছিলেন মার্কিন সাহিত্যিক ও সাংবাদিক। বিশ শতকের ফিকশনের ভাষার ওপর তাঁর নির্মেদ ও নিরাবেগী ভাষার ভীষণ প্রভাব ছিল। তাঁর অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় ও জনপ্রিয় ইমেজও পরবর্তী প্রজন্মের ওপর ভীষন প্রভাব ফেলেছিল। বিশ শতকের বিশের দশকের মাঝামাঝি থেকে পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়ে তিনি তাঁর অধিকাংশ সাহিত্যকর্ম রচনা করেছিলেন এবং ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। তিনি সাতটি উপন্যাস, ছয়টি ছোট গল্প সংকলন এবং দুইটি নন-ফিকশন গ্রন্থ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পরে আরও তিনটি উপন্যাস, চারটি ছোট গল্প সংকলন এবং তিনটি নন-ফিকশন গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের অনেকগুলোই আমেরিকান সাহিত্যের চিরায়ত(ক্লাসিক) গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বাল্যকাল[সম্পাদনা]

আর্নেস্ট হেমিংওয়ে শিকাগোর ইলিনয়ের ওক পার্কে ১৮৯৯ সালের জুলাইয়ের ২১ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।[১] তাঁর বাব পেশায় চিকিৎসক এবং মা সঙ্গীতবিশারদ ছিলেন।[২] হেমিংওয়ের নাম তাঁর নানার নাম অণুযায়ীই রাখা হয়। যদিও পরবর্তীকালে হেমিংওয়ে এই নাম পছন্দ করেননি। কারন অস্কার ওয়াইল্ডের নাটক দি ইমপোর্টেন্স অব বিং আর্নেস্ট (The Importance of being Earnest) এর প্রধান চরিত্রের নাম ছিল আর্নেস্ট। যে ছিল সাদাসিধে, বোকাসোকা টাইপের।

হেমিংওয়ের মা প্রায়ই গ্রামে গ্রামে কনসার্ট করে বেড়াতেন। যখন হেমিংওয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক হল তখনই সে তাঁর মাকে ঘোষণা দিয়ে ঘৃণা করতে আরম্ভ করলেন। যদিও হেমিংওয়ের জীবনীকার মিশেল এস. রেয়নল্ড মনে করতেন হেমিংওয়ে তাঁর মায়ের শক্তি ও সাহসিকতার স্বভাব পেয়েছিলেন। হেমিংওয়ে তাঁর মায়ের পীড়াপীড়িতে সেলো বাজানো শিখতে শুরু করে এবং কিছু দিন পর এই বাজানোকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে সংঘাত বাধে। যদিও পরবর্তীকালে হেমিংওয়ে স্বীকার করেছিলেন যে, গান শেখার কারনেই তাঁর ‘ফর হোম দি বেল টলস’ বইটি লেখা সহজসাধ্য হয়েছে। তাদের গ্রীষ্মকালীন আবাস উইন্ডমেয়ারেই বালক হেমিংওয়ে শিকার, মাছ ধরা, ক্যাম্প করা শিখেছিলেন। তাঁর বাল্যকালের এই সব অভিজ্ঞতাই ধীরে ধীরে তাকে ঘরের বাইরে অ্যাডভেঞ্চারে অণুরক্ত করে তুলেছিল এবং দূরবর্তী-জনবিচ্ছিন্ন এলাকায় বসবাসে উদ্বুদ্ধ করেছিল।[৩]

১৯১৩ থেকে ১৯১৭ সাল পর্যন্ত, হেমিংওয়ে ওক পার্ক অ্যান্ড রিভার ফরেস্ট হাই স্কুলে গিয়েছিলেন এবং সেখানে নানা ধরনের খেলাধুলায় অংশ নিতেন। স্কুলেই হেমিংওয়ে একটি সাংবাদিকতার কোর্স পড়েছিলেন, যেখানে ক্লাসরুমের পরিবেশ ছিল সংবাদপত্র অফিসের মত। তিনি স্কুলের দেয়াল পত্রিকাতে লিখতেন। সেখানে সম্পাদনার কাজও করতেন। স্কুল পেরোনোর পর হেমিংওয়ে শিক্ষানবিশ সংবাদদাতা হিসেবে দি আরকানসাস সিটি স্টার পত্রিকায় কাজ শুরু করেন।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ[সম্পাদনা]

১৯১৮ সালের প্রথম দিকে হেমিংওয়ে কানসাস সিটিতে রেড ক্রসের নিয়োগ কার্যক্রমে সাড়া দেন এবং ইতালিতে অ্যাম্বুলেন্স চালক হিসেবে নিয়োগ পান।[৪] তিনি মে মাসে নিউ ইয়র্ক সিটি ছেড়ে যান এবং প্যারিস পৌছেঁ দেখেন শহরটি জার্মান গোলন্দাজ বাহিনী কর্তৃক বোমাবিধ্স্ত।[৫] জুনের মধ্যে তিনি ইতালির যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছে যান। মিলানে উপস্থিত হয়ে প্রথম দিনই তাকে একটি যুদ্ধোপকরণ কারখানার বিস্ফোরনস্থলে পাঠানো হয় যেখানে উদ্ধারকর্মীরা নারী শ্রমিকদের লাশের টুকরো টুকরো অংশ উদ্ধারের চেষ্টা করছিল। তিনি এই দুর্ঘটনার কথা তার ‘ডেথ ইন দি আফটারনুন’ বইতে বর্ণনা করেন : 'আমার মনে আছে আমরা গোটা মৃতদেহ খুঁজছিলাম কিন্তু পাচ্ছিলাম মৃতদেহের টুকরো টুকরো অংশ'।[৬]

৮ জুলাই যুদ্ধশিবিরের ক্যান্টিনে সিগারেট ও চকোলেট দিয়ে ফেরার সময় মর্টারের গুলিতে হেমিংওয়ে আহত হন। আহত অবস্থাতেই নিজের দিকে ভ্রূক্ষেপ না করে তিনি একজন ইতালিয়ান সৈনিককে বহন করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে চলেন। তাঁর এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পরবর্তীকালে তাকে ইতালিয়ান সিলভার মেডেল অব ব্রেভারি দেয়া হয়।[৭] যখন তার বয়স ১৮ তখন হেমিংওয়ে তাঁর দুর্ঘটনার ব্যাপারে বলতে গিয়ে উল্লেখ করেন,

যখন বালক হিসেবে যুদ্ধে যাও তখন অমরত্ব লাভের জন্য একটা মোহ কাজ করে। অন্য যোদ্ধারা মারা যাবে, আমি মরবো না... এমন মনোভাব থাকে। কিন্তু যখনি প্রথম বারের মত মারাত্মভাবে আহত হবে তখনই সেই মোহ কেটে যাবে এবং ভাবতে শুরু করবে, আমিও মরে যেতে পারি।

[৮]

দুর্ঘটনায়ে তার দুই পায়ে মর্টারের টুকরোগুলো ঢুকে যায়। জরুরি একটি অপারেশনের পর তাকে একটি ফিল্ড হসপিটালে পাঁচ দিন কাটাতে হয়।তারপর তাকে মিলানের রেড ক্রসের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তার পরিচয় এবং বন্ধুত্ব হয় ডোরম্যান স্মিথ (চিঙ্ক) এর সাথে। এই বন্ধুত্ব স্থায়ী হয়েছিল প্রায় এক দশকের মত। রেড ক্রসে থাকাকালীন সময়েই তিনি অ্যাগণেস ভন কুরোভস্কির(Agnes von Kurowsky) প্রেমে পড়েন, যিনি রেড ক্রসের একজন নার্স ছিলেন এবং বয়সে ছিলেন হেমিংওয়ের চেয়ে ৭ বছরের বড়। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে ১৯১৯ সালের জানুয়ারিতে হেমিংওয়ে আমেরিকা ফিরে যান। তারা কয়েক মাসের মধ্যে বিয়ে করার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু মার্চে অ্যাগণেস হেমিংওয়েকে চিঠি লিখে জানালেন,তিনি একজন ইতালীয় অফিসারকে বিয়ে করে ফেলেছেন। জীবনীকার জেফরি মেয়ারের মতে, হেমিংওয়ে এই ঘটনায়ে বিপর্যস্ত হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তার স্ত্রীদেরকে কোন সুযোগ না দিয়েই পরিত্যাগ করতে প্ররোচিত হয়েছিলেন।

টরেন্টো ও শিকাগো[সম্পাদনা]

কিছুদিন পর তিনি আবার ওক পার্কে(কানাডা) ফিরে আসেন। ১৯২০ সালে তিনি অন্টারিওর টরন্টোতে টরন্টো স্টার পত্রিকায়ে একাধারে ফ্রিল্যান্সার, স্টাফ রিপোর্টার ও বিদেশী সংবাদদাতা হিসেবে কাজ শুরু করেন।এই সময়ে তার পরিচয় হয় একই পত্রিকার সাংবাদিক কানাডার এক সাহিত্য বিস্ময় মরলে কালাঘানের সাথে।তিনি হেমিংওয়ের লেখনীর প্রশংসা করেন এবং তার নিজের কিছু লেখা তাকে দেখান।হেমিংওয়েও সেগুলোর প্রশংসা করেন।

১৯২১ সালে হেমিংওয়ে তার প্রথম স্ত্রী হ্যাডলি রিচার্ডসনকে বিয়ে করেন। অতঃপর তিনি কিছুদিন বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নেন।শেরউড অ্যান্ডারসেন এর পরামর্শে তারা মরলে কালাঘান ও এফ . স্কট ফিট্‌জেরাল্ড(যার সাথে তার প্রথম দেখা হয়েছিল পারিসের ডিঙ্গো বার এ)এর সাথে থাকতে শুরু করেন।১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল জেমস জয়েস এর ‘’ ইউলিসিস’’ যা আমেরিকা কর্তৃক নিষিদ্ধ করা হয়। হেমিংওয়ে তার টরন্টোর বন্ধুদের সাহায্যে গোপনে আমেরিকাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত বইটির কপি গুলো পাচার করতেন।১৯২৩ সালে প্যারিস থেকে প্রকাশিত হয় তার প্রথম স্বরচিত বই Three Stories and Ten Poems ,প্রকাশক ছিলেন রবার্ট ম্যাকেলমন ।একই বছর যখন তিনি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য টরন্টোতে ফিরে আসেন,সেই সময়ে জন্ম নেয় তার প্রথম সন্তান জন।পরিবারের পিছনে সময় দেয়ার জন্যে একপর্যায়ে তিনি পত্রিকার চাকরি ছেড়ে দেন।

উপন্যাসের জগৎে তাঁর প্রবেশ ঘটে In Our Time (১৯২৫) নামক ছোটগল্পের বই লিখে।Big Two-Hearted River কে এই সংকলনের শ্রেষ্ঠ ছোটগল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

প্যারিস[সম্পাদনা]

হেমিংওয়ে পরে প্যারিসে প্রত্যাবর্তন করেন।সেখানে অ্যান্ডারসেন তাকে পরিচয় করিয়ে দেন গারট্রুড স্তেইনের সাথে।এই ভদ্রমহিলাই পরে হেমিংওয়ের গুরু(Mentor) হয়ে ওঠেন এবং তাকে ‘’প্যারিসের গণজাগরণ’’ এর সাথে একাত্ম করে তোলেন। হেমিংওয়ের প্রভাবিত হয়েছিলেন এজরা পাউন্ড এর দ্বারাও,যিনি ছিলেন imagism এর প্রবর্তক।পরবর্তীতে তাদের সম্পর্কে হেমিংওয়ে বলেছিলেন,

এজরার কথাগুলোর অর্ধেকটা ঠিক হতো।আর তাঁর ভুল-ভাল কথাগুলো যে কারও পক্ষে ধরা সম্ভব ছিল। গারট্রুড অবশ্য সবসময়ই সঠিক ছিলেন।

প্যারিসের মন্তপারনেস(Montparnasse )এর লা ক্লসারি দেস লিয়াস(La Closerie des Lilas) ছিল হেমিংওয়ের প্রিয় রেস্টুরেন্ট।এখানে বসেই তিনি টানা ৬ সপ্তাহ ধরে লিখে শেষ করেন তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস The Sun Also Rises(১৯২৬)। ফিট্জেরাল্ড এর The Great Gatsby পাণ্ডুলিপিটি পড়েই তিনি ঐ উপন্যাসটি লিখতে অণুপ্রাণিত হয়েছিলেন।

ফিটজেরাল্ড আর হেমিংওয়ে শুরুতে ভাল বন্ধু ছিলেন।তারা একে অপরের পাণ্ডুলিপি বিনিময়ও করতেন।তাছাড়া লেখক হিসেবে হেমিংওয়েও নানা ভাবে তাঁর কাছে ঋণী।তাঁর লেখা প্রথম বইটি প্রকাশে সাহায্য করেছিলেন ফিট্জেরাল্ড।কিন্তু পরবর্তীতে সেই সম্পর্কে শীতলতা তৈরি হয়। ফিট্জেরাল্ড এর স্ত্রী জেল্ডা প্রথম থেকেই হেমিংওয়েকে অপছন্দ করতেন। ক্রমে তার ধারণা জন্মে যে, হেমিংওয়ে একজন সমকামী এবং তার স্বামীকে তিনি তাঁর সাথে সম্পর্কে জড়ানোর জন্য অভিযুক্ত করেন।

১৯২৭ সালে আরনেস্ট হেমিংওয়ে হ্যাডলি রিচার্ডসনের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং আরাকানসাসের(আমেরিকা) একজন একনিষ্ঠ রোমান ক্যাথলিক পলিন ফেইফার(Pauline Pfeiffer) কে বিয়ে করেন।তিনি নিজেও এসময় ক্যাথলিক বাদে দীক্ষিত হন। ঐ বছরই প্রকাশিত হয় তাঁর আরেকটি ছোট গল্পের সংকলন Men Without Women।এই সংকলনের " The Killers" গল্পটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সাড়াজাগানো একটি রচনা।

১৯২৮ সালে হেমিংওয়ের পিতা ডায়াবেটিস ও আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যা করেন।এই ঘটনা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে।

১৯২৮ সালে হেমিংওয়ের দ্বিতীয় সন্তান প্যাট্রিক জন্ম নেয়।সিজারিয়ান পদ্ধতিতে অনেক জটিলতার পর তাঁর জন্ম হয়। হেমিংওয়ে তাঁর A Farewell to Arms উপন্যাসে সেই দৃশ্যের অবতারণা করেছেন।উপন্যাসের পটভূমি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।একজন আমেরিকান সেনা ও একজন ব্রিটিশ নার্সের প্রেম এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য কাহিনী।এটিকে এক দৃষ্টিকোণ থেকে তাঁর আত্মজীবনীই বলা যেতে পারে।ব্রিটিশ নার্সের চরিত্রের মাঝে তাঁর প্রথম প্রেমিকা জেনা কুরোভস্কির ছাপ পাওয়া যায়। আর আমেরিকান সেনার চরিত্রটি যেন তিনি নিজেই।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

কিউবা[সম্পাদনা]

১৯৩৯ সালের বসন্তকালে হেমিংওয়ে কিউবার রাজধানী হাভানায় যান।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ[সম্পাদনা]

১৯৪৪ সালের মার্চ থেকে ১৯৪৫র মে পর্যন্ত সময়টা হেমিংওয়ে লন্ডনইউরোপে ছিলেন।

নোবেল পুরস্কার[সম্পাদনা]

১৯৫৪র অক্টোবরে তিনি সাহিত্যজগতের সবচেয়ে সম্মানজনক নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

আত্মহত্যা[সম্পাদনা]

১৯৬১ সালের ২রা জুলাই ভোর-সকালে নিজের প্রিয় শটগান দিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেন।

রচনাবলী[সম্পাদনা]

উপন্যাস[সম্পাদনা]

(১৯২৪) The Torrents of Spring
(১৯২৬) The Sun Also Rises
(১৯২৭) Fiesta
(১৯২৯) A Farewell to Arms
(১৯৩৭) To Have and Have Not
(১৯৪০) For Whom The Bell Tolls
(১৯৫০) Across The River and Into The Trees
(১৯৫২) The Old Man and The Sea
(১৯৭০) Islands in The Stream
(১৯৮৬) The Garden of Eden
(১৯৯৯) True At First Light
(২০০৫) Under Kilimanjaro

অন্যান্য রচনা[সম্পাদনা]

(১৯৩২) Death in The Afternoon
(১৯৩৫) Green Hills of Africa
(১৯৬২) Hemingway, The Wild Years
(১৯৬৪) A Moveable Feast
(১৯৬৭) By-Line: Ernest Hemingway
(১৯৭০) Ernest Hemingway: Cub Reporter
(১৯৮১) Ernest Hemingway Selected Letters ১৯১৭-১৯৬১
(১৯৮৫) The Dangerous Summer
(১৯৮৫) Dateline: Toronto

ছোট গল্প সংকলন[সম্পাদনা]

(১৯২৩) Three Stories and Ten Poems
(১৯২৫) Cat in The Rain
(১৯২৫) In Our Time
(১৯২৭) Men Without Women
(১৯৩৩) Winner Take Nothing
(১৯৩৬) The Snows of Kilimanjaro
(১৯৩৮) The Fifth Column and The First Forty-Nine Stories
(১৯৬৯) The Fifth Column and Four Stories of The Spanish Civil War
(১৯৭২) The Nick Adams Stories
(১৯৮৭) The Complete Short Stories of Ernest Hemingway
(১৯৯৫) Everyman's Library: The Collected Stories

হেমিংওয়ের সাহিত্যকর্মভিত্তিক চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

কেবল যুক্তরাষ্ট্রযুক্তরাজ্যে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের তালিকা দেয়া হয়েছে।

(১৯৩২) A Farewell to Arms (starring গ্যারি কুপার)
(১৯৪৩) For Whom The Bell Tolls (starring গ্যারি কুপার and Ingrid Bergman)
(১৯৪৪) To Have and Have Not (starring Humphrey Bogart and Lauren Bacall)
(১৯৪৬) The Killers (starring Burt Lancaster)
(১৯৫২) The Snows of Kilimanjaro (starring Gregory Peck)
(১৯৫৭) A Farewell to Arms (starring Rock Hudson)
(১৯৫৭) The Sun Also Rises (starring Tyrone Power)
(১৯৫৮) The Old Man and The Sea (starring Spencer Tracy)
(১৯৬২) Adventures of a Young Man
(১৯৬৪) The Killers (starring Lee Marvin)
(১৯৬৫) For Whom The Bell Tolls
(১৯৭৭) Islands in The Stream (starring George C. Scott)
(১৯৮৪) The Sun Also Rises
(১৯৯০) The Old Man and The Sea (starring Anthony Quinn)
(১৯৯৬) In Love and War (starring Chris O'Donnnell

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Oliver (1999), 140
  2. Reynolds (2000), 17–18
  3. Beegel (2000), 63–71
  4. Mellow (1992), 48–49
  5. Meyers (1985), 27–31
  6. Mellow (1992), 57–60
  7. Mellow (1992), 61
  8. Putnam, Thomas. "Hemingway on War and Its Aftermath". The National Archives. Retrieved November 30, 2011

উৎস[সম্পাদনা]

  • Beegel, Susan. (1996). "Conclusion: The Critical Reputation". in Donaldson, Scott (ed). The Cambridge Companion to Ernest Hemingway. New York: Cambridge UP. ISBN 978-0-521-45574-9
  • Mellow, James. (1992). Hemingway: A Life Without Consequences. Boston: Houghton Mifflin. ISBN 978-0-395-37777-2
  • Meyers, Jeffrey. (1985). Hemingway: A Biography. New York: Macmillan. ISBN 978-0-333-42126-0
  • Oliver, Charles. (1999). Ernest Hemingway A to Z: The Essential Reference to the Life and Work. New York: Checkmark Publishing. ISBN 978-0-8160-3467-3
  • Reynolds, Michael (2000). "Ernest Hemingway, 1899–1961: A Brief Biography". in Wagner-Martin, Linda (ed). A Historical Guide to Ernest Hemingway. New York: Oxford UP. ISBN 978-0-19-512152-0