বব ডিলন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
বব ডিলন
Paparazzo Presents Bob Dylan.jpg
২০০৬ সালের ২৮ শে এপ্রিল নিউ অরলিয়েন্সে গান করছেন।
প্রাথমিক তথ্য
জন্ম নাম রবার্ট অ্যালেন জিমারম্যান
আরো যে নামে
পরিচিত
এলস্টন গান, ব্লাইন্ড বয় গ্রান্ট, লাকি উইলবারি, বু উইলবারি, এলমার জনসন, সার্গেই পেত্রভ, জ্যাক ফ্রস্ট, জ্যাক ফেট
ধরন লোকগীতি, ফোক রক, রক, ব্লুজ, কান্ট্রি
পেশা(সমূহ) গায়ক, গীতিকার, লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী, অভিনেতা, ডিস্ক জকি
বাদ্যযন্ত্রসমূহ কন্ঠ, গিটার, বেজ, হারমোনিকা, কি-বোর্ড, অ্যাকোর্ডিওন, পারকাশন.
কার্যকাল ১৯৬১ - বর্তমান
লেবেল কলম্বিয়া রেকর্ডস, অ্যাসাইলাম রেকর্ডস
সহযোগী শিল্পী পল বাটারফিল্ড ব্লুজ ব্যান্ড, আল কুপার, দ্য ব্যান্ড, রোলিং থান্ডার রিভ, মার্ক নপফ্লার, ট্রাভেলিং উইলবারিস, টম পেটি এন্ড দ্য হার্টব্রেকার্স, ভ্যান মরিসন, গ্রেটফুল ডেড
ওয়েবসাইট www.bobdylan.com

বব ডিলন (জন্মগত নাম রবার্ট অ্যালেন জিমারম্যান, মে ২৪, ১৯৪১) একজন সুবিখ্যাত গায়ক, গীতিকার, সুরকার, ডিস্ক জকি, এবং একই সঙ্গে একজন কবি, লেখক ও চিত্রকর যিনি ১৯৬০-এর দশক থেকে পাঁচ দশকেরও অধিক সময় ধরে জনপ্রিয় ধারার মার্কন সঙ্গীতের অন্যতম প্রধান পুরুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ডিলানের শ্রেষ্ঠ কাজের মধ্যে অনেকগুলো ১৯৬০ দশকে রচিত হয়েছে। এসময় তিনি আমেরিকান অস্থিরতার প্রতীক বিবেচিত হতেন। তার কিছু গান, যেমন "Blowin' in the Wind" and "The Times They Are a-Changin'",[১] যুদ্ধবিরোধী জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে এবং ১৯৫৫-১৯৬৮ সালের আমেরিকান নাগরিক অধিকার আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তাঁর সর্বশেষ অ্যালবা‍ম, Christmas In The Heart(২০০৯), মুক্তি পেয়েছে । [২] রোলিং স্টোন ম্যাগাজিন একে পরবর্তীকালে বর্ষসেরা অ্যালবাম হিসেবে সম্মানিত করেছে। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ১৩ অক্টোবর সুইডিশ একাডেমী তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে। তিনি পৃথিবীর প্রথম গীতিকার যিনি নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। অদ্যাবধি তাঁর বিক্রিত রেকর্ডের সংখ্যা ১০ কোটিরও বেশী।

ডিলনের প্রথমদিককার গানের কথা ছিল মূলত রাজনীতি, সমাজ, দর্শন ও সাহিত্যিক প্রভাব সম্বলিত। এগুলো তখনকার জনপ্রিয় ধারার কথিত নিয়ম বহির্ভূত ছিল এবং এ ধারার বিপরীত হিসেবে ধরা হত। নিজস্ব সঙ্গীত ধারা প্রসারের পাশাপাশি তিনি আমেরিকার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীতের প্রতি আকর্ষন অনুভব করেছেন। তিনি আমেরিকান লোকগীতি ও কান্ট্রি/ব্লুজ থেকে রক অ্যান্ড রোল, ইংরেজ, স্কটিশ, আইরিশ লোকগীতি, এমনকি জ্যাজ সঙ্গীত, সুইং, ব্রডওয়ে, হার্ডরক এবং গসপেলও গেয়েছেন।

ডিলন সাধারণত গিটার, কিবোর্ড এবং হারমোনিকা বাজিয়ে গান করেন। ১৯৮০ দশক থেকে কিছু সংগীতজ্ঞকে সাথে নিয়ে তিনি নিয়মিত বিভিন্ন সঙ্গীত ভ্রমণ করে থাকেন যা তার ভাষায় "নেভার এন্ডিং ট্যুর"। তিনি প্রধান অনেক শিল্পীর সাথে একত্রে কাজ করেছেন, যেমন, দ্য ব্যান্ড, টম পেটি, জোয়ান বায়েজ, জর্জ হ্যারিসন, দ্য গ্রেটফুল ডেড, জনি ক্যাশ, উইলি নেলসন, পল সিমন, এরিক ক্ল্যাপটন, প্যাটি স্মিথ, ইউ২, দ্য রোলিং স্টোনস, জনি মিচেল, জ্যাক হোয়াইট, মার্লে হ্যাগার্ড, নেইল ইয়ং, ভ্যান মরিসন, রিঙ্গো স্টার এবং স্টিভি নিকস। যদিও তার ক্যারিয়ারে গায়ক হিসেবেই তিনি বেশি পরিচিত এবং সফল হয়েছেন, তবে গীতিকার হিসেবেই তার অবদানকে বেশি মূল্য দেয়া হয়।[৩]

তার রেকর্ডের ফলে তিনি গ্রামি এ্যাডওয়ার্ড, গোল্ডেন গ্লোব এবং অ্যাকাডেমি পুরস্কার জিতেছেন এবং রক অ্যান্ড রোল হল অব ফেম, ন্যাশভিল সংরাইটার্স হল অব ফেম, ও সংরাইটার্স হল অব ফেম এ তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। টাইম ম্যাগাজিনের প্রকাশিত বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তার নাম রয়েছে। ২০০৪ সালে রোলিং স্টোন ম্যাগাজিন প্রকাশিত সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ১০০ গায়ক তালিকায় দ্য বিটলসের পর বব ডিলন দ্বিতীয় অবস্থান দখল করেছেন।[৪] ১৯৯০ সালের জানুয়ারিতে ডিলনকে ফরাসি সংস্কৃতি মন্ত্রী জ্যাক ল্যাং কর্তৃক কমান্ডার দেস আর্টস এট দেস লেটার্স উপাধিতে ভুষিত করেছেন; ২০০০ সালে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব মিউজিক তাকে পোলার মিউজিক পুরস্কার প্রদান করে[৫]; এবং ২০০৭ সালে ডিলনকে সংস্কৃতিতে প্রিন্স অব অস্ট্রিয়াস পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। [৬][৭][৮]

জীবন ও ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

উৎপত্তি ও সঙ্গীতের শুরু[সম্পাদনা]

১৯৬৩ সালে জোয়ান বয়েজের সাথে, ওয়াশিংটন এ

রবার্ট অ্যালেন জিমারম্যান (ইহুদী নাম: শাবতাই জিসেল বেন আভ্রাহাম)[৯] জন্ম নিয়েছিলেন ১৯৪১ সালের ২৪ মে মিনেসোটার ডুলুথে।[১০] তিনি বড় হন ডুলুথ ও হিবিং এলাকায় লেক সুপিরিয়রের পার্শ্ববর্তী মেসাবি আয়রন রেঞ্জ এলাকায়। ডিলনের জীবনী লেখকেরা গবেষণা করে দেখেছেন তার দাদা-দাদী জিগম্যান ও আনা জিমারম্যান ইউক্রেনের ওডেসা থেকে অভিবাসিত হয়ে ১৯০৫ সালের দিকে আমেরিকায় বসতি স্থাপন করেছিলেন। তার মায়ের দাদা-দাদী বেঞ্জামিন ও লিব্বা এডেলস্টেইন ছিলেন লিথুয়ানীয় ইহুদী। তারা আমেরিকায় আসেন ১৯০২ সালের দিকে।[১১] (তার ২০০৪ সালের আত্মজীবনী, ক্রনিকলস, প্রথম খন্ড তে, ডিলন লিখেছেন তার পিতামহীর কুমারী নাম ছিল কিরগিজ এবং তার পরিবার ইস্তানবুল থেকে উৎপত্তি হয়েছিল, যদিও তিনি বেড়ে উঠেছিলেন তুরস্কের কাগিজমান এলাকায়। তিনি আরও লিখেছেন তার পিতামহ তুরস্কের কৃষ্ণ সাগর উপকূলবর্তী ট্রাবজন এলাকা থেকে এসেছিলেন।[১২])

তার পিতামাতা অ্যাব্রাম জিমারম্যান ও বেয়াট্রিস "বেটি" স্টোন ছিলেন এলাকার ছোট্ট ইহুদি সমাজের সদস্য। সাত বছর বয়স পর্যন্ত জিমারম্যান ডুলুথে বাস করেছেন। তার পিতা পোলিওতে আক্রান্ত হলে তার পরিবার হিবিং এলাকায় স্থানান্তরিত হয়, যেখানে জিমারম্যান তার শৈশবের বাকী দিনগুলো কাটিয়েছেন।[১৩] ববের ছোটবেলার বন্ধু অ্যাব্রামের বর্ণনায় বলেছেন তিনি ছিলেন কঠোর স্বভাবের ও রূঢ়। কিন্তু ডিলনের মা ছিলেন কোমল ও বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাবের।[১৪]

জিমারম্যান যৌবনের অনেকটা সময় রেডিও শুনে কাটিয়েছেন — প্রথমত তিনি শুনতেন ব্লুজ ও কান্ট্রি গান যা প্রচারিত হত শ্রেভেপোর্ট থেকে। পরবর্তীকালে তিনি প্রাথমদিককার রক অ্যান্ড রোল সঙ্গীতের দিকে ঝুকে পড়েন।[১৫] উচ্চ বিদ্যালয়ে থাকার সময়ে তিনি কয়েকটি ব্যান্ড গঠন করেছিলেন। প্রথম ব্যান্ড "দ্য শ্যাডো ব্লাস্টার্স" বেশিদিন টেকেনি। পরবর্তী ব্যান্ড "দ্য গোল্ডেন কর্ডস" কিছুদিন টিকেছিল। বিদ্যালয়ের প্রতিভা বিকাশ প্রতিযোগিতায় তারা "ড্যানি অ্যান্ড দ্য জুনিয়র্সের" 'রক অ্যান্ড রোল ইজ হেয়ার টু স্টে' গানটি এত জোরে গেয়েছিলেন যে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মাইক্রোফোন বন্ধ করে দিয়েছিলেন।[১৬][১৭] তার ১৯৫৯ সালের বিদ্যালয় বার্ষিক বইতে জিমারম্যান তার আকাঙ্ক্ষাকে বর্ননা করেছেন "লিটল রিচার্ডে যোগ দেয়া"।[১৮] একই বছর তিনি এলস্টন গান ছদ্মনামে দুবার ডেট করেন[১৯] ববি ভি এর সাথে পিয়ানো বাজিয়ে এবং হাততালি দিয়ে।[২০]

১৯৫৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জিমারম্যান ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটা তে ভর্তি হন এবং মিনিয়াপোলিসে বসবাস শুরু করেন। রক অ্যান্ড রোলে তার প্রথমদিককার উৎসাহ থেকে তিনি আমেরিকান ফোক সঙ্গীতে, বিশেষত যেসব সঙ্গীতে অ্যাকুস্টিক গিটার ব্যবহৃত হয় তা প্রতি আকৃষ্ট হন। তিনি বলেন, "যে প্রথম বিষয় আমাকে ফোক সঙ্গীতে আকৃষ্ট করেছে তা হচ্ছে en:Odetta। আমি একটি দোকানে তার রেকর্ড শুনি। এরপর সেখান থেকেই আমি আমার ইলেকট্রিক গিটার ও অ্যাম্পলিফায়ার বদলে অ্যাকুস্টিক গিটার আনি, একটি ফ্লাট-টপ গিবসন"।[২১] তিনি হয়ত মিনেসোটা ইউনিভার্সিটির মার্ভিন কার্লিন্সের কাছে গিটার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।[২২] শীঘ্রই তিনি ১০ ও'ক্লক স্কলার নামের একটি কফি হাউজে গান গাইতে শুরু করেন। তিনি স্থানীয় ডিঙ্কিটাউন ফোক সঙ্গীত ঘরানায় সক্রিয় থেকেছেন। তিনি এখানে ভ্রাতৃত্ববন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং বিভিন্ন অ্যালবাম ধার করতেন।[২৩][২৪]

ডিঙ্কিটাউনে থাকাকালীন জিমারম্যান নিজেকে বব ডিলন নামে পরিচয় দিতে শুরু করেন। তার আত্মজীবনী ক্রনিকলস (২০০৪) তিনি লিখেছেনঃ বাড়ী থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর আমি নিজেকে রবার্ট অ্যালেন নামে ডাকতে শুরু করলাম.... এটা শুনলে মনে হত কোন স্কটিশ রাজার নাম এবং এটা আমি পছন্দ করতাম। তবে ডাউনবিট ম্যাগাজিন পড়ে তিনি জানতে পারেন ডেভিড অ্যালিন নামে বাস্তবে একজন স্যাক্সোফোন বাদকের অস্তিত্ব রয়েছে। এসময় ডিলন থমাসের কবিতার সাথে তার পরিচয় ঘটে। রবার্ট জিমারম্যান অনুভব করছিলেন রবার্ট অ্যালিন ও রবার্ট ডিলন থেকে তাকে একটাকে বেছে নিতে হবে। শেষ পর্যন্ত ডিলনকেই তার পছন্দ হয়। তিনি নামের আগে বব যোগ করার সিদ্ধান্ত নেন কেননা তখন জনপ্রিয় ধারার অনেক শিল্পীর নামেই বব ছিল।[২৫]

নিউ ইয়র্কে স্থানান্তর এবং রেকর্ড চুক্তি[সম্পাদনা]

প্রতিবাদ ও অন্যান্য[সম্পাদনা]

ডিস্কোগ্রাফি, চলচ্চিত্র, গ্রন্থ[সম্পাদনা]

ব্যান্ড[সম্পাদনা]

Dylan's 2007 touring band consists of the following musicians:

  • Bob Dylan — vocals, organ synthesizer, harmonica, electric guitar
  • Tony Garnier — bass guitar, upright bass
  • Stu Kimball — rhythm guitar
  • Denny Freeman — lead guitar, slide guitar
  • Donnie Herron - pedal steel guitar, violin, mandolin, banjo
  • George Recile — drums

নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তি[সম্পাদনা]

২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ১৩ অক্টোবর সুইডিশ একাডেমী তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে। তিনি পৃথিবীর প্রথম গীতিকার যিনি নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর আগে সম্ভাব্য নোবেল বিজয়ী হিসেবে তাঁর নাম বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ উচ্চারিত হয়ে আসছিল। সুইডিশ একাডেমীর মতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গীত ঐতিহ্যে নতুন কাব্যিক ধারা সৃষ্টির সৃষ্টি করেছেন। [২৬] তবে একজন গীতিকারকে সাহিত্যের নোবেল পুরস্কার প্রদানে বিশ্বজুড়ে তর্কের ঝড় ওঠে।[২৭][২৮]

আরো জানতে পড়ুন[সম্পাদনা]

টুকিটাকি[সম্পাদনা]

  1. "Dylan 'reveals origin of anthem'"। BBC news। ২০০৪-০৪-১১। সংগৃহীত ২০০৬-০৮-০৪ 
  2. "Dylan back on top at 65"। ABC News। ২০০৬-০৯-০৭। সংগৃহীত ২০০৭-০৫-২৯ 
  3. "Bob Dylan by Jay Cocks"। Time magazine। ১৯৯৯-০৬-০৪। সংগৃহীত ২০০৬-০৮-১০ 
  4. "Bob Dylan"Robbie Robertson. Rolling Stone Issue 946। Rolling Stone। 
  5. "Polar Music Prize, 2000"। Polar Music Prize। ২০০০-০৫-০১। 
  6. "Dylan Formally Launched as Candidate for Nobel Prize"। Expecting Rain। ১৯৯৬-১০-০১। সংগৃহীত ২০০৬-১০-১৭ 
  7. "Dylan and the Nobel by Gordon Ball"। Journal of Oral Tradition। ২০০৭-০৩-০৭। সংগৃহীত ২০০৭-০৭-২২ 
  8. "Dylan's Words Strike Nobel Debate"। CBS News। ২০০৪-১০-০৬। সংগৃহীত ২০০৬-১০-১৭ 
  9. Sounes, Down The Highway: The Life Of Bob Dylan, p.14
  10. "Bob Dylan"। সংগৃহীত ২০০৭-০৭-১৭ 
  11. Sounes, Down The Highway: The Life Of Bob Dylan, p.12-13
  12. Dylan, Bob (২০০৪)। "Chronicles, Volume One"Simon & Schuster। পৃ: 92–93। আইএসবিএন 0306812312 
  13. Shelton, No Direction Home, 25–33
  14. Gill (with Kevin Odegard), Andy (২০০৪)। "A Simple Twist of Fate: Bob Dylan and the Making of Blood on the Tracks"Da Capo। পৃ: 99। আইএসবিএন 0743230760 
  15. Shelton, No Direction Home, 38–39.
  16. Sounes, Down The Highway: The Life Of Bob Dylan, 29–37
  17. "Early Zimmerman bands in 1950s including 1957 photo"। Expecting Rain। ২০০৭-০৪-০১। সংগৃহীত ২০০৭-০৩-০১ 
  18. Shelton, No Direction Home, 39–43.
  19. "Gunnn, Elston"। Expecting Rain। ২০০৭-০৪-০১। সংগৃহীত ২০০৭-০৩-২১ 
  20. Heylin, Bob Dylan: Behind the Shades Revisited, 26–27.
  21. "PLAYBOY INTERVIEW: BOB DYLAN"www.interferenza.com 
  22. Romancing the Clock, Marvin Karlins; Chapter 4, page 30
  23. Shelton, No Direction Home, 65–82
  24. No Direction Home. Paramount Pictures. Directed by Martin Scorsese. Released July 21 2005.
  25. Dylan, Chronicles, Vol. 1, 78–79.
  26. "সাহিত্যে নোবেল পেলেন বব ডিলান" 
  27. Williams, Richard (১৩ অক্টোবর ২০১৬)। "Why Bob Dylan deserves his Nobel literature win" – www.theguardian.com এর মাধ্যমে। 
  28. News, ABC। "ABC News"ABC News 

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:The Band টেমপ্লেট:Wilburys