ওলগা তোকারচুক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ওলগা তোকারচুক
২০১৮ সালে তোকারচুক
২০১৮ সালে তোকারচুক
স্থানীয় নাম
Olga Tokarczuk
জন্ম (1962-01-29) ২৯ জানুয়ারি ১৯৬২ (বয়স ৫৭)
সুলেচো, পোল্যান্ড
পেশালেখিকা, গল্পকার, কবি, চিত্রনাট্যকার, মনোবিজ্ঞানী
ভাষাপোলীয়
জাতীয়তাপোলীয়
ধরনগল্প, কবিতা, উপন্যাস
উল্লেখযোগ্য রচনাবলিবিগুনি
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার

ওলগা তোকারচুক (পোলীয়: Olga Nawoja Tokarczuk[১] ([tɔˈkart͡ʂuk]; জন্ম: ২৯শে জানুয়ারি ১৯৬২) হলেন একজন পোলীয় লেখিকা, সমাজকর্মী ও বুদ্ধিজীবী।[২] তাকে তার প্রজন্মের অন্যতম সমাদৃত ও ব্যবসাসফল লেখক বলে গণ্য করা হয়।[৩][৪] ২০১৮ সালে তিনি তার রচিত বিগুনি (ফ্লাইটস নামে ইংরেজি ভাষায় অনূদিত) উপন্যাসের জন্য ম্যান বুকার আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি প্রথম পোলীয় লেখক হিসেবে এই সম্মাননা লাভ করেন।[২] তিনি ২০১৯ সালে ঘোষিত ২০১৮ সালের জন্য প্রদত্ত সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

তোকারচুক ১৯৬২ সালের ২৯শে জানুয়ারি পোল্যান্ডের জিয়েলোনা গোরার নিকটবর্তী সুলেচো শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮০ সালে ওয়ারশ বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞানী হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। অধ্যয়ন কালে তিনি কিশোরদের আচরণগত সমস্যার জন্য নির্মিত কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেন।[৫] ১৯৮৫ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর তিনি ভ্রোক্লাউ ও পরে ভালব্রিচে চলে যান, সেখানে তিনি থেরাপিস্ট হিসেবে অনুশীলন শুরু করেন। তোকারচুক নিজে কার্ল জাঙের শিষ্য হিসেবে বিবেচনা করেন এবং জাঙের মনস্তত্ত্ব তার সাহিত্যকর্মের প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে বলে উল্লেখ করেন। ১৯৯৮ সাল থেকে তোকারচুক নোয়া রুদার নিকটবর্তী একটি ছোট গ্রামে বসবাস করছেন এবং সেখান থেকে তিনি তার ব্যক্তিগত প্রকাশনা কোম্পানি রুটা তত্ত্বাবধান করেন। তিনি রাজনৈতিক দল দ্য গ্রিনসের সদস্য এবং বামপন্থী ধারণায় বিশ্বাসী।[৬]

প্রকাশিত কর্ম[সম্পাদনা]

তোকারচুকের প্রথম কবিতার সংকলন মিলাস্তা উ লুস্ত্রাচ ১৯৮৯ সালে প্রকাশিত হয়।[৭] তার প্রথম উপন্যাস পদ্রোজ লুদজি সিয়েগি ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত হয়। সপ্তদশ শতাব্দীর ফ্রান্সের পটভূমিতে রচিত বইটি দুইজন প্রেমিক-প্রেমিকার একটি বইয়ের রহস্য (জীবনের অর্থের রূপক) খোঁজার উপর ভিত্তি করে রচিত রূপক উপন্যাস।[৮]

তার পরবর্তী উপন্যাস ই. ই. (১৯৯৫)। বইটির নামকরণ করা হয় এর কেন্দ্রীয় চরিত্র এর্না এলৎজনারের নামের প্রথম অক্ষর থেকে। এর্না ১৯২০-এর দশকে বেরস্লাউয়ে এক জার্মান-পোলীয় বুর্জোয়া পরিবারে বেড়ে ওঠেন, যার মধ্যে অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা দেখা যায়।[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "STOWARZYSZENIE KULTURALNE "GÓRY BABEL" | Rejestr.io"rejestr.io (পোলিশ ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-১০ 
  2. ফ্লাড, অ্যালিসন (২২ মে ২০১৮)। "Olga Tokarczuk's 'extraordinary' Flights wins Man Booker International prize"দ্য গার্ডিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০১৮ 
  3. "Bestsellery 2009" (পোলিশ ভাষায়)। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০১৮ 
  4. পাওলোওস্কি, রোমান (২০০৮)। "Nike 2008 dla Olgi Tokarczuk - "Bieguni" książką roku"wyborcza.pl। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০১৮ 
  5. উইয়াচেক, এলৎজভিয়েতা (২০০৯)। "The Works of Olga Tokarczuk: Postmodern aesthetics, myths, archetypes, and the feminist touch" (PDF)পোল্যান্ড আন্ডার ফেমিনিস্ট আইজ (১): ১৩৪–১৫৫। ২১ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  6. উডেকা, ডরোথা (১০ অক্টোবর ২০১৫)। "Olga Tokarczuk, laureatka Nike 2015: Ludzie, nie bójcie się! [Olga Tokarczuk, the laureate of Nike 2015: People, don't be afraid!]"। Gazeta Wyborcza। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  7. Wiacek, Elzbieta (২০০৯)। "The Works of Olga Tokarczuk: Postmodern aesthetics, myths, archetypes, and the feminist touch" (PDF)Poland Under Feminist Eyes (১): ১৩৪–১৫৫। ২১ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১৯ 
  8. ""Księgi Jakubowe" z najważniejszym francuskim wyróżnieniem dla przekładu literackiego"টিভিএন২৪ (Polish ভাষায়)। ১০ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১৯ 
  9. Figlerowicz, Marta (১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "Rewriting Poland"বোস্টন রিভিউ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১৯