আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলন
Croixrouge logos.jpg
রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট প্রতীক, প্রতীক যা থেকে আন্দোলনের নাম এসেছে।
প্রতিষ্ঠাকাল ১৮৬৩ (আইসিআরসি); ১৯১৯ (আইএফআরসি) (ধারণা ১৮৫৯ সালে)
প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্ট, গাস্তেভ ময়নিয়ার
ধরণ বেসরকারী প্রতিষ্ঠান
ফোকাস মানবতাবাদী
অবস্থান
এলাকাগত সেবা বিশ্বব্যাপী
পদ্ধতি সাহায্য
আয় ইউএস$ ৩.৬ বিলিয়ন (২০১০)[১]
স্বেচ্ছাকর্মী ১৩.১ মিলিয়ন
ওয়েবসাইট redcross.int

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলন বিশ্বব্যাপী প্রায় ৯৭ মিলিয়ন স্বেচ্ছাসেবী, সদস্য এবং কর্মী সহ একটি আন্তর্জাতিক মানবিক আন্দোলন[২] যা মানুষের জীবন এবং স্বাস্থ্য রক্ষা, সব মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিশ্চিত করা, এবং মানুষের দুর্ভোগ প্রতিরোধ ও লাঘব করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

আন্দোলনটি বেশ কিছু স্বতন্ত্র সংগঠন নিয়ে গঠিত, যারা একে অপরের থেকে আইনত স্বতন্ত্র কিন্তু আন্দোলনের মধ্যে একতাবদ্ধ সাধারণ মৌলিক নীতি, উদ্দেশ্য, চিহ্ন, সংবিধি এবং পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। আন্দোলনের অংশগুলি হলোঃ

  • ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেড ক্রস (আইসিআরসি) একটি বেসরকারি মানবতাবাদী প্রতিষ্ঠান হেনরি ডুনান্ট এবং গাস্তেভ ময়নিয়ার দ্বারা সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক মানবতা আইনের অধীনে, আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র সংঘাতের ভুক্তভোগীদের জীবন ও মর্যাদা রক্ষা করতে এর ২৫ সদস্যের কমিটির একটি স্বতন্ত্র ক্ষমতা আছে। আইসিআরসি (১৯১৭, ১৯৪৪ এবং ১৯৬৩ সালে) তিন বার নোবেল শান্তি পুরস্কার দ্বারা ভূষিত হয়।[৩]
  • ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং যা বর্তমানে আন্দোলনের ১৮৮টি জাতীয় রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি মধ্যকার কার্যক্রম সমন্বয় করে। আন্তর্জাতিক স্তরে, জাতীয় সোসাইটিগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা, বড় মাপের জরুরী সাড়া ত্রাণ সহায়তা মিশন কাজে ফেডারেশন নেতৃত্ব দেয় এবং সংগঠিত করে। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন সচিবালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। ১৯৬৩ সালে, ফেডারেশন আইসিআরসি সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার দ্বারা ভূষিত হয় (তারপর লীগ অব রেড ক্রস সোসাইটিজ নামে পরিচিত)।[৩]
  • জাতীয় রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে বিদ্যমান। বর্তমানে ১৮৯9 জাতীয় সোসাইটিজ আইসিআরসি এবং ফেডারেশন পূর্ণ সদস্য হিসেবে স্বীকৃত হয়। প্রতিটি সত্তা আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী আইনের নীতিমালা এবং আন্তর্জাতিক আন্দোলনের নিয়ম অনুযায়ী তার দেশে কাজ করে। তাদের নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এবং ক্ষমতা উপর ভিত্তি করে, জাতীয় সোসাইটিজ সরাসরি আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা হয় না বা আন্তর্জাতিক আন্দোলনের বাহিরে এমন অতিরিক্ত মানবতাবাদী কাজ করতে পারে। অনেক দেশে, তারা দৃঢ়ভাবে নিজ নিজ জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও জরুরী চিকিৎসা সেবার সাথে সংযুক্ত।

আরোও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "American Red Cross"। Redcross.org। সংগৃহীত ২০১১-১২-১০ 
  2. American Red Cross: Understanding the Movement
  3. "Nobel Laureates Facts — Organizations"Nobel Foundation। সংগৃহীত ২০০৯-১০-১৩ 

আরোও পড়ুন[সম্পাদনা]

বই[সম্পাদনা]

প্রবন্ধ[সম্পাদনা]

  • Bugnion, François. The emblem of the Red Cross: a brief history. ICRC (ref. 0316), Geneva, 1977.
  • Bugnion, François. Towards a comprehensive Solution to the Question of the Emblem. Revised 4th edition. ICRC (ref. 0778), Geneva, 2006.
  • Forsythe, David P. "The International Committee of the Red Cross and International Humanitarian Law." In: Humanitäres Völkerrecht – Informationsschriften. The Journal of International Law of Peace and Armed Conflict. 2/2003, German Red Cross and Institute for International Law of Peace and Armed Conflict, p. 64–77. ISSN 0937-5414
  • Lavoyer, Jean-Philippe; Maresca, Louis. The Role of the ICRC in the Development of International Humanitarian Law. In: International Negotiation. 4(3)/1999. Brill Academic Publishers, p. 503–527. ISSN 1382-340X
  • Walters, William C. (২০০৪)। An assessment of the capacity of the Red Cross National Societies to address the psychological and social needs of survivors of disasters and complex emergencies in Central and South America। Wilfrid Laurier University। 
  • Wylie, Neville. The Sound of Silence: The History of the International Committee of the Red Cross as Past and Present. In: Diplomacy and Statecraft. 13(4)/2002. Routledge/ Taylor & Francis, p. 186–204, ISSN 0959-2296

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

স্থানাঙ্ক: ৪৬°১৩′৪০″ উত্তর ৬°৮′১৪″ পূর্ব / ৪৬.২২৭৭৮° উত্তর ৬.১৩৭২২° পূর্ব / 46.22778; 6.13722