আনাতোল ফ্রঁস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
আনাতোল ফ্রঁস
যুবক আনাতোল ফ্রঁসের আলোকচিত্র।
জন্ম François-Anatole Thibault
(১৮৪৪-০৪-১৬)১৬ এপ্রিল ১৮৪৪
প্যারিস, ফরাসি সাম্রাজ্য
মৃত্যু ১২ অক্টোবর ১৯২৪(১৯২৪-১০-১২) (৮০ বছর)
টোরস, তৃতীয় ফরাসি প্রজাতন্ত্র
পেশা লেখক, গ্রন্থাগারিক
ভাষা ফরাসি
জাতীয়তা ফরাসি
ধরন উপন্যাস, কবিতা, স্মৃতিকথা
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার
১৯২১

স্বাক্ষর


আনাতোল ফ্রঁস (ফরাসি Anatole France; ১৬ এপ্রিল ১৮৪৪ - ১২ অক্টোবর ১৯২৪) ছিলেন একজন ফরাসি কবি, সাংবাদিক এবং ঔপন্যাসিক। তার বেশ কয়েকটি উপন্যাস শীর্ষবিক্রীত (best seller) হয়েছিল। বিদ্রুপাত্মক ও সংশয়বাদী হলেও তাকে ভাবা হতো সেসময়ের আদর্শ ফরাসি পন্ডিত। তিনি আকাদেমি ফ্রঁসেজের সদস্য ছিলেন এবং ১৯২১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। তার মস্তিষ্কের আকার ছিল সাধারণ মস্তিষ্কের দুই-তৃতীয়াংশ।[১]

অনেকেই মনে করেন যে, মার্সেল প্রুস্তের উপন্যাস হারানো সময়ের সন্ধানেতে সাহিত্যিক "বের্গত" চরিত্রটি ফ্রঁস থেকে অনুপ্রাণিত।[২]

প্রথম জীবন[সম্পাদনা]

বইবিক্রেতার সন্তান ফ্রঁসের জীবন কেটেছে বইকে ঘিরে। তিনি ছিলেন বইপ্রেমী।[৩] তার বাবার বইয়ের দোকান লিব্রেরি ফ্রঁস ফরাসি বিপ্লব সম্পর্কিত বইয়ে সমৃদ্ধ ছিল। ফলে প্রসিদ্ধ লেখক ও গবেষকেরা এখানে আনাগোনা করতেন। ফ্রঁস লেখাপড়া করেন বেসরকারি ক্যাথলিক বিদ্যালয় কোলেজ স্তানিসলাস-এ (Collège Stanislas)। উত্তীর্ণ হয়ে তিনি বাবাকে বইয়ের দোকানে সহযোগিতা করতে থাকেন। কয়েক বছর পর তিনি বাশলিন- দোফ্লোরেন এবং লেমের নামক বইয়ের দোকানে বইয়ের তালিকাপ্রস্তুতকারকের চাকরি পান। ১৮৭৬ সালে তাকে ফরাসি সিনেটের গ্রন্থাগারিক নিযুক্ত করা হয়।

সাহিত্য-জীবন[সম্পাদনা]

ব্যক্তিজীবন[সম্পাদনা]

জিন ব্যাপ্টিস্ট গুথের আঁকা ফ্রঁসের ক্যারিকেচার, ভ্যানিটি ফেয়ার সাময়িকী, ১৯০৯

১৮৭৭ সালে ফ্রঁস বিয়ে করেন ভালেরি গেরাঁ দো সোভিই-কে।[৪] ১৮৮১ সালে তাদের এক কন্যা হয়, নাম রাখা হয় সুজান। ১৮৮৮-তে মাদাম আরমঁ দো কাইয়াভে-র সাথে তার পরিণয় গড়ে ওঠে। ১৯১০ সালে মাদামের মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত এ সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল।[৪] ১৮৯৩ সালে বিবাহ-বিচ্ছেদের পর ফ্রঁস আরো অনেকের সাথে সম্পর্কে জড়ান। ১৯২০ সালে তিনি আবার বিয়ে করেন, এমা লাপ্রেভোতকে।[৫]

রাজনৈতিকভাবে, ফ্রঁস ছিলেন একজন সমাজবাদী এবং ১৯১৭-র রুশ বিপ্লবের ঘোষিত সমর্থক।[৬] বিশ্বাসের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন নাস্তিক।[৭][৮]

সমালোচনা[সম্পাদনা]

ফ্রঁস ১৯২৪ সালে তার মৃত্যুর পর লিখিতভাবে আক্রমণের শিকার হন। নাৎসি সহযোগী পিয়ের দ্রিও লা রোশেল এবং অন্য নিন্দুকেরা প্রচার করে যে তার লেখা অশ্লীল এবং অমৌলিক। ফ্রঁসের গুণমুগ্ধ ইংরেজ লেখক জর্জ অরওয়েল এসব প্রতিহত করেন। তিনি বলেন যে ফ্রঁসের লেখা অত্যন্ত সুপাঠ্য এবং "প্রশ্নাতীতভাবেই, তাকে অনেকটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আক্রমণ করা হয়েছিল।"[৯]

রচনাকর্ম[সম্পাদনা]

কবিতা[সম্পাদনা]

নস এনফ্যান্টস, অলঙ্করণ-শিল্পী লুইস-মরিস বুটে ডি মনভেল (১৯০০)
  • Les Légions de Varus, poem published in 1867 in the Gazette rimée.
  • Poèmes dorés (1873)
  • Les Noces corinthiennes (The Bride of Corinth) (1876)

গদ্যকাহিনী[সম্পাদনা]

  • Jocaste et le chat maigre (Jocasta and the Famished Cat) (1879)
  • Le Crime de Sylvestre Bonnard (সিলভেস্টার বোনার্ডের অপরাধ) (১৮৮১)
  • Les Désirs de Jean Servien (The Aspirations of Jean Servien) (1882)
  • Abeille (মৌমাছি) (১৮৮৩)
  • Balthasar (1889)
  • Thaïs (1890)
  • L’Étui de nacre (Mother of Pearl) (1892)
  • La Rôtisserie de la reine Pédauque (At the Sign of the Reine Pédauque) (1892)
  • Les Opinions de Jérôme Coignard (The Opinions of Jerome Coignard) (1893)
  • Le Lys rouge (লালকমল) (১৮৯৪)
  • Le Puits de Sainte Claire (The Well of Saint Clare) (1895)
  • L’Histoire contemporaine (A Chronicle of Our Own Times)
    • 1: L’Orme du mail (The Elm-Tree on the Mall)(1897)
    • 2: Le Mannequin d'osier (The Wicker-Work Woman) (1897)
    • 3: L’Anneau d'améthyste (The Amethyst Ring) (1899)
    • 4: Monsieur Bergeret à Paris (Monsieur Bergeret in Paris) (1901)
  • Clio (1900)
  • Histoire comique (A Mummer's Tale) (1903)
  • Sur la pierre blanche (The White Stone) (1905)
  • L'Affaire Crainquebille (1901)
  • L’Île des Pingouins (পেঙ্গুইন দ্বীপ) (১৯০৮)
  • Les Contes de Jacques Tournebroche (The Merrie Tales of Jacques Tournebroche) (1908)
  • Les Sept Femmes de Barbe bleue et autres contes merveilleux (The Seven Wives of Bluebeard and Other Marvellous Tales) (1909)
  • Les dieux ont soif (The Gods Are Athirst) (১৯১২)
  • La Révolte des anges (দেবদূতদের বিদ্রোহ) (১৯১৪)

স্মৃতিকথা[সম্পাদনা]

  • Le Livre de mon ami (My Friend's Book) (1885)
  • Pierre Nozière (1899)
  • Le Petit Pierre (Little Pierre) (1918)
  • La Vie en fleur (The Bloom of Life) (1922)

নাটক[সম্পাদনা]

  • Au petit bonheur (১৮৯৮)
  • Crainquebille (১৯০৩)
  • La Comédie de celui qui épousa une femme muette (সেই লোকটি যে এক বোবা স্ত্রীকে বিয়ে করেছিল) (১৯০৮)
  • Le Mannequin d'osier (The Wicker Woman) (১৯২৮)

ঐতিহাসিক জীবনী[সম্পাদনা]

  • Vie de Jeanne d'Arc (জোয়ান অফ আর্কের জীবন) (১৯০৮)

সাহিত্য-সমালোচনা[সম্পাদনা]

  • Alfred de Vigny (1869)
  • Le Château de Vaux-le-Vicomte (1888)
  • Le Génie Latin (The Latin Genius) (1909)

সমাজ সমালোচনা[সম্পাদনা]

Anatole France c. 1921
  • Le Jardin d’Épicure (The Garden of Epicurus) (1895)
  • Opinions sociales (1902)
  • Le Parti noir (1904)
  • Vers les temps meilleurs (1906)
  • Sur la voie glorieuse (1915)
  • Trente ans de vie sociale, in four volumes, (1949, 1953, 1964, 1973)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Keith, A (১৯২৭)। "The Brain of Anatole France"। British Medical Journal 2 (3491): 1048–1049। পিএমসি 2525321 
  2. "Marcel Proust: A Life, by Edmund White" 
  3. "Anatole France"benonsensical। ২৪ জুলাই ২০১০। 
  4. Édouard Leduc (২০০৪)। Anatole France avant l'oubli। Éditions Publibook। পৃ: 219, 222–। আইএসবিএন 978-2-7483-0397-1। সংগৃহীত ১২ জুন ২০১৩ 
  5. Lahy-Hollebecque, M. (1924). Anatole France et la femme. Baudinière, 1924, 252 p.
  6. "Anatole France"The Free Dictionary 
  7. http://www.thefamouspeople.com/profiles/anatole-france-694.php
  8. https://mereinkling.net/2014/08/11/introducing-anatole-france/
  9. Harrison, Bernard (২০১৪-১২-২৯)। What Is Fiction For?: Literary Humanism Restored (ইংরেজি ভাষায়)। Indiana University Press। আইএসবিএন 9780253014122 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]