লেস্টার হেমিংওয়ে
লেস্টার হেমিংওয়ে | |
|---|---|
Leicester Hemingway | |
![]() | |
| জন্ম | লেস্টার ক্লেরেন্স হেমিংওয়ে ১ এপ্রিল ১৯১৫ |
| মৃত্যু | ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৮২ (বয়স ৬৭) কেচাম, আইডাহো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র |
| মৃত্যুর কারণ | আত্মহত্যা |
| পেশা | লেখক |
| দাম্পত্য সঙ্গী | ডরিস |
| সন্তান | ৪ |
| পিতা-মাতা | গ্রেস হল হেমিংওয়ে (মাতা) |
| আত্মীয় | আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (ভাই) |
লেস্টার ক্লেরেন্স হেমিংওয়ে (ইংরেজি: Leicester Clarence Hemingway; ১ এপ্রিল ১৯১৫ - ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৮২) ছিলেন একজন মার্কিন লেখক ও সাংবাদিক। তিনি কথাসাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ছোট ভাই। তিনি ছয়টি উপন্যাস রচনা করেছেন। তার প্রথম উপন্যাস হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ফ্রান্স ও জার্মানিতে তার অভিজ্ঞতা প্রসূত দ্য সাউন্ড অব ট্রাম্পেট।
১৯৬১ সালে তার ভাই আর্নেস্টের জীবনী সংক্রান্ত মাই ব্রাদার, আর্নেস্ট হেমিংওয়ে প্রকাশ করেন।[১] বইটি সমাদৃত হয় এবং লেস্টার লেখক হিসেবে ও আর্থিক দিক থেকে সফলতা লাভ করে। এই বই থেকে অর্জিত তহবিল দিয়ে তিনি জামাইকার উপকূলে নিউ আটলান্টিস গড়ে তোলেন,[২] যার উদ্দেশ্য ছিল নৌ গবেষণার সদরদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা। ১৯৬৬ সালে উপকূলীয় ঝড়ে নিউ আটলান্টিস ধ্বংস হলে প্রকল্পটি বাতিল হয়ে যায়।[৩][৪] কয়েক বছর বহুমূত্র রোগে ভোগার পর তিনি ১৯৮২ সালে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন।[৫]
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]লেস্টার ১৯১৫ সালের ১লা এপ্রিল ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ওক পার্কে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ক্লেরেন্স এডমন্ডস হেমিংওয়ে ছিলেন একজন চিকিৎসক এবং মাতা গ্রেস হল হেমিংওয়ে একজন সঙ্গীতজ্ঞ। তিনি তার ছয় ভাইবোনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। তার অন্য ভাইবোনেরা হলেন - মার্সেলিন (১৮৯৮), আর্নেস্ট (১৮৯৯), উরসুলা (১৯০২), ম্যাডেলিন (১৯০৪) ও ক্যারল (১৯১১)
ব্যক্তিগত জীবন ও মৃত্যু
[সম্পাদনা]লেস্টার দুইবার বিয়ে করেন। প্রথম পক্ষে দুই পুত্রসন্তান - পিটার ও জ্যাক জন্মগ্রহণ করেন। দ্বিতীয় পক্ষে ডরিসের সাথে তার বিয়েতে দুই কন্যাসন্তান - অ্যান ফিউয়ার ও হিলারি হেমিংওয়ে জন্মগ্রহণ করে।[৬]
১৯৮২ সালের ১৩ই সেপ্টেম্বর আইডাহোর কেচামে নিজ বাড়িতে তিনি মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন। তিনি টাইপ টু বহুমূত্র রোগে আক্রান্ত হন এবং মৃত্যুর কয়েক মাস পূর্বে তার একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল। এই হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন বলে তার পরিবারের ধারণা।[৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ হেমিংওয়ে, লেস্টার (১৯৬২)। My Brother, Ernest Hemingway (১৯৯৬: ৪, illustrated, reprint সংস্করণ)। ফ্লোরিডা: পাইনঅ্যাপল প্রেস। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৬১৬৪-০৯৮-০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য) - ↑ টার্নার, উইলিয়াম (১ জানুয়ারি ২০০৭)। History of Philosophy (3 Vols. Set)। গুগল ভিশন পাবলিশিং হাউজ। পৃ. ১৪২। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৮২২০২৩৩৭।
- ↑ হেল, রাসেল। "Contents of a Country: Leicester Hemingway's New Atlantis"। Harry Ransom Center, University of Texas at Austin। ২০ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০১৩।
- ↑ ওয়াকার, লরেন্স আর.; বেলিংহাম, পিটার (২৪ মার্চ ২০১১)। Island Environments in a Changing World। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস। পৃ. ৩৪। আইএসবিএন ৯৭৮১১৩৯৫০০২৬৫।
- ↑ লার্গো, মাইকেল (২০১০)। Genius and Heroin: Creativity and Reckless Abandon Through (ইংরেজি ভাষায়)। হারপার কলিন্স। আইএসবিএন ৯৭৮০০৬২০৪৩৬৯৬। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০১৯।
- 1 2 মিটগ্যাং, হারবার্ট (১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮২)। "Leicester Hemingway, Writer and Ernest's Brother, Is Suicide"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০১৯।
